Posts tagged ‘মসজিদ’

June 30, 2017

সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ বিশ্বের কিছু মসজিদ

মূল লেখার লিংক
মিনার, গম্বুজ ও নানান নকশার ভিত্তিতে সারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় দেখা মেলে নান্দনিক সব মসজিদের। এসব মসজিদের কয়েকটি আবার দাঁড়িয়ে আছে বহু পুরনো ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে। দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদগুলো নিয়েই তবে কথা হয়ে যাক আজকে।

১। গ্রেট মস্ক অব সামারা, ইরাক

ইরাকের উত্তর দিকের একটি নগরের নাম সামারা। বাগদাদ থেকে ১২৫ কিলোমিটার দূরে তাইগ্রিস নদীর পাড়ে সামারার অবস্থান। আর এই সামারাতেই রয়েছে এক সময়ের বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম মসজিদ ‘গ্রেট মস্ক অব সামারা’। এই মসজিদটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিলো ৮৪৮ সালে এবং পরে ৮৫১ সালে গিয়ে শেষ হয়েছিলো এর নির্মাণ কাজ। এর বিশেষত্ব হলো শামুকের মতো দেখতে মিনার, যার নাম ‘মালাউইয়া’। সর্পিল পথের ৫২ মিটার উঁচু এই মিনারটি প্রস্থে ৩৩ মিটার। নবম শতকে আব্বাসীয় খলিফা আল-মুতাওয়াককিল (৮৪৭-৮৬১)  নির্মাণ করে এই ‘গ্রেট মস্ক অব সামারা’। ২০০২ সাল থেকে মার্কিন সেনারা ইরাকে আগ্রাসন চালানো শুরু করলে এক সময় সামারাও চলে আসে তাদের দখলে এবং আশেপাশের অঞ্চল পর্যবেক্ষণের জন্য তারা এই মসজিদের মিনারেই অবস্থান করত। পরে বোমার আঘাতে, ২০০৫ সালের ১ এপ্রিল মালাউইয়া মিনার ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

শামুকের মতো দেখতে মিনার, ‘মালাউইয়া’

read more »

July 1, 2015

কয়েকটি প্রশ্ন ও বাস্তবতা

মূল লেখার লিংক
মালমো শহরের মসজিদ
অনেক বছর হলো দেশ ছেড়ে বিদেশে এসেছি | পড়াশোনা ও কাজের ব্যস্ততার কারণে এখনো দেশে একবারও ঘুরে আসার সুযোগ হয়নি | এই সময়ের মধ্যে পরিবারে অনেক নতুন মুখের আগমন ঘটেছে। আবার অনেক কাছের মানুষ না ফেরার দেশে চলে গেছেন | যাদের জন্ম হয়েছে তারা সবাই আমাকে দেখার অনেক ইচ্ছা প্রকাশ করে |

read more »

April 26, 2014

সবার জন্য উন্মুক্ত এক মসজিদ

মূল লেখার লিংক
শেখ জায়েদ মসজিদের কেন্দ্রীয় চত্বর। ছবি: বিবিসি
বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদগুলোর বেশির ভাগই দর্শনার্থীদের জন্য সময় নির্দিষ্ট করা থাকে। আর অনেক অমুসলিম দর্শনার্থীই সেসব মসজিদ দেখতে গিয়ে নানা অস্বস্তিতে পড়েন। কিন্তু আবুধাবির ‘শেখ জায়েদ মসজিদ’ সব মানুষের জন্য উন্মুক্ত। ২০০৭ সালে দ্বার খোলা এই মসজিদে যেতে পারেন যেকোনো ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের সব মানুষই।

read more »

October 25, 2012

কে এই মাওলানা!! কী তার পরিচয়

মূল লেখার লিংক
১৯৬৭ সাল। জানুয়ারী মাসের কোন এক দুপুর।
রোদের আলোয় ঝলমলে দ্বিপ্রহর ঠান্ডা হয়ে আসছে। সকাল থেকে চারিদিকে হইচই লালবাগে। পুরান ঢাকার সরু রাস্তাগুলোতে গিজগিজ করছে পুলিশের গাড়ী। নিরাপত্তাবাহিনীর সবাই তটস্থ, যার যার দায়িত্বে তারা সতর্ক।

পূর্ব পাকিস্তানের সর্বোচ্চ ক্ষমতাশালী লোক গভর্ণর মুনায়েম খান আসছেন। এ সংবাদে এলাকাবাসীরও আগ্রহের কমতি নেই। তারাও ফিসফিস করছে। দূরে দাঁিড়য়ে তামাশা দেখছে।

বেলা তিনটা। ভোঁ ভোঁ শব্দ তুলে লালবাগ শাহী মসজিদের সামনে এসে গাড়ী থামল। গভর্ণর গাড়ী থেকে নামলেন। বাসা থেকে পায়জামা পাঞ্জাবী পরে এসেছেন তিনি। গাড়ি থেকে নেমে বুকপকেটে ভাঁজ করে রাখা টুপি বের করে মাথায় দিলেন।

read more »

October 23, 2012

রাতঃদার সাথে স্মরণীয় চারটি দিন

মূল লেখার লিংক
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ ছবি দিয়ে হাতী পোস্ট। মোট ৩১ টা ছবি।

গতমাসের শেষদিকে খোমাখাতায় একটা বন্ধুত্ব চেয়ে নোটিশ পাই। প্রেরকের বক্তৃতা দাওয়ার ছবি এবং নাম দেখে আমি ধরেই নেই যে ইনি নির্ঘাত কোনও রাজনৈতিক দলের পাণ্ডা। কাজেই পত্র পাঠ তাকে ‘নট নাউ’ বলে দেই। কিছুক্ষণ পরেই দেখি ইনবক্সে একটা মেসেজ। রাতঃস্মরণীয়দা দাবী করেছেন যে ওই আসাদুজ্জামান আসাদ ব্রাকেটে তাজ আসলে উনিই। আর ওই বক্তৃতা দাওয়ার ছবিটাও উনার। তো আর কী করা! এইবারতো এ্যডাইতেই হয় বন্ধু হিসেবে। তারপর বেশ কিছুদিন চলে গেল। হটাৎ করেই এই মাসের (সেপ্টেম্বর ২০১২) ৪ তারিখে উনাকে একটা মেসেজ পাঠাই। বলি যে ‘আমাদের না কী সব ল্যাটিচিউড / লংগিচিউড মারকিং করতে যাওয়ার কথা। কবে যাব?’ সচলেই তানভীর ভাইয়ের দাওয়া পোস্টে এটা নিয়ে কথা হয়েছিল।

উনি অল্পক্ষণের ভিতরেই জানালেন যে এর ভিতরেই দুইটা পয়েন্টের কাছাকাছি যাওয়া হলেও ওই আয়োজন করে আর যেতে পারেননি সময়ের অভাবে। এবং প্রস্তাব করলেন যে শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) উনার সাথে খুলনা যেতে পারি ইচ্ছে করলে। একেবারে সুন্দরবনের কিনারা পর্যন্ত যাবেন উনি অফিসের কাজে। সেদিনই সম্মতি দিয়ে দিলেও জানালাম পরের দিন নিশ্চিত করব। কারন হাতে যে কাজ আছে সেটার দায়িত্ব কাউকে দিয়ে যেতে হবে। সেরকম একজনকে খুঁজে বের করে জানিয়ে দিলাম রাতঃদা ওরফে আসাদ ভাই ওরফে তাজ ভাইকে, যে আমি যাচ্ছি।

read more »