Posts tagged ‘যুদ্ধ’

September 4, 2017

পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ: মহামতি আকবরের উত্থান উপাখ্যান

মূল লেখার লিংক
মাত্র ত্রিশ বছরের ব্যবধানে ফের পানিপথ প্রান্তরে বেজে উঠেছে যুদ্ধের দামামা। এক প্রান্তে মোঘলবাহিনী প্রস্তুত। তাদের নেতৃত্বে আছেন সম্রাট আকবরের সুদক্ষ অভিভাবক বৈরাম খান। অপরপ্রান্তে মোঘলদের তুলনায় শক্তিশালী ফৌজ নিয়ে দন্ডায়মান সম্রাট হেমচন্দ্র বিক্রমাদিত্য হিমু। পানিপথের প্রথম যুদ্ধের রেশ কাটতে না কাটতেই মোঘলরা ফের জড়ো হয়েছে এক রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের উদ্দেশ্যে।

এখনো কান পাতলে হয়তো বাবর বাহিনীর জয়োল্লাস শুনতে পাওয়া যাবে।  বাতাসে মিলিয়ে যায়নি মোঘলদের বারুদের গন্ধও। কিন্তু হারিয়ে গিয়েছে তাদের সাম্রাজ্য। প্রথম যুদ্ধের তাজা স্মৃতিকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে মোঘলরা পুনরায় দিল্লী অধিকারের সংকল্পে অটল। অপরদিকে অপরাজিত সম্রাট হিমু তার মসনদ রক্ষার্থে বদ্ধপরিকর।

পানিপথের প্রথম যুদ্ধে মোঘলদের অধিকৃত দিল্লীর পতন হয়েছে আফগানদের হাতে। তারপর নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে মোঘলরা ধীরে ধীরে তাদের শক্তি ফিরে পেতে শুরু করে। কিন্তু মোঘল সম্রাট হুমায়ুনের আকস্মিক মৃত্যুতে থমকে দাঁড়ায় তাদের জয়রথ। মাত্র তের বছর বয়সী সম্রাট আকবর হয়ে ওঠেন তাদের আশা-ভরসার প্রতীক। কিশোর সম্রাটের অভিভাবক হিসেবে নিযুক্ত করা হয় বিশ্বস্ত বৈরাম খানকে। অকুতোভয় বৈরাম খান অপেক্ষাকৃত দুর্বল বাহিনী নিয়ে মোঘলদের হৃত গৌরব উদ্ধারের লক্ষ্যে পানিপথ প্রান্তরে সম্রাট হিমুর বিরুদ্ধে এক ঐতিহাসিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন।

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় সেই ঐতিহাসিক পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধকে ঘিরে।

আফগানদের ত্রাণকর্তা বিক্রমাদিত্য হিমু

পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে আফগানদের অধিপতি সম্রাট হিমুর উত্থান বেশ নাটকীয়। কারণ, প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন সামান্য একজন মুদি দোকানদার। শের শাহ (অপর নাম ইসমাইল শাহ) এর অধীনে তিনি দিল্লীর হাট-বাজার পরিদর্শক হিসেবে নিযুক্ত হন। তার কর্মকাণ্ডে মুগ্ধে হয়ে শের শাহ তাকে পাঞ্জাবের গভর্ণর নিযুক্ত করেন। শের শাহের মৃত্যু পর্যন্ত তিনি গভর্ণর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


বিক্রমাদিত্য হিমুর মূর্তি

read more »

Advertisements
August 20, 2017

কলিঙ্গ যুদ্ধ: উপমহাদেশের ইতিহাসে এক রক্তক্ষয়ী উপাখ্যান

মূল লেখার লিংক
লাশের স্তূপ থেকে এক আহত সৈনিক বের হয়ে এসেছেন। সারা শরীর ক্ষত-বিক্ষত এই সৈনিক জ্ঞান হারিয়ে চাপা পড়েছিলেন লাশের স্তূপের নিচে। জ্ঞান ফেরার পর থেকেই তার প্রচণ্ড তৃষ্ণাবোধ হচ্ছে। যুদ্ধক্ষেত্রের পাশ দিয়ে বয়ে চলা দায়া নদীর দিকে হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এক আঁজলা পানি না পেলে এই যাত্রা আর বাঁচবেন না এই তার আশঙ্কা!

নদীর কাছাকাছি চলে আসার পর উঠে বসলেন সৈনিক। যেই না পানি স্পর্শ করতে যাবেন, তখনই ভয়ে শিউরে উঠলেন তিনি। অস্ফুট স্বরে বলে উঠলেন, “পানি কোথায়?”

বিশাল দায়া নদীর পানি শুকিয়ে যায়নি। তা কল্পনায়ও অসম্ভব! তাহলে কী দেখে ভয় পেয়েছিলেন সেই সৈনিক? নদীর পানি ঠিকই বয়ে চলছিল আপন খেয়ালে। কিন্তু সেদিন দায়া নদীর পানি ঠিক আমাদের পরিচিত রঙহীন পানির মতো ছিল না। সেই পানির রঙ ছিল টকটকে লাল!

হ্যাঁ, কলিঙ্গ যুদ্ধের কথাই বলছিলাম। উপমহাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত যুদ্ধ সম্রাট অশোকের কলিঙ্গ যুদ্ধ। যুদ্ধের রক্তপাতের তীব্রতা এতোই ছিল যে, কলিঙ্গের দায়া নদী সৈনিকদের বুকের রক্তে টকটকে লাল হয়ে গিয়েছিল। আমাদের আজকের আলোচনা সেই ঐতিহাসিক কলিঙ্গ যুদ্ধকে ঘিরেই।

কলিঙ্গ একটি রাজ্যের নাম

কলিঙ্গ যুদ্ধ সংঘটিত হয় মৌর্য বংশের সম্রাট অশোক এবং প্রাচীন ভারতের শক্তিশালী রাজ্য কলিঙ্গের মধ্যে। প্রাচীন ভারতের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজ্য কলিঙ্গের পূর্বদিকে গঙ্গা এবং উত্তরে গোদাবরী নদী বয়ে চলেছে। এর উত্তরে মৌর্য সাম্রাজ্যের দক্ষিণ রাজ্য অবস্থিত ছিল। বর্তমানে মানচিত্রে চোখ বুলালে প্রাচীন কলিঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ নগরীসমূহকে নব্য উড়িষ্যার মাঝে খুঁজে পাওয়া যাবে


প্রাচীন ভারতের মানচিত্রে কলিঙ্গ

read more »

March 5, 2017

বখতিয়ার খিলজীর বাংলা বিজয়

মূল লেখার লিংক
কয়েক হাজার অক্ষরের বিন্যাসে লেখা ইতিহাসের বইটা যতটা নীরস লাগে, মূল ইতিহাস কিন্তু ততোটা রসহীন হয় না। প্রতিটি ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে থাকে অজস্র উত্থান-পতন, রক্তপাত, দুর্বিষহ বাস্তবতা। “বখতিয়ার খিলজী ১২০৪ সালে মাত্র ১৭ জন অশ্বারোহী সেনা নিয়ে নদীয়ার রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন”- ইতিহাসের বইয়ের এই লাইনটি নিশ্চয় সবার ঝাড়া মুখস্ত রয়েছে? যদিও এর আগের বা পরের কোনো কিছুই আমাদের ঠিকমতো জানা নেই। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই বখতিয়ার খিলজী আর তার দুর্ধর্ষ অভিযানের কথা।

শিল্পীর চোখে বখতিয়ার খিলজী : kalayi.blogspot.com

read more »

January 30, 2017

পেশোয়া বাজিরাওঃ এক বীরের বীরত্ব ব্যাঞ্জনা

মূল লেখার লিংক
পেশোয়া বাজিরাও বল্লাল। ভারতবর্ষের ইতিহাসবিখ্যাত হিন্দু বীরদের মাঝে চিরভাস্বর এক নাম। কালের কাল ফাঁদে ক্রমশ ফিকে, কিন্তু ইতিহাসের পাতায় সদা জাজ্বল্যমান তিনি; বীরত্বের মূর্ত প্রতীক এক নাম, বাজিরাও। ভারতের ইতিহাসে প্রায় দুইশ বছর ধরে চলা শক্তিশালী মোঘল সাম্রাজ্যকে সমূলে গুঁড়িয়ে দেয়ার এক দুর্ধর্ষ প্রতিজ্ঞা বুকে নিয়ে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু। বলা হয়ে থাকে, সমগ্র জীবনে ৪১টিরও বেশি যুদ্ধে লড়েছেন তিনি এবং একটিও হারেন নি। অসাধারণ রণকৌশল, অভাবনীয় কূটনৈতিক বিচক্ষণতা, প্রদীপ্ত সাহস আর লক্ষ্যের প্রতি একাগ্রতা- এই ছিলো তার চরিত্রের সবচাইতে শক্তিশালী দিক। কিন্তু আসলে কে ছিলেন এই বাজিরাও?

শিল্পীর চোখে বাজিরাও thefamouspeople.com
শিল্পীর চোখে বাজিরাও : thefamouspeople.com

read more »

December 23, 2016

যেভাবে থেমে গেল মোঙ্গলবাহিনীর জয়রথ

মূল লেখার লিংক
বলতে দ্বিধা নেই মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর সেনাবাহিনী হল মধ্যযুগের মোঙ্গল বাহিনী যার সূচনা হয়েছিল চেঙ্গিস খানের হাতে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে তাতার বাহিনী নামে পরিচিত ছিল মোঙ্গল বাহিনী। ১২০৬ সালে চেঙ্গিস খানকে মঙ্গোলিয়ার স্তেপের একচ্ছত্র অধিপতি বা গ্রেট খান হিসাবে ঘোষণা করার পর মোঙ্গল বাহিনী একে একে জয় করে নিয়েছিল এশিয়া ও ইউরোপ বিস্তীর্ণ অঞ্চল।

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্যের মালিক ছিল মোঙ্গলরা। চেঙ্গিসখানের সময় থেকে শুরু হওয়া মোঙ্গলদের জয়যাত্রা অব্যাহত ছিল পরবর্তী গ্রেট খানদের সময়ও। ভাবতে অবাক লাগে ১২০৬ সাল থেকে ১২৬০ সাল এই অর্ধশত বছরে তাঁরা একটি যুদ্ধেও হারেন নি। বাগদাদ, সমরখন্দ, বেইজিং, বুখারা, আলেপ্পোর মত বড় বড় শহর তাতারি হামলায় মাটির সাথে মিশে গিয়েছিল। কি পূর্ব কি পশ্চিম এমন একটিও রাজ্য ছিলনা যারা মোঙ্গলদের গতি পথে বিন্দুমাত্র বাঁধা সৃষ্টি করতে পেরেছিল। বিশ্বজয়ের যে আকাঙ্খা অপূর্ণ রেখে মারা গিয়েছিলেন চেঙ্গিস খান, তার পুত্র ও পৌত্ররা সেইটার যেন সত্য করতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের বর্বরতায় ইউরোপ ও এশিয়ার কোটি কোটি নিরীহ মানুষ প্রাণ দিয়েছ অনেকটা বিনা প্রতিরোধে। তাই সারা দুনিয়ার মানুষ ভাবতে শুরু করেছিল মোঙ্গলদের থামানো বোধ হয় অসম্ভব। কিন্তু ১২৬০ সালে হঠাৎই থেমে গেল অপ্রতিরোধ্য মোঙ্গলদের জয়রথ। এক অসাধ্য সাধন হল ফিলিস্তিনের গাজার অদূরে আইন জালুত প্রান্তরে। মোঙ্গল প্রথম পরাজয়ে সেই অবিশ্বাস্য কাহিনী নিয়ে লেখা হয়েছে এই প্রতিবেদনটি।


read more »

October 17, 2016

ব্যাটল ট্যাংকের একশ বছর

মূল লেখার লিংক
maxresdefault
যুদ্ধক্ষেত্রে প্রথম ট্যাংকের ব্যবহার হয়েছিল ১৯১৬ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ এখন থেকে একশ বছর আগে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানদের বিরুদ্ধে সমের যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনী নতুন এই মারণাস্ত্র ব্যাবহার করেছিলো।

অত্যন্ত গোপনে নির্মাণ করা হয়েছিলো ট্যাংক। এমনকি প্রথম যারা তা ব্যবহার করেছিলেন তারাও প্রথম এই অস্ত্র দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন।

read more »

June 8, 2016

২য় বিশ্বযুদ্ধে ট্যাংক

মূল লেখার লিংক

২য় বিশ্বযুদ্ধে ট্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ সময় ট্যাংকের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়। যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী দেশগুলো এ সময় তাদের ট্যাংকের উন্নতিতে অখন্ড মনোযোগ দেয়।

read more »

April 26, 2016

দ্যা থিন রেড লাইন (১৯৯৮)— একটা আধ্যাত্মিক অ্যান্টি-ওয়ার মাস্টারপিস

মূল লেখার লিংক

রিভিওর শুরুতেই ‘আধ্যাত্মিকতা’ জিনিসটারে সংক্ষেপে একটু খোলাসা কইরা দেই, যেহেতু বিষয়টা খুব ওয়াইডলি মিসআন্ডারস্টুড। তারপর আপানারে নিয়া যাবো দশ হাজার বছর পেছনে। তারপর নিয়া যাবো মুভিতে।

read more »

April 2, 2016

খালিদের ইয়ারমুখের যুদ্ধ – দিগ্বিজয়ী এক ক্যাভুলারি জেনারেলের গল্প

পর্ব ০১ _________________________________________________________

খলিফা আবু বকর খেলাফতের দায়িত্ব নেবার পর পরই কঠিন এক চ্যালেঞ্জের মুখে পরেছিলেন; মহানবী (সাঃ) এর মৃত্যুর পর আরব গোত্র গুলোর ঐক্যে দ্রুত ফাটল ধরল, আর জায়গায় জায়গায় নতুন নতুন সব ভন্ড নবী-রাসুল উদয় হতে লাগল। এদের থামাতে আর দমাতে গিয়ে শুরু হল রিদ্দা ওয়ারস।

read more »

January 26, 2015

ইতিহাসের ভিন্নপাঠ।। চেঙ্গিস খান

মূল লেখার লিংক

“চেঙ্গিস খান ছিলেন শক্তিমান, প্রজ্ঞাবান, কুশলী, সম্ভ্রম-জাগানিয়া, কসাই, ন্যায়বান, দৃঢ়চেতা, শত্রুর বিনাশকারী, অকুতোভয়, আশাবাদী ও নির্মম এক মানুষ। ’’

– পারসিক এক ইতিহাসবিদ

read more »

August 22, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ১১ : নয় ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতি-শেষ কিস্তি

মূল লেখার লিংক


সানজুর সময়ে চাং পার্বত্য এলাকায় শুয়াই-জান নামের এক ধরনের সাপ দেখা যেত, যার লেজে ধরতে গেলে সে ছোবল মারত, ফনায় ধরতে গেলে লেজ দিয়ে আঘাত করত, আর পেটে ধরতে গেলে ফনা আর লেজ দুটো দিয়েই আক্রমন করত। সানজুর মতে দক্ষ জেনারেলের আর্মি সেই শুয়াই-জান সাপের মতই লড়ে। কারন তার আর্মির যোগাযোগ ব্যাবস্থা এমন যে, এক অংশে কি হচ্ছে সে ব্যাপারে আরেক অংশ ওয়াকিবহাল থাকে। তাদের সমন্বয় এতো চমৎকার থাকে যে, এক অংশ যখন সামনে থেকে শত্রুকে ব্যস্ত রাখে তখন অন্য অংশ শত্রুর পাশ দিয়ে অথবা পেছন দিয়ে আক্রমন করে বসে।

read more »

August 17, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ১০ : দ্য আর্মি অন দ্য মার্চ

মূল লেখার লিংক


ইয়ারমুখ যুদ্ধের ৫ম দিন ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতে মুসলিম ক্যাম্পের সীমানায় সাদা পতাকা হাতে বাইজান্টাইন দুত এসে দাড়াল। বাইজান্টাইন সেনাপতি ভাহান কয়েকদিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে খালিদের কাছে। তখনকার দিনে যুদ্ধেও এক ধরনের রাজসিক ভাব ছিল। যুদ্ধ শুরুর আগে সম্রাট হেরাক্লিয়াস আর খলিফা উমর দুজনই যখন কুটনৈতিকভাবে একটা সমাধানে পৌছাতে চেস্টা করছিলেন, তখন এই ইয়ারমুখ প্রান্তরেই ভাহান আর খালিদ যার যার সেনাদল নিয়ে প্রায় একমাস মুখোমুখি তাবু গেড়ে বসে ছিলেন।

read more »

August 9, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ :০৯ : চিরায়ত রণকৌশলে নয়টি ব্যতিক্রম ভাবনা

মূল লেখার লিংক

জার্মান সেনাবাহিনীতে ‘নরমাল ট্যাকটিকার’ এবং ‘অফট্র্যাগস ট্যাক্টিক’ নামের দুই ধরনের সৈন্য পরিচালনা পদ্ধতি বিদ্যমান। ‘নরমাল ট্যাকটিকার’ মানে আপনে জানেন কে আপনার বস। তিনি আপনারে কাজ ধরায়া দিবে আর আপনি কোথাও কোন ডাউট হইলে তার কাছ থেকে ক্লিয়ার করে নিবেন। আর ‘অফট্র্যাগস ট্যাক্টিক’ মানে আপনার বস আপনারে একটা কাজ ধরায়া দিবেন আর একটা টাইম লিমিট বলে দিবেন। এইবার আপনি আপনার মত টাইমলি কাজ শেষ করে দিবেন।

read more »

August 9, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ০৮ : মেনুভার

মূল লেখার লিংক

’৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষদিকে যখন ভারতীয় সেনাবাহিনীর অংশগহন প্রায় নিশ্চিত, তখন জেনারেল নিয়াজি উপলব্ধি করলেন নিরীহ বাঙালি মারার ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ কন্সেপ্ট দিয়ে ইন্ডিয়ান আর্মির মোকাবিলা করা অসম্ভব। অতএব অক্টোবর ’৭১ নাগাদ তিনি তার প্ল্যান রিভিউ করে তার ডিফেন্স ঢেলে সাজেলেন। নতুন এই কন্সেপ্টে তিনি বর্ডার আউটপোস্ট বরাবর ১ম লাইন, বর্ডার থেকে ঢাকামুখী মহাসড়কের ওপর বড় বড় শহর বরাবর ২য় লাইন, এবং ঢাকার বাইরে আর ভেতরে মিলিয়ে আরো দুই লাইন, মোট চারস্তরে ডিফেন্স নিলেন, যাকে বলা হল ফোর্ট্রেস কন্সেপ্টে ডিফেন্স।

read more »

August 9, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ :০৬ : কমান্ডার হিসেবে আপনি কতটা শক্তিশালী?

মূল লেখার লিংক


ধরেন আপনি একটা অফিসের বস আর আপনার আন্ডারে দশজন কর্মী কাজ করেন। এদের বেতন ভাতা, ট্রেনিং, পারফরমেন্স, পোস্টিং, প্রমোশন, ছুটি আর ওয়েলফেয়ার দেখার দায়িত্ব আপনার। তো আশা করছি আপনিই ভাল বু্ঝেন কিভাবে তাদের দিয়ে অফিসের কাজ চালিয়ে নিতে হয়। আর আপনি যদি দশজনের একটা অফিস চালাতে পারেন তো ১০০ জনের একটা প্রতিষ্ঠানও পারবেন। এইটা আমার না, মহামতি সানজুর দাবী। সানজু বলেন, ব্যবস্থাপনা আর নিয়ন্ত্রনের (ম্যানেজমেন্ট এন্ড কন্ট্রোল) বিষয়ে একজন সামলাইতে যে ফরমুলা একশজন সামলাইতেও ঐ একই ফরমুলা। সংগঠনের সাইজ অনুযায়ী চেইন অব কমান্ডটা খালি লম্বা হয়, এই আরকি।

read more »