দিগন্তে শেষ অশ্বারোহী

মূল লেখার লিংক
ghulam-ali-3
সামান্য একটু সরগম শুরু করলেই হল! মুখের ওই সামান্য বসন্তের দাগগুলো মিলিয়ে যেতে থাকে দ্রুত৷ ও গুলোকে আকাশের তারাদের মতো দেখায়৷ এক একটা তারা যেমন একটা চিত্রকল্প
তৈরি করে চোখের সামনে৷
লতা মঙ্গেশকরের মুখের বসন্তের দাগও এ ভাবে মিলিয়ে যায় না একবার গান শুরু হলে? মেহদি হাসানের? সে সময় সামনের সব দৃশ্যপট হয়ে ওঠে মায়াবী৷
পঁচাত্তরেও গুলাম আলির এক একটা গান এখনও এক একটা ছবি৷ আলাপ শুরু হলেই আজান আর মন্ত্রোচ্চারণ মিশে যায় যেখানে৷ স্বর্গীয় অনুভূতি একেই বলে কি?
কোনওটা শুনলে মনে হয়, গ্রামের দীঘিতে একসঙ্গে ফুটে রয়েছে শাপলা আর পদ্ম৷ কোনওটা শুনলে মনে হয়, দূর দিগন্তে দেখা গিয়েছে বাদামী ঘোড়ায় শেষ অশ্বারোহী৷ ধুলো উড়িয়ে চলে যাওয়ার
পরে মনে হবে, এই হল অশ্বারোহী৷
গুলাম আলি পুরোনো গানবাজনার শেষ অশ্বারোহী হয়ে দেখিয়ে যান, এখনও হাজার হাজার মানুষ অভিভূত করে রাখা যায় ক্লাসিকাল গানে৷ বয়স স্বাভাবিক কারণে তাঁর গলায় হানা দেয়
মাঝেমাঝেই৷ তার পর নতজানু হয়ে চলে যায় এই বলে যে, ‘জনাব, আপনার কাছে হেরেও আনন্দ৷’
হারমোনিয়ামটিকে সামান্য একটু সরিয়ে বসার ওই ভঙ্গিটি অতি চেনা৷ কিছুটা কোণাকুণি৷ কুর্তা দেখা যাবে৷ বয়স বাড়ছে বলেই আর সেই পুরোনো রঙিন ঝলমলে পাঞ্জাবি পরনে নেই৷ পাঞ্জাবির রং
ঘিয়ে৷ একটু সাদা৷ তবে ওস্তাদি গায়কী এখনও যথেষ্ট রঙিন৷

ghulam%20ali%203.jpg

পাতিয়ালা ঘরানার এই গায়কের গান গাওয়ার স্টাইলের প্রধান দিক, শব্দ নিয়ে খেলা করার অভ্যাস৷ হাত তুলে তৈরি করেন পরিচিত মুদ্রা৷ এবং তখন, এক একটা শব্দ নিয়ে সুরের খেলার সময় গুলাম
আলি ছেলেমানুষের মতো হয়ে যান৷ কখনও একেবারে নিচু পর্দায়৷ কখনও একেবারে উঁচুতে৷ ‘চুপকে চুপকে’ বা ‘দিল মে এক লহর’ গাওয়ার সময় ওই খেলা উপভোগ্য হয়ে ওঠে৷ গজলের সঙ্গে
খেয়াল মেশানোর ধারায় অন্যান্য গজলিয়ার সঙ্গে ফারাক রয়েছে গুলাম আলির৷ প্রতিটি গানে অনিবার্য ভাবে তিনি শুরু করেন সরগমের আলাপ দিয়ে৷ সেই সময় তাঁর গলা তার সপ্তকে ফিরিয়ে নিয়ে
যায় সত্তর-আশির দশকে৷

এখন তো তিনি কেমন গাইছেন, বড় ব্যাপার নয়৷ বড় ব্যাপার হল, তাঁকে দেখতে যাওয়া৷ গুলাম আলিকে দেখতে যাওয়া৷ লোকে যেমন শেষ দিকে মান্না দে-হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে দেখতে যেত,
শুনতে নয়৷

আর ওই দেখাটাই ঈশ্বরকে দেখার মতো৷ গুলাম আলিদের গলায় সুর হারায় না৷ অন্য রূপ নিয়ে হাজির হয়৷ গান গাওয়ার ফাঁকে কথা বলেন শেষ ওস্তাদো কি ওস্তাদ৷ কিছুটা ব্যাখ্যা৷ কিছুটা রসিকতা৷
সে সব অন্য মাত্রা যোগ করে তাঁর শো-তে৷

ghulam%20ali%202.jpg

গুলাম আলি শুনে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে ফেরার সময় হাজার হাজার লোকের ভিড় কিছুটা নীরব৷ সম্মোহিত যেন৷ টুকরো টাকরা কথা চলছে এক একটা গজল নিয়ে৷ তাকিয়ে এক অদ্ভূত
অনুভূতি হল৷ কোথায় কলকাতার পার্ক সার্কাস! কোথায় পাকিস্তানের শিয়ালকটের কালেকে গ্রাম! পার্ক সার্কাসের গায়ক বড়ে গুলাম আলি খানের নাম এত ছড়িয়েছিল যে কালেকে গ্রামের এক গায়ক
ও সারেঙ্গিবাদক তাঁর ছেলের নাম রেখেছিলেন গুলাম আলির নামে৷ তিনিই এই গুলাম আলি৷ ওই অনুষ্ঠানের একেবারে শেষে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে বড়ে গোলাম আলির বিখ্যাত ‘ইয়াদ পিয়া কি আয়ে’
গাইছিলেন হিন্দুস্থানের রাশিদ খান এবং পাকিস্তানের গুলাম আলি৷ আর মুছে যাচ্ছিল ভারত-পাক সীমানা৷
দেশ ভাগের এগারো বছর পরে বড়ে গোলাম ভারতের নাগরিক হয়ে যান হঠাত্‍৷ এ দেশে তাঁর জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বাড়ছে দেখে৷ শিয়ালকটের গুলাম আলি শিক্ষক চেয়েছিলেন পার্ক সার্কাসের বড়ে
গুলামকে৷ বড়ে গুলাম কিছুদিন শিখিয়ে তাঁকে তুলে দেন তাঁর তিন ভাই বরকত আলি, মুবারক আলি, আমানত আলির কাছে৷ ওখান থেকেই ভারত-পাকিস্তান আবার এক হয়ে যায় সুরের হাত ধরে৷
গুলাম আলি নাকতলার রাশিদ খানের সঙ্গে ‘ইয়াদ পিয়া কি আয়ে’ গাইছিলেন, আর সীমান্তের দু’পারের গোলাগুলি যেন ফুল হয়ে যাচ্ছিল অজান্তে৷

গ্যালারিতে দশ হাজার, ফ্লোরে পাঁচ হাজার- হাজার পনেরো লোক মন্ত্রমুগ্ধ নিঃশব্দে শুনছেন গুলাম আলি৷ ক্লোজড সার্কিট টিভিতে ধরছে মন্ত্রী, সাংসদদের মুখ৷ তাঁদের ঠোঁট নড়ছে গুলাম আলি গেয়ে
চলার সময়৷ গ্যালারিতে সুবেশা সুন্দরী, বয়স্ক মধ্যবিত্ত মোহিত উচ্চারণ করছে গানের লাইন৷ সাধারণ গ্যালারি চেঁচাচ্ছে গুলামের গানের লাইন নিয়ে৷ ‘চুপকে চুপকে’ শুনে রসিক গুলাম আলি বলছেন,
‘পরে শোনাব৷ চুপকে চুপকে শুনুন৷’ ‘হাঙ্গামা’ শুনে গুলাম বললেন, ‘হাঙ্গামা করবেন না৷ শোনাব’৷ গ্যালারি গোলাম হয়ে যায়৷
মেহদি হাসানের সঙ্গে গুলাম আলির গায়কীর ফারাকটা কী? মেহদি রাগের বিমানে চলেন একেবারে আদি ও অকৃত্রিম নিয়মে৷ গুলামের গজলে পাঞ্জাবি স্টাইল অনেক বেশি৷ এক্সপেরিমেন্ট হিসেবের
বাইরে চলে যায় এক এক সময়৷ অনেক বেশি স্বতঃস্ফুর্ততা৷ কোন রাগে শুরু করে কোথায় চলে যাবে মিশ্র রাগে, সেটা সব আন্দাজের বাইরে৷ আর সেই রাস্তায় তাঁর হারমোনিয়াম যেন তাঁর পঙ্খীরাজ
ঘোড়া৷ সেই ঘোড়ায় চড়ে কোথায় চলে যাবেন, কে জানে! কলকাতার অনুষ্ঠানেও দেখলাম ওস্তাদের হারমোনিয়ামটি যেন তাঁর গৃহপালিত জীবের মতো৷
মেহদি ও গুলামের স্টাইলের ফারাক সবচেয়ে বেশি বোঝা যায়, তাঁদের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি গজল শুনলে৷ মেহদির ‘রজনীশ ই শাহি’, ‘পাত্তা পাত্তা বুটা বুটা’৷ গুলামের ‘হাঙ্গামা হ্যয় কিউ’, ‘চুপকে
চুপকে’৷ আকবর এলাহাবাদির লেখা ‘হাঙ্গামা হ্যায় কিউ’ প্রথম শোনা যায় পাকিস্তানের ফিল্ম ‘আপ কা খাদিম’ এ৷ ১৯৭৬ সালে গেয়েছিলেন মেহদি হাসান৷ ইউটিউবে শুনলে বোঝা যায়, মেহদির
‘হাঙ্গামা’ সিনেমার গান বলেই একেবারে অন্য স্টাইলে৷ গুলাম আলি সে গানে অনেক বেশি মালমশলা যোগ করে গয়নাগাটি পরিয়েছেন গানে৷ শুদ্ধ দরবারি কানাড়ার ওপরে ছেড়ে দেননি৷ গুলাম
আলি সেখানে স্বাধীনতা নিয়েছেন অনেক বেশি৷ ‘চুপকে চুপকে’ আসলে কাফি রাগে৷ কিন্ত্ত মাঝে মাঝেই সেই রাগ মিশ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ মেহদি এটা করতেন না৷
একবার লাহোরের টাক্সালি গেটে দু’জনের এক সঙ্গে অনুষ্ঠান৷ প্রথমে গান করে অবিশ্বাস্য মাতিয়ে দিয়েছেন গুলাম আলি৷ তার পর গাইবেন মেহদি সাব৷ তিনি ততক্ষণে বুঝে গিয়েছেন গুলামের
মায়াজালে এমন আচ্ছন্ন জনতা যে, এখানে গাওয়া কঠিন৷ তিনি মঞ্চে উঠে বলে দিলেন, গাইবেন না৷ গলায় অসম্ভব যন্ত্রণা৷ ততদিনে তাঁর শ্রোতারা বুঝে গিয়েছেন, গুলাম আলি মেহদিকে চ্যালেঞ্জ
করার জন্য তৈরি৷ কী জন্য জানি না, আমার মনে হয়, গুলাম আলি এই দেশে অনেক জনপ্রিয় মেহদি হাসানের কাছে৷ তার একটা কারণ বলিউডে গুলামের গান৷
বিবেকানন্দের জন্মদিনে হাজার পনেরো লোকের এক পরদেশি গায়কের গান নিয়ে আকুলতা দেখতে দেখতে ওই ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে উঠলাম আরও৷ যে সব গানের জন্য চিত্‍কার হচ্ছে, তার
অধিকাংশই বলিউড সিনেমায় ব্যবহার হয়েছে৷ ‘চুপকে চুপকে’ ১৯৮২ সালের ‘নিকাহ’ ছবির গান৷ ‘ইয়ে দিল ইয়ে পাগল দিল মেরা’ ১৯৮৪ সালের ‘মাটি মাঙ্গে খুন’ সিনেমায় ব্যবহার হয়েছিল৷
‘চমকতে চাঁদ কো’ গান ১৯৯০ সালের ছবি ‘আওয়ারগি’ ছবির গান৷ ‘ইয়াদ ইয়াদ বাস ইয়াদ’ ২০০৫ সালের ‘বেওয়াফা’ ছবির গান৷
এই জায়গায় প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে, এ দেশের আমজনতা কি গুলাম আলির সঙ্গীত ভাণ্ডারের অর্ধেক খাজানার স্বাদই পেল না? জানলই না? সত্তর দশকে মেহদি হাসান-গুলাম আলিতে আচ্ছন্ন
হয়েছিলেন এ দেশের অসংখ্য গায়ক গায়িকা, সঙ্গীত পরিচালিক৷ ইন্টারনেট ইউটিউব হীন জগত্‍ তখন৷ ইন্ডোর স্টেডিয়ামে প্রথম দিকের সারিতে নেতাদের দাপাদাপির মধ্যে তিন বা চার নম্বর সারিতে
দেখলাম আমাদের বাংলার গানের এক ঈশ্বরী আরতি মুখোপাধ্যায়কে৷ আর সবার মতো মুগ্ধ হয়ে শুনছেন৷
সেই আরতির কাছে শুনেছি, কী ভাবে তাঁরা মেহদি-গুলামের গানের টেপ জোগাড় করে আনতেন প্রবাদপ্রতিম সুরকার-গায়কদের জন্য৷ ওই সব গানের প্রভাব বাংলা গানে পড়ত৷ মান্না দে-মানবেন্দ্র
মুখোপাধ্যায়-সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের অনেক গানে প্রভাব পড়েছে এই দুই গজল গায়কের৷ মান্না তো নিজেই স্বীকার করতেন, বাংলা গানের স্টাইলে তিনি আনতে চেয়েছিলেন দুই পাক গায়কের প্রভাব৷
মৃত্যুর আগে তাঁর সঙ্গে বেঙ্গালুুরুতে শেষ সাক্ষাতের দিন মান্না বলেছিলেন, তাঁর অনুষ্ঠানে গুলাম আলিকে বসতে দেননি একবার৷ বের করে দিয়েছিলেন অনুরোধ করে৷ ‘ওঁর মতো অসাধারণ গায়কের
সামনে ভয়ে গাইতে পারব না৷ বলে দিয়েছিলাম গুলাম আলি সাহেবকে৷ উনি হেসে বেরিয়ে গিয়েছিলাম৷’ বাঙালি গায়ক অভিজিত্‍ গুলাম আলিকে ‘ডেঙ্গু আর্টিস্ট’, ‘হাওয়ালা আর্টিস্ট’ বলে টুইট করেন,
‘কতবার একে ভাগাই, তবু আসে!’ ওরে অভিজিত্‍‌ , আপনি যদি আপনার কিংবদন্তি পূর্বসুরিদের গুলাম আলিকে নিয়ে মনোভাব জানতেন!
কৌতূহল হয়, সে সব অসংখ্য গজল তরঙ্গে মুগ্ধ হয়েছিলেন এ দেশের সমস্ত গায়ককূল, সমীহ করতেন, সে সব গান কেন সাধারণের কাছে এল না? ‘নিকাহ’ ছবির আগে কোনও সুরকার গুলাম
আলিকে এখনকার সিনেমায় ব্যবহার করলে কতটা সুরক্ষিত থাকত কিশোর কুমার-মহম্মদ রফির অটুট দুর্গ? গুলাম আলির সামান্য কিছু গান নিয়ে চর্চা হয় সাধারণ শ্রোতাদের৷ এর বাইরে অসংখ্য
স্মরণীয় গান রয়েছে তাঁর৷ তাঁরই কিছু নমুনা ‘তেজ হাওয়া সে মুঝ সে পুছা, রাত পে ক্যায়া লিখতে রাহতে হো’ ‘আন্দাজ আপনা দেখতে হ্যায় ও’ ‘ফাসলে অ্যায়সে ভি হোঙ্গে’, ‘পারা পারা’র মতো এক
অন্য মোহ তৈরি করা গানের কিছু শব্দ পাওয়া গেল সে দিন ইন্ডোরে৷ ঝলক৷ যে সব গান এক সময় এক এক রূপ নেয় গুলাম আলির শব্দ নিয়ে খেলা করার সময়৷ এক একটা শব্দে এক একবার এক
এক রং৷ রাগ লেগে৷ গুলাম একটা খেলা শেষ করে হাসেন৷ আবার অন্য খেলায় মাতেন৷
পৃথিবী গজলের হয়ে ওঠে৷ প্রেমের৷ বিরহের৷ ভালো লাগার৷ যন্ত্রণার৷ গুলাম আলি গাইছিলেন, ‘রোজ কহতা হু ভুল যাও তুঝে, রোজ এ বাত ভুল যাতা হু’৷ এ গানটা মেহদি হাসানেরও রয়েছে৷
সন্ধ্যে ও রাতের মেশানো সময় দিগন্তের শেষ অশ্বারোহীর সেদিনের অনুষ্ঠান শেষ৷ সুর ছুঁয়ে যাচ্ছে হূদয়ে, মননে, স্মৃতিতে৷ বেরিয়ে আসার সময় আকাশের দিকে তাকিয়ে হঠাত্‍ গুলাম আলিরই একটা
বাংলা গান মনে পড়ে যায়৷ ‘মেঘ এসে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়’৷

১৯৯৪ সাল৷ এখনকার শেষ অশ্বারোহীর তখন ৫৪-মধ্য গগনের সূর্য৷ বাংলাদেশি ভক্তদের উদ্যোগে এইচএমভি থেকে বাংলা গানের সিডি করেছিলেন তিনি৷ গায়িকা ফিরোজা বেগমের ভাই গীতিকার
সুরকার আসাফাদৌল্লার উদ্যোগে৷ কী চমত্‍কার বাংলা উচ্চারণ অভিজিতের ‘দেঙ্গু আর্টিস্ট’ এর৷ মেঘ এসে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়–আসাফারই অমর সৃষ্টি৷ বাকিদের অধিকাংশ ওস্তাদের নিজেরই জনপ্রিয়
গানগুলোর কথা অনুবাদ করে, একই সুরে৷ লাইনগুলো শুনলেই বুঝতে পারবেন যে কেউ৷

হাঙ্গামা কেন এত রাতে

হূদয়ে উঠেছে এক তরঙ্গ যেন

চুপি চুপি রাত দিন

কারে কারে বলি আমি

এখন তখন হয় যে যেমন দেখলে তারে

পড়ে কি মনে আমারে

ওহ্! ওই মুগ্ধ পনেরো হাজারের মধ্যে সেদিন একটা লোকও গুলাম আলিকে একটা বাংলা গানের জন্য অনুরোধ করতে পারলেন না?

Advertisements

লেখাটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্য এখানে জানাতে পারেন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: