Posts tagged ‘রম্যরচনা’

June 9, 2017

বীরেন ভট্টের অমরত্ব

মূল লেখার লিংক
ঝাঁক-ঝাঁক টিভি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে তথ্যমন্ত্রী বললেন—’বীরু আমার ছোটবেলার বন্ধু। আমরা একই মাটিতে বড় হয়েছি, একই ইশকুলে পড়েছি। ভীষণ দুষ্টু আর ডানপিটে ছিল বীরু। বীরু আজ মৃত্যুপথযাত্রী। ওর আগে কেন আমার মরণ হলো না? এত বড় একজন কবিকে হারাবার শোক কী করে বইবে দেশ?’ ইত্যাদি-ইত্যাদি বলতে-বলতে মন্ত্রীর ডান চোখ থেকে একফোঁটা, বাঁ চোখ থেকে আধফোঁটা—সাকুল্যে দেড়ফোঁটা অশ্রু মহাসমারোহে ঝরে পড়ল। অশ্রুর ছবি মুহূর্তে বন্দি হলো শত-শত ক্যামেরায়। গণমাধ্যমে মন্ত্রীর এই দেড়ফোঁটা অশ্রুর মূল্য এই মুহূর্তে দেড় কেজি হীরের চেয়ে বেশি। এই অশ্রুকে যে সাংবাদিক যত শৈল্পিকভাবে ধারণ করতে পেরেছেন, তার পদোন্নতির প্রাবল্য তত বেশি।

biruuuu

read more »

Advertisements
February 18, 2014

সচিত্র ভাপা পিঠা রহস্য

মূল লেখার লিংক

অ্যাবস্ট্রাক্টঃ স্বদেশ ছেড়ে মরার দেশে পড়ে থাকা পোড়া কপাইল্যা বলে একটা বিশেষ যে প্রজাতি আছে, তাদের মধ্যে অমাবস্যা-পূণ্যিমায় তথা চান্দে চান্দে বিবিধ ফান্দে পতনের কথা ছন্দে ছন্দে মাথার নানান রন্ধ্রে রন্ধ্রে জানান দিয়া থাকে। এমনতর শত শত ফান্দোপাদানের মাঝে শ্রদ্ধেয় শ্রীমতি ভাপা পিঠা অন্যতম।

read more »

August 4, 2013

টেনিদা, আমার নায়ক

মূল লেখার লিংক
বনভোজনের রফা করতে করতে শেষ পর্যন্ত লিস্টিটা যা দাঁড়াল তা হচ্ছে এই-

খিচুড়ি ( প্যালা রাজহাঁসের ডিম আনবে বলিয়াছে)
আলু ভাজা ( ক্যাবলা ভাজিবে)
পোনা মাছের কালিয়া ( প্যালা রাঁধিবে)
আমের আঁচার ( হাবুল দিদিমার ঘর হতে হাত সাফাই করবে)
রসগোল্লা, লেডিকিনি ( ধারে ম্যানেজ করিতে হইবে)

লিস্টি শুনে আমি হাঁড়িমুখ করে বললাম, ওর সাথে আরেকটা আইটেম জুড়ে দে – টেনিদা খাবে !

ব্যস এসে গেছেন তিনি! সর্বদাই পরের মাথায় কাঁঠাল তো কাঁঠাল, পারলে পৃথিবী ভেঙ্গে খাবেন। একবার যেই বলেছি, তুমি খাওয়াবে?

সাথে সাথে পিঠের উপরে পেল্লাই এক চড় মেরে বলল, বদনাম দিস নি বলে দিচ্ছি! আমি টেনিরাম শর্মা – কাউকে কক্ষনো খাওয়াই না – নিজেই খেয়ে থাকি বরাবর। এ হচ্ছে আমার নীতি মানে প্রিনসিপাল। তোকে খাওয়াতে যেয়ে আমার প্রিনসিপাল নষ্ট করব!

read more »

May 8, 2012

ঢাকা-সিলেট বাস ভ্রমণ এবং আমার স্বজাতি ভাবনা

মূল লেখার লিংক
পাশ করেছি। পাশ করেছি।

এনাটমি, বায়োকেমিস্ট্রি নিয়ে ভয় ছিল না। ভয় ছিল ফিজিওলজি নিয়ে। শুধু ভয় না, খুবই ভয়। এক্সটার্নাল ছিলেন প্রফেসর মহিদুর রহমান, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এর এক্স ইন্টার্নাল। স্টুডেন্ট মহলে তিনি তুমুল জনপ্রিয়। কারন, প্রফেশনাল বা পেশাগত পরীক্ষায় উনি প্রায় কিছু জিজ্ঞেস না করেই পাশ করিয়ে দেন।

কেউ আবার ভাববেননা মেডিকেলের প্রফেশনাল পরীক্ষা খুব সহজ জিনিস। প্রফ দিয়ে কেউ বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেনা, আমি পাশ করব। একটা মহান বাণী শুনেন প্রফ সম্বন্ধে। সিলেটের নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজের এক টিচার বলেছিলেন, ”মানুষ তিন জায়গায় একা যায়। কবরে, বাসর ঘরে আর প্রফের টেবিলে।” উনার নামটা আমি ভুলে গেছি। কেউ জানলে আওয়াজ দিয়েন। নামটা সোনার হরফে বাঁধিয়ে রাখা দরকার। যাই হোক, প্রফেসর মহিদুরের তুমুল জনপ্রিয়তার কারন একটু উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করি। ফিজিওলজিতে প্রফে দুইটা বোর্ড। পেপার-১ ও পেপার-২। মহিদুর স্যার ২য় বোর্ডে। আমার ক্লাসমেট সাগর পরীক্ষা দিতে গিয়েছে স্যারের বোর্ডে। সাগরের ভাষায় বলি, ”আমি রুমে ঢুকলাম। স্যার বললেন, ”কার্ড তোল”। আমি কার্ড তুলে স্যারের হাতে দিলাম। স্যার প্রশ্ন করলেন, ” বলতো, প্লাসেন্টা কাদের থাকে?” আমিতো পুরাই হতভম্ব। এ কি প্রশ্ন? আমি একটু চিন্তা করে উত্তর দিলাম, ”মেয়েদের থাকে।” স্যার বললেন,”ভেরি গুড। এটা কি সবসময় থাকে?” আমি তো পুরাই থ। এগুলা কি প্রশ্ন?

read more »