Posts tagged ‘ঢাকার ইতিহাস’

August 20, 2017

হরেক নামের ঢাকা

মূল লেখার লিংক

ঢাকা নামের নগরের আনুষ্ঠানিক শুরু সেই ১৬১০ (মতান্তরে ১৬০৮), মোঘলদের হাতে। বাংলা ছিল প্রায় সবসময়ই বিদ্রোহী, অধিকাংশ সময় প্রায় স্বাধীন। এ কারণে নানা ঝড়-ঝাপটা, উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে এ নগরী, বার বার পেয়েছে ও হারিয়েছে রাজধানীর সম্মান। সামরিক ছাউনি বা সাম্রাজ্যের শেষ সীমানায় প্রতিরোধ কেন্দ্র থেকে কখনো পরিণত হয়েছে বন্দরশোভিত বাণিজ্য নগরীতে। নানা পট ও পালাবদলের খেলায় ঢাকায় সমাগম হয়েছিলো নানা জাতের, নানা দেশের নানান কিসিমের মানুষের, সামরিক ও বাণিজ্যিক বিভিন্ন উদ্দেশ্যে। একাধিক প্রশাসনের অধীনে, নানান সময়ে, নানা কর্মজীবীর কর্মে বা বসতির নামে বিভিন্ন ভাষায়, নাম হয়েছে ঢাকার পুরনো বিভিন্ন স্থানের। তেমন কয়েকটি স্থানের নাম নিয়ে এ লেখা।

read more »

Advertisements
September 18, 2016

রূপ বদলালেও টিকে আছে চকবাজার

মূল লেখার লিংক
পুরোনো ছবি ,বর্তমান ছবি
লম্বা রাস্তায় অপেক্ষমাণ দুটি ঘোড়ার গাড়ি। পাশে অনেকগুলো দোকান। দোকানগুলোর শেষ প্রান্তে একটি মসজিদ। আরেক পাশে বেশ কিছু পাকা বাড়িঘর। ব্রিটিশ লাইব্রেরির ওয়েবসাইটে পুরান ঢাকার চকবাজারের এই ছবিটি পাওয়া গেল। ১৯০৪ সালে ছবিটি তুলেছিলেন আলোকচিত্রী ফ্রিজ ক্যাপ। ওই বছর ঢাকার অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনার ছবি তাঁর হাতে তোলা।

read more »

August 22, 2016

ইতিহাসের প্রথম টেস্টে ‘ঢাকার ক্রিকেটার’

মূল লেখার লিংক
১৮৭৮ সালে ইংল্যান্ড সফরে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট টিম l ছবি: সংগৃহীত
ক্যারিয়ারে একটাই টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। করেছেন মোটে ১৮ রান। এমন একজন ক্রিকেটারকে মনে রাখার কী এমন দায় পড়েছে ইতিহাসের? তাঁর তো বিস্মৃতির ধুলোতেই হারিয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু না, ব্র্যানসবি কুপারকে মনে রাখতেই হবে ইতিহাসের।

read more »

April 9, 2016

ঢাকার বাঈজী কাহিনী

মূল লেখার লিংক

অতীতে ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজস্থান, মহারাষ্ট্র ও গুজরাট রাজ্যে ‘বাঈ’ শব্দ দ্বারা ধ্রুপদী নৃত্য-গীতে পারদর্শী সম্ভ্রান্ত মহিলাদের বোঝানো হত৷ খুব ছোট থাকতেই তারা ওস্তাদদের কাছে তালিম নিয়ে নৃত্যগীত শিখতেন৷

read more »

March 10, 2014

বিগত চারশ বছরে ঢাকার বন্যপ্রাণী

মূল লেখার লিংক
Cotton Pygmy Goose by Enam Ul Haque
বিগত চার শতাব্দী ধরে ঢাকা নগরীর অধিবাসীদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা নানা ধরনের বুনো প্রাণীর অস্তিত্বের জড়িয়ে আছে ওতপ্রোত ভাবে, যার মাঝে কিছু প্রাণী মানববিশ্বে ভয়াবহ বিপদজনক বলেই পরিচিত। যদিও কয়েক শত বছরে ক্রমবর্ধমান শহর তাকে ঘিরে থাকা বুনোজগতের অস্তিত্বকে কোণঠাসা করে ফেলেছে ক্রমাগত। বুড়িগঙ্গার তীরে অল্প কয়েকজন মানুষের অস্তিত্ব নিয়ে স্থাপিত ঢাকা নগরী সতের শতকেও বিশাল অরণ্যে পরিপূর্ণ ছিল, বিশেষ করে শহরের উত্তরপ্রান্তে।

read more »

January 21, 2014

বাংলার আকাশ যিনি প্রথম করলেন জয় – জেনি ভ্যান তাসেল

মূল লেখার লিংক

১৮৯২ সালের মার্চ মাস, ঢাকা শহর। বেশ কিছুদিন ধরেই কানাঘুষায় শোনা যাচ্ছিল যে একজন ইউরোপিয় রমনী বেলুনে চড়ে সশরীরে আকাশে উড়ে দেখাবেন। ঢাউশ সাইজের গ্যাস বেলুনে চড়ে আকাশে চরে বেড়ানো সে সময় ইউরোপ আমেরিকায় শুরু হলেও ভারতীয় উপমহাদেশে সেটা তখনো অনেকটাই অভাবনীয়। সে আমলে টিভি ইন্টারনেটও ছিল না যে স্বচক্ষে দেখতে না পেলেও লোকে দূরদর্শনের মাধ্যমে হলেও দেখতে পারে। কাজেই আন্দাজ করা যায় আকাশে সশরীরে মানুষ ওড়ার লাইভ প্রদর্শনী সেকালে কি পরিমান আগ্রহ/উদ্দীপনা জনমনে তৈরী করেছিল।

read more »

November 13, 2013

ছবির ব্লগ: ঢাকা শহরের পুরানো কিছু ছবি (১৮৭০-১৮৮০)

মূল লেখার লিংক
নারিন্দা সিমেট্রি, ১৮৭০

নারিন্দা সিমেট্রি- ১৮৭০। এর ফটোগ্রাফারের নাম জানা যায় নি। এখানে বাম দিকে একটি প্রবেশদ্বার দেখানো হয়েছে, যার আর্চের ধরণ অনেকটা মোঘল স্টাইলের এবং ডান দিকে ইন্দো-গোথিক স্টাইলের সমাধি সৌধ লক্ষ করা যায়।

read more »

March 21, 2013

ট্রিভিয়া পোস্টঃ ভাওয়াল সন্ন্যাসীর অন্তর্ধান, প্রত্যাবর্তন এবং একটি বিখ্যাত মামলা (১ম পর্ব)

মূল লেখার লিংক

একদিন ফরেনসিক মেডিসিনের বিশাল বড় একটা আইটেম পড়ছিলাম । আইটেমের নাম হল “আইডেন্টিফিকেশন” । জীবিত ও মৃত বিভিন্ন লিঙ্গের, গোত্রের, বর্ণের মানুষদের কি কি বৈশিষ্ট্য দেখে আলাদা করা যায় তাই এই আইটেমের আলোচ্য বিষয় । শুনতে আসলে যতটা ইন্টারেস্টিং মনে হলেও এত কিছু একসাথে মনে রাখা খুব বোরিং একটা কাজ । যাই হোক, পড়তে গিয়ে “ভাওয়াল সন্ন্যাসী” সম্পর্কিত খুব ইন্টারেস্টীং একটা টপিকের সন্ধান পেয়ে গেলাম । নেট ঘেটে যা জানতে পারলাম তা একটু সমপাদিত করে কয়েক পর্বে দিয়ে দেয়ার আশা রাখি । পুরোটাই দিতাম, কিন্তু এত বড় লেখা আপনাদের পড়তে ভালো নাও লাগতে পারে তাই পর্বে ভাগ করে দিচ্ছি । তথ্যগুলো উইকিপিডিয়া আর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের “রাজকীয় প্রতারক” প্রবন্ধ থেকে নেয়া হয়েছে ।

read more »

November 28, 2012

ইতিহাসের পাতা থেকে পর্ব ২, ঢাকা: রমনা গেট

মূল লেখার লিংক
ঢাকার রমনায় তিন নেতার মাজার সংলগ্ন দক্ষিণ পার্শ্বস্থ, বর্তমান নজরুল এভিনিউ’র প্রবেশ মুখে দোয়েল চত্বরের কাছে, যে ফটকটি দেখা যায় তা-ই মীর জুমলার ফটক (Mir Jumla Gate) বা রমনা গেট (Ramna Gate) হিসেবে পরিচিত। কেউ কেউ এটাকে ঢাকা গেটও বলে থাকেন। রাস্তার দু’ধারে গেটের দু’প্রান্তে কতগুলো গোলাকার উঁচু স্তম্ভ বহিঃপার্শ্বের দিকে ক্রমশ ঢালু পাকা রেলিং দ্বারা সংযুক্ত। এখনকার চেহারায় দু’প্রান্ত থেকে সমদূরবর্তী মধ্যখানে একই ধরনের একটি প্রত্যক্ষ সংযোগহীন একক স্তম্ভ রয়েছে যা বর্তমানে পাকা সড়কের বিভাজক আইল্যান্ডে অবস্থিত। তবে বর্তমান চেহারায় গেটটিকে যতোটা সংক্ষিপ্ত দেখা যায়, ফটক নির্মাণকালীন সময়ে হয়তো তা ছিলো না। ১৯১৭ সালের একটি ছবিতে রমনা গেটটিকে দুপাশে আরো প্রলম্বিত অবস্থায় দেখা যায়।

ধারণা করা হয়, মগ দস্যুদের হাত থেকে ঢাকা শহরকে রক্ষার জন্য মীর জুমলা এই গেটটি তৈরি করেন। আবার কেউ কেউ বলেন, মীর জুমলার সময় শহরের উত্তর সীমা নির্ধারণের জন্য এ ফটক তৈরি করা হয়েছিলো। তবে প্রচলিত এসব ধারণার সাথে ইতিহাসবিদদের বেশ দ্বিমত রয়েছে। প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ‘ঢাকা’ গ্রন্থের লেখক আহমদ হাসান দানী স্তম্ভ দু’টি পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, মুঘল আমলে এগুলো তৈরি হয় নি। তাছাড়া স্তম্ভ দুটোর গড়ন ইউরোপীয় রীতির।

read more »

September 19, 2012

মুঘল ঢাকায় কিছুক্ষন

মূল লেখার লিংক
ঢাকা আজ বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহর গুলোর মধ্যে অন্যতম হলেই ঢাকার পুরানো
ইতিহাস কিন্তু ছিল গৌরবউজ্জ্বল! অষ্টাদশ শতকে পৃথিবীর সের শহর গুলোর একটি ছিল ঢাকা এবং সেরা শহরের ক্রমান্বয়ে ঢাকার অবস্থান ছিল দ্বাদশতম!
শুনলে কেমন রূপ কথার মতো মনে হয়, তাই না?
ঢাকার উৎপত্তি নিয়ে যথেষ্ট মতভেদ রয়েছে, আমরা তাই আর সেদিকে গেলাম না! ইতিহাস বলে ১৫ শতকের দিকে নগর-কেন্দ্র হিসেবে উথ্থান ঘটে ঢাকার, এর আগে ঢাকা ‘কসবা ঢাকা খাস’ নামে পরিচিত ছিল। মুঘল শাসনের প্রথম দিকে ঢাকা প্রথমে থানা’ পরে পরগনা হিসাবে প্রতিষ্ঠা পায়, সে সময়ে এর নাম হয় ‘সরকার বাজুহাতে ঢাকা মাজু!’ থানা সদর হিসেবে সদর দপ্তরের এই ছোট নগর-কেন্দ্রটি প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক বিবেচনার সুবিধাজনক অবস্থানে থাকার কারণে মুঘল সুবাদার ইসলাম খান চিশতির
সময়ে সপ্তদশ শতকের শুরুর দিকে রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকয় স্থানান্তর করা হয়েছিল!
এভাবে ঢাকা ১৬০৮ সালে প্রথম রাজধানীর মর্যাদা পেলো!

read more »

September 19, 2012

বায়ান্ন বাজার, তিপান্ন গলি’…..ধ্বংসপ্রাপ্ত এক পুরাত্বাত্তিক নগরীর কথা

মূল লেখার লিংক
আজ দু’জন বিদেশীর কথা বলবো যারা প্রেমে পড়েছিলেন এই বাংলার ঐতিহ্যের, বাংলার নি:সর্গের।

প্রথমেই ভারতীয় সিভিলিয়ান ও চিত্র শিল্পী, ইপসুইচের পার্লামেন্ট সদস্য স্যার চার্লস ড’য়লীর কথা।
তাঁর নামটা অপরিচিত ঠেকলেও আমি নিশ্চিত, তাঁর আঁকা ছবি গুলো আপনারা অনেক অনেক বার দেখেছেন। এমন কি ফ্যাশান হাউস “নিত্য উপহারের” টি-শার্ট, মগেও রয়েছেন ড’য়লী।

স্যার চার্লস ড’য়লী ১৮০৮ সালে ঢাকার কালেক্টর হিসাবে নিয়োগ পেয়েছিলেন, বাংলাদেশে তিনি ছিলনে ১৮১৮ সাল পর্যন্ত।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৭৭২ সালে বাংলার দেওয়ানী লাভ করার পর থেকে সাধারণ প্রশাসন ও ভুমি প্রশাসনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছিল, এরই এক পর্যায়ে তৈরি হয় কালেক্টের পদটি।
যাক সে কথা, ১৮০৮ সালে ড’য়লী যখন ঢাকায় এলেন, তখন এক সময়ের জমজমাট ঢাকা দূর্দশা আর ধ্বংসের চুড়ান্তে উপনীত হয়েছিল।

সুবা বাংলার প্রাদেশিক রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়েছিল ১৬১০ সালে এবং মুর্শিদকুলী খাঁয়ের সময়ে আবার সেই কেন্দ্রীয় শাসনটাকে ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে দেওয়ানী স্থানন্তর করা হয়!

read more »