Posts tagged ‘টিপু সুলতান’

June 9, 2017

টিপু সুলতান: ইতিহাসের নায়ক নাকি খলনায়ক

মূল লেখার লিংক

ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, ভারতবর্ষের মৃত আত্মাকে স্মরণ করে আমি পান করছি

১৭৯৯ সালের ৪ মে। ভারতে ক্রমসম্প্রসারণশীল বৃটিশ সাম্রাজ্যের পরিচালক ব্যক্তি রিচার্ড ওয়েলেসলি যখন ‘মহীশূরের বাঘ’ টিপু সুলতানের মৃত্যু সংবাদ শুনতে পান তখন এমনই একটি মন্তব্য করেন। অন্তত ভগবান এস গিদোয়ানীর তার ‘দ্য সোর্ড অব টিপু সুলতান’ বইতে এমনটাই উল্লেখ করেছেন। শুধু তাই নয়, টিপুর মৃত্যুর পর “গোটা ভারতবর্ষই এখন আমাদের” এমন একটি মন্তব্যও ওয়েলেসলি করেন বলে জানা যায়।

টিপুর মৃত্যুসংবাদ শুনে ওয়েলেসলির করা দুটি মন্তব্য শুনেই বোঝা যায়, ভারতে বৃটিশ সাম্রাজ্যের সম্প্রসারণে সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর একটি ছিলেন টিপু সুলতান। ভারতের বেশিরভাগ অংশেই আজও তাকে সেভাবেই দেখা হয়।


টিপু অ্যান্ড হিস সনস (চিত্রকরঃ হেনরি সিঙ্গলটন)

read more »

April 23, 2013

টিপু সুলতানের মহীশুরে একদিন

বিটিভিতে যখন সোর্ড অব টিপু সুলতান দেখানো হতো, আমি ছিলাম মুগ্ধ দর্শক। মহীশুরের রাজপ্রাসাদ দেখে ভেবেছি কবে যাবো সেখানে! ছোট ছিলাম তখন, তাই ভাবনা শধুমাত্র স্বপ্নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো। তারপর একদিন সুযোগ হলো আমার স্বপ্নটাকে বাস্তব করার।

সময়টা ২০০৪ সালের জানুয়ারী মাস। ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী ব্যাঙ্গালোর শহরে ব্যক্তিগত কাজে প্রায় এক মাস থাকা হয়। ঠিক সেই সময়টাতেই একদিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো মহীশুর ঘুরতে যাওয়ার। এক শুক্রবার খুব সকালে মাইক্রোবাস ভাড়া করে ব্যাঙ্গালোর থেকে মহীশুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম।

মহীশুর হচ্ছে কর্ণাটকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, ব্যাঙ্গালোর থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিন-পশ্চিমে চামুন্দী পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। সকাল দশটার ভিতর মহীশুর শহরে পৌঁছে গেলাম। এই শহরকে সাধারণত ‘প্রাসাদের শহর’ বলা হয়ে থাকে। তাই প্রথমেই গেলাম মহীশুরের রাজ প্রাসাদে।

এই রাজপ্রাসাদের আরেকটি নাম আছে- আমবা ভিলাস প্রাসাদ (Amba Villas Palace)। এই প্রাসাদটি হচ্ছে মহীশুরের রাজকীয়  ওদিয়ার পরিবারের বাসস্থান। ওদিয়ার বংশ ১৩৯৯ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত মহীশুর রাজ্য শাসন করেছিলো। যাহোক, মহীশুর রাজপ্রাসাদ ভারতের অন্যতম একটি দর্শনীয় স্থান এবং দর্শনার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় তাজমহলের পরেই এর অবস্থান।

read more »

March 24, 2012

মহীশুরের বাঘ, পর্ব-আট

মূল লেখার লিংক
মহীশুরের বাঘ (আগের পর্বগুলো)

টিপু সুলতান। (ছবি: Mauzaisse)
(ছবিসূত্র: History of Mysore, 1399 to 1799 volume III, লেখক: C. Hayavadana Rao)

ম্যাঙ্গালোরের চুক্তি ব্রিটিশদের জন্য খুব অপমানজনক ছিল। কিন্তু সে সময় ম্যাঙ্গালোর চুক্তি মেনে নেয়া ছাড়া তাদের আর কোন উপায় ছিল না। দ্বিতীয় এ্যাংলো-মহীশুর যুদ্ধের পর বেশ ক’বছর ব্রিটিশরা প্রকাশ্যে মহীশুরের বিরুদ্ধে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। কিন্তু গোপনে মহীশুরের বিরুদ্ধে নিজেদের সুসংগঠিত করছিল ব্রিটিশরা।

টিপু বুঝতে পেরেছিলেন, ইংরেজরা শুধু ব্যবসায় নয়, পুরো ভারতবর্ষকে নিজেদের অধিনস্ত রাজ্যে পরিণত করতে চাই। তার চেয়ে বড় বিপদের কথা, দেশীয় অনেক রাজ্য ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলাচ্ছে। হায়দ্রাবাদের নিজাম, কর্নাটকের নবাব, মালাবার উপকূলের এবং মহীশুরের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের রাজারা ব্রিটিশদের সাথে এক জোট হয়ে টিপুর বিরুদ্ধে কাজ করছিল। যত দিন যাচ্ছিল শক্তিশালী হচ্ছিল ব্রিটিশরা।

read more »

March 23, 2012

মহীশুরের বাঘ, পর্ব-সাত

মূল লেখার লিংক
আগের পর্বের সূত্র ধরে…..
১৭৮৩ সালের জুন মাসে ব্রিটিশ গোলন্দাজদের প্রচন্ড আক্রমনে কোড্ডালোর দূর্গে কোনঠাসা হয়ে পড়ে মহীশুর-ফ্রেঞ্চ যৌথ বাহিনী। কোড্ডালোর দূর্গ অবরোধে ব্রিটিশদের রসদ আসছিল সমুদ্রপথে ব্রিটিশ অ্যাডমিরাল এডওয়ার্ড হিউ-এর নেতৃত্বে। ব্রিটিশ গোলন্দাজদের প্রচন্ড আক্রমনে হতাশ হয়ে পড়েন কোড্ডালোর দূর্গের দায়িত্বে থাকা ফ্রেঞ্চ অফিসার মারকুইস ডি ব্যাসি ক্যাস্টেলন্যুঁ। ঠিক এসময় এলো এক মহা সুসংবাদ। ফ্রেঞ্চ অ্যাডমিরাল সাঁফ্রেন রসদ ও সৈন্যসহ পনেরোটি যুদ্ধ জাহাজ নিয়ে কোড্ডালোরের দিকে এগিয়ে আসছেন। ফ্রেঞ্চ রণতরীর খবর মাদ্রাজের ব্রিটিশ কুঠিতে পৌঁছুলে ব্রিটিশ অ্যাডমিরাল এডওয়ার্ড হিউ আঠারোটি যুদ্ধ জাহাজ নিয়ে রওনা দেন ফ্রেঞ্চদের বিরুদ্ধে।
১৭৮৩ সালের ২০ জুন বঙ্গপোসাগরে মুখোমুখি হল ব্রিটিশ আর ফ্রেঞ্চ রণতরী।

read more »

March 4, 2012

মহীশুরের বাঘ, পর্ব-‌‌ছয়

মূল লেখার লিংক

মহীশুরের বাঘ (আগের পর্বগুলো)
অনেকদিন আগে থেকেই পিঠের অসুখে (সম্ভবত: ক্যান্সার) ভুগছিলেন হায়দার আলী। ভারতীয় ও ইউরোপীয় চিকিৎসকরা যথেষ্ট চেষ্টা করছিলেন তাঁকে সারিয়ে তুলতে। কিন্তু ক্রমেই তাঁর স্বাথ্যের অবনতি ঘটলো। ১৭৮২ সালের ০৭ ডিসেম্বর (কিছু কিছু ঐতিহাসিকের মতে ০৬ ডিসেম্বর) সকালে চিতোরে যুদ্ধ শিবিরে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন হায়দার আলী।
হায়দারের মৃত্যুর পর মহীশুরের মজলিসে শুরার সদস্যরা ঠিক করলেন, টিপু মালাবার হতে ফিরে আসার আগ পর্যন্ত সংবাদটি গোপন রাখতে হবে; নইলে উত্তরাধিকার নিয়ে সালতানাতে বিদ্রোহ শুরু হতে পারে আর উপরি হিসেবে ব্রিটিশ-নিজামদের সমস্যা তো আছেই।
কিন্তু এত গোপনীয়তার পরও সুলতান হায়দার আলীর মৃত্যু সংবাদ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই, মালাবারে টিপুর কাছে দূত পাঠানো হল যাতে দ্রুত তিনি রাজধানী শ্রীরঙ্গপত্তমে পৌঁছান।
০৯ ডিসেম্বর, ১৭৮২, সুলতান হায়দার আলীর মৃতদেহ চিতোর হতে রাজধানী শ্রীরঙ্গপত্তমে আনা হয়। সারা মহীশুর সালতানাতে উঠে শোকের মাতম।


সুলতান হায়দার আলীর সমাধি

read more »

February 28, 2012

মহীশুরের বাঘ, পর্ব-পাঁচ

মূল লেখার লিংক
মহীশুরের বাঘ (পর্ব-এক হতে পর্ব-চার)
১৭৮১ সাল মহীশুরের জন্য দু:সময়ের মধ্য দিয়ে গেলেও বছরের শেষে সুসংবাদ আসে। ১৭৮১ সালের ডিসেম্বরে টিপু ব্রিটিশদের কাছ হতে চিতোর ছিনিয়ে নেন।
১৭৮২ সালে হায়দার নতুন উদ্যমে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন। কিন্তু বছরের শুরুতেই পান দু:সংবাদ।
তৃতীয় পর্বের শুরুতে বলে ছিলাম, ১৭৭৯ সালে মহীশুর অনুগত চিরাক্কালের বাহিনী ব্রিটিশদের থলেশ্বরী বন্দর দখল করার জন্য অভিযান করে। একই বছর মহীশুর অনুগত চিরাক্কাল বাহিনী ব্রিটিশদের মিত্র কোত্তায়াম রাজ্য আক্রমন করে। যুদ্ধে কোত্তায়াম পরাজিত হয়। এরপর, মহীশুর বাহিনী কাডাথান্ড নামক আরেকটি ব্রিটিশ অনুগত দেশীয় রাজ্য দখল করে নেয়। ১৭৭৯ সালের ডিসেম্বরে মহীশুর বাহিনী ব্রিটিশদের থলেশ্বরী বন্দর অবরোধ শুরু করে। এসময় কোত্তায়ামের রাজা গোপনে ব্রিটিশদের রসদ সরবরাহ করতে থাকেন। এই অবরোধ চলতে থাকে জানুয়ারী, ১৭৮২ সাল পর্যন্ত। জানুয়ারীতে, ব্রিটিশ অধীন থলেশ্বরী বন্দরের দায়িত্বে থাকা কর্নেল জন কটগ্রোভ, মেজর উইলিয়াম এভিংটন ও কোত্তায়ামের রাজা একত্রিত হয়ে অতর্কিত মহীশুর বাহিনীকে আক্রমন করে। হঠাৎ আক্রমনে দিশেহারা হয়ে পড়ে মহীশুর বাহিনী।

read more »

February 26, 2012

মহীশুরের বাঘ, পর্ব-চার


মহীশুরের বাঘ, পর্ব- দুই
মহীশুরের বাঘ, পর্ব-তিন
১৭৮০ সালের নভেম্বরের শেষদিকে লেফট্যানেন্ট জেনারেল আইরে বাংলা হতে মাদ্রাজ এসে পৌঁছান; উদ্দেশ্য হায়দারের হাত থেকে মাদ্রাজ কুঠি বাঁচানো। আইরে মাদ্রাজে এসেই প্রথমে মুনরো হতে মাদ্রাজের দায়িত্ব বুঝে নেন।


লেফট্যানেন্ট জেনারেল আইরে

এদিকে ঘটে আরেক ঘটনা। ১৭৮০ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটিশরা ডাচদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে। এর ফলে, ডাচরা মহীশুর-ব্রিটিশ যুদ্ধে মহীশুরের পক্ষ অবলম্বন করে।
১৭৮১ সালে লে. জেনারেল আইরে তার সৈন্যবাহিনী নিয়ে কর্নাটকে মহীশুরের লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমন করেন; ব্রিটিশ বাহিনী দখল করে নেয় কোড্ডালোর আর অবরোধ করে চিদাম্বরাম দূর্গ। সেসময় হায়দার ব্রিটিশদের অধীন দেশীয় রাজ্য তান্জোর অভিযানে ব্যস্ত ছিলেন। বিষয়টি জানার পর খুব ক্ষুব্ধ হন হায়দার, ব্রিটিশ অনুগত তান্জোরে চালান ধ্বংসযজ্ঞ

read more »

February 24, 2012

মহীশুরের বাঘ, পর্ব-তিন

মহীশুরের বাঘ, পর্ব-এক
মহীশুরের বাঘ, পর্ব- দুই
প্রথম এ্যাংলো-মহীশুর যুদ্ধে নিজেদের পরাজয় ও আজীবনের প্রতিদ্বন্দ্বী ফরাসীদের সাথে সুলতানের সুসর্ম্পক ব্রিটিশরা ভালো চোখে দেখেনি। তাই, তারা সুলতানের বিপক্ষে সুযোগ পাওয়া মাত্র তা কাজে লাগাত। মহীশুরের মালাবার উপকূলে বিদ্রোহ চলছিল। ব্রিটিশরা অস্ত্র-প্রশিক্ষণ-রসদ দিয়ে সাহায্য করে আসছিল এই সব বিদ্রোহীদের। সুলতান হায়দার আলী দেখলেন, মালাবারের বিদ্রোহ দমন করতে হলে, ব্রিটিশদের সেখান হতে তাড়াতে হবে। তাই, ১৭৭৮ সালে হায়দার তাঁর অনুগত চিরাক্কালের রাজা রাম ভার্মাকে পাঠালেন মালাবারের কাছে ব্রিটিশদের বন্দর টেলিচ্চেরি/থলেশ্বরী দখল করবার জন্য। কিন্তু উত্তর মালাবারের কান্নুর এলাকার (কাত্তায়াম) বিদ্রোহী রাজা কেরালা ভার্মা ব্রিটিশদের সাথে একত্রিত হয়ে চিরাক্কালের রাজা রাম ভার্মাকে পরাজিত করেন। ১৭৭৯ সালে আবার মহীশুর অনুগত চিরাক্কাল বাহিনী ব্রিটিশদের থলেশ্বরী বন্দর দখল করার জন্য অভিযান করে। সে কাহিনী আগামী পর্বে বলবো।

ব্রিটিশ আর ফরাসী তখন পরস্পরের চরম প্রতিদ্বন্দ্বী। আমেরিকায় তখন চলছিল স্বাধীনতা যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ফরাসীরা আমেরিকার পক্ষে অংশ নেয়। এতে ব্রিটিশরা ফরাসীদের উপর চটে যায়। ভারতবর্ষেও দেখা দেয় এর প্রভাব।

read more »

February 22, 2012

মহীশুরের বাঘ, পর্ব-দুই

মহীশুরের বাঘ, পর্ব-এক

১৭৬৯ সালে মাদ্রাজ যুদ্ধে পরাজিত হবার পর ব্রিটিশরা দেখলো আর কোন উপায় নেই। কারন, কোন অবস্থাতেই মাদ্রাজ কুঠি বেদখল হতে দেয়া যায় না। তাই তারা বাধ্য হয়ে মহীশুর সালতানাতকে সন্ধি চুক্তি পাঠালো। মহীশুর-ব্রিটিশদের মাঝে চুক্তি হলো। চুক্তি অনুসারে ব্রিটিশরা হায়দার আলীকে কথা দিলো তারা মহীশুর আক্রমন করবে না এবং মহীশুরকে যেকোন সময় যেকোন সামরিক সাহায্য দিবে, বিনিময়ে সুলতান ব্রিটিশদের মাদ্রাজ ফেরত দিবেন।

কিন্তু পরবর্তীতে এই সন্ধিই মহীশুর সালতানাত, হায়দার আলী ও টিপু সুলতানের জন্য বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়ায়।


হায়দার আলী

read more »

February 21, 2012

মহীশুরের বাঘ, পর্ব-এক

As soon as I conquer Egypt, I will establish relations with Tipu Sahib and together with him, I will attack the English in their possessions in India and drive them to Arab sea.-নেপোলিয়ান বোনাপার্ট, ১৭৯৮

ব্রিটিশ বেনিয়ারা যখন ভারতবর্ষে একের পর এক রাজ্য গ্রাস করছে, তখন যেকজন ভারতীয় রাজা ব্রিটিশদের সমীহ আদায় করে নিতে পেরেছিলেন তাঁদের মাঝে টিপু সুলতান অন্যতম। ব্রিটিশ ও ব্রিটিশ ঘেঁষা ভারতীয় ঐতিহাসিকদের লেখনীতে ভিলেন হিসেবে আর্বিভূত হলেও বাস্তবের টিপু সুলতান ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারতীয় প্রতিরোধের এক অমর নায়ক হয়ে থাকবেন।


টিপু সুলতান

১৭৫০ সালের ২০ নভেম্বর দক্ষিণ ভারতের মহীশুর রাজ্যে উচ্চ পদস্থ সেনা কর্মকর্তা হায়দার আলী ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ফাতিমার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন ফতেহ আলী খান টিপু। টিপু সুলতানের পুরো জীবনটাই যুদ্ধ; যুদ্ধের মাঝে জন্ম, বেড়ে উঠা, যুদ্ধেই মৃত্যু। বাবা হায়দার আলীরও সারা জীবন কেটেছে যুদ্ধে।

read more »