আলোকচিত্রে লাটভিয়া ভ্রমণ

মূল লেখার লিংক
এ বছরের সেপ্টেম্বরে ঘুরতে গিয়েছিলাম পূর্ব ইউরোপের দেশ লাটভিয়ার রিগা শহরে। ভ্রমণের সময় প্রচুর ছবি তুলেছি। এসব ছবির সাথে আমাদের পাশাপাশি আপনাদেরও হয়ে যাবে লাটভিয়া ভ্রমণ।
লেখকের ভ্রমণসঙ্গী লিজবেথ, ডেনিস ও আনা।
লেখকের ভ্রমণসঙ্গী লিজবেথ, ডেনিস ও আনা।

ভ্রমণের প্রথম দিন কাটে রিগা শহরে। শহরের মূল অংশটি বেশ পুরানো, গোছানো এবং নদীর তীরে অবস্থিত। নদীর নামও রিগা।
ভ্রমণের প্রথম দিন কাটে রিগা শহরে। শহরের মূল অংশটি বেশ পুরানো, গোছানো এবং নদীর তীরে অবস্থিত। নদীর নামও রিগা।

শহরে এলে পর্যটকদের চোখে পড়বে বেশ কিছু আকর্ষণীয় জাদুঘর আর চার্চ।
শহরে এলে পর্যটকদের চোখে পড়বে বেশ কিছু আকর্ষণীয় জাদুঘর আর চার্চ।

শহরে এলে পর্যটকদের চোখে পড়বে বেশ কিছু আকর্ষণীয় জাদুঘর আর চার্চ।
শহরে এলে পর্যটকদের চোখে পড়বে বেশ কিছু আকর্ষণীয় জাদুঘর আর চার্চ।

লাটভিয়ার স্বাধীনতা স্তম্ভ।
লাটভিয়ার স্বাধীনতা স্তম্ভ।

মূল শহরের বাইরের কিছু ছবি।
মূল শহরের বাইরের কিছু ছবি।

মূল শহরের বাইরের কিছু ছবি।
মূল শহরের বাইরের কিছু ছবি।

মূল শহরের বাইরের কিছু ছবি।
মূল শহরের বাইরের কিছু ছবি।

মূল শহরের বাইরের কিছু ছবি।
মূল শহরের বাইরের কিছু ছবি।

ভ্রমণের দ্বিতীয় দিনে রিগা থেকে ঘণ্টা খানেকের ট্রেন জার্নি। তারপর একটা হাইকিং ট্রেইলের দেখা।
ভ্রমণের দ্বিতীয় দিনে রিগা থেকে ঘণ্টা খানেকের ট্রেন জার্নি। তারপর একটা হাইকিং ট্রেইলের দেখা।

ভ্রমণের দ্বিতীয় দিনে রিগা থেকে ঘণ্টা খানেকের ট্রেন জার্নি। তারপর একটা হাইকিং ট্রেইলের দেখা।
ভ্রমণের দ্বিতীয় দিনে রিগা থেকে ঘণ্টা খানেকের ট্রেন জার্নি। তারপর একটা হাইকিং ট্রেইলের দেখা।

ভ্রমণের দ্বিতীয় দিনে রিগা থেকে ঘণ্টা খানেকের ট্রেন জার্নি। তারপর একটা হাইকিং ট্রেইলের দেখা।
ভ্রমণের দ্বিতীয় দিনে রিগা থেকে ঘণ্টা খানেকের ট্রেন জার্নি। তারপর একটা হাইকিং ট্রেইলের দেখা।

হাইকিং ট্রেইলের সাথে মূল আকর্ষণ পাহাড়, পাহাড়ি গুহা আর জঙ্গলি মাশরুম।
হাইকিং ট্রেইলের সাথে মূল আকর্ষণ পাহাড়, পাহাড়ি গুহা আর জঙ্গলি মাশরুম।

হাইকিং ট্রেইলের সাথে মূল আকর্ষণ পাহাড়, পাহাড়ি গুহা আর জঙ্গলি মাশরুম।
হাইকিং ট্রেইলের সাথে মূল আকর্ষণ পাহাড়, পাহাড়ি গুহা আর জঙ্গলি মাশরুম।

জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে জঙ্গলি মাশরুমের দেখা মিললো। মাশরুম যে এত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বোঝা যায় না!
জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে জঙ্গলি মাশরুমের দেখা মিললো। মাশরুম যে এত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বোঝা যায় না!

জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে জঙ্গলি মাশরুমের দেখা মিললো। মাশরুম যে এত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বোঝা যায় না!
জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে জঙ্গলি মাশরুমের দেখা মিললো। মাশরুম যে এত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বোঝা যায় না!

জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে জঙ্গলি মাশরুমের দেখা মিললো। মাশরুম যে এত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বোঝা যায় না!
জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে জঙ্গলি মাশরুমের দেখা মিললো। মাশরুম যে এত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বোঝা যায় না!

জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে জঙ্গলি মাশরুমের দেখা মিললো। মাশরুম যে এত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বোঝা যায় না!

জঙ্গলে ঘুরতে গিয়ে জঙ্গলি মাশরুমের দেখা মিললো। মাশরুম যে এত সুন্দর হতে পারে, তা না দেখলে বোঝা যায় না!

ভ্রমণের তৃতীয় দিনে যাওয়া হয়েছিল রিগার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ ‘লাটভিয়ান এথনিক ওপেন এয়ার মিউজিয়াম’।
ভ্রমণের তৃতীয় দিনে যাওয়া হয়েছিল রিগার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ ‘লাটভিয়ান এথনিক ওপেন এয়ার মিউজিয়াম’।

ভ্রমণের তৃতীয় দিনে যাওয়া হয়েছিল রিগার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ ‘লাটভিয়ান এথনিক ওপেন এয়ার মিউজিয়াম’।
ভ্রমণের তৃতীয় দিনে যাওয়া হয়েছিল রিগার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ ‘লাটভিয়ান এথনিক ওপেন এয়ার মিউজিয়াম’।

দুইশ বা পাঁচশ বছর আগে লাটভিয়ানরা কেমন ঘরে থাকতো, কেমন কাপড় পরতো, কিভাবে চাষ-বাস করতো- তার পুরোটা একটা গ্রামের মত করে সাজানো এ মিউজিয়ামে।
দুইশ বা পাঁচশ বছর আগে লাটভিয়ানরা কেমন ঘরে থাকতো, কেমন কাপড় পরতো, কিভাবে চাষ-বাস করতো- তার পুরোটা একটা গ্রামের মত করে সাজানো এ মিউজিয়ামে।

দুইশ বা পাঁচশ বছর আগে লাটভিয়ানরা কেমন ঘরে থাকতো, কেমন কাপড় পরতো, কিভাবে চাষ-বাস করতো- তার পুরোটা একটা গ্রামের মত করে সাজানো এ মিউজিয়ামে।

দুইশ বা পাঁচশ বছর আগে লাটভিয়ানরা কেমন ঘরে থাকতো, কেমন কাপড় পরতো, কিভাবে চাষ-বাস করতো- তার পুরোটা একটা গ্রামের মত করে সাজানো এ মিউজিয়ামে।

দুইশ বা পাঁচশ বছর আগে লাটভিয়ানরা কেমন ঘরে থাকতো, কেমন কাপড় পরতো, কিভাবে চাষ-বাস করতো- তার পুরোটা একটা গ্রামের মত করে সাজানো এ মিউজিয়ামে।
দুইশ বা পাঁচশ বছর আগে লাটভিয়ানরা কেমন ঘরে থাকতো, কেমন কাপড় পরতো, কিভাবে চাষ-বাস করতো- তার পুরোটা একটা গ্রামের মত করে সাজানো এ মিউজিয়ামে।

দুইশ বা পাঁচশ বছর আগে লাটভিয়ানরা কেমন ঘরে থাকতো, কেমন কাপড় পরতো, কিভাবে চাষ-বাস করতো- তার পুরোটা একটা গ্রামের মত করে সাজানো এ মিউজিয়ামে।
দুইশ বা পাঁচশ বছর আগে লাটভিয়ানরা কেমন ঘরে থাকতো, কেমন কাপড় পরতো, কিভাবে চাষ-বাস করতো- তার পুরোটা একটা গ্রামের মত করে সাজানো এ মিউজিয়ামে।

বিশাল জায়গা জুড়ে পার্ক আর বিভিন্ন রকম আদিম ঘর-বাড়ি। দর্শনার্থীরা হাতে নিয়ে দেখতে পারবেন ওই আমলের লোকজন কি ধরনের থালা-বাটি ব্যবহার করতো।
বিশাল জায়গা জুড়ে পার্ক আর বিভিন্ন রকম আদিম ঘর-বাড়ি। দর্শনার্থীরা হাতে নিয়ে দেখতে পারবেন ওই আমলের লোকজন কি ধরনের থালা-বাটি ব্যবহার করতো।

বিশাল জায়গা জুড়ে পার্ক আর বিভিন্ন রকম আদিম ঘর-বাড়ি। দর্শনার্থীরা হাতে নিয়ে দেখতে পারবেন ওই আমলের লোকজন কি ধরনের থালা-বাটি ব্যবহার করতো।
বিশাল জায়গা জুড়ে পার্ক আর বিভিন্ন রকম আদিম ঘর-বাড়ি। দর্শনার্থীরা হাতে নিয়ে দেখতে পারবেন ওই আমলের লোকজন কি ধরনের থালা-বাটি ব্যবহার করতো।

লাটভিয়ায় মানুষজনের মধ্যে ‘শো অফে’র প্রবণতা বেশি। একটা সাইনবোর্ড লেখা 'শুধু বিএমডাব্লিউ গাড়ি পার্ক করা যাবে'। মানে গরিবের গাড়ি অ্যালাউড না।
লাটভিয়ায় মানুষজনের মধ্যে ‘শো অফে’র প্রবণতা বেশি। একটা সাইনবোর্ড লেখা ‘শুধু বিএমডাব্লিউ গাড়ি পার্ক করা যাবে’। মানে গরিবের গাড়ি অ্যালাউড না।

সবশেষে রিগার কিছু মিঠাই এর ছবি দেখে চোখ জুড়ান।
সবশেষে রিগার কিছু মিঠাই এর ছবি দেখে চোখ জুড়ান।

সবশেষে রিগার কিছু মিঠাই এর ছবি দেখে চোখ জুড়ান।
সবশেষে রিগার কিছু মিঠাই এর ছবি দেখে চোখ জুড়ান।

সবশেষে রিগার কিছু মিঠাই এর ছবি দেখে চোখ জুড়ান।
সবশেষে রিগার কিছু মিঠাই এর ছবি দেখে চোখ জুড়ান।

সবশেষে রিগার কিছু মিঠাই এর ছবি দেখে চোখ জুড়ান।
সবশেষে রিগার কিছু মিঠাই এর ছবি দেখে চোখ জুড়ান।

Advertisements

লেখাটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্য এখানে জানাতে পারেন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: