Posts tagged ‘বিজ্ঞান’

July 24, 2017

ডেড সী স্ক্রোল: মৃত সাগরের জীবন্ত পুঁথি

মূল লেখার লিংক
সময়টা তখন ১৯৪৭ এর দিকে। মৃত সাগরের উত্তর-পশ্চিম তীর ঘেঁষে অবস্থিত কুমরান গুহা। এই গুহাতেই পাথর নিক্ষেপ করার খেলায় মত্ত দুই বেদুইন বালক। মেষ চড়ানোর বায়না ধরে প্রায়ই এদিকটায় চলে আসে দুই ভাই মিলে। হঠাৎ বড় একটা পাথর ছোঁড়ার পর অদ্ভুত রকমের শব্দ হলো। প্রথমদিকে তারা মনের ভুল ভেবে উড়িয়ে দিলেও, প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের পর একই রকম শব্দ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল মাটির তৈরি কিছু একটা ভেঙে গেছে। দুই বালক খেলা থেমে চুপ করে দাঁড়িয়ে পড়লো।

বাতাসে ভেসে আসা মৃত সাগরের লোনা গন্ধ আর পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়া বিকেলের সূর্য চারিদিক করে তুলেছিল রহস্যময়। তখনো সন্ধ্যা হতে অনেক দেরি। তাই এই অদ্ভুত শব্দের উৎস জানার জন্য দুজনে মিলে ঢুকে পড়লো গুহার ভেতর।

সেদিন সেই দুই বালকের সাহসী পদক্ষেপ উন্মোচন করে দিল এক গুপ্ত ইতিহাস। তারা গুহার ভেতর প্রবেশ করে উদ্ধার করলো বড় বড় মাটির পাত্র। পাত্র গুলো উল্টে দিতেই মাটিতে ছড়িয়ে পড়লো অগণিত চামড়ার তৈরি স্ক্রোল। এরকম প্রায় ৭টি বড় পাত্র ভর্তি স্ক্রোল উদ্ধার করলো দুজন মিলে। তখন বাইরের আকাশে সূর্য প্রায় অস্ত যাই-যাই করছে। দুই বালক ছুটে চলে গেল বেদুইন পল্লীর দিকে। চিৎকার করতে লাগলো হাত-পা ছুঁড়ে, “গুপ্তধন! গুপ্তধন!”

বেদুইন সর্দার সব শুনে রাতটা অপেক্ষা করলেন। পরদিন ভোর হতেই দলে দলে কুমরান গুহাতে হানা দিলেন। উদ্ধার করে নিয়ে আসলেন শত শত স্ক্রোল। আশেপাশের সব গুহাতে তল্লাশী চালানো যখন শেষ, তখন বেদুইনদের ঝুলিতে স্ক্রোলের সংখ্যা ৯০০ ছুঁই ছুঁই করছে। জেরুজালেমে তীর্থের উদ্দেশ্যে অনেক মানুষ জড়ো হতেন। এই খবর চারিদিকে ছড়িয়ে গেলে সবাই বেদুইন পল্লীতে ছুটে আসলেন। এভাবেই মানবসভ্যতার চোখের আড়াল হয়ে থাকা রহস্যময় ডেড সী স্ক্রোল নতুন করে ফিরে আসলো আমাদের মাঝে; সাথে নিয়ে এলো এক অজানা ইতিহাস!

সেই দুই বেদুইন, যারা বাল্যকালে খেলার সময় স্ক্রোলগুলো উদ্ধার করেন।

read more »

Advertisements
July 5, 2017

প্রকৃতিতে গণিতের সন্ধানে: গাণিতিক সৌন্দর্য

মূল লেখার লিংক
গণিত মানেই কঠিন কঠিন সব সমীকরণ আর প্রাণহীন শুষ্ক বিষয়! এমন ধারণা আমরা অনেকেই পোষণ করি। গণিতের সৌন্দর্য খোঁজা তো দূরে থাক, কখনো কি প্রকৃতিতে গণিতকে আবিষ্কার করার চেষ্টা করেছি? না, করিনি। আমাদের চারপাশে এমন অনেক জিনিস ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, যাদের মাঝে লুকিয়ে থাকা কত না গণিতের সৌন্দর্য। সেটা হতে পারে গাছের পাতায়, পানির ফোঁটায়, শামুকের খোলসে, মৌচাকে, মাকড়শার জালে কিংবা চোখের সামনে কোনো ফাটলে। গণিত লুকিয়ে আছে কিছু মানুষের মুখমণ্ডলের গঠনে। চলুন, আজ আপনাদের ঘুরিয়ে নিয়ে আসি গণিতের সৌন্দর্যের জগতে।

সূর্যমুখীর বীজের প্যাটার্ন

সূর্যমুখীর বীজ একটি বিশেষ প্যাটার্নে বিন্যস্ত থাকে। একে ফিবোনাক্কি ধারা বা ক্রম বলে। ধারাটি এরকম: ০, ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪…। অর্থাৎ এই ধারার কোনো একটি পদ তার পূর্বের দুইটি পদের যোগফলের সমান। ধারাটি শুধুমাত্র সূর্যমুখীর বীজে পাওয়া যায় তা নয়। এমন অনেক উদ্ভিদের মাঝেই এই ধারায় বীজের বিন্যাস দেখা যায়। ছবিতে লক্ষ করুন, কী দেখতে পাচ্ছেন?

read more »

February 27, 2017

পৃথিবী বিখ্যাত কিছু মনোবৈজ্ঞানিক পরীক্ষা

মূল লেখার লিংক
পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় বিষয় বোধ হয় মানুষের মন। এই মন নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। মনোবিজ্ঞানীদের করা কিছু এক্সপেরিমেন্ট তথা পরীক্ষা পাল্টে দিয়েছে মানুষের মন নিয়ে চিরন্তন ধারণা। সেরকমই কিছু পরীক্ষার কথা আজ বলবো।

A Class Divided

যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া স্টেটের স্কুল শিক্ষক জেন এলিয়ট তার শিক্ষার্থীদের উপর এই এক্সপেরিমেন্টটি চালান। মার্টিন লুথার কিংয়ের চিন্তাধারা তাকে সবসময় প্রভাবিত করত। ১৯৬৮ সালে যখন মার্টিন লুথার কিংকে খুন করা হয় তারপর থেকেই তিনি তার ছাত্র-ছাত্রীদের বর্ণবাদ, বৈষম্য এই ব্যাপারগুলো বোঝাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু তা ফলপ্রসূ হচ্ছিলো না। তারা আগের মতোই মফস্বল থেকে আসা শিক্ষার্থীদের অবজ্ঞার চোখেই দেখে যাচ্ছিল।

জেন এলিয়ট তার ক্লাসে

read more »

October 10, 2016

রসায়নে নোবেল: সূক্ষ্ম যন্ত্রের অবাক জগৎ

মূল লেখার লিংক

ছবি: নোবেলপ্রাইজ.অরগ
এবারের কেমিস্ট্রিতে নোবেল দেয়া হয়েছে তিনজন বিজ্ঞানীকে (ফ্রান্স এর Jean-Pierre Sauvage, আমেরিকার Sir J. Fraser Stoddart এবং নেদারল্যান্ড এর Bernard L. Feringa) পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র আণবিক যন্ত্র (Molecular Machine) উদ্ভাবন করার জন্য। তাদের তৈরী স্ব-নিয়ন্ত্রিত আণবিক যন্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে অতি ক্ষুদ্র আকৃতির লিফ্ট, কৃত্রিম পেশী এবং অতি ক্ষুদ্র মোটর যেগুলোকে শক্তি (Energy) প্রয়োগ করে কর্মক্ষম (active) এবং আন্দোলিত (movement) করানো যায়।

read more »

September 18, 2016

বিজয়ীদের লেখা ইতিহাসে যারা ঘৃণিত, তাদের কিছু ভালো কাজ

মূল লেখার লিংক

আজ পৃথিবীতে এমন ব্যাক্তি খুঁজে পাওয়া খুব কস্টকর হবে ,যারা হিটলার বা তার নাৎসি পার্টিকে ঘৃণা করেন না। ২য় বিশ্বযুদ্ধের কারন হিসেবে বেশীরভাগ মানুষই হিটলারকে দায়ী করবে। তবে আমার ব্যাক্তিগত মতামত হলো ২য় বিশ্বযুদ্ধের মূলকারণ ছিলো অসম ভার্সাই চুক্তি, মূলত ভার্সাই চুক্তির মধ্যেই রোপিত হয়েছিলো ২য় বিশ্বযুদ্ধের বীজ।

read more »

April 26, 2016

মহাশূন্যের গোলকধাঁধা এবং সাধারণ কিছু ভুল ধারণা

মূল লেখার লিংক
“মহাশূন্য শব্দটা বলতে আমরা কী বুঝি?” একবার এক পরিচিত চা-বিক্রেতাকে এই প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করেছিলাম। উদ্দেশ্য ছিলো- একজন বিজ্ঞান-যাত্রী হিসেবে সমাজে বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তা-ভাবনা ছড়িয়ে দেয়া, যাতে পরে সবার সামনে ঘটনাটা বলে একটু ভাব নিতে পারি। ভেবেছিলাম আর সবাই যা বলে, তিনিও তাই বলবেন। হয়তো বলবেন- মহাশূন্য হচ্ছে এমন একটা জায়গা যেখানে সব গ্রহ-নক্ষত্ররা থাকে। কিন্তু উত্তরে সেই চা-বিক্রেতা আমার অর্ডার করা রঙ চায়ের জন্যে আদা কুচি করতে করতে জবাব দিলেন, “মামা, মহাশূইন্য হইতাসে খালি প্যাঁচ আর প্যাঁচ। এইডারে তো এক কথায় বুঝায়া কইতে পারুম না”।

read more »

April 26, 2016

ইন্টারস্টেলার বিজ্ঞান

মূল লেখার লিংক
10336631_861575587221151_1742891555984760217_n

৭ নভেম্বর, ২০১৪ তারিখে বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে সায়েন্স ফিকশন মুভি Interstellar। মুভির পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান গল্পের ভেতর বিজ্ঞানের বিষয়গুলো সত্যের কাছাকাছি রাখতে বিখ্যাত পদার্থবিদ কিপ থর্নের পরামর্শ নিয়েছেন।

read more »

April 22, 2016

হিলিয়াম মুখে নিলে কেন আপনার গলার স্বর অদ্ভূত হয়ে যায়?

মূল লেখার লিংক
প্রশ্নের বিশেষত্বটা পরিষ্কার করা যাক। আপনি যখন কথা বলছেন আর হিলিয়াম মুখে শ্বাস হিসেবে নিয়ে আপনি যখন কথা বলবেন আপনার স্বর বদলে যাবে গলার। দুটো সময়ে আলাদা রকমের শোনা যাবে উৎপন্ন আওয়াজ। নাইট্রোজেন, অক্সিজেন গ্যাসের স্বরের সাথে বড় পার্থক্য করে দেয় হিলিয়াম। হিলিয়ামের সাথে তাদের গ্যাসের ধর্মের পার্থক্য এই পরিবর্তনের জন্য দায়ী।

read more »

February 20, 2016

যে তরঙ্গ সন্ধান দেয় এক নতুন মহাজাগতিক সমুদ্রের….

মূল লেখার লিংক
(আমি পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র হলেও এই লেখায় ইচ্ছা করেই পদার্থবিজ্ঞানের ভাষা এবং সংজ্ঞাগুলো খুব শক্তভাবে ব্যবহার করি নি… কারণ আমার লেখার উদ্দেশ্য মানুষকে বিজ্ঞানটা বুঝানো না, বিজ্ঞানের মানবিক দিকটা তুলে ধরা! এজন্য বিজ্ঞানমনস্ক পাঠকের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি!)

আমি বসে আছি আমাদের রাইস ইউনিভার্সিটির অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টের হলরুমে, বিশাল বড় স্ক্রিনে আমাদের ইউনিভার্সিটির ছাত্র-শিক্ষকরাও যোগ দিয়েছেন লাইগোর (লেসার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ অবজারভেটরি) প্রেস কনফারেন্সে… ফ্যাকাল্টিদের সবার মাঝে বেশ চাপা উত্তেজনা, আর আমাদের মত গণ্ডমূর্খ পি.এইচ.ডি ছাত্ররা ভাব ধরে বসে আছি যে সব বুঝতে পারছি!

read more »

September 24, 2015

আপেক্ষিকতা-০১ (স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের আলো)

মূল লেখার লিংক

১।

মহাজাগতিক দৃষ্টিকোণ থেকে আজকের দিনটা আন্তর্জাতিক মানের একটা নিরপেক্ষ দিন। কি, ঘাবড়ে গেলেন বুঝি? আরে নাহ। আসিফ নজরুল গং মহাজাগতিক কোনও হতাকর্তা হয়ে বসেন নি। এটি নিতান্তই একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, প্রকৃতির বাৎসরিক রুটিন ওয়ার্ক।

read more »

September 13, 2015

চাঁদে মানুষ যাওয়া নিয়ে নির্মিত ষড়যন্ত্রতত্ত্বগুলোর জবাবে

মূল লেখার লিংক

মানুষ ফ্যান্টাসী পছন্দ করে। বস্তবতার কাটখোট্টা জগৎ তাকে যথাযথভাবে বিনোদিত বা আকৃষ্ট করে না। ফলে একশ্রেনীর মানুষ বিভিন্ন ধরনের ঘটনা, তত্ত্ব এসবের বিকল্প ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর চেষ্টা করে বা এধরনের কর্মকান্ডে সমর্থন ও আস্থা স্থাপন করে আনন্দ লাভ করে।

read more »

April 21, 2015

৩০০ বছর পরে ইতিহাস গড়ল ‘দ্রাঘিমা’ ঘড়ি

মূল লেখার লিংক
জন হ্যারিসন, ঘড়িটির উদ্ভাবক
ধারণাটা যখন দিয়েছিলেন, তখন কেউই পাত্তা দেয়নি জন হ্যারিসনকে। দেবেই বা কী করে? সময়টা তো ৩০০ বছর আগের। যেখানে সপ্তাহে এক সেকেন্ড এদিক-ওদিক হবে না—এমন ঘড়ি পাওয়াই দুষ্কর, সেখানে ১০০ দিনেও হবে না—এমন ঘড়ির ধারণা কে-ই বা বিশ্বাস করে?

read more »

October 4, 2014

বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর কিছু বাস্তব অস্তিত্ব

বিজ্ঞান কল্পকাহিনী পড়তে আমরা অনেকেই ভালোবাসি। অনেকে আবার এতটাই মগ্ন হয়ে যায় যে সেই কাহিনীর একটি কাল্পনিক জগৎ সে নিজেই নিজের ভেতরে গড়ে নেয়। আরো কল্পনা করে বাস্তবে এর অস্তিত্ব কেমন হবে। তবে সার কথা হল মনে প্রানে এখনও অনেকেই মনে করে থাকেন যে বিজ্ঞান কল্পকাহিনী এবং সিনেমার সবটুকুই বানোয়াট এবং মনগড়া। তবে বর্তমানে বাস্তবে সেই কল্পকাহিনীতে ব্যবহার করা কিছু প্রযুক্তি বাস্তবেও ব্যবহার করা হয়। এমনই কিছু আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরব
XM 25 গ্রেনেড লঞ্চার
granade launcher

এই লঞ্চারটি প্রায়ই হলিউডের আমেরিকান মেরিন সেনাদের ব্যবহার করতে দেখা যায়। যেমন দেখা গিয়েছিল ট্রান্সফর্মার মুভিতে। তবে এটি এখন বাস্তবেও ইউএস মেরিন সেনার একটি অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।

read more »

August 22, 2014

আসুন জানি সেই আবিষ্কারকদের কথা যাদের আবিষ্কার কেড়ে নিয়েছিল তাদেরই প্রাণ!

মূল লেখার লিংক
প্রত্যেক আবিষ্কারকই তার আবিষ্কার নিয়ে গর্ববোধ করেন। আবিষ্কারক মাত্রই তার আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে অমরত্ব লাভ করেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে পৃথিবীতে এমন বেশ কয়েকজন আবিষ্কারক রয়েছেন যারা প্রাণ হারিয়েছেন নিজের আবিষ্কারের হাতে। চলুন দেখে জেনে নেই এমন কিছু হতভাগ্যের কথা!

হেনরি উইনস্টেনলিঃ

read more »

December 21, 2012

২১-১২-২০১২ : মায়ান দিনপঞ্জিকার শেষ দিন !

মূল লেখার লিংক
প্রাচীন মায়া সভ্যতা একটি অসাধারন অতীতের প্রমান বয়ে নিয়ে চলেছে। তাদের জোতির্বিদ্যা এবং গণিত সম্পর্কে গভীর জ্ঞান এবং তাদের উন্নত সমাজব্যবস্থা সময়ের থেকেও যথেষ্ট উন্নত একটি সভ্যতার পরিচায়ক। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কর্মকান্ড পর্যবেক্ষণ করে প্রাপ্ত নানা জ্ঞান তারা ব্যবহার করেছিল তাদের দৈনন্দিন জীবন-যাপনে। পৃথিবী এবং নানা গ্রহ-উপগ্রহের চক্র নির্ধারণ করে তারা নির্ণয় করতে শিখেছিল সময়। আর এথেকেই তারা নির্মান করেছিল এমনই দিনপঞ্জিকার, যাতে সময়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাবে সৌরবছর নির্ণয় করা সম্ভব।

মায়ান এই দিনপঞ্জিকার উপর ভিত্তি করেই নানা গল্প এবং পৃথিবী ধ্বংসের জল্পনা-কল্পনা গড়ে উঠেছে অনেক বছর ধরেই। আজকে যখন মানুষ আমার এই লেখাটি পড়বে তখন আর এক বারের মতো পৃথিবী ধ্বংসের জল্পনা-কল্পনা ব্যর্থ হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। কারণ শুরু হয়ে গেছে সেই দিন ২১-১২-২০১২।

তাই মায়ান দিনপঞ্জিকার গঠন প্রক্রিয়া এবং তাদের দিন-বছর গণনার হিসাবের উপর আজকের এই লেখাটি পড়ে অন্তত এটুকু জানার চেষ্টা করা যাক, ঠিক কি ভাবে এই সভ্যতার মানুষগুলো সময়ের এরকম নিপুন হিসাব করতে শিখেছিল।

read more »