Archive for ‘ভ্রমন’

September 10, 2017

ভাসমান মসজিদ হাসান আল-থানি: বিশ্বের সর্বোচ্চ ধর্মীয় স্থাপনা

মূল লেখার লিংক
মরক্কোর ক্যাসাব্লাঙ্কায় অবস্থিত ‘দ্বিতীয় হাসান মসজিদ’ (মাসজেদ আল-হাসান আল-থানি) হচ্ছে বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ মিনার বিশিষ্ট মসজিদ। এটি একই সাথে বিশ্বের ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উঁচু। এই মসজিদের একমাত্র মিনারটির উচ্চতা ২১০ মিটার, যা প্রায় ৬০ তলা ভবনের সমান! ১৯৯৩ সালে নির্মিত এই মসজিদটির মুসল্লি ধারণ ক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার। এর মিনারের চূড়ায় একটি লেজার বিম অবস্থিত, যা থেকে কাবা ঘরের দিক বরাবর সর্বদা একগুচ্ছ আলোক রশ্মি বিচ্ছুরিত হতে থাকে।


আংশিক পানিতে ভাসমান মসজিদ হাসান আল-থানি

read more »

Advertisements
July 30, 2017

মানসা মুসা: বিশ্বের সর্বকালের সেরা ধনী ব্যক্তি

মূল লেখার লিংক
বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের কথা ভাবলেই আমাদের মনে পড়ে বিল গেটস, ওয়ারেন বাফেট অথবা রথসচাইল্ড ফ্যামিলি সহ বিংশ শতাব্দীর নব্য ধনীদের কথা। কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, চৌদ্দ শতকের মালির মুসলিম শাসক মানসা মুসাকে মনে করা হয় বিশ্বের সর্বকালের সেরা ধনী ব্যক্তি। মূল্যস্ফীতি হিসেব করে তার তত্‍কালীন সম্পত্তিকে বর্তমান মুদ্রায় রূপান্তর করলে সেটার পরিমাণ হবে প্রায় ৪০০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে রথসচাইল্ড ফ্যামিলির সম্পত্তির মূল্য ৩৫০ মিলিয়ন ডলার, আর বিল গেটসের সম্পত্তির পরিমাণ মাত্র ৯০ বিলিয়ন ডলার!


কার্টুনিস্টের দৃষ্টিতে মানসা মুসা; ছবিসূত্র: Bizna Kenya

মানসা মুসার প্রকৃত নাম প্রথম মুসা কেইতা (Musa Keita I)। মানসা হচ্ছে সে সময়ের মালির রাজাদের উপাধি, যার অর্থ হচ্ছে রাজা বা সম্রাট। মুসা ছিলেন দশম মানসা অর্থাৎ মালি সাম্রাজ্যের দশম সম্রাট। মুসার জন্ম ১২৮০ সালে। ১৩১২ সালে, মাত্র ৩২ বছর বয়সে তিনি ক্ষমতায় আরোহণ করেন।

read more »

March 8, 2017

বুবুর সঙ্গে সারা দুপুর

মূল লেখার লিংক

বড়বোনের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর মজাই অন্যরকম। তা সে ছোট বোনের বয়স দশ হোক কী চল্লিশ! প্রবাসজীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ হচ্ছে, বড়বোনদের সঙ্গে আমার কদাচিৎ দেখা হওয়া। একসঙ্গে বেড়ানোর সুযোগ তো অনেক দূরের কথা। কিন্তু আমি হলফ করে বলতে পারি, এই চর্মচক্ষুর দেখা না হওয়া আমাদের কঠিন ভালোবাসাকে এতটুকুও হালকা করতে পারে না।

read more »

February 14, 2017

বিদেশ ভালো: টাইয়ের দেশ ক্রোয়েশিয়ায় এক মাস

মূল লেখার লিংক

পৃথিবী ভরা বৈচিত্র্যে। কতো দেশ মানচিত্রে। কিন্তু কোন দেশে না গেলেই নয়? উত্তর: ক্রোয়েশিয়া।

-কাকো সি? দোবরো, দোবরো?

জ্বী আপনাকেই বলছি। মানে- কেমন আছেন? ভালো? ক্রোয়েশিয়ার ভাষা। বসন্ত আর ভালোবাসা দিবসের ভারে ভালো না থেকে কই যাবেন?

তারাশঙ্করের কবি’তে কবি নিতাই আক্ষেপ করে বলেছিলো- হায় জীবন এতো ছোট কেনে?

read more »

February 13, 2017

এরাও মানুষ

মূল লেখার লিংক
প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
জীবনে প্রথমবার যখন বিদেশে গিয়েছি, আমি তখন বুয়েটের ফার্স্ট ইয়ারের শিক্ষার্থী। আমরা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের একটা দল গিয়েছিলাম জাপানে। বুয়েট থেকে আমি একা। আমার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন, ঢাকা মেডিকেল আর সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিলে মনে হয় দুজন। দলের মধ্যে আমি সর্বকনিষ্ঠ। তাও আবার প্রথমবার বিদেশ যাত্রা। তবে আমি একদম চিন্তিত নই, বরং আনন্দে ভাসছি। জাপান সরকারের আমন্ত্রণে তাদেরই খরচে বিদেশে যাচ্ছি।

read more »

February 12, 2017

একটি সিম কার্ডের কাহিনি

মূল লেখার লিংক
প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
আমেরিকা আসার পর দিনই যে কাজটি করলাম, তা হলো একটি নতুন সিম কার্ড কিনলাম। তিন দিন বেশ ভালোই কেটে গেল। কিন্তু চতুর্থ দিন সকালবেলাই শুরু হলো ঝামেলা। দুই-তিনজন মানুষ কল করে বলল, অ্যাশলি আছে? ওকে ফোন দাও, আমি অমুক বলছি। ভদ্রভাবে সবাইকে জানালাম, এই নামে এখানে কেউ নেই। এই নম্বর বর্তমানে আমি ব্যবহার করছি।
এখানে বেশ কিছুদিন পর পর অনেকেই তাদের ফোনের ক্যারিয়ার বদলে নতুন অপারেটরের কাছে চলে যায় এবং নম্বর বদলে ফেলে। সে কারণে পুরোনো কোনো নম্বর যখন নতুন কেউ ব্যবহার করতে থাকে তখন তাকে মোটামুটি পাহাড়সম স্প্যাম কল ও ঘোস্ট কলের শিকার হতে হয়। এ ছাড়া অন্যান্য মানুষের কল করা তো বোনাস হিসেবে আছেই।

read more »

February 9, 2017

জাপানের চিঠি: উপকার করা যে জাতির ধর্ম

মূল লেখার লিংক
ছবি: রয়টার্স
ছবি: রয়টার্স
দেশে থাকতে আমি যখন জাপানে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখন নানা উৎকণ্ঠায় দিন কাটছিল। নতুন দেশে নতুন পরিবেশ আর সেই সাথে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার উত্তেজনাটা বাড়ছিল।

এইসবের মধ্যে আমি একদিন আমার ল্যাবের সেক্রেটারিকে মেইল করি। আমি বিনয়ের সাথে জানতে চাইলাম, বিমানবন্দরে আমাকে কেউ রিসিভ করতে আসবেন কিনা?

read more »

February 5, 2017

জার্মানির বন শহরের পথে পথে

মূল লেখার লিংক

আগেই বলেছিলাম- ভাইবার, স্কাইপ, হোয়াটস অ্যাপের এই যুগে দেশ ও প্রিয় মানুষগুলোর কাছ থেকে এত দূরে থাকা সত্ত্বেও আমি স্মার্টফোন ব্যবহার করতাম না। নতুন বাসাতেও ওয়াই-ফাই নেওয়া হয়নি।

স্মার্টফোন না কেনার কারণে ট্রামে-বাসে স্মার্টফোনে আসক্তদের দেখে মোটেও ভালো লাগতো না। বরং যারা বইয়ের পাতা উল্টাতেন, তাদের দেখতে ভালো লাগতো।

আমাদের দেশে ট্রেনে-বাসে বই পড়ার অভ্যাসটা এখন দেখাই যায় না। অথচ জার্মানিতে কিন্তু আপনি ট্র্রাম, বাস বা ট্রেনে সব বয়সি মানুষের হাতেই বই দেখবেন। আর ট্যাবে, কিন্ডলে বই পড়ার মধ্যে কি কোন আনন্দ আছে? বইয়ের গন্ধ নেই, ভালোলাগা নেই।

read more »

February 4, 2017

অ্যাড্রিয়াটিকের মায়ায়

মূল লেখার লিংক

তিরানার শহরতলী ছাড়িয়ে বহুদূর দিগন্তে দাইতি পর্বতশ্রেণির অপসৃয়মাণ কায়াকে পেছনে ফেলে আমরা যখন আলবেনিয়ার এক সরু মহাসড়ক ধরে এগিয়ে চলেছি তখন অপরাহ্নের শেষ প্রহর। তবে তাই বলে সূর্যের উত্তাপের কমতি নেই। আমাদের গাড়ির বুড়ো চালক তাই ক্ষণে ক্ষণেই স্বেদাসিক্ত হয়ে নিজের সাদা রুমালটি ললাটে ছুঁয়ে নিচ্ছেন। ভদ্রলোক যে বেজায় ক্লান্ত তা বেশ অনুমান করতে পারি। নাকি সেই সাত সকালে কিছু যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়েছিলেন মন্টিনিগ্রো থেকে আলবেনিয়ার তিরানায়।

read more »

February 2, 2017

জাপানি টিভির শক্তি!

মূল লেখার লিংক

ঢাকায় থাকতে ‘টেটসুয়া’ নামে আমার এক সিনিয়র জাপানি বন্ধু ছিল। তিনি মানবিক বিভাগের ছাত্র। ১৯৯৬ সাল, আমি সবে বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করেছি।

বিজ্ঞানের ছাত্র হওয়াতে বিজ্ঞানের জটিল বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনায় বেশ বাহাদুরি করতে চাইতাম। যখনই বিজ্ঞানের কোন বিষয় বলতাম, উনি ক্ষীণস্বরে বলতেন – “আমি বিষয়টি জানি।”

read more »

January 29, 2017

নীলকর ওয়াইজ নেই, আছে ওয়াইজঘাট

মূল লেখার লিংক
পুরোনো ছবি
পুরোনো ছবি
নদীতে ভাসছে এক স্টিমার। আছে কিছু ছোট নৌকা। ঘাটে অপেক্ষারত কিছু লোক। ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুনের ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী গ্রন্থে ১৯১৭ সালের বুড়িগঙ্গা তীরের ওয়াইজঘাটের এই ছবি পাওয়া গেল। নীলকর ওয়াইজের নামে বুড়িগঙ্গাতীরের এই ঘাটের নাম ওয়াইজঘাট।

read more »

January 2, 2017

সিঙ্গাপুরের চিঠি: রান্নার গন্ধ ও বাড়িওয়ালির গল্প

মূল লেখার লিংক

আমাদের আগের বাসাটা বেশ সুন্দর ছিল। ভাড়া বেশি হলেও কন্ডোমোনিয়াম (বড় দালান) থাকার সুবিধা হল, এসব বাসার সাথে জিম এবং সুইমিং পুল থাকে।
সব মিলিয়ে আগের বাসাতে ভালই ছিলাম। হঠাৎ একদিন, বাড়িওয়ালি বললেন বাসা ছেড়ে দিতে হবে।  আমাদের বিরুদ্ধে বাড়িওয়ালির অনেক অভিযোগ। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অভিযোগটি ছিল, আমাদের তরকারির ঘ্রাণ নাকি খুব ঝাঁঝালো আর বাজে!

read more »

December 26, 2016

সিঙ্গাপুরের চিঠি: যে উপায়ে সবাই ফ্ল্যাট বা বাড়ির মালিক

মূল লেখার লিংক

ঢাকার অভিজাত আবাসিক এলাকাগুলোয় গেলে নানান নকশার বাড়ি-ঘর চোখে পড়ে। বিশেষ করে ধানমণ্ডি, গুলশান ও বনানীর আবাসিক এলাকার বাড়ি-ঘরগুলো বেশ দৃষ্টিনন্দন।

একেকটা বাড়ির সৌন্দর্য একেক রকম এবং একটার সাথে আরেকটার মিল নেই বললেই চলে। কিন্তু ঢাকার দৃষ্টিকটু দিকটি হলো কারও খুব সুবিশাল কারুকার্যখচিত অট্টালিকা, কারও আবার থাকারই জায়গা নেই।

read more »

December 21, 2016

ফিনদেশের দিনলিপি – হলুদ ক্যাম্পাসে প্রথম দিন

মূল লেখার লিংক

বিশাল লেকচার হল। সিঁড়ির মতো করে সিটগুলো ওপরে উঠে গেছে। হলভর্তি স্টুডেন্ট। আমি বসেছি সবার ওপরের দিকে।

চারপাশে বিশাল চারটি প্রোজেক্টর স্ক্রিন। স্ক্রিনে ইউনিভার্সিটি নিয়ে বিভিন্ন ইনফরমেশন দেখানো হচ্ছে। একেবারে সামনে নিচে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেড়ে সেগুলো বোঝাচ্ছেন একজন প্রফেসর। প্রফেসর পুরুষ না মহিলা বুঝতে পারছি না। কণ্ঠ শুনে মনে হচ্ছে পুরুষ। কিন্তু দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছে মহিলা।

read more »

December 18, 2016

রেড লিফ জর্দায় গড়া সাঁকো

মূল লেখার লিংক
কাঁঠাল বাগান ঢাল থেকে সিএনজি নেবো বলে দাঁড়িয়ে আছি। গন্তব্য বনানী; কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ। এখন সকাল আটটা পঁচিশ। শহুর জীবনরে ব্যাস্ততা এখন তুঙ্গে। সবাই ছুটছে। এমনকি ভাড়া নিয়ে দরাদরির সাহস বা সময়ও কারো নেই। বেশি দরাদরি করতে গিয়ে কেউ বাহন খোঁয়ানোর ঝুঁকি নিতে চায় না। তাই, দু’য়েক কথা বলার পরই অফিসগামীরা লাফ দিয়ে উঠে যায় রিকশায়।

এমন রাশ আওয়ারে সিএনজি পাওয়া একটা বিরাট ব্যাপার। তার উপরে যৌক্তিক ভাড়ায় বনানী যেতে রাজী হওয়ার মতন সিএনজি ড্রাইভার পেতে ৩০ মিনিট থেকে ৪০ মিনিট সময় হাতে ধরে রাখতে হয়। কিন্তু মাতা ধরিত্রীর লীলা বলে কথা! তার ইচ্ছায় আজ আমার ৬ মিনিটের বেশি অপেক্ষা করতে হলো না। এমনকি একের অধিক অন্য কোনো সিএনজিওলাকেও জিজ্ঞেস করতে হলো না।

read more »