ফিরোজা – কমল গাঁথা

মূল লেখার লিংক

”খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা”

নজরুলের কাছে প্রথম যেদিন ক্লাস ফোরের ছাত্রী গান শোনাতে যান, তখন তার বয়স এগারো-বারো হবে। কাজী নজরুল তখন এইচএমভির প্রধান প্রশিক্ষক। ফিরোজা তখনো জানেন না ইনি কে ? তিনি ফিরোজা বেগমের দিকে তাকিয়ে বললেন, তা কী গান শোনাবে আমাদের ?’

ফিরোজা বেগম গাইলেন,’যদি পরানে না জাগে আকুল পিয়াসা শুধু চোখে দেখা দিতে এস না।’গান খুবই কঠিন। গান শেষ করেই ফিরোজা বেগম, বাইরে চলে আসবেন কিন্তু কাজী নজরুল ইসলাম হাত টেনে ধরে তাকে বসালেন। বললেন, ’ওরে সর্বনাশ ! এ কী গান শোনালে তুমি। এতটুকু মেয়ে এ গান কীভাবে, কোথা থেকে শিখলে ?’

ফিরোজা বেগম বললেন, ’কারও কাছ থেকে নয়। বাড়িতে কালো মোটা ভাঙা ভাঙা রেকর্ডগুলো আছে না, ওইগুলো শুনে শুনেই শিখেছি।’ একথা শুনে কাজী নজরুল ইসলাম আবার হো হো করে অট্টহাসি । কাজী নজরুল বললেন ’একটা রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারের মেয়ে নিজে নিজে এত সুন্দর গান শিখে ফেলেছে। এত দিন গান করছি, এ রকম প্রতিভা তো এর আগে পাইনি।’ হারমোনিয়াম নিজেই টেনে ফিরোজা বেগমের সামনে দিলেন। বললেন, ’তুমি আরেকটা গান শোনাও।’

ফিরোজা খানিকটা বাজানোর পর দেখলেন একটা রিড উঠলে দূরের আরেকটা উঠে যায়। (পরে জেনেছেন, ওটা ছিল স্কেল চেঞ্জা হার মোনিয়াম) ফিরোজা বললেন, এই হারমোনিয়াম বাজাব না। এটার আওয়াজ কেমন ভাঙা ভাঙা। আমাদের হারমোনিয়ামটা ভালো।’একথা শুনে কাজী নজরুল ইসলাম আরও জোরে হাসি । বললেন, ’এ মেয়ে তো সবই বোঝে। এই কেউ যাও তো কমলকে ডেকে আনো। এ মেয়ের গান ওর শোনা উচিত।

একটু পরই বেশ সুদর্শন একজন পুরুষ এলেন। কবি বললেন ’কমল, আমরা এই বাচ্চা মেয়ের গান শুনে তো হতবাক । তুমিও একটু শুনে দেখো।’ ফিরোজা বেগম দ্বিতীয় গান ধরলেন, ’ পাখিটা মোরে কেন করে এত জ্বালাতন।’ দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের গান ।
গানটার মধ্যে সূক্ষ্ম কারুকাজ ছিল। ১০-১১ বছরের একটা মেয়ের গলায় ওই গান ওঠার কথা নয়। কখনো হালকা, কখনো ভারী কারুকাজ, ওঠা-নামা। গানটি অর্ধেক গেয়ে ফিরোজা বেগমের আর গাইতে ইচ্ছে করল না। বললেন, ’আমি আর গাইতে পারব না।’ কাজী নজরুল ইসলাম বললেন, ’ঠিক আছে, যা গেয়েছ তাতেই আমরা অবাক। ।’

ঘর থেকে বের হওয়ার পর ফিরোজা বেগমের দুই চোখ ফেটে পানি, মামা অবস্থা দেখে বললেন, ’তুই যে বিরক্ত হচ্ছিস, তুই কি জানিস কার সামনে আজ গান করেছিস ? কাজী নজরুল ইসলাম।’ ফিরোজা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বললেন, কোন কাজী নজরুল ইসলাম ? ’বল বীর’?

কমল দাশগুপ্তের বড় বৈশিষ্ট্য ছিল তিনি শিল্পীর মন পড়তে পারতেন। শিল্পীর গায়কী অনুযায়ী গানের সুর করতেন। তাই শুধু শিল্পী, সুরকার বা সঙ্গীত নয়, কমল দাশগুপ্তের জাদুকরী কর্মকাণ্ডের সমান অংশীদার ছিল মানসিক প্রসারতা। সুর সৃষ্টিতে তাঁর কারিশমার কাছাকাছিও তেমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। শব্দের ভেতরে লুকিয়ে থাকা আবেগকে সুর দিয়ে পরিপূর্ণ প্রতিমাকে যেনবা প্রাণ দিয়েছেন কমল দাশগুপ্ত ।

জীবনের একটা বড় অংশ কাটিয়েছেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একান্ত সান্নিধ্যে। দুজনেই উস্তাদ জমিরউদ্দিন খানের কাছে থেকে সঙ্গীতের তালিম নিয়েছিলেন। কবি কাজী নজরুল নিজে শুধুমাত্র কমল দাশগুপ্তকেই কবির অনুমতি ছাড়াই কবির নিজের লেখা গানে সুর বসানোর অধিকার দিয়েছিলেন।মাত্র ২০ বছর বয়সে এইচ.এম.ভি(The Gramophone Company of India where HMV represents ‘His Master’s Voice’) তে জয়েন করেন এবং প্রধান সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করেন।

কমল দাশগুপ্ত কেবল সাড়ে আট হাজার অমর গানেই সুরারোপ করেননি। তিনি তৈরি করে গেছেন একঝাঁক প্রতিভাদীপ্ত শিল্পীকে। যেমন কানন দেবী, যূথিকা রায়, সত্য চৌধুরী, ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় জগন্ময় মিত্র, তালাত মাহমুদ, কল্যাণী ঘোষ, শুভলক্ষ্মী, ফিরোজা বেগমসহ ও আরও বহু শিল্পী। কেসি দে, আব্বাসউদ্দীন, কমলা ঝরিয়া, আঙ্‌গুর বালা, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এঁরাও অনেক গান করেছেন কমল দাশগুপ্তের সুরে।

উল্লেখ্য, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রতিষ্ঠিত আজাদ হিন্দ ফৌজের- ‘কদম কদম বাড়ায়ে যা’-এর সুর তারই দেয়া। এছাড়াও হায়দরাবাদের নিজামের সুবর্ণজয়ন্তীর বিশেষ গান তিনি রেকর্ড করেছিলেন। প্রায় তিনশো নজরুল গীতির সুর রচয়িতা ছিলেন কমল দাশগুপ্ত। উত্তর ভারতের মীরার ভজনে সুরের প্রয়োগ বিষয়ে গবেষণা করে কমল দাশগুপ্ত ১৯৪৩ সালে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অব মিউজিক ডিগ্রি লাভ করেন।হিন্দীতেও তিনি গীত ও ভজন রচনা করেছেন প্রচুর। ঠুংরী সৃষ্টিতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। সুরের জগতে রাগরাগিণীর উপর অবাধ বিচরণ ছিল তাঁর।

পিতা, তারাপদ দাসগুপ্ত। জন্ম, ২৮ জুলাই ১৯১২ সাল। ঠিকানা, সাবেক যশোর জেলার নড়াইল মহাকুমার কালিয়া থানার বেন্দা গ্রাম। অসাধারণ কমলের মাতৃভক্তি। বেন্দা গ্রামের দাশগুপ্তরা সম্ভ্রান্ত এবং বিত্তশালী পরিবার। কালিয়া রত্নগর্ভা এলাকা। এখানেই জন্মেছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সেতারি রবি শঙ্কর এবং নৃত্যশিল্পী উদয় শঙ্কর। কিংবদন্তি অভি
নেত্রী সুচিত্রা সেনের মাতুলালয়ও এই বেন্দা গ্রামে।

আর ফরিদপুরের এক সম্‌ভ্রান্ত জমিদার পরিবার কন্যা ছিলেন ফিরোজা বেগম, পরিবার প্রধান খান বাহাদুর মোহাম্মদ ইসমাইল বৃটিশ সরকারের কৌঁসুলি। তিনিই প্রথম মুসলমান সরকারি কৌঁসুলি। খান বাহাদুর সাহেব এবং বেগম কওকাবুন্নেসার তৃতীয় কন্যা ফিরোজাকে কমল দাশগুপ্ত, প্রথম দর্শনে পাত্তা দেননি !
তিনি তখন বাংলার সেরা সুরকারদের একজন, পরে ফিরোজার এক ইন্টারভিউ থেকে শোনা যায় , কমলবাবুর কাছে প্রথম গান তুলতে গিয়ে কিশোরী তিনি আবিষ্কার করেন, তাঁর হাতের আংটি জ্বলজ্বলে করছে ফিরোজা রংয়ের পাথর৷

পরবর্তী কালে কমলবাবুর সঙ্গে ফিরোজার প্রেম কলকাতা ও ঢাকার এক অন্যতম চর্চার অঙ্গ ছিল ৷ গোপালগঞ্জের জমিদার খান বাহাদুর মোহাম্মদ ইসমাইলের মেয়ে কলকাতায় হিন্দু যুবকের সঙ্গে প্রেম করছেন, এমন ছবি চল্লিশ ও পঞ্চাশ দশকে অকল্পনীয় ছিল ৷
ফিরোজার কৃতিত্ব, তিনি সমস্ত বাধা উড়িয়ে কমলের সঙ্গে নজরুল ও আধুনিক গান করে বেড়িয়েছেন৷ এইচএমভির সেরা ট্রেনারের ট্রেনিং নিতে নিতে গলা অন্যরকম হয়ে গিয়েছে৷ কলকাতা থেকে তাঁকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় গান বন্ধ করে বিয়ে দেওয়ার জন্য৷ এক বছর ফিরোজা খাবার বন্ধ করে দিয়ে ছিলেন, গানও৷ অসুস্থ হয়ে প্রায় মারা যাচ্ছিলেন৷ তবু গান ছাড়েননি৷ কমলকেও না৷

উনিশ শ পঞ্চান্নতে তারা বিয়ে করেন ৷ কমলদাশ গুপ্ত ধর্মান্তরিত হয়ে ছিলেন কবে, এ নিয়ে বহু মতামত চলে এসেছে, কারো মতে বিয়ের সময়, কিন্তু তাদের দুই ধর্মের বন্ধু বান্ধবের অনেকেই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলে গেছেন, ওই সময় কমল দশ গুপ্ত ধর্ম পরিবর্তন করেননি, বরঞ্চ সিঁদুরের টিপ্ পরে রেজিস্ট্রি বিয়ের পর ছবি তুলেছিলেন ফিরোজা বেগম !
এক স্মৃতি চারণে কমল দাস গুপ্তের দুঃসম্পর্কের ভাই বৌ প্রতিমা দাশগুপ্ত বলেন, ‘দাদা-বৌদির অনুরোধে আমি ওনাদের এক শেষ সঙ্গীতা নুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম ৷ কলকাতার রবীন্দ্রসদনে বৌদি ফিরোজার সঙ্গে দাদা গেয়েছিলেন নজরুলের বিখ্যাত গান– ‘মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান৷ সালটা ছিল ১৯৭২৷’

অনেকে বলেন, ঢাকাতে আসার পরে প্রভাবশালী শ্বশুরবাড়ি, দাপুটে শ্যালক এবং শিল্পকলা একাডেমির উগ্র মুসলিম সিন্ডিকেট নজরুল প্রেমিক তালিম হোসেনরা তাকে কমল থেকে কামাল উদ্দিনে পরিণত করেন। এর চাপে অশান্তি এড়াতে ফিরোজা বেগমের কথা ভেবে ধর্মান্তরিত হন কমল দশ গুপ্ত ! এই শেষোক্ত মতবাদের পক্ষেই অনেক উপাত্ত মেলে !

কমল দাশগুপ্ত , প্রেমের জন্য তিনি তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য ছেড়ে চলে এসে ছিলেন, এ দেশের সন্তান কমল দাশগুপ্ত বুকভরা প্রত্যাশা নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে দেশের মাটিতে ফিরে আসেন। স্ত্রী সন্তানসহ ! পাকি স্তানি আমল তখন। ভারতে ফিরোজা বেগমের সমস্যা, আবার ঢাকায় কমল দাস গুপ্তের সমস্যা। ঢাকায় দু’জনে ফিরে এসে বিভিন্ন বাধার মুখোমুখি হয়েছিলেন। যেখানে দু’জনে যান, সেখানে মুখের ওপর দরজা বন্ধ। বাড়িভাড়া পেতেও বেগ ।
‘ব্ল্যাক লিস্টেডও করা হয়েছিল আমাকে। এখানকার অনেক শিল্পীও আমার সঙ্গে ভীষণ রকমের শত্রুতা করেছে। আমার পেছনে গোয়েন্দা লাগানো হয়েছিল। কী দুর্বিসহ যে ছিল সে জীবন, যা বলার নয়।’ জানিয়েছিলেন ফিরোজা বেগম !

একসময়ে দুহাতে রোজগার করেছেন কমল দাশগুপ্ত। যেদিকে তাকাচ্ছেন, সোনা ফলিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু কিছুই ধরে রাখতে পারেননি, এক বিশাল হৃদয়ের অধিকারী ছিলেন কমল দাশগুপ্ত। অর্থের প্রতি কোন মোহই ছিলনা তাঁর। ১৯৪৩ সালে সারা ভারতবর্ষ যখন দুর্ভিক্ষের কবলে পতিত তখন কলকাতায় তুখা নাঙ্গা মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন কমল দাশগুপ্ত। নিজ খরচে নঙ্গরখানা খুলে প্রতি দিন লোক খাওয়াতেন তিনি।

১৯৬৮-৬৯ ইসলামাবাদ রেডিওর উদ্বোধন। গান গাইতে হবে ফিরোজা বেগমকে। তাঁকে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু ফিরোজার এক কথা, ’আগে আমি বাংলা গাইব তারপর উর্দু। নইলে যাব না।’ তখনকার তথ্যমন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দিন ঐ শর্তেই রাজি। গাইলেন- ’ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি আমার দেশের মাটি’ সত্তরে দেশ ফুঁসছে আর সে সময় করাচীতে ইএমআই পাকিস্তানে তিনি ’জয়, জয়, জয় বাংলার জয়’ আর ’জন্ম আমার ধন্য হল মাগো’ এই বাংলা গানগুলো রেকর্ড করেন।

’এই গান গাওয়ার অপরাধে দেশে ফেরার পর একদিন রেডিও স্টেশন থেকে তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল চারটায় তাকে একটি বন্ধ গাড়িতে করে নিয়ে যায়। কোথায় নেয়া হচ্ছে বুঝতে পারেননি। জিজ্ঞাসা বাদের পর রাত একটায় ফিরোজা বেগমকে নামিয়ে দিয়ে যায় বাসায়। তিনি তাদের যুক্তি দিয়ে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তবে গানের মূল রেকর্ড ধ্বংস করে ফেলা হয়। স্বাধীনতার পর অন্য শিল্পী ঐ গান রেকর্ড করেছে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একাধিকবার তার বাড়ি তল্লাশি করা হয়েছে। চেষ্টা করেছে তাকে মেরে ফেলার। ১৪ ডিসেম্বর একটুর জন্য তিনি বেঁচে যান।

১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত কমল দাস গুপ্ত গৃহবন্দি ছিলেন ঢাকাতেই। অর্থের প্রয়োজনে ঢাকার হাতিরপুলে ‘পথিকার’ নামে একটি ছোট স্টেশনারী দোকান খুলেছিলেন তিনি। দেশ স্বাধীনের পরে বেতারের নিজস্ব স্টুডিও এবং বিশেষ বাদ্যযন্ত্রী গোষ্ঠী -ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিস। সবই কমল দাশ গুপ্তের পরিকল্পনা।ফিরোজার নাম নিয়ে ‘নজরুল গীতিমালা’ নামে বাংলা একাডেমি থেকে স্বরলিপি প্রকাশ । এ স্বরলিপির উদ্ভাবক কমল নিজেই।

তাদের দাম্পত্য জীবনে দারিদ্র ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিলো, যৌথ জীবনে নিকট ও আশে পাশের মানুষের সমর্থনের চাইতে অসযোগিতা ই ছিল বেশি ! মানুষ হিসাবে ফিরোজা বেগম ছিলেন উচ্চাভিলাষী । অনেক ঘাত-প্রতিঘাত আর সুকঠিন সংগ্রামের ভেতর দিয়ে ফিরোজা বেগম হয়ে উঠেছিলেন নজরুল সঙ্গীত সম্রাজ্ঞী। কিন্তু কমল যেন গুটিয়ে যেতে থাকলেন !
কমল দাশ গুপ্তকে হয়তো পুরাটা বুঝতে পারেননি কখনো ! বুঝতে পারেনি কেউ ই !যাপনের এক পর্যায়ে পারিবারিক সমস্যা, পারিপার্শ্বিক সামাজিক সমস্যার এক অসহনীয় অবস্থান জীবনের শেষভাগকে খুব দ্রুত একটু দ্রুতই হাজির কমল দাশগুপ্তের জীবনে ! এতো কৃতি ব্যক্তিত্ব অভি মানে নিজেকে একা করে ফেলেছিলেন, তারপর সৃষ্টিশীলতা থেকে ধীরে ধীরে একেবারেই নিজেকে সরিয়ে নিয়ে হারিয়ে গেলেন একসময় !

দুজনের জন্মদিন দিন ই জুলাই মাসে এক ই দিনে, আঠাশে জুলাই, নজরুল কি তার বন্ধুদের জন্যে লিখেছিলেন ” মোর আর জনমে হংস মিথুন ছিলাম ‘ কিংবা তাদের কথা ভাবলে কি সেই গান মনে পড়ে না ? ” ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে তোমারে করেছে রানী’

লেখাটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্য এখানে জানাতে পারেন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: