Posts tagged ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’

August 22, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ১১ : নয় ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতি-শেষ কিস্তি

মূল লেখার লিংক


সানজুর সময়ে চাং পার্বত্য এলাকায় শুয়াই-জান নামের এক ধরনের সাপ দেখা যেত, যার লেজে ধরতে গেলে সে ছোবল মারত, ফনায় ধরতে গেলে লেজ দিয়ে আঘাত করত, আর পেটে ধরতে গেলে ফনা আর লেজ দুটো দিয়েই আক্রমন করত। সানজুর মতে দক্ষ জেনারেলের আর্মি সেই শুয়াই-জান সাপের মতই লড়ে। কারন তার আর্মির যোগাযোগ ব্যাবস্থা এমন যে, এক অংশে কি হচ্ছে সে ব্যাপারে আরেক অংশ ওয়াকিবহাল থাকে। তাদের সমন্বয় এতো চমৎকার থাকে যে, এক অংশ যখন সামনে থেকে শত্রুকে ব্যস্ত রাখে তখন অন্য অংশ শত্রুর পাশ দিয়ে অথবা পেছন দিয়ে আক্রমন করে বসে।

read more »

Advertisements
August 17, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ১২ : নয় ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতি

মূল লেখার লিংক

মুসলমানদের স্পেন বিজয়ের মহানায়ক তারিক বিন যিয়াদ সাগর পাড়ি দিয়ে জিব্রাল্টারের মাটিতে পা দিয়েই আদেশ দিলেন সব মুসলিম নৌযান পুড়িয়ে দিতে। স্পেন বিজয়ের উদ্দেশ্যে তারিক নিজের সাথে মাত্র ৫০০০ সেনা নিয়ে এসেছিলেন, আর আরো ২০০০ সেনা পরে তার সাথে যোগ দেবার কথা। পক্ষান্তরে স্পেনিয়ার্ড রাজা রোডেরিকের সৈন্য সংখ্যা প্রায় এক লাখ। তারেক জানতেন এই অসম যুদ্ধ জিততে হলে তার আর্মির প্রত্যেক সদস্যেকে শতভাগ উজাড় করে লড়তে হবে।

read more »

August 17, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ১১ : দ্য টেরেইন

মূল লেখার লিংক

ইঙ্গ-ফরাসী শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধে ইংল্যান্ডের রাজা ৫ম হেনরি তখন তার আর্মি নিয়ে ফ্রান্সের আজিনকোর্টে। সেই আগস্ট মাসের মাঝামাঝি তিনি ফ্রান্সে পা দিয়েছেন, এখন অক্টোবর শেষ হতে চলল। ফরাসীরা সেভাবে যুদ্ধের সুযোগই দিচ্ছেনা তাকে তাই সাফল্য বলতে কিছুই পাননি। তার ওপর চলতি বছরের যুদ্ধের মৌসুমও প্রায় শেষের দিকে। একেকটা কেম্পেইনের খরচ কম না, এভাবে খালিহাতে তো আর দেশে ফেরা যায় না, তাই সিদ্ধান্ত নিলেন নরম্যান্ডি হয়ে কেলাইস পর্যন্ত যাবেন।

read more »

August 17, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ১০ : দ্য আর্মি অন দ্য মার্চ

মূল লেখার লিংক


ইয়ারমুখ যুদ্ধের ৫ম দিন ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতে মুসলিম ক্যাম্পের সীমানায় সাদা পতাকা হাতে বাইজান্টাইন দুত এসে দাড়াল। বাইজান্টাইন সেনাপতি ভাহান কয়েকদিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে খালিদের কাছে। তখনকার দিনে যুদ্ধেও এক ধরনের রাজসিক ভাব ছিল। যুদ্ধ শুরুর আগে সম্রাট হেরাক্লিয়াস আর খলিফা উমর দুজনই যখন কুটনৈতিকভাবে একটা সমাধানে পৌছাতে চেস্টা করছিলেন, তখন এই ইয়ারমুখ প্রান্তরেই ভাহান আর খালিদ যার যার সেনাদল নিয়ে প্রায় একমাস মুখোমুখি তাবু গেড়ে বসে ছিলেন।

read more »

August 9, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ :০৯ : চিরায়ত রণকৌশলে নয়টি ব্যতিক্রম ভাবনা

মূল লেখার লিংক

জার্মান সেনাবাহিনীতে ‘নরমাল ট্যাকটিকার’ এবং ‘অফট্র্যাগস ট্যাক্টিক’ নামের দুই ধরনের সৈন্য পরিচালনা পদ্ধতি বিদ্যমান। ‘নরমাল ট্যাকটিকার’ মানে আপনে জানেন কে আপনার বস। তিনি আপনারে কাজ ধরায়া দিবে আর আপনি কোথাও কোন ডাউট হইলে তার কাছ থেকে ক্লিয়ার করে নিবেন। আর ‘অফট্র্যাগস ট্যাক্টিক’ মানে আপনার বস আপনারে একটা কাজ ধরায়া দিবেন আর একটা টাইম লিমিট বলে দিবেন। এইবার আপনি আপনার মত টাইমলি কাজ শেষ করে দিবেন।

read more »

August 9, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ০৮ : মেনুভার

মূল লেখার লিংক

’৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষদিকে যখন ভারতীয় সেনাবাহিনীর অংশগহন প্রায় নিশ্চিত, তখন জেনারেল নিয়াজি উপলব্ধি করলেন নিরীহ বাঙালি মারার ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ কন্সেপ্ট দিয়ে ইন্ডিয়ান আর্মির মোকাবিলা করা অসম্ভব। অতএব অক্টোবর ’৭১ নাগাদ তিনি তার প্ল্যান রিভিউ করে তার ডিফেন্স ঢেলে সাজেলেন। নতুন এই কন্সেপ্টে তিনি বর্ডার আউটপোস্ট বরাবর ১ম লাইন, বর্ডার থেকে ঢাকামুখী মহাসড়কের ওপর বড় বড় শহর বরাবর ২য় লাইন, এবং ঢাকার বাইরে আর ভেতরে মিলিয়ে আরো দুই লাইন, মোট চারস্তরে ডিফেন্স নিলেন, যাকে বলা হল ফোর্ট্রেস কন্সেপ্টে ডিফেন্স।

read more »

August 9, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ :০৭ : সামর্থ্য এবং সীমাবদ্ধতা

মূল লেখার লিংক

খেলাফায়ে রাশেদীনের মুসলিম আর্মি যখন দামেস্ক দখলের পর এমেসাও দখল করে নিল, তখন বাইজান্টাইন রোমান সম্রাট হেরাক্লিয়াস উপায়ান্তর না দেখে একটা শেষ চেস্টা করে দেখতে চাইলেন। মুসলিম আর্মি তখন প্যালেস্টাইন, জর্ডান, দামেস্ক আর এমেসায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এই সুযোগটা কাজে লাগাতেই হেরাক্লিয়াস পাঁচটা আর্মি রেডি করলেন একের পর এক এই বিচ্ছিন্ন মুসলিম সেনাবাহিনী ধ্বংস করতে। বাইজান্টাইন আর্মিরা যখন এলেপ্পো আর এন্টিওখ থেকে মার্চ করে, তখন এমেসায় মুসলিম কমান্ডার ছিলেন আবু উবাইদা। খলিফা উমরের সাথে খালিদের খুব একটা সদ্ভাব কখনই ছিলনা, কিন্তু এই বিশাল প্রতিপক্ষকে সামলাতে খালিদের কোন বিকল্পও ওমরের নেই।

read more »

August 9, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ :০৬ : কমান্ডার হিসেবে আপনি কতটা শক্তিশালী?

মূল লেখার লিংক


ধরেন আপনি একটা অফিসের বস আর আপনার আন্ডারে দশজন কর্মী কাজ করেন। এদের বেতন ভাতা, ট্রেনিং, পারফরমেন্স, পোস্টিং, প্রমোশন, ছুটি আর ওয়েলফেয়ার দেখার দায়িত্ব আপনার। তো আশা করছি আপনিই ভাল বু্ঝেন কিভাবে তাদের দিয়ে অফিসের কাজ চালিয়ে নিতে হয়। আর আপনি যদি দশজনের একটা অফিস চালাতে পারেন তো ১০০ জনের একটা প্রতিষ্ঠানও পারবেন। এইটা আমার না, মহামতি সানজুর দাবী। সানজু বলেন, ব্যবস্থাপনা আর নিয়ন্ত্রনের (ম্যানেজমেন্ট এন্ড কন্ট্রোল) বিষয়ে একজন সামলাইতে যে ফরমুলা একশজন সামলাইতেও ঐ একই ফরমুলা। সংগঠনের সাইজ অনুযায়ী চেইন অব কমান্ডটা খালি লম্বা হয়, এই আরকি।

read more »

August 9, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ০৫ : রণকৌশলগত বিন্যাস

মূল লেখার লিংক

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মান এটাক রে বলত “ব্লিতজক্রিগ”। ঐটা ছিল জার্মানদের ট্রাম্পকার্ড। ব্যাপারটা হল শুরুতেই প্রতিপক্ষের সারা ডিফেন্স জুড়ে হামলে পরে একটা ফাটল খুঁজে বের করা। এরপর ডিফেন্সের ঐ ফাটলটা দিয়ে সর্বশক্তিতে দ্রুত প্রতিপক্ষের যতটা সম্ভব গভীরে পৌছে যাওয়া, যেন ডিফেন্সটা দুই ভাগ হয়ে ইমব্যালান্স হয়ে পরে। ফলাফল হল প্রতিপক্ষ আয়েশ করে যুদ্ধ শুরু করার আগেই দেখে বেইল নাই।

read more »

August 9, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ :০৪ : কিভাবে আক্রমন করবেন?

মূল লেখার লিংক

১৯৩৮ সালে চেকস্লাভিয়ার জার্মান সীমান্তবর্তী সুদেতানল্যান্ডের জনতার জন্য এডলফ হিটলারের দরদ উথলে উঠল। তার কয়েকদিন আগেই চাপাবাজি আর ভোটাভুটি করে গায়ের জোরে তিনি অস্ট্রিয়া দখল করে নিয়েছেন। এইবার তার দাবী, সুদেতানল্যান্ডের জনতা মানসে সাচ্চা জার্মান, আর তারাও অস্ট্রিয়ানদের মতই পিতৃরাস্ট্র জার্মানীর কোলে ফিরে আসতে উন্মুখ। ঐ বর্বর চেকস্লাভিয়ান সরকার এদের মাইরাই ফেলবে, তাই নিতান্তই মহান জার্মান জাতির স্বার্থে সুদেতানল্যান্ড তার চাই ই চাই।

read more »

August 9, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ০৩ : ওয়েজিং ওয়ার

মূল লেখার লিংক

মুবারিজুনরা ছিলেন চ্যাম্পিয়ন মল্লযোদ্ধা, তারা খেলাফায়ে রাশেদিনের হয়ে লড়তেন। সেকালের রেওয়াজ অনুযায়ী যুদ্ধ শুরু হত ডুয়েল বা দ্বন্দযুদ্ধ দিয়ে। এইসব ডুয়েলের ফলাফল সাধারন সেনাদের মনোবলে দারুন প্রভাব ফেলত, তাই মুবারিজুনদের ভুমিকা ছিল গুরুত্বপুর্ন। এইরকম আরেকটা এলিট ফোর্স ছিল মধ্যযুগের ইউরোপিয়ান নাইটরা। এখনকার দিনের কমান্ডোরাও অনেকটা একই রোল প্লে করে থাকেন।

read more »

August 3, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ : ০২ : যুদ্ধ পরিকল্পনা

মূল লেখার লিংক

কিছু মানুষ আছে যারা অন্যদেশের সাথে যে কোন সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে যুদ্ধ ছাড়া আর কোন কিছুই ভাবতে পারেনা, ইংরেজিতে এই পদের লোকেরে বলে ‘হক’। দুইপক্ষের মতের অমিল একটা সংকট, আর এই সংকট সাধারনত ডিপ্লমেসি দিয়ে সমাধা করার কথা। কিন্তু কখনো কখনো ডিপ্লমেটরা ফেইল মারেন অথবা পলিটিশিয়ানরা তাদের ফেইল মারতে বাধ্য করান, আর তখনই যুদ্ধের দামামা বেজে ওঠে। যুদ্ধ মানেই কিন্তু বল প্রয়োগ করে প্রতিপক্ষকে আপনার টার্মস এন্ড কন্ডিশন মেনে নিতে বাধ্য করা।

read more »

August 3, 2014

‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ – ০১ : কে এই সানজু?

মূল লেখার লিংক

সানজু ছিলেন চিঈ (Ch’i)রাজ্যের বাসিন্দা। সমর কৌশলের উপর তার লেখালেখির সুবাদে একদিন তিনি অউ (Wu)এর রাজা হো-লু (Ho-lü) র ডাক পেলেন। রাজা হো-লু আগেই সানজুর ‘দ্য আর্ট অব ওয়ার’ পড়েছিলেন, তাই এইবার সানজুর সৈন্যদল কমান্ডের একটা মহড়া দেখার খায়েস করলেন। শর্ত হল এই মহড়ায় সৈন্য হিসেবে থাকবে রাজার হেরেমখানার রুপসী নর্তকিরা।
সানজু বললেন, ‘তথাস্তু।‘

read more »

August 3, 2014

এই বই খ্রীস্টের জন্মের ৫০০ বছর আগে লেখা!

মূল লেখার লিংক

সানজু আর তার আর্ট অব ওয়ার কে বাতিল আর অচল বলার লোক এই দ্বাবিংশ শতকে আপনি অনেক পাবেন। যেমন খ্রীস্টের জন্মেরও পাঁচশ বছর আগে এই লোক ফরমাইছেন, ভুলেও কেউ যেন দেয়াল দিয়ে ঘেরা কোন শহর আক্রমন করতে না যায়। এই যুগে দেয়াল ভাঙ্গার জন্য হাতুরি-বাটাল লাগেনা। বোমা মেরেই উড়িয়ে-গুড়িয়ে দেয়া যায়।

read more »