নিমন্ত্রণে যাবো!

মূল লেখার লিংক
আমরা সামাজিক জীব, রবিনসন ক্রুশো নই, তাই আমাদেরকে নানা প্রকার সামাজিকতা করতে হয়। বাঙালীর সামাজিকতার বড় অংশ সামনাসামনি বা ফোনে কুশলাদি জিজ্ঞেস করার সাথে অন্য দশজনের নামে কূটকচালি করা, এবং নিমন্ত্রণের নামে ঐ প্রকার কূটকচালি সহযোগে ভুড়িভোজে সীমাবদ্ধ। উভয় প্রকার সামাজিকতায় কূটকচালির সাথে প্রায়ই ফুটানি দেখানো যুক্ত হয়। অবশ্য কিছু কিছু নিমন্ত্রণ বিশুদ্ধ ফুটানি দেখানোর উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে। সামাজিকতার প্যাঁচে প্রায়ই এইসব ফুটানি সহ্য করতে হয়। ধারণা করি পাঠিকা-পাঠকের বৃহদাংশকেও অমন ফুটানি সহ্য করতে হয়।

স্বল্প পরিচিত বা প্রায় অপরিচিত কেউ যখন কার্ড দিয়ে বা না দিয়ে বলেন, “ভাই, আসবেন কিন্তু”, তখন একটু ভাবনায় পড়ে যেতে হয় — আদৌ কি যেতে হবে? অমন নিমন্ত্রণে গেলে কখনো দেখা যায় সেখানে যাবার কোন দরকারই ছিল না। আবার কখনো অমন নিমন্ত্রণকে বিবেচনায় না নেবার পর দেখা গেছে নিমন্ত্রণকারী অভিমানের সুরে বলেন, “ভাই, আসলেন না কেন”? তখন আবার মনে হয় — আসলেই তো, গেলাম না কেন? অনায়াসে যেতে পারতাম!

স্বল্প পরিচিতদের কথা ছাড়ুন, অতি পরিচিত বা অতি নিকটজনের নিমন্ত্রণে ধেই ধেই করে গেলেই যে সব সময় আনন্দের অভিজ্ঞতা হবে তা নয়। অন্তত দুইবার দুইজন অতি নিকটজনের নিমন্ত্রণে সপরিবারে গিয়ে এই ধাক্কা খেয়েছি। প্রথমবার, এক নিকটজন তার নিজের বিয়েতে সপরিবারে যাবার জন্য নিমন্ত্রণ করলেন। তার সাথে সম্পর্কের মাত্রা বিবেচনায় আমি ভাবলাম, অতি অবশ্যই সপরিবারে যেতে হবে এবং ভালো উপহার দিতে হবে। আমার স্ত্রী ঐ নিমন্ত্রণটিতে যেতে একেবারেই আগ্রহী ছিলেন না, আমি তাকে জোরজার করে নিয়ে গেলাম সাথে নিলাম সাধ্যাতীত দামে কেনা উপহার। সেখানে গিয়ে দেখি নিমন্ত্রণকর্তা (মানে বর নিজে) এবং তার পরিবারের লোকজন অন্য কাদেরকে নিয়ে এত ব্যস্ত যে বাকি অতিথিদের দিকে তাদের ফিরে তাকাবার সময় নেই। একটা পর্যায়ে তারা এইসব অচ্ছ্যুত অতিথিদের সাথে দুর্ব্যবহার পর্যন্ত করা শুরু করলেন। আমি মানে মানে তাড়াতাড়ি খেয়ে বউ-বাচ্চা নিয়ে ফিরে আসলাম। বাসায় ফেরার পর আমার কপালে কী জুটেছিল সেটা আর বলার প্রয়োজন নেই। আমিও মনে মনে কানে ধরলাম। এরপর অনেক দিন আর কোথাও সপরিবারে অমন নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যাইনি।

প্রথম ঘটনার বেশ কয়েক বছর পরের কথা, আরেক নিকটজন তার ভাইয়ের বিয়েতে সপরিবারে যাবার জন্য নিমন্ত্রণ করলেন। পূর্বাভিজ্ঞতায় আমি ভাবলাম, আমি একাই যাবো, বউ-বাচ্চাকে আর কষ্ট দেবো না। কিন্তু নিমন্ত্রণকর্তা বারে বারে বউ-বাচ্চাসহ যাবার জন্য বলে কয়ে আমাকে রাজী করিয়ে ফেললেন। অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখি নিমন্ত্রণকর্তার নিজের স্ত্রী, বোন এবং মা (যিনি বরেরও মা) অনুপস্থিত। কানাঘুষায় শুনতে পেলাম এই বিয়েতে তাঁদের মত নেই। এদিকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের সংখ্যাও খুব বেশি নয়, এবং সেখানে নারীদের সংখ্যা অতি নগণ্য। আমি আমার স্ত্রী’র মুখের দিকে তাকিয়ে প্রমাদ গুণলাম। নিমন্ত্রণকর্তা তাঁদের অনুষ্ঠানের পরিণতি সম্পর্কে জানতেন, তবু তিনি আমাকে অহেতুক এই বিড়ম্বনাতে ফেললেন।

উপরে বলা দুটো ঘটনার পরে ঐ ব্যক্তিদের সাথে আমার বহু বার দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে; কিন্তু তারা কখনো এমন ব্যবহারের জন্য নূন্যতম দুঃখ প্রকাশ করেননি। সম্ভবত এমন ব্যবহার যে কারো পক্ষে অবমাননাকর সেটা তারা বুঝতে পারেননি; অথবা তারা আদৌ ভাবেননি এর জন্য আমার কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে। কারণটা অজ্ঞতা বা অশ্রদ্ধা যাই হোক, এই ঘটনাগুলোর পরে আমি তাদের ব্যাপারে তো বটেই অন্য নিকটজনদের নিমন্ত্রণের ব্যাপারেও সতর্ক হয়ে গেছি।

বিশেষ কোন উপলক্ষে আয়োজিত নিমন্ত্রণগুলো কোন না কোন ভাবে এড়ানো যায়। সেখানে নিমন্ত্রিতের সংখ্যা বেশি থাকে বলে চোখ এড়িয়ে যায়, অথবা কিছু ‘বিকল্প সত্য’ (এই বাগধারার কপিরাইট কার সেটা সবাই জানেন) গল্প বলে পার পাওয়া যায়। কিন্তু নিমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা যেখানে খুবই কম সেখানে এড়ানোটা একটু কঠিন। তবু প্রাণের দায়ে প্রতি বার কোন না কোন অজুহাত অথবা বিকল্প সত্য বের করতে হয়। বলতে পারেন, কেন এই প্রকার নিমন্ত্রণগুলো আমি এড়িয়ে চলতে চাই? উত্তর হচ্ছে এখানে কিছু কিছু বিষয়ে আমার সুস্পষ্ট আপত্তি আছে।

নিমন্ত্রণকারী যদি বলেন, “ভাই, ভাবী আর বাচ্চাদের নিয়ে আসবেন”, তাহলে তার মানে এই না যে আমি সেখানে বউ-বাচ্চা নিয়ে যেতে বাধ্য। তাছাড়া নিমন্ত্রণটিতে আমার স্ত্রী বা সন্তানেরা যেতে রাজী কিনা সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। সেখানে আমার জোর খাটানো চলে না। কিন্তু লোকে সেটা বিবেচনায় নিতে চান না। ফলে, নিমন্ত্রণে পৌঁছানো মাত্র জিজ্ঞেস করে বসেন, “ভাবী-বাচ্চাদের আনলেন না কেন”? এটা কখনোই কাউকে বলা সম্ভব না যে, আমার স্ত্রী/সন্তানেরা আপনার এখানে আসতে আগ্রহী নন্‌; যদিও বেশিরভাগ সময়ে সত্য কথাটা ওটাই। আমরা যেটা বিবেচনা করি না, যাকে নিমন্ত্রণ করলাম তিনি আমার নিকটজন হতে পারেন কিন্তু তার স্ত্রী বা সন্তানেরা আমাকে অমন আপন না-ই ভাবতে পারেন। এমনকি তারা আমাকে অপছন্দও করতে পারেন। আমার স্ত্রীর সাথে তার স্ত্রীর অথবা আমার সন্তানদের সাথে তার সন্তানদের কোন প্রকার মনোমালিন্য হয়ে থাকতে পারে। তাই তাদেরকে কেন আনা হলো না এই প্রশ্নটা এড়িয়ে যাওয়াটাই সঙ্গত; বড়জোর তাদের কুশল জিজ্ঞেস করা যেতে পারে। যে নিমন্ত্রণগুলোতে ঠিক এই প্রশ্নটার মুখোমুখি হতে হবে সেই নিমন্ত্রণগুলোতে আজকাল আর যাই না।

তবু কিছু কিছু অমন নিমন্ত্রণে যাওয়া হয়েই যায়, একা অথবা সপরিবারে। সেখানে গেলে বেশিরভাগ সময়ে যে গল্পগুলো শুনতে হয় সেগুলো মূলত বিদেশের গল্প। খুব ব্যতিক্রম ছাড়া একজন এদেশীয় মানুষ সারা বছরের ১০% সময়ও দেশের বাইরে থাকেন না; কিন্তু তাদের গল্পের ৯০%-এরও বেশির ভাগ জুড়ে থাকে বিদেশের গল্প। যেখানে নিজের বিদেশ ভ্রমণের গল্প দিয়ে কুলানো যায় না, সেখানে প্রবাসী আত্মীয়দের গল্প টেনে আনা হয়। আমার কাছে খুব অবাক লাগে এই ভেবে যে, আমাদের আলোচনার বিষয় কি এতোই কম? অথবা এই দেশে কি এমন কিছু নেই যা নিয়ে গল্প করা যায়? অথবা এই লোকগুলো বছরের বাকি ৯০%-এরও বেশি সময়ে কি এমন কিছু করে না যা নিয়ে গল্প করা যায়?

এই লোকগুলো যে দেশের গল্প একেবারে করে না তা নয়। যেটুকু করে সেখানে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্যভাবে দেশের বিষয়াবলী নিয়ে সুস্পষ্ট অবজ্ঞা ও ঘৃণা আছে। কিন্তু তাদেরকে যদি সরাসরি দেশপ্রেমের ব্যাপারে প্রশ্ন করেন তাহলে তারা প্রমান করে দেবেন তারা কতো বড় দেশপ্রেমিক। এই মানুষগুলোর ব্যবহার্য দ্রব্যাদি মূলত বিদেশি, তাদের সন্তানেরা বিদেশে পড়ে অথবা পড়তে যাবে, তারা নিজেরাও এক সময় বিদেশ চলে যাবেন অথবা এর মধ্যে অন্য দেশের পিআর নিয়ে রেখেছেন। এই ব্যাপারগুলোর কোনটাতেই আমার আপত্তি নেই। কেউ যদি অমনটা পছন্দ করে থাকেন তাহলে সেটা তার অভিরুচি, কিন্তু তার মানে এই না যে তিনি এই দেশ বা এই দেশের বিষয়গুলো নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করে যাবেন। এই মানুষগুলোর নিমন্ত্রণে যদি না যাই তাহলে সেটা অযৌক্তিক কিছু হয় না।

এবং যাদের আলোচনার বিষয় থাকে আগামী গ্রীষ্মকালটা ইউরোপে কাটানো ঠিক হবে নাকি উত্তর আমেরিকায়, অথবা যারা আলোচনা করেন আগামী শীতিকালীন অলিম্পিক দেখতে পিয়ংচাং যাবেন নাকি ইন্টারন্যাশনাল বেসবল কাপ দেখতে মায়ামী যাবেন, অথবা যাদের আলোচনার বিষয় মার্সিডিজ বেঞ্জ-বিএমডব্লিউ-হ্যামার শ্রেণীর গাড়ির পারফর্ম্যান্সের তুলনামূলক বিশ্লেষণে তাদের আড্ডার ভীড়ে না যাওয়াটাই আমার পক্ষে উচিত। তবু কখনো মনে হয়, আচ্ছা যাই, আমার তো পাবার বা হারাবার কিছু নেই, আফসোস করারও কিছু নেই। তাছাড়া দুয়েকটা আমার মতো হতদরিদ্র অনুষ্ঠানে না গেলে ওরা কার সামনে ফুটানি ঝাড়বে!

ফুটানি দেখার জন্য একবার এক মন্ত্রীপুত্রের বিয়ের নিমন্ত্রণে গিয়েছিলাম। আমাকে নিমন্ত্রণকারী হচ্ছেন বরের বোন। যাবার পর দেখি নিমন্ত্রণকারী আমাকে একটু কষ্ট করে চিনলেন। সম্ভবত তিনি ভাবেননি বলামাত্র আমি নিমন্ত্রণে চলে যাবো। আমি ভাবলাম আগে পেটপূজো করে নেই, তারপর অন্য রগড় দেখা যাবে। ও হরি! খেতে গিয়ে দেখি সে এক লঙ্কাকাণ্ড! টেবিলের পর টেবিল লোকজন খালি প্লেট নিয়ে বসে আছেন, কেউ কেউ অধৈর্য্য হয়ে হুঙ্কার দিচ্ছেন। কখনো কোন টেবিলে খাবার দিলেও দেখা গেলো কেউ শুধু পোলাও পেয়েছেন, কেউ শুধু রোষ্টের ভগ্নাংশ, কেউ শুধু সালাদ। হাত ধোবার জায়গায় দেখা গেলো জল সরবরাহ অনেক আগে বন্ধ হয়ে গেছে। শেষে খালি পেটে নিকটস্থ এক রেস্টুরেন্টে গিয়ে মোরগ-পোলাও খেয়ে বাসায় ফিরলাম।

এই নিমন্ত্রণটার অভিজ্ঞতা কাজে লেগেছিল পরে যখন এক ছাত্রনেতার বিয়ের নিমন্ত্রণ পাই। সেই নিমন্ত্রণে রাত আটটার মধ্যে গিয়ে হাজির হয়ে প্রথম ব্যাচে খেয়ে নিয়ে রগড় দেখতে নেই। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখা গেলো বর যেই শিক্ষায়তণের নেতা সেখানকার শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানের সাত-আটটা বাসভরে চলে এসেছেন। জানা গেলো বাসগুলো খুব দ্রুতই ক্যাম্পাসে ফিরে গিয়ে আরও কয়েক দফায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসবে। শিক্ষার্থীরা দেখলাম বেশ জোর গলায় বলছেন, “……… ভাই ব্যস্ত মানুষ তাই তার বিয়েতে আমাদের নিমন্ত্রণ করতে পারেননি, তাই বলে কি আমরা বিয়েতে আসবো না”! যুক্তি অকাট্য। অচিরেই খাবার না পেয়ে চেয়ার ভাঙাভাঙি শুরু হবার আগে আমি সেখান থেকে কেটে পড়ি।

নিমন্ত্রণকারীদের ত্রুটিবশত হোক আর না-ই হোক, নিমন্ত্রণ থেকে না খেয়ে আসার ঘটনা এতবার ঘটেছে যে সবগুলোর কথা আর মনেও নেই। তবে একটা ঠিক মনে আছে যে, কোন ঘটনাতেই পরবর্তীতে নিমন্ত্রণকারী অনভিপ্রেত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেননি।

আমি যে নিমন্ত্রণে যেতে চাই না তা নয়। আমার খুব ইচ্ছে করে নিমন্ত্রণে যা কিছুই খাই না কেন প্রাণ ভরে যেন গল্প করতে পারি। সেই সৌভাগ্য প্রতি লিপ্‌ইয়ারে একবার আসে কিনা সন্দেহ। কখনো মনে হয় থাক, ওরা না হয় একটু ফুটানি দেখালোই তবু কিছু গল্প করা তো হবে। কিন্তু চাইলেই নিমন্ত্রণে যেতে পারি না। উপযুক্ত উপহার কেনাটা একটা বিরাট ঝামেলার ব্যাপার। আমি বহু ভেবেও এর কূলকিনারা করতে পারি না। বই উপহার দিলে ৯৯.৯৯% লোকে বিরক্ত হয়। একই কথা ফুলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাছাড়া উপহার কিনতে গেলে প্রতিনিয়ত ঘাটতি বাজেটে চলা এই মানুষটিকে আরেকটু ধারদেনায় ডুবতে হয়। তাছাড়া ক্রমাগত নিমন্ত্রণ খেয়ে গেলেই তো চলবেনা, ফিরতি নিমন্ত্রণ করতেও হয়। সেটার ধাক্কা এতো বড় যে তা সামাল দেয়া আরও কঠিন। এটা তো আর মাবাবাভাইবোনদের ব্যাপার না যে কিছু একটা আয়োজন করলেই চলবে। এছাড়া যে দশ ফুট বাই দশ ফুটে থাকতে হয় সেখানে দশ জন মানুষকে নিমন্ত্রণ করলে ঘ্যাষাঘ্যাষি আর ঠ্যাসাঠ্যাসি করে গায়ে গায়ে লেগে কুট্‌কুট্‌ করবে। তাই ইচ্ছে থাকলেও নিমন্ত্রণ করা যায় না।

অথচ আমার খুব ইচ্ছে করে যাদেরকে আপন ভাবি তাদেরকে নিমন্ত্রণ করে তাদের পছন্দের খাবার খাওয়াই, তাদের সাথে দিনভর গল্প করি। খুব ইচ্ছে করে বিয়েবাড়িতে ধোঁয়াওঠা ভেজা ভেজা কাচ্চি বিরিয়ানী, খাসীর রেজালা আর মিষ্টি-ক্রীম-বাদাম দেয়া জর্‌দা কব্‌জি ডুবিয়ে খাই। নিজ ধর্মের অনুষ্ঠানে সব ধর্মের মানুষকে বাসায় এনে খাওয়াই, অন্য ধর্মের অনুষ্ঠানে সেই ধর্মানুসারী বন্ধুর বাসায় নিমন্ত্রণ খাই। ইচ্ছে করে নিমন্ত্রণের ছলে হোক আর যেভাবেই হোক প্রাণের মানুষদের সাথে প্রাণের কথা বলি, প্রাণের কথা শুনি। কিন্তু তার কিছুই হয় না। আরও একটা প্রাণহীন নিমন্ত্রণ উপেক্ষায় চলে যায় অথবা সামনে উপেক্ষার জন্য অপেক্ষা করে।

Advertisements

লেখাটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্য এখানে জানাতে পারেন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: