Posts tagged ‘আমেরিকা’

November 20, 2016

প্রিয় গন্তব্য সেন্ট্রাল পার্ক

মূল লেখার লিংক

গাছ আমার সবসময়ই প্রিয়। সারি সারি বৃক্ষরাজি আমাকে সবসময়ই কাছে টানে। সেকারণে ঘন বনের মাঝে হারিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলে, কখনোই তা থেকে দূরে থাকি না।

সেন্ট্রাল পার্ক সেই অর্থে ঘন বনাঞ্চল নয়। এরপরও, এমন নাগরিক উদ্যান কোথাও দেখিনি আমি। বিশেষ করে নিউ ইয়র্কেরম্যানহাটনের মতো একটি জায়গায়, চারিদিকে উঁচু উঁচু দালানের মধ্যে, অসাধারণ সবুজ এক জমিন যেন।

read more »

Advertisements
September 17, 2016

মহাকাশযান, পর্ব ১ – শুরুটা যেভাবে

মূল লেখার লিংক
স্পুৎনিক-১
মহাকাশযান
মহাকাশযানের ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনায় যাবার আগে কিছু ব্যাপার জানিয়ে রাখি। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে মোটামুটি একশো কিলোমিটার উপরের অঞ্চল থেকেই মহাকাশের শুরু বলে ধরে নেওয়া হয় । এটার নাম কারমান লাইন। বেশিরভাগ জেট প্লেন ১৫ কিলোমিটারের উপরে চলাচল করে না। সবচেয়ে নিচে চলাচল করা লিও স্যাটেলাইট (লো আর্থ অরবিট) ১৬০ কিলোমিটার উপরে থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।

read more »

October 13, 2015

ভুবনজয়ী এক চীনা নারীর গল্প

মূল লেখার লিংক
টু ইউইউ ও তার আবিষ্কৃত অণু। সংগৃহীত
ভিয়েতনাম যুদ্ধ চলছে। সেনারা মরছে বুলেট ও বোমার আঘাতে। উত্তর ভিয়েতনাম চীনের সমর্থনপুষ্ট। দক্ষিণ ভিয়েতনামে আমেরিকার আশীর্বাদ। রাজনীতির রণক্ষেত্রে হানা দেয় আরেক আঘাত।

read more »

March 18, 2014

বিশ্বের সেরা ১০ টি ব্যাটল ট্যাংক

মূল লেখার লিংক

যুদ্ধের রাজা ট্যাংক, ছোট বেলা থেকেই জেনে এসেছি । কিন্তু কখনো জানা হয়নি রাজাদের রাজা কে ? সেই রাজাদের খুজে বের করতেই আজকের এই প্রচেষ্টা ।

read more »

June 15, 2013

পৃথিবীর পথে পথে, সেই পথ যেন না শেষ হয়…(পর্ব ১)

মূল লেখার লিংক

আমেরিকানরা অদ্ভুত জাতি। কথা নাই বার্তা নাই খালি পাহাড়ে উঠে হাঁটতে থাকে। পারেও। তিন মাসের শিশু সন্তান কোলে পিঠে বেঁধে যেমন উঠে, আবার ষাটোর্ধ মানুষজনও পোষা কুকুরটিকে সাথে নিয়ে উঠে যায় তরতর করে। অবশ্য, এদের কালচারটাই সেভাবে গড়ে উঠেছে। তা না-হলে তাদের প্রশাসনের কি দরকার পড়েছিলো, পাহাড় কেটে কেটে কোথাও দুই মাইল, কোথাও পাঁচ মাইল, কোথাও-বা দশ মাইল লম্বা ট্রেইল বানিয়ে রাখার।

read more »

December 10, 2012

স্টেইটস্‌ অব আর্টঃ মাতাল ভ্যালি নাপা, ক্যালিফোর্নিয়া

মূল লেখার লিংক
সমস্ত দিন কেটে গেলে, বিকেলের ক্লান্ত গাছের পাতায় ধূসর ছায়া ফেলে, পরিচিত দিক ধরে অন্ধকার নেমে এলে, এলেবেলে ডানা মেলে ক্লান্ত এক ঝাঁক পাখি ঘরে ফিরে যাবে। তারই কিছুটা পরে ম্রিয়মান সূর্যের সর্বশেষ লালচে আভাটুকুও দিগন্তের ওদিকটায় যখন মিলিয়ে যাবে, তখন আকাশ নীল করে চাঁদ নামবে। চাঁদ নামবে আকাশের স্বর্গীয় আঙ্গিনায়, বিশ্বচরাচর আলোর বন্যায় ভাসিয়ে নিয়ে গিয়ে রাতের কপালে টিপ হয়ে সেজে রবে আকাশজুড়ে। ছোট্ট কিশোরী দরজার চৌকাঠে বসে বসে ভাববে, আহা! এমন দারুণ করে কে সাজিয়েছে এই পৃথিবী।

দূর আকাশের সেই রঙের মেলার বায়োস্কপ শুধু দেখেই যাওয়া সম্ভব, বয়স যতই বাড়ুক সেই আকাশকে নিজের মত করে সাজানোর নেশা মানুষকে ছাড়তেই হয়, এখনো যে আকাশ কিংবা প্রকৃতিকে সাজানোর ক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি মানুষ। কিন্তু, প্রকৃতি আর মানুষের যৌথ প্রযোজনায় যদি গড়ে উঠে কোনো এক রাজ্য, তবে কি হবে তার রূপ! কি হবে তার নাম!! সে রাজ্যের নাম নিলে কি স্বপ্ন কিংবা স্বপ্নীল কথাটা ভেসে উঠবে না মানুষের মনের মানসে!!!

read more »

December 10, 2012

ইয়োসেমিটি ন্যাশনাল পার্ক

মূল লেখার লিংক
লন্ডনে সটকে আসার পরে আবার এক কনফারেন্সের ছুতোয় আমেরিকা যাবার সুযোগ হয়েছিল। তবে এবার বস্টন না, একেবারে আড়াআড়ি উল্টোদিকে, সান ফ্রান্সিস্কো। সেখানে কার্যসমাপ্তিতে আরো দুইজনের সাথে মিলে ড্রাইভ করে (আমি না, এক সিনিয়র) ইয়োসেমিটি ন্যাশনাল পার্ক যাওয়া হল। এত সুখ্যাতি শুনে আসছি এতদিন ধরে…

সান ফ্রান্সিস্কো থেকে অনেকটা দূর, যেতে যেতে রাত্রি হয়ে গেল। পাহাড়-জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে সরু আঁকাবাঁকা পথ, তায় আবার দুমদাম হরিণের দল লাফিয়ে লাফিয়ে রাস্তায় এসে পড়ে, এসব মিলিয়ে হোটেলে পৌঁছতে বেশ রাতই হয়ে গেল। নিরিবিলি, দূষণহীন জায়গা, দেখি আকাশে ঝকঝক করছে তারা।

read more »

November 23, 2012

নায়াগারা ফলস: যার বিশালতায় অবাক বিস্ময়ে অভিভূত আমি

মূল লেখার লিংক
এ যাবৎকালে পৃথিবীর কোন কিছু দেখে বিস্মিত হয়েছি কিনা, মনে পড়ছেনা। কেননা বিস্ময় ব্যাপারটা আমার মাঝে কেন যেন খুব একটা কাজ করেনা। কিন্তু তারপরেও আমার মতো বিস্ময়হীন একজন মানুষও বিস্মিত হয়েছে এবং মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়েও থেকেছে।

পাঠক হয়তো ভাবছেন, একটু বাড়িয়েই বলছি আমি। মোটেও তা নয়। ব্যাপারটা তাহলে বিস্তারিতই বলতে হয়। বেশ কিছুদিন ধরে ভাবছি যাবো যাবো। কিন্তু সময়াভাবে যাওয়া আর হচ্ছিলনা। কিন্তু ভ্রমণপিপাসু এই আমাকেতো ধরে বেঁধে রাখা যাবেনা। তাই অনেকটা জোর করেই সময়টা ম্যানেজ করে ফেললাম এবং গেল ২০ তারিখ রোজ মঙ্গলবার শুভদিনের খুব সকাল বেলায় রওনা হয়ে গেলাম ‘নায়াগারা ফলসে’র উদ্দেশ্যে।

গাড়ির জি.পি.এস-এ ‘নায়াগারা অন দ্যা লেক’ কথাটা লিখে যখন রওনা দিলাম, বুঝতেও পারিনি যে ভুল করে প্রথমে চলে যাবো নায়াগারা ফলস্ নয়, বরং ‘নায়াগারা অন দ্যা লেক’ নামক ছোট্ট ছিমছাম শহরটিতে। দোষটা কিন্তু আমার ছিলনা একেবারেই। বন্ধু সুজানার বুদ্ধিতেই জি.পি.এস-এ ভুল ঠিকানা টাইপ করতে হয়েছিল। অবশ্য ওর কল্যাণেই কানাডার নয়নাভিরাম গ্রাম আর ওয়াইনের ক্ষেত দেখতে দেখতে যাওয়া হলো।

read more »

August 26, 2012

সানশাইন স্টেইটঃ সেইন্ট অগাস্টিন

মূল লেখার লিংক
সলোমন আইল্যান্ডের স্টলের সামনে এক বিশাল দেহী রাজার ছবি রাখা, তার সামনে দাঁড়িয়ে এক সলোমন আইল্যান্ডার সেই রাজার গুণগান করে যাচ্ছে। তার বর্ণনার শেষ দিকে উচ্ছাস কমে এসে দূরবর্তী বিষাদের ছোঁয়া, সারমর্ম করলে দাঁড়ায়, “আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম”। তারপর? “দেন দ্যা ইউরোপিয়ান কেইম, এন্ড মেসড এভরিথিং”। আমার সাথে অ্যামেরিকান রেড ইন্ডিয়ান কারো সাথে দেখা হয়নি কখনো, তবে আন্দাজ করতে পারি, এই বিষয়ে তাদের কী বলার থাকতে পারে।

অ্যামেরিকার ভিসা পাওয়া নিয়ে ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে নিশ্চয় কেউ একজন এই জোকটা বানিয়েছিলো, “একমাত্র কলম্বাসই ভিসা ছাড়া অ্যামেরিকা ঢুকেছিলো”। অ্যামেরিকা বলতে উত্তর, মধ্য, দক্ষিণ অ্যামেরিকা মিলিয়ে যে নতুন পৃথিবী বুঝানো হয়, সেটা যদি ধরি, তাহলে এই জোকের কথা সত্যি। কিন্তু ইউএসএতে ঢুকার সৌভাগ্য এমনকি কলম্বাসেরও হয়নি!

read more »

July 26, 2012

জীবনের টুকরো – দেশবিদেশে (পুবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৪)

মূল লেখার লিংক
সংবিধাণ সতর্কিকরণ বিজ্ঞপ্তীঃ ইহা একটি দীর্ঘ এবং বোরিং পোস্ট। পাঠক নিজ দায়িত্বে পড়বেন। আর না পড়লেও একবারে শেষ অনুচ্ছেদ (২০) চলে যেতে পারেন।
১৪
এখন কথা হলো ‘পশ্চিম ফ্রি-সেক্সের দেশ’ বহুশ্রুত এই বাক্যটির সঠিক এবং যথার্থ দৃশ্য কিভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়? পশ্চিমে পাবলিক ন্যুইসেন্সকে খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। এখানকার উন্মুক্ত পরিবেশে এমন কিছু করা যাবে না যা অন্যের মনে বিরক্তির উদ্রেগ সৃষ্টি করবে। একবার একটা মজার সংবাদ পড়েছিলাম। জনৈক ভদ্রলোক তার প্রতিবেশী মহিলার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ঠুকে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মহিলা বিকিনি পড়ে বাগানে পানি দিচ্ছিল। এতে ভদ্রলোকের মনোযোগ ব্যাহত হয়। ফলে হাঁটতে গিয়ে বেখেয়ালে পা মচকে যায়। এই ফ্রি সোসাইটির দেশে চলতে গেলে পাবলিক ন্যুইসেন্সকে গুরুত্ব না দিলে বিপদে পড়তে হয়। এই ঘটনাটি পড়ে আমার ছোটবেলার একটি ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল। আমার ছোটবেলা কেটেছে বনানীতে। সেই সত্তর-আশির দশকে এই এলাকাগুলো আক্ষরিক অর্থেই আবাসিক এলাকা ছিল। দালানগুলো ছিল দোতলা কিম্বা বড়জোর তিনতলা। এর থেকে খুব একটা উঁচু বিল্ডিং দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। সেসময় অনেক ককেশীয় পশ্চিমারা সেই এলাকাগুলোতে থাকতেন। আমাদের পাশের বাসায় এরকম একজন ককেশীয় পশ্চিমা তরুণী প্রায় দিনই বিকিনি পড়ে ছাদের উপর শুয়ে সূর্যস্নান করতেন।

read more »

July 2, 2012

ভিনদেশে ভালোবাসা

মূল লেখার লিংক
ফেব্রুয়ারী, ২০০০ |

আমেরিকাতে স্নাতকে অধ্যয়নরত বিদেশী ছাত্র ছাত্রীদের আমেরিকার সংস্কৃতি এবং তাৎপর্য বুঝানোর জন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক ধরনের কর্মকান্ড প্রচলিত আছে । এই রকম একটা উদ্যোগ হচ্ছে “আন্তর্জাতিক পরিবার”। স্থানীয় একটি আমেরিকান পরিবারের সাথে একটি বিদেশী ছাত্রের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় যাতে তারা একে অপরের সম্পর্কে জানতে পেরে হৃদ্যতা স্হাপন করতে পারে ।

আমার স্নাতকের শিক্ষাজীবনের প্রথম বছর মিসৌরি নামক একটি স্টেটের ছোট একটি শহর কার্ক্সভিলে কেটেছে | কার্ক্সভিল শহরের জনসংখা তখন ছিলো মাত্র ১১ হাজার, এবং তার মাঝে ৬ হাজার ছিলো ভার্সিটির ছাত্র ছাত্রী | এই ছোট শহরে সব কিছু একটি করে (যেমন, একটি ব্যান্ক, একটি চুল কাটার দোকান, একটি পোস্ট অফিস, একটি ওয়ালমার্ট ইত্যাদি) | রাস্তা ঘাটে অচেনা মানুষ জনের চোখে চোখ পড়লে মিষ্টি করে হাসে – যেনো অনেক দিনের পরিচয় | শহরের অবস্থানটাও ছিলো বেশ অদ্ভুত, ইংরেজিতে যাকে বলে, “মিডল অফ নো ওয়াহর” | সব চেয়ে নিকটতম আধুনিক শহর হচ্ছে কলম্বিয়া, আর সেটাও প্রায় ১২০ মাইল দুরে | স্বভাবতই, কার্ক্সভিলের সব শিক্ষার্থীদের সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলিতে হই হুল্লোর করে নাচ গান করা ছাড়া অন্য কোনো মনরঞ্জনের ব্যবস্থা ছিলো না (হই হুল্লোরের দিনগুলি কে নিয়ে অন্য কোনো দিন ব্লগ্গিং করবো)| তাই যখন আমাকে “আন্তর্জাতিক পরিবার” সম্পর্কে অবহিত করা হলো, কিছু না বুঝেই তড়িঘড়ি করে নাম লেখালাম |

read more »

June 24, 2012

স্টেইটস্‌ অব আর্টঃ কলাম্বাস, ওহাইও

মূল লেখার লিংক
ইংরেজী weather শব্দটার সাথে আমাদের খুব করে পরিচয় থাকলেও অনেকটা একই উচ্চারণের wether এর সাথে তেমনটা নেই। থাকার কথাও নয়। তার উপর সেটার অর্থ যদি হয় একটি খাসি করা মেষ বা ভেড়া (A castrated ram), তাহলেতো কথাই নেই। তাছাড়া, চরানোর ব্যাপার না আসলে মেষ ব্যাপারটা আমাদের দেশে খুব একটা ব্যবহারও করতে হয় না। বাংলায় বাবারা অকর্মণ্য ছেলেকে মেষ চরানোর পরামর্শ দিয়ে মনের ক্ষোভ মেটান। আর মেষ না বলে যদি ভেড়া বলা হয়, তাহলে সেটার ব্যবহারও সদ্য বিবাহিত কাউকে বিয়ের পর ভেড়া হয়ে গেছে বলে উত্তক্ত করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

তবে, সকল অপমান মুখ বুজে সহ্য করে চলতে থাকা ভেড়া সমাজেও একজন অত্যন্ত সন্মানিত ভেড়া আছেন। এই নেতৃস্থানীয় ভেড়াটির (wether) গলায় ক্ষেত্রবিশেষে একটি ঘণ্টা (bell) ঝুলিয়ে দেয়ার কারণে, ইংরেজীতে এর নাম হয়ে যায় bellwether। বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধা বিশেষ কাজ হিসেবে বিবেচিত হলেও, এই ভেড়াদের গলায় ঘণ্টা বাঁধা কাজের মধ্যেই ধরা হবে না। বুদ্ধি বিবেচনা এবং দুটি চোখ থাকা সত্ত্বেও, নেতৃত্বের প্রতি অগাধ বিশ্বাসী এই নিরীহ প্রাণীগুলো, পথ চলার সময় কেন যে সে-সবের বিন্দুমাত্র ব্যবহারও না করে তাদের নেতা bellwether কে অনুসরণ করে সামনে এগিয়ে চলে, সেটা গবেষণার বিষয়ই বটে। তবে, কারণ সে যাই হোক না কেন, তাদের এই ভক্তিমূলক অনুসরণ প্রক্রিয়াটাকে সহজতর করাই bellwether এর গলায় ঘণ্টার ঝুলানোর মূল কারণ। গলায় ঝুলতে থাকা ঘণ্টার ধ্বণি শুনেই, দলনেতাকে অনুসরণ করে এগিয়ে চলে সমস্ত ভেড়ার পাল। তাছাড়া, সমস্ত পাল নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে যিনি থাকেন, সেই নিয়ন্ত্রণকর্তারও বুঝতে সুবিধে হয় ভেড়ার পালটি সে-মুহূর্তে ঠিক কোথায় বা কোনদিকে আছে।

read more »

April 10, 2012

স্টেইটস্ অব আর্টঃ ওয়াশিংটন ডিসি

মূল লেখার লিংক

পৃথিবীর দুইটা দেশের না-কি বাংলা নাম আছে, যা তাদের মূল নাম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। একটা হলো ইন্ডিয়া, যার বাংলা হচ্ছে ভারত। অন্যটাও খুব একটা অপরিচিত কোনো দেশ নয়। তবে সে না-হয় হলো। তাই বলে যদি বলি দেশের স্ত্রীলিংগ আছে, তাহলে জিনিসটা কি কিছুটা বাড়াবাড়িই হয়ে যায় না? আসলে কিন্তু না। রূপসী বাংলার রূপসী শব্দটাই তার প্রমাণ। বাংলাকে যদি আমরা একটু বেশি আগ্রহ দেখিয়ে রূপসী বাংলাই বলি, তাহলে অ্যামেরিকানরাও কি তাদের দেশকে সেরকম কিছু একটা বলে না? হ্যাঁ বলে, এরা বলে কলাম্বিয়া। অ্যামেরিকার অন্য আরেকটা কাব্যিক আদুরে নাম হলো কলাম্বিয়া। ১৪৯২ সালে স্পেনের বিখ্যাত কিংবা কুখ্যাত রাণী, ইসাবেলা, সাম্রাজ্য বিস্তারের লক্ষ্যে নিজের গয়না বিক্রি করে যে নাবিককে সমুদ্র পরিভ্রমণে পাঠিয়েছেন, সেই ক্রিস্টোফার কলাম্বাসের নামেই নামকরণ হয়েছে কলাম্বিয়া অর্থাৎ ল্যান্ড অব কলাম্বাস বা কলাম্বাসের ভূমি।

read more »

March 31, 2012

মার্কিন মুল্লুকে-৮: প্রক্ষালনকক্ষ

মূল লেখার লিংক
বাথরুমকে যে বাংলায় প্রক্ষালনকক্ষ বলে সেটা আমি আমেরিকায় না আসলে জানতে পারতাম না। একটু চিন্তায় পড়ে গেলেন কি? দাঁড়ান খুলে বলি। সারাজীবন ধরে মানুষকে এয়ারপোর্টে বিদায় জানাতে এসেছি – লোকজন চোখ-টোখ মুছে ভেতরে ঢুকে যাওয়ার পরে আমিও বাসে করে ফার্মগেটে ফিরে গেছি। এয়ারপোর্টের ভেতরে জীবনেও ঢুকতে হয় নি। প্লেন ছাড়াও ওতে আর কি কি আছে সেটা জানা ছিল না। প্রথমবার ঢোকা হলো আমেরিকাতে আসার উছিলায়। এতোদিন পর্যন্ত আমেরিকা গমন নাটকের অবসান হতো এয়ারপোর্টের সামনে থেকে – এই প্রথম নিজে নায়কের চরিত্র পাওয়াতে ভেতরের ব্যাপারগুলোর খুঁটিনাটি সব চোখে পড়ল।

ইমিগ্রেশন-টেশন পার হয়ে একদম প্লেনে চড়ার আগে আমার বাথরুম পেয়ে গেলো। ছোট প্রয়োজনও জীবনে অনেক বড় আকার ধারন করতে পারে। ইমিগ্রেশন এরিয়ার ভেতরে সব্বাই মুখ চোখ খুব শক্ত করে রাখে। যাত্রী, কাস্টমস অফিসার, অথবা ঘর পরিস্কারের লোকজন – কারও মুখে কোনো হাসি নেই। দেখে মনে হয় একটু পরেই সবাই পুলসিরাত পাড়ি দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। ভাই বাথরুমটা কোন দিকে? এই প্রশ্নটা মনে হয় বিরাট বড় একটা বেয়াদপি।

read more »

March 31, 2012

স্টেইটস্‌ অব আর্টঃ রিচ্‌মন্ড, ভার্জিনিয়া

মূল লেখার লিংক

ভার্জিনিয়া স্টেইট, আমেরিকার সবচেয়ে বড় প্রেসিডেন্ট উৎপাদন কারখানা। এখানে সর্বমোট স্টেইট এর সংখ্যা পঞ্চাশ এবং বর্তমানে বারাক ওবামা আমেরিকার ৪৪-তম প্রেসিডেন্ট। গড়ে প্রতি স্টেইট থেকে একজন করে প্রেসিডেন্টও নেই। কিন্তু তাতে কি! চুয়াল্লিশ জনের মধ্যে ভার্জিনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী প্রেসিডেন্টের সংখ্যাই আট। যাদের মধ্যে আছেন নামের শেষে ‘সন’-যুক্ত প্রখ্যাত চারজন- উইলসন, জেফারসন, মেডিসন, হ্যারিসন এবং নামের মাঝে ‘শিং’-যুক্ত কয়েক টন খ্যাতিসম্পন্ন ওয়াশিংটন। প্রেসিডেন্ট মানেই নেতা, আর নেতা মানেই আন্দোলন, নেতা মানেই সংগ্রাম। ‘আমেরিকান রেভ্যুলুশান’ এবং ‘আমেরিকান সিভিল ওয়ার’-এই দুই গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনের তীর্থস্থান ভার্জিনিয়া। এই আন্দোলনগুলোই কখনো জন্ম দিয়েছে স্বাধীন আমেরিকার, কখনো জন্ম দিয়েছে দাসপ্রথাবিহীন আমেরিকার। আর তারই সাথে সাথে এই আন্দোলনগুলোই জন্ম দিয়েছে শত শত নেতৃত্বের আর গণ্ডায় গণ্ডায় প্রেসিডেন্টের।

read more »