Posts tagged ‘ইতিহাস’

August 25, 2017

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ: মোঘল সূর্যোদয়ে অস্তমিত দিল্লী সালতানাত

মূল লেখার লিংক
পানিপথ প্রান্তরে তখন থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। বাতাসের জোরালো আগ্রাসন আর ক্ষণে ক্ষণে ডেকে ওঠা যুদ্ধবাজ হাতি-ঘোড়ার ধ্বনি ব্যতীত আর কোনো শব্দ নেই।

একদিকে মোঘল অধিপতি বাবর তার ছোট সৈন্যদল নিয়ে প্রস্তুত। প্রায় আট হাজার সৈনিক সতর্কতার সাথে কান পেতে আছে বাবরের দিকে। যেকোনো সময় তারা ঝাঁপিয়ে পড়বে বাবরের নির্দেশে। অপরদিকে অনেকটা নিশ্চিন্তে থাকা ইব্রাহিম লোদির সুসজ্জিত বাহিনী। কারণ বাবরের চেয়ে তাদের শক্তিসংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ বড়। লোদির সৈনিকরা প্রথমদিকে অট্টহাসিতে ফেটে পড়েছিলেন বাবরের স্পর্ধা দেখে। বাবরকে উচিত শিক্ষা দেবার জন্য বদ্ধপরিকর সুলতানের বাহিনী। পানিপথ প্রান্তরে দু’পক্ষ অবস্থান করছেন প্রায় ৮ দিন ধরে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ কারো দিকে আক্রমণ চালাননি। ওদিকে বাবরের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল। তিনি হাত উঁচু করে ইশারা করলেন।

মুহূর্তের মধ্যে বেজে উঠলো যুদ্ধের দামামা। হুংকার দিতে দিতে দু’পক্ষ এগিয়ে যেতে লাগলো একে অপরের দিকে। যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে, পানিপথের যুদ্ধ!

পানিপথের প্রান্তর উপমহাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্র। ভারতবর্ষের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মোঘল সাম্রাজ্যের উত্থান থেকে শুরু করে শক্তিশালী মারাঠাদের পতন পর্যন্ত প্রায় তিনটি বড় যুদ্ধের সাক্ষী হয়ে এখনো ইতিহাসের পাতায় অবিনশ্বর হয়ে আছে পানিপথ প্রান্তর।

পানিপথ প্রান্তর

পানিপথ কোনো জলপথের নাম নয়। রাজধানী দিল্লীর উত্তরে অবস্থিত পানিপথ ভারতের হারিয়ানা প্রদেশের একটি শহরের নাম। মহাভারত অনুযায়ী, পানিপথ পঞ্চপাণ্ডব কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পাঁচটি শহরের মধ্যে অন্যতম। মহাভারতের ইতিহাস ছাপিয়ে পানিপথ মুখ্য হয়ে আছে মূলত পানিপথ প্রান্তরে ঘটে যাওয়া তিনটি বড় যুদ্ধের কারণে।


মানচিত্রে পানিপথের অবস্থান

read more »

Advertisements
August 23, 2017

মক্কা নগরীর জানা-অজানা এক রক্তাক্ত ইতিহাস

মূল লেখার লিংক

কাবা, পৃথিবী জুড়ে মুসলিমদের কাছে পবিত্রতম স্থান, অবস্থান তার মক্কা নগরীতে, যার পেছনে আছে সহস্র বছরের ইতিহাস। কিন্তু এই ইতিহাসের বেশিরভাগই আসলে অনেক মানুষের কাছে অজানা। কেবল হজ্ব বা ওমরা করতে এই পবিত্র তীর্থস্থানে যান মুসলিমরা, মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা) এর জন্ম আর বেড়ে ওঠা এ মক্কা শহরে- এটুকুই সবার সাধারণভাবে জানা। কিন্তু এই কাবা নিয়ে যে রক্তাক্ত অজানা ইতিহাস আছে সেটা অনেকে শুনলেই কেন যেন আঁতকে ওঠেন। এরকম পবিত্র স্থানেও কেউ রক্ত ঝরাতে পারে? বর্তমান সময়ের বিশ্বজুড়ে নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ আর প্রাণহানির পর পবিত্র জায়গাও যে অক্ষত থাকতে পারে, এমনটা আশা করা অলীক। যুগে যুগে অনেকবারই কাবাতেও হয়েছে রক্তপাত। আজকে চলুন মক্কা বা কাবার ইতিহাস জেনে আসা যাক। হয়ত এর বেশিরভাগ আপনার অজানা।


২০০৮ সালে হজ্জ্বের সময় মক্কা

read more »

July 24, 2017

ডেড সী স্ক্রোল: মৃত সাগরের জীবন্ত পুঁথি

মূল লেখার লিংক
সময়টা তখন ১৯৪৭ এর দিকে। মৃত সাগরের উত্তর-পশ্চিম তীর ঘেঁষে অবস্থিত কুমরান গুহা। এই গুহাতেই পাথর নিক্ষেপ করার খেলায় মত্ত দুই বেদুইন বালক। মেষ চড়ানোর বায়না ধরে প্রায়ই এদিকটায় চলে আসে দুই ভাই মিলে। হঠাৎ বড় একটা পাথর ছোঁড়ার পর অদ্ভুত রকমের শব্দ হলো। প্রথমদিকে তারা মনের ভুল ভেবে উড়িয়ে দিলেও, প্রতিটি পাথর নিক্ষেপের পর একই রকম শব্দ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল মাটির তৈরি কিছু একটা ভেঙে গেছে। দুই বালক খেলা থেমে চুপ করে দাঁড়িয়ে পড়লো।

বাতাসে ভেসে আসা মৃত সাগরের লোনা গন্ধ আর পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়া বিকেলের সূর্য চারিদিক করে তুলেছিল রহস্যময়। তখনো সন্ধ্যা হতে অনেক দেরি। তাই এই অদ্ভুত শব্দের উৎস জানার জন্য দুজনে মিলে ঢুকে পড়লো গুহার ভেতর।

সেদিন সেই দুই বালকের সাহসী পদক্ষেপ উন্মোচন করে দিল এক গুপ্ত ইতিহাস। তারা গুহার ভেতর প্রবেশ করে উদ্ধার করলো বড় বড় মাটির পাত্র। পাত্র গুলো উল্টে দিতেই মাটিতে ছড়িয়ে পড়লো অগণিত চামড়ার তৈরি স্ক্রোল। এরকম প্রায় ৭টি বড় পাত্র ভর্তি স্ক্রোল উদ্ধার করলো দুজন মিলে। তখন বাইরের আকাশে সূর্য প্রায় অস্ত যাই-যাই করছে। দুই বালক ছুটে চলে গেল বেদুইন পল্লীর দিকে। চিৎকার করতে লাগলো হাত-পা ছুঁড়ে, “গুপ্তধন! গুপ্তধন!”

বেদুইন সর্দার সব শুনে রাতটা অপেক্ষা করলেন। পরদিন ভোর হতেই দলে দলে কুমরান গুহাতে হানা দিলেন। উদ্ধার করে নিয়ে আসলেন শত শত স্ক্রোল। আশেপাশের সব গুহাতে তল্লাশী চালানো যখন শেষ, তখন বেদুইনদের ঝুলিতে স্ক্রোলের সংখ্যা ৯০০ ছুঁই ছুঁই করছে। জেরুজালেমে তীর্থের উদ্দেশ্যে অনেক মানুষ জড়ো হতেন। এই খবর চারিদিকে ছড়িয়ে গেলে সবাই বেদুইন পল্লীতে ছুটে আসলেন। এভাবেই মানবসভ্যতার চোখের আড়াল হয়ে থাকা রহস্যময় ডেড সী স্ক্রোল নতুন করে ফিরে আসলো আমাদের মাঝে; সাথে নিয়ে এলো এক অজানা ইতিহাস!

সেই দুই বেদুইন, যারা বাল্যকালে খেলার সময় স্ক্রোলগুলো উদ্ধার করেন।

read more »

June 10, 2017

আমাদের চর্যাপদ : একটি সরল আলোচনা

মূল লেখার লিংক
চর্যাপদ নিয়ে প্রথম এবং চরমতম কথা হলো, এটা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম, এবং বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শন। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের এই একটাই নিদর্শন পাওয়া গেছে। তবে তার মানে এই নয়, সে যুগে বাংলায় আর কিছু লেখা হয়নি। হয়তো লেখা হয়েছিল, কিন্তু সংরক্ষিত হয়নি। কেন হয়নি, সেটা পরের আলোচনা।

Charyapada

আমাদের চর্যাপদ

চর্যাপদ রচিত হয় ৮ম থেকে ১২শ শতকের মধ্যে। এর মধ্যে ঠিক কোন সময়ে চর্যাপদ রচিত হয়, তা নিয়ে বেশ বিতর্ক আছে। একেকজন একেক সময়কালের কথা বলেছেন। অনেক দাবি করেছেন, এর রচনাকাল আরও আগে। তবে মোটামুটি গ্রহণযোগ্য মত এটাই।

read more »

March 29, 2017

প্রাচীন মিশরের ফারাওদের অদ্ভুত যত কাহিনী

মূল লেখার লিংক
মিশর নামক দেশটির নাম শুনলে আমাদের মানসপটে প্রথমেই যে দুটি চিত্র ভেসে ওঠে তা হলো ‘পিরামিড’ ও ‘মমি’। তবে এর সাথে আরেকজন ব্যক্তির পদবীও আমাদের মনে মাঝে মাঝে উঁকি দিয়ে যায়, তিনি হলেন ফারাও। প্রাচীন মিশরের জনগণের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক এ সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন দেশটির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।

read more »

February 27, 2017

লবণ: কী করে এলো মানব সমাজে

মূল লেখার লিংক
“নুন খায় যার গুণ গায় তার”- সেই ছোটবেলা থেকেই এই প্রবাদটির সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত। কথায় কথায় এই উক্তি কতবার যে আমরা ব্যবহার করেছি তার কোন ইয়ত্তা নেই। সাথে আছে এক রাজার সেই তিন মেয়ের গল্প। যে গল্পে রাজা ছোট মেয়েকে ‘নুনের’ মত ভালবাসে শুনে রাজ্য থেকে বিতাড়িত করে দেন। পরবর্তীতে এক বনের মধ্যে ক্ষুধার্ত রাজা নিজের মেয়ের হাতের বানানো খাবার খেয়ে পুনরায় পুত্রিকে বুকে জড়িয়ে নেয়ার গল্প আজ আর কারও অজানা নয়। আরব্য রজনী ‘আলি বাবা আর চল্লিশ চোরে’ও লবণ নিয়ে আছে এক গল্প। চল্লিশ ডাকাতের সর্দার যখন কারও বাড়িতে ডাকাতি করতে যেত, তখন সে নাকি ঐ বাড়ির বাড়তি নুন খেতে অস্বীকার করত। কারণ নুন খেলে নাকি সে আর নেমক হারামি (বিশ্বাসঘাতকতা) করতে পারবে না। এই দেখেই আলিবাবার পরিচারিকা মর্জিনা ধরে ফেলেছিল যে সে আসলে অতিথি বেশে ডাকাত।

চিত্রঃ আলীবাবার চল্লিশ চোর। Image Source: http://www.kalerkantho.com

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে লবণের ব্যবহার। মাঝে মাঝেই খেয়ালের ভুলে মনে প্রশ্ন জাগে, কোথা হতে এলো এই লবণ? কবে থেকেই বা মানুষ শিখল এই লবণের ব্যবহার?

read more »

January 29, 2017

নীলকর ওয়াইজ নেই, আছে ওয়াইজঘাট

মূল লেখার লিংক
পুরোনো ছবি
পুরোনো ছবি
নদীতে ভাসছে এক স্টিমার। আছে কিছু ছোট নৌকা। ঘাটে অপেক্ষারত কিছু লোক। ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুনের ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী গ্রন্থে ১৯১৭ সালের বুড়িগঙ্গা তীরের ওয়াইজঘাটের এই ছবি পাওয়া গেল। নীলকর ওয়াইজের নামে বুড়িগঙ্গাতীরের এই ঘাটের নাম ওয়াইজঘাট।

read more »

October 17, 2016

ব্যাটল ট্যাংকের একশ বছর

মূল লেখার লিংক
maxresdefault
যুদ্ধক্ষেত্রে প্রথম ট্যাংকের ব্যবহার হয়েছিল ১৯১৬ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ এখন থেকে একশ বছর আগে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানদের বিরুদ্ধে সমের যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনী নতুন এই মারণাস্ত্র ব্যাবহার করেছিলো।

অত্যন্ত গোপনে নির্মাণ করা হয়েছিলো ট্যাংক। এমনকি প্রথম যারা তা ব্যবহার করেছিলেন তারাও প্রথম এই অস্ত্র দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন।

read more »

August 27, 2016

কিছু কালজয়ী ফটোগ্রাফি ও ছোট্ট করে বাহাইন্ড দ্য সিন

মূল লেখার লিংক
পৃথিবীতে কিছু কাল-পুরষ্কার-সমালোচক হৃদয়জয়ী ছবি নিয়ে এই ব্লগ। ছবি গুলো এবং তার পেছনের ছোট্ট গল্প সব ই নেট থেকে সংগ্রহ করা, ব্যাপারগুলো আপনার কিওরিসিটি জাগাতে বাধ্য! আপনাদের নিরাশ করবো না, কথা দিচ্ছি।

তো আমরা শুরু করি-

ষাটের দশকের মধ্যভাগ পর্যন্ত পৃথিবীতে অনেক জায়গায় আফ্রিকার কালো মানুষ দের মানুষ হিসেবে গণ্য করা হত না। তাদের কে চিড়িয়াখানার আকর্ষণ হিসেবেও রাখা হত! সত্য বড় নির্মম, তাদের কে তখনো কিটপতংগ এবং শৈবাল হিসেবে ট্রিট করা হত! তাদের হত্যা করা কোন অপরাধ ছিল না!

read more »

August 22, 2016

বোল্ট-ফেলপ্‌স্‌দের পথ দেখিয়েছেন যিনি

মূল লেখার লিংক
মাটির পাত্রে আঁকা খ্রিষ্টপূর্বাব্দের একজন দৌড়বিদ। ছবি: বিবিসি।
মাটির পাত্রে আঁকা খ্রিষ্টপূর্বাব্দের একজন দৌড়বিদ। ছবি: বিবিসি।
গুগল নামের আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। ইউটিউবে কোনো ভিডিও তো অনেক দূরের কথা। ছবি বা ভিডিও, এসবের ধারণাই তো ছিল না ওই সময়। একমাত্র স্মৃতি বলতে মাটির পাত্রে আঁকা একটা মানুষের অবয়ব। সেটি দেখেই বুঝে নিতে হয়, কিংবদন্তির লিওনিদাস হয়তো এ রকম কেউই হবেন! প্রায় অমর হয়ে যাওয়া যাঁর রেকর্ড আজ ভেঙে দিয়েছেন মাইকেল ফেলপ্‌স্‌।

read more »

June 8, 2016

রাষ্ট্রীয় আদেশে আম্রপালিকে হতে হয়েছিল “নগরবধূ”

মূল লেখার লিংক

বেলোয়ারি ঝাড়ে সজ্জিত জলসাঘরের উজ্জ্বল আলোর উৎসবকে প্রাণবন্ত করতে যাদের উপস্থিতি ছিলো অপরিহার্য তাদেরকে ইতিহাস মনে রেখেছে বাঈজী হিসেবে। শাস্ত্রীয় নৃ্ত্য গীতে পারদর্শী এই নারীরা ছিলেন সক্রিয়, সাবলীল এবং শিক্ষিত। সমাজের ধনী ব্যক্তিরা নিজেদের অর্থ বিত্তের জৌলুস এবং আধিপত্য প্রদর্শনে বাঈজীদের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন।

read more »

May 30, 2016

দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি

মূল লেখার লিংক
দিনাজপুরের প্রাচীনতম নাগরিক এলাকায় ৪০০ বছরের অধিক কাল ধরে বাংলাদেশের অন্যতম একটি রাজবাড়ি সকল প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে অত্যন্ত জীর্ণাবস্থায় কালের স্বাক্ষী হয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে। জায়গাটির নামই আজ রাজবাড়ি। রাজবাড়িকে ঘিরেই দিনাজপুর শহরের গোড়া পত্তন। সেই কবে প্রাচীন অখন্ড বাংলার উত্তর রাঢ়ীয় এক কায়স্থ বংশের রায় উপাধিধারী পরিবার দ্বারা সূচিত হয়েছিল এ রাজবংশ তা আজ কিংবদন্তী।

read more »

April 9, 2016

দ্যা ব্লাক তাজমহল, মসলিয়াম এবং ভালোবাসা

মূল লেখার লিংক

তাজমহলের পেছনে গিয়েছেন কখনো? তাজমহলের পেছনে দাঁড়িয়ে যমুনার দিকে তাকালে মনে হবে তাজমহল নির্মান অসম্পূর্ন। কোথায় যেন কি নেই। তাজমহলের পেছনে দাড়ালে যমুনা কিংবা আগ্রা ফোর্ট কে অসাধারন দেখায়। পানি, পাথর, সবুজের সন্মিলনে অসাধারন। আগ্রা ফোর্টের যে জায়গায় বসে শাজাহান নির্মিশেষে মমতাজের সমাধির দিকে তাকিয়ে থাকত তাজমহলের পেছন থেকে সে জায়গা পরিস্কার দেখা যায়।

read more »

April 8, 2016

নোবেল মেডেল গলানোর সেই ঘটনা

মূল লেখার লিংক
নোবেল মেডেল কি লুকিয়ে ফেলার জন্য?? নাকি সকলকে দেখিয়ে বেড়ানোর জন্য?? নিশ্চয়ই পরেরটা।’দেখিয়ে বেড়ানো’ কথাটা হয়তো ঠিক হলোনা।তবে লুকিয়ে ফেলার জন্যও তো নয়।আর সেকারনেই মেডেলগুলো অনেকেই মিউজিয়মে দিয়ে দেন।কিন্তু মাঝে মাঝে এমন পরিস্থিতিও আসে যে নোবেল মেডেলও লুকানোর প্রয়োজন হতে পারে।আসুন জেনে নিই কেমন সে পরিস্থিতি।

read more »

March 9, 2016

শুভ জন্মদিন- ভিভ রিচার্ডস, দ্যা কিং

মূল লেখার লিংক
৭ মার্চ, ১৯৫২ সালে ক্রিকেটের সর্বকালের সবচেয়ে আগ্রাসী এবং ভীতি জাগানো ব্যাটসম্যান ভিভ রিচার্ডস জন্মগ্রহণ করেন। পুরো নাম স্যার আইজ্যাক ভিভিয়ান আলেক্সান্ডার রিচার্ডস। মাঠে শুধু তাঁর উপস্থিতিই প্রতিপক্ষের শিরদাঁড়ায় ভয়ের শীতল স্রোত বইয়ে দিত। ২০১৩ সালে ক্রীড়া সাংবাদিক অরুনাভ সেনগুপ্ত ভিভের জন্মদিনে তাঁর ব্যক্তিগত ও খেলোয়াড়ি জীবন নিয়ে দারুণ একটি আর্টিকেল লিখেছিলেন। আমি সেই লেখাটির ভাবানুবাদ করার চেষ্টা করছি।

read more »