Posts tagged ‘ফেলুদা’

December 30, 2016

বাংলা সাহিত্যের তুখোড় এবং জনপ্রিয় কয়েকজন গোয়েন্দা

মূল লেখার লিংক
গোয়েন্দা বই পড়তে আমরা সকলেই ভালবাসি। ইংরেজি সাহিত্যে সাহিত্যের এই ধারা বেশ পুরাতন হলেও বাংলা সাহিত্যের জন্য তা খুব বেশি পুরনো নয়। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক গোয়েন্দা কাহিনীর লেখক হিসেবে মানা হয় পাঁচকড়ি দেকে। উনার গল্পে ছিলেন দুইজন প্রধান গোয়েন্দা। একজন অরিন্দম বসু আরেকজন দেবেন্দ্রবিজয় মিত্র। তবে গোয়েন্দাকাহিনীর দিক থেকে সর্বপ্রথম সাফল্যের চূড়ায় ওঠে সম্ভবত শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ব্যোমকেশ’। তবে জনপ্রিয়তার সবচেয়ে শীর্ষস্থানে যে গোয়েন্দা চরিত্রের নাম থাকবে তিনি হলেন ‘ফেলুদা’। সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা! তিনিই বাংলা সাহিত্যে গোয়েন্দা কাহিনীকে প্রতিষ্ঠিত করে যান। আজ আমরা শুনবো বাংলা সাহিত্যের একই সাথে তুখোড় এবং বিখ্যাত কয়েকটি গোয়েন্দা চরিত্র সম্বন্ধে।

ব্যোমকেশ বক্সী

read more »

August 30, 2014

বাংলা সাহিত্যে আমার প্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র

মূল লেখার লিংক

তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ার সময় প্রথম তিন গোয়েন্দার “মাকড়সার জাল” দিয়ে গোয়েন্দা কাহিনীর জগতে আমার প্রবেশ। সেই যে শুরু একে একে তিন গোয়েন্দার মোটামুটি হেস্তনেস্ত করে সপ্তম শ্রেণীতে মাসুদ রানার “রুদ্রঝড়”- নতুন আরেকটি স্বপ্নরাজ্যে বিচরণ আরম্ভ। মাসুদ রানা বিদেশী বইয়ের ছায়া নিয়ে রচিত জানার পরেও এই ভালোবাসা এতটুকু কমেনি।

read more »

January 30, 2014

মেগা পোস্ট – বাংলা বইয়ের সমগ্রের সমগ্র কালেকশন যাদের প্রয়োজন তাঁরা ডাউনলোড করে নিন

somogro

মূল লেখার লিংক
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র ১৫ খন্ড একত্রে

http://www.mediafire.com/?5c9jf9fr8bz24oz

——————————————————————————–

শার্লক হোমস অমনিবাস (স্যার আর্থার কোনান ডয়েল)

read more »

Tags: , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,
May 2, 2013

শুভ জন্মদিন মানিক দা

মূল লেখার লিংক
প্রদোষচন্দ্র মিত্র নামের মানুষটিকে আমার অতিমানব বলে মনে হত, চোখ বন্ধ করলেই ভেসে উঠত জ্বলন্ত চারমিনার হাতে অন্তর্ভেদী দৃষ্টি নিয়ে বসে থাকা এক যুবক, দুর্ধর্ষ শত্রু মগনলাল মেঘরাজকে নাস্তানাবুদ করার প্ল্যান আঁটতে থাকা, তার সাথে তোপসে আর লালমোহনবাবুকে আমি সত্যি সত্যি হিংসা করতাম। তখন আমি ছিলাম এক ভিন্ন জগতের বাসিন্দা, অনন্যসাধারন সেই জগতে এই ত্রিরত্নের সাথে আমি নিয়মিত ঘুরে বেড়াতাম কখনও বোম্বাই, কখনও কাঠমুন্ডু কখনও বা সুদূর লন্ডন। ফেলু মিত্তির যখন হাতে রিভলভার নিয়ে সটান দাঁড়িয়ে তখন ঠিক তার পিছেই প্রান হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে যেতাম আমি নিজে। সেই অদ্ভুত জগতে প্রান বাজি নিয়ে বনে-বাদাড়ে ছুটে বেড়ানোর মাঝে এক তীব্র আকর্ষণ ছিল। সেই আকর্ষণ আমাকে চুম্বকের মত টানত, সেই টান আমি যেন এখনও অনুভব করি।

গোল চশমা চোখে টেকো মাথার বিজ্ঞানীটি যখন মঙ্গল গ্রহে যাত্রা করবেই বলে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল, যা হবার হবে ভেবে আমিও প্রস্তুত ছিলাম বৈকি। সেখানেই কি শেষ! মিশর এর পিরামিড থেকে শুরু করে সমুদ্রের তলদেশ পর্যন্ত পিছু নিয়েছিলাম সেই বিজ্ঞানীর। প্রফেসর শঙ্কুর আশ্চর্য খোকা যখন বিশাল বিশাল কাণ্ড করে তাক লাগিয়ে দিচ্ছে তখন স্রেফ ক্লাসের অঙ্ক না মেলাতে পারার দুঃখে নিজের হাত কামড়াতে ইচ্ছে হত।

read more »

December 21, 2012

বিষয় সত্যজিৎ > আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে

মূল লেখার লিংক
শিশুসাহিত্যিক আলী ইমাম সত্যজিৎভক্ত। যেমন তেমন ভক্ত নয়। ভয়াবহ ভক্ত। সত্যজিৎভক্ত আমিও। তবে আলী ইমামের মতো না। স্কুল জীবনে পথের পাঁচালি দেখে আলী ইমাম কাঁদে। অপুর জন্যে কাঁদে। দূর্গার জন্যে কাঁদে। পথের পাঁচালি দেখে আমারো মন খারাপ হয়। অপুর জন্যে। দূর্গার জন্যে। কিন্তু আমি কাঁদি না।
আমরা দুজনেই সত্যজিতের বইয়ের পোকা। সত্যজিতের সিনেমার পোকা। সত্যজিতের যাবতীয় কর্মকান্ড আমাদের নজরবন্দি। সত্যজিতের পথের পাঁচালি আলী ইমামকে এতোটাই মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে যে, তাঁর একটি ছোটভাই জন্মালে সে তার নাম রাখে অপু। পারলে সত্যজিতের নামে নিজের নাম রাখে আলী ইমাম, পরিস্থিতি অনেকটা সেরকমই। কলকাতায় একবার সত্যজিতের বাড়িতে গিয়ে সত্যজিতের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর স্বপ্ন তাঁর দীর্ঘদিনের। সত্যজিৎ দর্শন না হলে আলী ইমামের –জীবন প্রায় বিফলে যায়। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা—হয়তো কিছুই নাহি পাবো তবুও তোমায় আমি দূর থেকে ভালোবেসে যাবো টাইপের। দেখা হলে ভালো। দেখা না হলে জীবন আমার বৃথা যাবে না। কিন্তু আলী ইমামের যাবে।

read more »

December 17, 2012

ব্যোমকেশ বক্সী, কিরীটি রায়, ফেলুদা, কর্নেল নিলাদ্রি সরকার এর স্রষ্টারা

বাংলা রহস্য সাহিত্যের চার দিকপাল নিয়ে আমার এ লেখার অবতারনা। শরদিন্দুর ব্যোমকেশ বক্সী, নিহার রঞ্জন গুপ্ত এর কিরীটি রায়, সত্যজিৎ রায় এর ফেলুদা, সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ় এর কর্নেল নিলাদ্রি সরকার এদের কে আর খুব বেশি পরিচয় এর প্রয়জন পরে না। সৃস্টি পরিচয় স্রষ্টার থেকে ছাপিয়ে গেছে। তাই এখানে চার স্রষ্টার ওপর কিছু আলোচনা করতে চাই

read more »

December 10, 2012

আমি ও সোনার কেল্লা

মূল লেখার লিংক
sonar_kella

সোনার কেল্লার একটি পোস্টার।

“এটা ময়ুর,আমি ময়ুর দেখেছি।এটা উট,আমাদের বাড়িতে উট ছিল।এটা আমার বাড়ী,আমি দাঁড়িয়ে আছি আমার বাড়ীর সামনে।এটা যুদ্ধ হচ্ছে,আমি যুদ্ধ দেখেছি।আর এটা কেল্লা,সোনার কেল্লা।”

ভোররাত্রী।বাড়ীর সকলে গভীর ঘুমে মগ্ন।বাইরে শুধু কুকুরের গলার আওয়াজ।কিন্তু ছয় বছর বয়সী মুকুলের চোখে ঘুম নেই,নিজের মনে কি যেন এঁকে চলেছে সে।

read more »

March 29, 2012

সত্যজিৎ এর ফেলুদা ও আমার ভাবনা,সাথে ফেলুদার সকল মুভির ডাউনলোড লিংক

মূল লেখার লিংক

মাঝে বেশ দেখা হয়ে গেলো ফেলুদা বিষয়ক বেশ কয়েকটি মুভি।এর মধ্য আছে রয়েল বেঙ্গল রহস্য,গোরস্থানে সাবধান,টিনটোরেটোর রহস্য,বোম্বাইয়ের বোম্বেটে,কৈলাসে কেলেঙ্কারি,সোনার কেল্লা, বাক্স রহস্য।বাকি আছে শুধু জয় বাবা ফেলুনাথ ।

সেই সব মুভির উপর ভিত্তি করেই একটা সমালোচনা করার দুঃসাহস করলাম।

প্রথমে বলতে গেলে,নির্মাণ শৈলীর দিক দিয়ে সন্দীপ রায় বাণিজ্যিক খানিকটা,হয়তো এখনকার জামানায় এটাই খাটে।কিছু জায়গায় আধুনিক তথা সমসাময়িক বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েছেন।

read more »

November 24, 2011

সত্যজিতের ‘ফেলুদা’ সমগ্র : এখন পর্যন্ত প্রকাশিত সকল সিনেমা, ইবুক,কমিকস্‌, অডিও নাটক এর মেগা কালেকশন


অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় কেউ সত্যজিতের ফেলুদা পড়েনি এমনটা কখনো শুনা যায় না, কি নেই এতে…রহস্য, অ্যাডভেঞ্চার, সাসপেন্স সহ আরও অনেক কিছু। বাংলার এই সেরা গোয়েন্দা কাহিনীর মোট ৩৫ টি গল্প আছে, প্রতিটি গল্প পড়ার সময় যেন একধরনের থ্রিলিং তৈরী হয়। এই গল্প গুলো নিয়ে এখন পর্যন্ত সাতটি সিনেমা তৈরী হয়েছে, এছাড়া রেডিও মিরচী তে এর কিছু গল্প নিয়ে অডিও নাটক হয়েছে। ওয়েব জগতে পাওয়া সকল ফেলুদার ইবুক, কমিকস্‌, নাটক, অডিও নাটকের লিংক দিয়ে দিলাম, তো দেরী না করে ডাউনলোড শুরু করুন

read more »

May 3, 2011

ফেলুদা; বাংলা সাহিত্যের এক অনবদ্য চরিত্র

feluda-sketch
ফেলুদা ও তোপসে

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যে কয়টি গুটিকয়েক চরিত্র আপন আলোয় আলোকিত তন্মধো অন্যতম “ফেলুদা”। সত্যজিত রায় সৃষ্ট বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাল্পনিক গোয়েন্দা চরিত্র “ফেলুদা” ওরফে প্রদোষচন্দ্র মিত্র । ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর মাসের সন্দেশ পত্রিকায় ফেলুদা সিরিজের প্রথম গল্প “ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি” প্রকাশিত হয়। ১৯৬৫ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত এই সিরিজের মোট ৩৫টি সম্পূর্ণ ও চারটি অসম্পূর্ণ গল্প ও উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। ফেলুদার প্রধান সহকারী তাঁর খুড়তুতো ভাই তপেশরঞ্জন মিত্র ওরফে “তোপসে” ও লেখক লালমোহন গাঙ্গুলি (ছদ্মনাম জটায়ু)। সত্যজিৎ রায় ফেলুদার সোনার কেল্লা ও জয় বাবা ফেলুনাথ উপন্যাস দুটিকে চলচ্চিত্রায়িত করেন। এই দুই ছবিতে কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ফেলুদার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। বর্তমানে সত্যজিতের পুত্র সন্দীপ রায় ফেলুদার গল্প ও উপন্যাস নিয়ে টেলিভিশন ধারাবাহিক ও চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

read more »

March 14, 2011

‘জয় বাবা ফেলুনাথ’!

আমার কৈশোরের একটা বড় সময় কেটেছে ফেলুদাতে আচ্ছন্ন থেকে। এখনও ফেলুদার বই সামনে পেলে মুখে লালা জমা হয়। ভাবতেসি, দুই খন্ডের ফেলুদা সমগ্রটা কিনেই ফেলবো। ফেলুদাকে নিয়ে একটা লেখা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। – ইমরান

‘মুড়ো হয় বুড়ো গাছ, হাত গোন ভাত পাঁচ… দিক পাও ঠিক ঠিক জবাবে
ফাল্গুন তাল জোড়, দুই মাঝে ভুঁই ফোড়.. সন্ধানে ধন্দায় নবাবে’

read more »

January 2, 2011

রিঙ্কু সিল্ক হাউস ওরফে জয় বাবা ফেলুনাথ, এবং গোরস্থানে সাবধান

ফেলুদা-ফিলিম ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’-এর নাম বদলে ‘রিঙ্কু সিল্ক হাউস’ হলে কেমন হত? সত্যজিৎ রায়েরই লেখা, শুটিং-অভিজ্ঞতা নিয়ে কিশোরপাঠ্য সঙ্কলন ‘একেই বলে শুটিং’ থেকে একটা অংশ তুলে দিচ্ছি:

উদ্ধৃতি

“একটা ব্যাপারে একটু মুশকিলে পড়তে হয়েছিল; বাঙালির দোকান ‘রিঙ্কু সিল্ক হাউস’-এর লোক আমাদের ছবি মারফত যাতে তাদের দোকানের বিজ্ঞাপন হয় সেই মতলবে দিনের বেলা কখন জানি এসে গলির সর্বত্র তাদের দোকানের নাম লেখা পোস্টার আটকে দিয়ে গেছে। যে দিকে তাকাই বাড়ির দেয়ালে, পাঁচিলে, মন্দিরের গায়ে ল্যাম্প পোস্টের গায়ে – সব জায়গায় জাজ্বল্যমান হয়ে আছে ‘রিঙ্কু সিল্ক হাউস’। যাঁর কীর্তি তিনিও উপস্থিত ছিলেন। তাঁকে বুঝিয়ে বলা হল যে বিজ্ঞাপনগুলো থাকতে দিলে একটা ভয় আছে যে লোকে ফেলুদাকে না দেখে শুধু ওগুলোই দেখবে, আর তার ফলে তাঁর দোকানের লাভ হলেও আমাদের ছবির ক্ষতি হতে পারে। সুতরাং ওগুলো তুলে ফেলা দরকার। ভদ্রলোক একটু মুষড়ে পড়লেও তাঁকে তোয়াজ করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না; ভানু এবং দলের কয়েকজন মিলে আধঘন্টার মধ্যে দু-একটা বাদে সব পোস্টার তুলে ফেলে দিল।”

read more »

October 1, 2010

পল্টন, বই কেনা আর আমার মার্ক টোয়েন হবার গল্প

ছোটবেলা থেকেই আমার প্রিয় শখ গুলোর একটা হলো বই পড়া। তাই বলে আমাকে জ্ঞানের সমুদ্র ভাবলে ভুল হবে। আমার আগ্রহ ছিলো সব রকমের গল্পের বইতে। তিন গোয়েন্দা, ফেলুদা, টেনিদা, কাকাবাবু, টিনটিন এমনকি চাচা চৌধুরী পর্যন্ত। দিনের বেশীর ভাগ সময় কাটতো তাই ফেলুদা তোপসের সাথে মগনলালের পিছনে তাড়া করে, না হলে কিশোর পাশার সাথে গোলমেলে ঘড়ির রহস্য ভেদ করে। বই পড়ার পাশাপাশি আর একটা শখ ছিলো, সেটা হলো বই জমানো। স্কুলে পড়ি, এতো বই কেনার টাকা কই পাবো? তাই একমাত্র সম্বল ছিলো পুরোনো বই কেনা। ঢাকার পুরানা পল্টন, নীলক্ষেত আর সদরঘাটে পুরোনো বই পাওয়া যায়। টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে কিংবা রিক্সাভাড়ার টাকা বাঁচিয়ে তাই প্রতি সপ্তাহে চলে যেতাম এসব জায়গায়। পুরনা পল্টনটা বাসার কাছে হওয়াতে এখানটাতেই বেশী যাওয়া হতো।

read more »