দার্জিলিং এর গপ্পো – আমি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখি নি

মূল লেখার লিংক

একটু ভালোকরে বাঁচবো বলে আর
একটু বেশি রোজগার
ছাড়লাম ঘর আমি
ছাড়লাম ভালোবাসা আমার নীলচে পাহাড় ।
পারলোনা কিছুতেই তোমার কলকাতা
আমাকে ভুলিয়ে দিতে
পাহাড়ী রাস্তার ধারের বস্তির
আমার কাঞ্চনকে…..
কাঞ্চন জানা, কাঞ্চন ঘর
কাঞ্চনজঙ্ঘা, কাঞ্চন মন ।
তো পাইলে সোনা ……..
হনু হইয়্যো… ম উল্লা
ভাংচু কাঞ্চন ।
– অঞ্জন দত্ত
কণ্ঠশিল্পী অঞ্জন দত্তের হাহাকার এখনো কানে বাজছে। কলকাতার ব্যস্ত নগর জীবনে বাস করেও তিনি ভুলতে পারেন নি সাধের কাঞ্চনজঙ্ঘাকে। কালিম্পং এর কুটিরে যখন পূর্ণিমার ঢল নামে তখন জ্যোৎস্নাস্নানে প্লাবিত কাঞ্চনজঙ্ঘার স্মৃতি তাঁকে দোলা দিয়ে যায় প্রতিক্ষণে। গানের কথাগুলো যতবার শুনি ততবার আনমনা হয়ে শিল্পীর সাথেই কল্পনায় কাঞ্চনজঙ্ঘা ভ্রমণ করি। স্বপ্ন দেখি একদিন আমিও সূর্যকিরণে হেসে উঠা কাঞ্চনজঙ্ঘার সৌন্দর্য উপভোগ করব। দার্জিলিং ভ্রমণ আমাকে স্বপ্ন পূরণের সুযোগটুকু করে দিল।

কাঞ্চনজঙ্ঘা হিমালয় পর্বতমালার পর্বতশৃঙ্গ। মাউন্ট এভারেস্ট এবং কে২ এর পরে এটি পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ৮,৫৮৬ মিটার (২৮,১৬৯ ফুট)। ভারতের সিকিম রাজ্যের সঙ্গে নেপালের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে অবস্থিত এই পর্বতশৃঙ্গটিকে ১৮৫২ সালের আগ পর্যন্ত পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ হিসাবে বিবেচনা করা হত। ১৯৫৫ সালের ২৫ মে Joe Brown এবং George Band নামক দু’জন পর্বতারোহী সর্বপ্রথম কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়ার কয়েক ফুট নিচে আরোহণ করতে সক্ষম হন। নেপালি এবং সিকিমিজদের কাছে এই পর্বত অত্যন্ত পবিত্র বলে গণ্য বিধায় এর চূড়ায় আরোহণ নিষিদ্ধ ছিল। অভিযাত্রীদ্বয় সিকিমের রাজার কাছে কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহণের অনুমতি প্রার্থনা করলে রাজা এক শর্তে তাঁদেরকে অনুমতি দেন। সেটি হচ্ছে তাঁরা কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহণ করতে পারবেন কিন্তু চূড়ায় উঠতে পারবেন না। এই শর্তের প্রতি সন্মান দেখিয়ে অভিযাত্রীদ্বয় চূড়া স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকেন। আজও কেউ কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহণ করলে চূড়া স্পর্শ না করে কয়েক ফুট নিচে সামিট সম্পন্ন করেন।

কাঞ্চনজঙ্ঘার শীর্ষে আরোহণ মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণের চেয়েও কঠিন। বিখ্যাত আমেরিকান পর্বতারোহী এড ভিশ্চার্স যিনি ৮০০০ মিটার উচ্চতার ১৪ টি পর্বতের শীর্ষে আরোহণ করতে সক্ষম হয়েছেনে, তিনি তাঁর No shortcut to the top; Climbing the World’s 14 Highest Peaks বইতে উল্লেখ করেছেন গড়ে প্রতি ৪ জনে ১ জন পর্বতারোহী কাঞ্চনজঙ্ঘার শীর্ষে আরোহণ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী ১৯৯০ সালের পর থেকে সবকয়টি আট হাজারি পর্বতেই অভিযাত্রীদের মৃত্যুর হার কমেছে। একমাত্র ব্যতিক্রম কাঞ্চনজঙ্ঘা। ১৯৯০ সালের আগে এখানে অভিযাত্রীদের মৃত্যুর হার ছিল শতকরা ২১ ভাগ যা কি না ১৯৯০ সালের পর থেকে ২২ ভাগে উন্নীত হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাউন্ট এভারেস্ট অভিযানে ১৯৯০ সালের পর থেকে গড় মৃত্যুর হার শতকরা ৪.৪ ভাগ। কাঞ্চনজঙ্ঘা আরোহণ কতটা কঠিন সেটা সহজেই অনুমেয়।

কাঞ্চনজঙ্ঘা শব্দটি শুনে তৎসম কাঞ্চন + জঙ্ঘা মনে হলেও আসলে নামটি সম্ভবত স্থানীয় শব্দ “কাং চেং জেং গা” থেকে এসেছে, যার অর্থ তেনজিং নোরগে তাঁর বই Man of Everest-এ লিখেছেন “তুষারের পাঁচ ধনদৌলত”। এ ধনদৌলত ঈশ্বরের পাঁচ ভান্ডার তথা স্বর্ণ, রূপা, রত্ন, শস্য, এবং পবিত্র পুস্তকের প্রতিনিধিত্ব করে। এটির পাঁচটি চূড়া আছে তাদের চারটির উ”চতাই ৮, ৪৫০ মিটারের ওপরে।

কাঞ্চনজঙ্ঘার শীর্ষে আরোহণ আপাতত সম্ভব না হলেও শীর্ষ দর্শন অসম্ভব নয়। দার্জিলিং শহরের সব জায়গা থেকেই আকাশ পরিষ্কার থাকা সাপেক্ষে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। তবে সবচেয়ে ভাল দেখা যায় টাইগার হিল থেকে। দার্জিলিং শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে ২৫৯০ মিটার উচ্চতায় টাইগার হিলের অবস্থান। এই জায়গার নাম টাইগার হিল কেন রাখা হয়েছে জানা নেই। তবে এই স্থানের পাশেই Senchal Wildlife Sanctuary নামে এক বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য আছে। সেখানে বাঘ থাকলেও থাকতে পারে।

রাত সাড়ে তিনটায় ঘুম থেকে উঠে রওনা দিয়েছি। টাইগার হিলের গোঁড়ায় পৌঁছুলাম সাড়ে ৪ টার দিকে। আজকের সারা দিন আমাদেরকে গাইড এবং ড্রাইভ করবে পুষ্কর। পুষ্করকে পছন্দ হতে আমাদের ঠিক ১ মিনিট সময় লাগলো। চমৎকার হাসিখুশি চেহারার এই ব্যক্তিটির কথা আমার সবসময় মনে থাকবে। আমাদেরকে দেখার পর তাঁর প্রথম কথাই ছিল, “বলুন তো আমার বয়স কত?” সাইমুম বলল ২২, আমার ধারণা ২৫। আমাদের উত্তর শুনে সে হেসেই খুন। যখন বলল যে তাঁর বয়স ৪২ চলছে তখন বিস্ময়ে কিছুক্ষণ আমাদের মুখ দিয়ে কোন কথাই বের হয় নি। এটা ঠিক দার্জিলিং এর স্থানীয় লোকজনের চেহারা দেখে বয়স বোঝা যায় না, তাই বলে এতটাই বয়সচোরা হয় লোকজন। বয়স ধরে রাখার কোন গুপ্ত রহস্য আছে কি না জিগ্যেস করায় না সূচক ইঙ্গিত দিয়ে সে কেবল হাসল। রহস্যটা ধরতে পারলে ভাল হত। দেশে ফিরে তাহলে বোটানিক এরোমা কিংবা ফেয়ার এন্ড লাভলীর মত প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যবসা করতে পারতাম।

ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স করা পুষ্কর পাশ করার পর অনেকদিন নেপালের স্কুলে শিক্ষকতা করেছে। তারপর টাকা জমিয়ে একটা জীপগাড়ি কিনে গাইডের ব্যবসা দিল। সেই ব্যবসা এখন ফুলে ফেঁপে একাকার। নিজের মালিকানায় এই মুহূর্তে ৭ টা জীপগাড়ি আছে যার ৬ টাই প্রতিদিন ভাড়ায় চলে। ৩ সন্তানের গর্বিত পিতা পুষ্কর বিয়ে করেছিল পরিবারের অমতে প্রেম করে যার জন্য অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল বেচারাকে। এখন অবশ্য ভালই আছে। দার্শনিকের মত আমাদেরকে একটা ফ্রি উপদেশও দিয়ে দিল। “সবসময় নিজের মনের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিবেন। অন্তত জীবনে আফসোস আসবে না।”

গাড়ি থামিয়েছে টিকেট কাউন্টারের পাশে। ১০ রুপি, ২০ রুপি, ৩০ রুপি এবং ৪০ রুপি এই ৪ মূল্যমানের টিকেট আছে। কোনটার মাহাত্ম্য কি বুঝে না আসলেও সবথেকে দামী টিকেটটি কাটব সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু বিধি বাম, ৪০ রুপির টিকেট শেষ। ৩০ রুপির টিকেট কেটে আরও কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর চোখে পড়ল এক ওয়াচ টাওয়ার। এইবার ভিন্ন দামের টিকেটের মাহাত্ম্য বুঝতে পারলাম। তিনতলা টাওয়ারটির তৃতীয় তলার টিকেটের মূল্য ৪০ রুপি, দ্বিতীয় তলার ৩০ রুপি এবং নিচতলার ২০ রুপি। ১০ রুপির যে টিকেট সেটি দিয়ে ওয়াচ টাওয়ারের সামনের খোলা প্রান্তরে দাঁড়ানো যাবে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের এই রাতে খোলা ময়দানে ঘণ্টাখানেক দাঁড়িয়ে থাকলে অবস্থা কেমন দাঁড়াবে সেটা ভেবে শিউড়ে উঠলাম। দোতলায় একদম সামনের সাড়িতে চেয়ার ফাঁকা পেয়ে বসে গেলাম। নিচে তাকিয়ে খোলা জায়গাটুকুতে লোকজনের ভিড় দেখে অবাক হতে হল। এত রাতেও লোকে লোকারণ্য এবং লোকজনের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছেই।

আমরা তিনজন তিনদিকে বসেছি। সূূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত বসে বসে কি করব ভাবছিলাম। পাশের চেয়ারে বসে থাকা এক ভিনদেশী সমস্যার সমাধান দিয়ে দিলেন। নিজে থেকেই গল্প শুরু করলাম, বাকিটা তিনিই টেনে নিয়ে গেলেন। ৬৫ বছর বয়সী ভদ্রমহিলার নাম Sigrid Silz. থাকেন জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুর্টে। সরকারী চাকরি করতেন। অবসর নেওয়ার পর থেকে দুনিয়া ঘুরছেন। দার্জিলিং থেকে গ্যাংটক ঘুরে ভুটান যাবেন। এই বয়সেও এত ঘুরাঘুরির শক্তি পাচ্ছেন কি করে প্রশ্ন রাখতেই হেসে তাঁদের দলনেতাকে দেখিয়ে বললেন উনার বয়স ৭২ বছর এবং পৃথিবীর ১৮২ টি দেশ ঘুরেছেন। চুপ হয়ে গেলাম। আমাদের দেশে বয়স ৫০ পার হলেই সবাই মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে যায় এবং মৃত্যুর অপেক্ষা শুরু করে। বয়স ৬০ পার হলে দেশের বাইরে তো দূরের কথা বাসার বাইরে যেতেই ভয় পায়। আমাদের জন্য বিদেশ ভ্রমণ তো বাতুলতা হবেই।

Sigrid এর সাথে অনেক গল্প হল। সিরিয়া যুদ্ধের কারণে জার্মানিতে তখন অভিবাসীদের ঢল নেমেছে। কিছুটা কৌতূহলী হয়েই জিজ্ঞাসা করেছিলাম জার্মানি যে এত অভিবাসী গ্রহণ করছে সেই ব্যাপারে তাঁর মতামত কি? একটু হেসেই তাঁর উত্তর, আমাদের এঞ্জেলা মার্কেলের উপর আস্থা আছে। যাতে দেশের ভাল হবে তিনি সেটিই করবেন আর আমরাও সেটিই খুশিমনে মেনে নিব।” মনের অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল। যেই দেশে সরকার বদলের সাথে সাথে পররাষ্ট্রনীতি সহ সকল নীতিই বদলে যায়, সেই দেশের জনগনের ভিতর এমন আস্থার পরিবেশ কবে তৈরি হবে কে জানে?

আমার ডানপাশে কলকাতার এক বয়স্ক দম্পতি বসে আছেন। মাসিমা এই প্রথম দার্জিলিং এসেছেন। আরও আগে কেন মাসিমাকে নিয়ে ঘুরতে আসেন নি জিজ্ঞেস করতেই কাকুর সলজ্জ উত্তর, “বাচ্চাগুলোকে মানুষ করতে করতেই তো বাবা বয়স হয়ে গেল। ঘুরতে যেতে কি মন চাইত না? সময় পাই নি তো এতদিন।” কেন জানি আব্বা-আম্মার কথা খুব মনে পড়ল। আমাদের বাঙালী বাবা-মায়েরা তো এমনই হন। সন্তানের জন্য সব ত্যাগ করেন অথচ প্রতিদানে আমরা কতটুকুই বা করি। আমার নিজের বাবা-মা কোনদিন কক্সবাজার যান নি। সংসারের ঘানি টানতে গিয়ে সময় বের করে উঠতে পারেন নি। আমি তো দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছি। আমার খুব ইচ্ছে আব্বা-আম্মাকে নিয়ে একদিন কক্সবাজার ঘুরিয়ে আনব। জানি না সেই সুযোগটা কবে আসবে।

গল্প করতে করতে সময় যে কোনদিন দিয়ে কেটে গেল বুঝতেই পারলাম না। নিচের জনসমুদ্রের সশব্দ আলোড়নে হুশ ফিরল। চারদিক ফর্সা হচ্ছে দ্রুত। সূর্যোদয় সমাগত। গত তিনদিন যারা টাইগার হিল এসেছিলেন তাঁদের কেউই সূর্যোদয় কিংবা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পান নি। কিছুক্ষণ আগেও চারপাশ মেঘে ঢেকে ছিল তাই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটার আশঙ্কায় সবাই চুপ ছিল। মাত্রই মেঘ কেটে গেছে সেই জন্যেই চারপাশে এত হিল্লোল। অধীর আগ্রহে সবাই অপেক্ষা করছি সূর্যোদয়ের। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটল। সূর্য মামা মেঘের ঘোমটা সরিয়ে প্রথমে অল্প একটু উঁকি দিলেন। গত তিনদিনের মত আজও মেঘগুলো চাইছিল তাকে আটকে রাখতে। সে জন্যেই কি না প্রচণ্ড বিরক্তিতে মেঘগুলোকে ঝেটিয়ে বিদায় করে সদম্ভে নিজের অস্তিত্ব জানান দিলেন।

সবাই যখন পূর্বদিকে সূর্য দেখায় ব্যস্ত আমার মনোযোগ তখন পশ্চিম দিকে। আমি এসেছি কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে। সূর্যোদয় তো প্রতিদিনই দেখতে পাব, কাঞ্চনজঙ্ঘাকে নয়। কিন্তু বিধি বাম। পশ্চিম দিক ঘন মেঘে ঢাকা। আজ আর কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা দিবেন না। যদিও জানাই ছিল যে এই মৌসুমে যারা দার্জিলিং আসেন তাঁদেও শতকরা ৯৫ জনই কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা পান না, তারপরেও হতাশ হওয়াই স্বাভাবিক। প্রতিদিন তো আর দার্জিলিং আসব না। দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর জন্য অনিন্দ্য স্মারক হিসেবে পুরো হিমালয় রেঞ্জের একটা ভিউকার্ড আর পর্বতারোহণের উপর দুইটা সিডি কিনল। আমি কিনলাম সিকিম ভ্রমণ নির্দেশিকা। আমার খুব সিকিম ঘুরবার শখ অথচ বাংলাদেশীদের জন্য সিকিম এক নিষিদ্ধ স্থান। পরিচয় গোপন করে অনেকেই সেখানে যায় তবে ধরা পড়লে খবর আছে।

টাওয়ার থেকে নেমে চারপাশটা ঘুরে দেখলাম। মেঘের সমুদ্রে চরাচর ঢেকে আছে। অকুল দরিয়ার মাঝের ছোট্ট দ্বীপের মত কোথাও মেঘের ভিতর থেকে পাহাড়চূড়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আবার কোথাও মেঘগুলো পাক খেয়ে উপরের দিকে রওনা দিয়েছে। সূর্যোদয়ের পর এখানে থাকার কোন মানে হয় না। সেই জন্যই সবাই ফিরতি পথ ধরেছে। আমরাও ফিরে চললাম। পিছনে রেখে গেলাম টাইগার হিলে সূর্যোদয় দেখার স্মৃতি আর কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে না পাওয়ার আক্ষেপ। কোন একদিন আবার আসব। কাঞ্চনজঙ্ঘা’র দেখা আমার পেতেই হবে।

বিঃদ্রঃ কাঞ্চনজঙ্ঘার ছবিটি গুগল থেকে পাওয়া।

লেখাটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্য এখানে জানাতে পারেন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: