Posts tagged ‘অলিম্পিক’

February 19, 2017

অ্যাডলফ বনাম রুডলফঃ ঐতিহাসিক যে দ্বন্দ্বে জন্ম নিয়েছিলো বিখ্যাত অ্যাডিডাস ও পুমা

মূল লেখার লিংক
আজ থেকে প্রায় এক শতাব্দী আগেকার কথা। জার্মানির বাভারিয়া প্রদেশের হার্জোগেনোরাখ শহরে তখন বাস করতেন এক দম্পতি। স্বামী ক্রিস্টোফ ভন উইলহেল্ম ড্যাজলার কাজ করতেন একটি জুতার কোম্পানিতে, আর স্ত্রী পলিনা স্পিত্তুলার ছিলো ছোট একটি লন্ড্রির দোকান। ক্রিস্টোফ ও পলিনার সেই ঘর আলো করে এসেছিলো চার সন্তান। স্বামী-স্ত্রীর আয় খুব বেশি না হলেও ফ্রিৎজ, রুডলফ, অ্যাডলফ ও মেরিকে নিয়ে সুখেই কেটে যাচ্ছিলো তাদের দিনগুলো। এদের মাঝে মেরি তার মায়ের সাথে লন্ড্রিতেই কাজ করতো। আর তিন ভাই মিলে সেই কাপড়গুলো এরপর বিতরণের কাজ সারতো। এজন্য প্রতিবেশীরা তাদেরকে ‘দ্য লন্ড্রি বয়েজ’ নামেই চিনতো। চার ভাই-বোনের মাঝে রুডলফ ড্যাজলার ও অ্যাডলফ ড্যাজলারের নাম দুটো মনে রাখুন। কারণ আমাদের আজকের কাহিনী এ দু ভাইকে নিয়েই।

read more »

Advertisements
August 22, 2016

বোল্ট-ফেলপ্‌স্‌দের পথ দেখিয়েছেন যিনি

মূল লেখার লিংক
মাটির পাত্রে আঁকা খ্রিষ্টপূর্বাব্দের একজন দৌড়বিদ। ছবি: বিবিসি।
মাটির পাত্রে আঁকা খ্রিষ্টপূর্বাব্দের একজন দৌড়বিদ। ছবি: বিবিসি।
গুগল নামের আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। ইউটিউবে কোনো ভিডিও তো অনেক দূরের কথা। ছবি বা ভিডিও, এসবের ধারণাই তো ছিল না ওই সময়। একমাত্র স্মৃতি বলতে মাটির পাত্রে আঁকা একটা মানুষের অবয়ব। সেটি দেখেই বুঝে নিতে হয়, কিংবদন্তির লিওনিদাস হয়তো এ রকম কেউই হবেন! প্রায় অমর হয়ে যাওয়া যাঁর রেকর্ড আজ ভেঙে দিয়েছেন মাইকেল ফেলপ্‌স্‌।

read more »

August 22, 2016

রেডমন্ডের গল্পটা আপনাকে কাঁদাবে, অনুপ্রাণিত করবে

মূল লেখার লিংক
জীবন-যুদ্ধে আপনি লড়ে লড়ে ক্লান্ত, বিধ্বস্ত? রেডমন্ডের এই গল্পটা শুনুন! ফাইল ছবি
১৯৯২ বার্সেলোনা অলিম্পিক। যে আসরে জন্ম নিয়েছিল এক অন্য রকম অনুপ্রেরণার গল্প। খেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে যে গল্প হয়ে উঠেছে জীবনে গল্প। জীবনযুদ্ধে লড়ে লড়ে আপনি যদি ক্লান্ত-বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন, তাহলে এ গল্প আপনাকে শুনতে হবেই। এই গল্প যে কখনোই হাল না ছাড়ার!

read more »

August 3, 2016

অলিম্পিকের ‘হারিয়ে’ যাওয়া পাঁচ খেলা

মূল লেখার লিংক
অলিম্পিক শুধু একটা ক্রীড়া প্রতিযোগিতাই নয়, ক্রীড়াবিদদের বিশাল সম্মিলনও। চার বছর ধরে এই মহাযজ্ঞের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকে ক্রীড়াপ্রেমীরা। আধুনিক অলিম্পিক এবার পূর্ণ করতে যাচ্ছে ১২০ বছর। এই দীর্ঘ সময়ে অজস্র খেলার সাক্ষী হয়েছে অলিম্পিক। বেশ কিছু খেলা আবার হারিয়েও গেছে। তেমনই পাঁচটি খেলা নিয়ে এই আয়োজন।
ক্রিকেট
1900-olympics-008
ছবিঃ ১৯০০ সালের অলিম্পিক ক্রিকেটে স্বর্ণজয়ী গ্রেট ব্রিটেন ক্রিকেট দল

read more »

September 22, 2013

৭৫ বছর পর ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা!

মূল লেখার লিংক
দৌড়ে প্রথম হয়েছিলেন তিনি৷ কিন্তু বিচারকদের রায়ে হতে হলো চতুর্থ৷ ১৯৩৮ সালের ঘটনা৷ ফিনল্যান্ডের অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন সেই ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে ৭৫ বছর পর৷

read more »

September 9, 2012

অলিম্পিকের ইতিহাসের সেই কলঙ্কজনক অধ্যায়গুলো

মূল লেখার লিংক
কিছু দিন আগে শেষ হয়ে গেল ২০১২ সামার অলিম্পিক । এতে বিশ্বের ২০৪ টি দেশ থেকে ১০০০০ এর অধিক এথল্যাট অংশ গ্রহণ করে। দেশ, জাতি, ধর্ম – বর্ণ ভুলে সমগ্র বিশ্বের এক মিলন মেলায় পরিণত হয় এই অলিম্পিক। মুলত অলিম্পিক শুরু করার পেছনে মুল উদ্দেশ্যই ছিল এটি। এমন একটি আসর আয়োজন করা যা বিশ্ব শান্তি , সাম্য আর ঐকের মডেল হয়ে থাকবে। এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায় অলিম্পিক এই কাজে বহুলাংশেই সফল। তবে সময়ে সময়ে কিছু ঘটনা এই মহান আসরকেও করেছে কলঙ্কময় । আজ আমরা জানবো এমনি কিছু ঘটনা ।

বেইজিং অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নয় বছর বয়সী লিন মিয়াওকের কণ্ঠের গান । লিনের শ্রুতি মধুর কণ্ঠ আর কিউট চেহারা লাখ লাখ দর্শকের মন কেড়ে নেয় । তবে বাস্তবতা ভিন্ন । আসলে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিল ছবির ডানের মেয়েটি ।তার নাম ইয়াং পেয়ি । ইয়াং পেয়ির চেহারা চিনা আয়োজকদের যথেষ্ট কিউট মনে না হওয়ায় ষ্টেজে পাঠানো হয় লীনকে। ছল-চাতুরির আশ্রয় নেওয়ায় সেবার চীনকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ।

read more »

August 21, 2012

অলিম্পিক আলোচনা – ৩

মূল লেখার লিংক
শেষ হয়ে গেলো ২০১২ লন্ডন অলিম্পিক। ২০০৮ এর অলিম্পিকের সাথে প্রথম চারের তেমন বেশি পার্থক্য দেখা গেলো না। ৪৬ সোনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে, ৩৮ সোনা নিয়ে চীন দ্বিতীয়, ২৯ সোনা নিয়ে আয়োজক ব্রিটেন তৃতীয় এবং ২৪ সোনা নিয়ে রাশিয়া চতুর্থ হলো। ২০০৮ এর অলিম্পিকেও এই চার দেশই প্রথম চারটা স্থান দখল করেছিল। পার্থক্য শুধু তাদের অবস্থানে। সেবার নিজেদের মাটিতে চীন ৫১ সোনা নিয়ে প্রথম হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় (৩৬ সোনা), রাশিয়া তৃতীয় (২৩ সোনা) আর ব্রিটেন চতুর্থ (১৯ সোনা)।

read more »

July 30, 2012

অলিম্পিকের গল্পঃ স্বাধীনতা! হে প্রিয় স্বাধীনতা!

মূল লেখার লিংক

বার্লিন অলিম্পিকের ম্যারাথন দৌড়ের বিজয়ীরা

অলিম্পিকের ইতিহাসে উপরের ছবিটি একটি আইকনিক ছবি। ছবিটি ১৯৩৬ সালের ৯ আগস্ট বার্লিন অলিম্পিকে তোলা হয়। এখানে দেখা যাচ্ছে, অলিম্পিক ম্যারাথন দৌড়ের পর তিনজন এথলেট বিজয় স্তম্ভে দাঁড়িয়ে আছেন। ছবিতে একদম পিছনে আছেন রৌপ্য বিজয়ী ব্রিটিশ আর্নি হারপার। তিনি এমনিতেই লম্বা, এছাড়া তাঁর হাসিতেও একটা গর্বিত ভাব আছে। তাঁর সামনে আছেন যথাক্রমে স্বর্ণ আর ব্রোঞ্জ পদকজয়ী দুই জাপানিজ দৌড়বিদ, তাঁদের মধ্যে একজন ওক ট্রি দিয়ে গেঞ্জির মাঝে এম্বুশ করা জাপানের পতাকাটিকে ঢেকে রেখেছেন।

read more »

July 30, 2012

লন্ডনের তিন অলিম্পিকস

মূল লেখার লিংক
লন্ডনে এবারের আসর সহ অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিনটি অলিম্পিক মহাযজ্ঞ। লন্ডনে অনুষ্ঠিত তিন অলিম্পিক আসরের তুলনামূলক চিত্র নিয়ে একটা বিবরণী তুলে ধরলাম।

যাবতীয় তথ্যের সর্বশেষ আপডেট বুধবার, 25 জুলাই, 2012

প্রথম আসরের সময়ঃ
১৯০৮ (২৭শে এপ্রিল – ৩১শে অক্টোবর)

মোট অ্যাথলেট সংখ্যাঃ
২২টি দেশ থেকে ২,০৩৫ জন প্রতিযোগী, ৩৬ জন নারী

read more »

July 27, 2012

অলিম্পিকের গল্পঃ একজন কার্লো এয়ারোল্ডি, একজন স্পিরিডন লুইস

মূল লেখার লিংক
কার্লো এয়ারোল্ডি। ইতালির মিলান শহরের নাগরিক। সুঠাম স্বাস্থ্যের অধিকারী। বয়স ২৭ বছর। সময়টা ১৮৯৬ সাল। খুব ভালো দৌড়াতে জানেন তিনি। দৌড়াতে ভালোবাসেন তিনি। বেশি ভালোবাসেন দূরপাল্লার দৌড়গুলো দৌড়াতে। মিলানে বেশ নাম ডাকও হয়ে গেছে তাঁর। আগের বছর কি মনে করে যেনো তিনি মিলান থেকে বার্সেলোনা পর্যন্ত ১০৫০ কিলোমিটার দৌড়িয়েছিলেন। জনগন তাঁর এই দৌড়ে খুশি হয়ে তাঁকে ২০০০ পেসো পুরস্কারও দিলো।

সেই কার্লো এয়ারোল্ডির খুব ইচ্ছে এথেন্স অলিম্পিকে অংশগ্রহন করা। অলিম্পিকে নিজেকে বিজয়ী হিসেবে দেখা। কিন্তু দরিদ্র কার্লোর পক্ষে মিলান থেকে এথেন্সে যাওয়ার খরচ বহন করা সম্ভব নয়। তাই কার্লো সমাজের বিত্তশালী লোকদের দুয়ারে দুয়ারে ধর্না দিতে লাগলেন। কিন্তু মাত্র একজন ব্যক্তি এগিয়ে এলেন তাঁর সাহায্যে। তিনি সেই সময়কার প্রচলিত ম্যাগাজিন “La Bicicletta”-এর ডিরেক্টর। কি রকম সাহায্য? কার্লো এয়ারোল্ডি মিলান থেকে এথেন্সে যাবেন হেঁটে। “La Bicicletta” কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র যাত্রাপথের অবস্থা কি রকম সেটা কার্লোকে জানাবে এবং কার্লোর খাবারের খরচ দিবে। বিনিময়ে কার্লোর যাত্রার বিবরণ সেই ম্যাগাজিনে ছাপা হবে। শেষ পর্যন্ত এই শর্তেই রাজী হলেন কার্লো এয়ারোল্ডি। তাঁর ইচ্ছের প্রতিফলন ঘটানোর জন্য শুরু করলেন ইতিহাস বিখ্যাত “মিলান টু এথেন্স” হাঁটা।

read more »

July 25, 2012

অলিম্পিকের গল্পঃ হপ, স্টেপ এন্ড জাম্প

মূল লেখার লিংক

জেমস বি কননোলী

১৮৯৫ সাল। আমেরিকার বিশ্বখ্যাত হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখলো ২৬ বছরের এক যুবক। যুবকটি পড়াশোনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও খেলাধুলাতেও কম যায় না। এর আগে ফুটবল এবং সাইক্লিং- এ নিজেকে জড়িয়ে পড়াশোনার অনেক ক্ষতি করেছিলো। এমনিতেই আয়ারল্যান্ড থেকে আমেরিকায় আসা তার দরিদ্র জেলে বাবার জন্য সে যখন বোঝা হয়ে উঠতে লাগলো, তখনই সে আবার পড়াশোনায় ফিরে এসে হাভার্ডে ভর্তি হয়ে গেলো।

read more »