হাওড় ও পাহাড় – ১

মূল লেখার লিংক
আমরা যাত্রা শুরু করতে চেয়েছিলাম দুইজন। তবে কোন একটা যুক্তিতে আমরা তৃতীয় আরেকজনকে ঠিক করলাম আমাদের সাথে যাবার জন্য। টিকেট কাটার সময় তাই তিনজনের জন্যই একটি করে মোহনগঞ্জের শোভন চেয়ারের সিট বরাদ্দ হলো। আমার স্বল্প অভিজ্ঞতায় আমি দেখেছি যেকোন যাত্রার ঠিক পূর্বমুহূর্তে একটা ঝামেলা তৈরি হওয়া একটা নৈমিত্তিক বিষয়। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঘন্টাখানেক আগে তৃতীয় ব্যক্তি যাবেনা বলে আমাদের অবহিত করলো। অর্থাভাবে নিয়মিত পড়লেও বন্ধুর অভাবে কখনো পড়ি নাই। তাই একটা টিকিট আর কাকে দেওয়া যায় সেটা নিয়ে আমাদের তেমন কোন চিন্তাই করতে হয়নি। যাত্রার জন্য তিন সংখ্যাটা বেজোড় এবং কম আরামদায়ক এরকম কিছু একটা যুক্তিতে সম্ভবত তৃতীয় বন্ধুর সাথে আরেকজন জুটে যায়। তবে পরবর্তী পাঁচজন কীভাবে আমাদের দলের সাথে যুক্ত হয় সে সম্পর্কে আমি অবহিত নই। ও যাই হোক, বাজে কথা থাক অথবা বাজে কথা শুরু হোক।
যাত্রার দিন সমাগত। ট্যাঁকে হাহাকার, বুকপকেটে হাওড় এক্সপ্রেসের তিনটা টিকেট এবং স্টেশনে অপেক্ষমান সাতজন, রবীন্দ্রনাথের ধারাবরষা এই সব মিলে আমরা দুইজন বাসা থেকে বের হই। রামপুরা বনশ্রী থেকে কমলাপুরের রিকশার সুপ্রাপ্যতা বিষয়ে বন্ধুর নিশ্চিন্তির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বাসা ত্যাগ করি একেবারে ঘড়ি মিলিয়ে। বৃষ্টি হলে বাঙালি একটু রোমান্টিক ও ধীরলয়ের আচরণ করে। কিন্তু আমাদের অবচেতন শ্রেণীবৈষম্যপ্রসূত আচরণের কারণে আমরা রিকশাওয়ালাকে বাঙালির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে হয়তো প্রস্তুত ছিলাম না। রিকশা খুঁজতে গিয়ে আমাদের সেটা হাড়ে হাড়ে অনুভব করতে হয়। রিকশাভাড়া বিষয়ে বন্ধুবরের নিশ্চিতির কারণে আমাদের দ্বিতীয় দফা দেরি হয়। এইসব গুরুত্বপূর্ণ ঝামেলা শেষ করে একটা ত্রিচক্রযানে শেষপর্যন্ত আমরা পৌঁছাই কমলাপুর রেল স্টেশনে এবং ট্রেন ছাড়ার সময়ের মোটামোটি তিরিশ সেকেন্ড আগে দৌড়াতে দৌড়াতে এবং হাঁপাতে হাঁপাতে প্লাটফর্মে পৌঁছাই। ভাগ্য তার পরিহাস করার মূলনীতি অনুসরণ করে এবং ট্রেন যথারীতি দুই ঘন্টা দেরি করে।
যেকোন কাজ করার আগেই কাজটার একটা পরিকল্পনার চেষ্টা আমার থাকে । এবারে পরিকল্পনা একটু কমই ছিল। সাধারণত আরামদায়ক গোছানো যাত্রা ছাড়া কোন ভ্রমণে আমি যেতে যাই না। আমি যে খুব গোছানো তা নয়। মূল ঘটনা অন্যখানে। ছাপোষা-মধ্যবিত্ত বলে একটা শব্দবন্ধ বাংলায় বাঙালিদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে বহুল প্রচলিত। এই শব্দবন্ধের যেকোন সংজ্ঞা ও উদাহরণ হিসেবে আমার নাম উল্লেখ করা যাবে। যদিও বন্ধুবান্ধব মারফত শুনতে পাই কিছু দুঃসাহসী বাঙালি নাকি এই দুর্নাম ঘোচানোর চেষ্টায় বিদেশ বিভুঁইয়ে সব ঠান্ডা ঠান্ডা পাহাড়ে সওয়ার হয়ে বেড়াচ্ছে। সে যাক, ছিলাম রেললাইনের ধারে। তাস পেটাতে পেটাতে আমরা অপেক্ষা করছিলাম ট্রেনের জন্য। দুঃশ্চিন্তা সহযোগে কিছুটা পরিকল্পনাও করার চেষ্টা চলছিলো। তবে খুব যে একটা সফলতা তাতে আসেনি সেটা আমরা পরে টের পাই। আমার মতো দুয়েকজন ক্ষীণকণ্ঠ ও অগুরুত্বপূর্ণ মানুষজন বাদে প্রত্যেকেই তাদের নিজস্ব গুরুত্বপূর্ণ মতামত ব্যক্ত করা শুরু করে। এতে অস্পষ্ট ও ঘোলাটে পরিস্থিতি ততোধিক ঘোলাটে হয়ে যেতে থাকে। যখন নিষ্কর্মার মতো দাঁড়িয়ে আলোচনা শুনছিলাম তখন একজন প্ল্যাটফর্মের স্পিকারে ভেসে আসা দুর্বোধ্য ঘোষণার অস্তিত্ব আবিষ্কার করে। গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা আপাতত মুলতুবি। প্ল্যাটফর্মের ঘোষণা দেবার রহস্যময় কাজটা কারা করে তা মাঝে মাঝে আমার জানতে ইচ্ছে করে। এরা বাংলার যে উপভাষায় এই কর্ম সম্পাদন করে তার পুরো বিশ্লেষণ করার জন্য খুব উঁচুদরের না হলেও একজন ভাষাবিদের দরকার আছ বলে বোধ করি। আমাদের মাঝে একজন কোনভাবে প্ল্যাটফর্মের স্পিকার থেকে ভেসে আসা আলোআাঁধারি ভাষার অর্থোদ্ধার করে আমাদের জানায় যে এই ঘোষণার সাথে আমাদের কাঙ্ক্ষিত হাওড় এক্সপ্রেসের কোন সম্পর্ক নেই। আমরা হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম, সবাই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও তাস খেলায় ফিরে গেল এবং পরিস্থিতি আবারো ঘোলা হতে লাগলো।
রেলস্টেশনে কিছু মানুষ সাদা এপ্রন পরে ঘুরে বেড়ায়। এদের আমি ছোটবেলায় ডাক্তার মনে করতাম। যদিও পরবর্তীতে উদ্ধার হয় এরা টিটি; টিকিট চেক করার কষ্টসাধ্য কাজটা তারা করে থাকেন। যদিও এই টিটি দিয়ে ঠিক কি বোঝায় তা এখনো জানি না। আমার পাশ দিয়ে এইরকম এক সাদা পোশাক পরা ভদ্রলোককে ট্রেনবিষয়ে আমার দুঃশ্চিন্তার কথা প্রকাশ করায় তিনি সহাস্যে জানালেন যে ট্রেন আসতে দেরি আছে। আমাদের দিকে তাকিয়ে এবং তাসখেলুড়েদের মাঝ থেকে দুয়েকবার ভেসে আসা ‘মাথা দে, মাথা দে’ চিৎকার শুনেটুনে প্রসন্নবদনে হাঁটতে হাঁটতে তিনি চলে গেলেন।
যারা তাস খেলার টুয়েন্টি নাইনের সাথে পরিচিত তাদের মাথা বিষয়ে কিছু বলার নাই, আর যারা এই খেলা সম্পর্কে অবগত নন তাদের বিষয়টার সময়ক্ষেপনের ক্ষমতার কথা মাথায় রেখে বলছি মাথা বিষয়ে কিছু না জানাই ভালো, ধন্যবাদ। তবে পাকা জুয়াড়িদের কাছে শোনা কথা, থ্রিকার্ড বা তিনপাত্তি নামে একটা খেলা নাকি আছে, ওতে কেবল সময় নয় আরো অনেক কিছু চলে যাবার আশঙ্কা আছে। শিবরামের গপ্পো মারফত তাঁর এক বন্ধুর সব বাজিতে হেরে যাবার পর পরিধেয় কৌপিন বাজি রেখে কেবল সংবাদপত্রের পাতা দিয়ে লজ্জা নিবারণ করবার সকরূণ (যদিও শিবরামের এক আত্মজীবনী ছাড়া তাঁর সমগ্র সাহিত্যকর্মের কোনকিছুকেই সকরূণ বলা যায় না) বা সরেস বিবরণ পাওয়া যায়। যদিও এ জাতীয় ঘটনা বাস্তবিকই ঘটে কিনা তা দেখার সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্য ঘটেনি। খেলা চলতে থাকে এবং মাঝে মাঝে রহস্যজনক দুর্বোধ্য ভাষায় কোন এক ট্রেনখানি কোন এক প্ল্যাটফর্মে এসে ‘দাঁড়াবে’ এই ঘোষণা শোনা যায়। ‘দাঁড়াবে’ শব্দটার উপর জোর থাকে এবং চন্দ্রবিন্দু সম্পূর্ণ উচ্চারিত হয়, বাংলাদেশে বিষয়টা একটু অস্বাভাবিক। কেবল যারা কবিতা আবৃত্তি করে তারা ছাড়া আমজনতার কথায় চন্দ্রবিন্দুর উচ্চারণ বিলুপ্তপ্রায়। অতঃপর আমাদের হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেনখানি চার নম্বর প্ল্যাটফর্মে আসতে দেরি হবে এই মর্মে একখানি উচ্চারণ ঘোষিত হলো। আবার কিছুক্ষণ তাস ও ‘মাথা দে মাথা দে’ চিৎকার এবং খুব বেশি দেরি ছাড়াই ট্রেনের আগমন। ট্রেনের সিট দেখে আমাদের তিনজন ছাড়া বাকি সবার মনমেজাজ খারাপ হয়ে গেল। কারণ সিট আরামদায়ক ও আমরা যারা সিট পেয়েছি তাদের ঘুম আনয়ন ও বাকি অন্যান্যদের ঘুম কেড়ে নেবার মতো চমৎকার। সবচেয়ে বড় বিষয় তখন রাত দুটো বাজে এবং বিশ্রাম নেবার কাজটা বাদে রেললাইনের ধারে বসে যা যা করা সম্ভব তার প্রায় সবই করা শেষ। চা-সিগারেট, আলোচনা-সমালোচনা ও টুয়েন্টি নাইন ইত্যাদি আয়াসসাধ্য কাজ করে আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই কিছুটা ক্লান্তির আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এরকম একটা অবস্থায় আমরা ট্রেনে উঠি এবং আমরা তিনজন শোভন চেয়ার দখল করে বসি। বাকিদের কথা আমরা তখনো জানি না। শেষ রাতের দিকে একজনের মারফত জানলাম বাংলাদেশের ঘুষ সংস্কৃতির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে তারা খাবার গাড়ী নামে যে কামড়াটা আছে সেটাতে শীতলপাটির ব্যবস্থা করা গেছে। অবশ্য এই শীতলপাটির বিষয়টা আমার পুরোপুরি বানানো। মূলত বন্ধুদের প্রতি শুভকামনা থেকেই শীতলপাটির উদ্ভব।
ঢাকা থেকে মোহনগঞ্জ যাত্রাটা তীব্র আনন্দময়, কিন্তু কেন সেটা এখন আর মনে নেই। কেবল মনে আছে জানালার খুবই ছোটখাটো ফাঁকফোকড় দিয়ে ভালো রকমেই বৃষ্টির ছাঁট আসছিলো। বাংলাদেশের ট্রেন বাদে কেবল হয়তো ভারতের ট্রেনে চানাচুরওয়ালা আছে। তারা চানাচুর আর পেঁয়াজ-মরিচ মাখানোর জন্য যে কৌটাটা ব্যবহার করে সেটা বরাবরই আমার ভালো লাগে। ওইটুকু একটা কৌটা কীভাবে এত শব্দ উৎপন্ন করতে পারে সেটা আমার কাছে মাঝে মাঝে রহস্যময় মনে হয়। অনেকবারই দেখা গেছে কেবল শব্দ শোনার জন্যই ওই অত্যন্ত ঝাল চানাচুর খাচ্ছি। চানাচুরওয়ালাদের ঝালের বিষয়ে কোন একটা সংস্কার আছে হয়তো। এরা ঝাল কেউ কম দিতে পারে না। আগে চানাচুর মাখানোর আগে বলতাম মরিচ দেবেন না, কিন্তু তারপরও পিত্তথলি জ্বলে যাবার মতো একটা ঝাল ওরা সবসময়ই ম্যানেজ করতো কোনভাবে। একবার এক বন্ধুর কাছ থেকে ব্যাপক ঝাল দেওয়া চানাচুর ভয়ে ভয়ে খেয়েছিলাম; জিবে দিয়ে দেখি একইরকম। এর পর থেকে আর কিছু বলি না। ক্রমে ক্রমে আম-আপেল-বাদাম-খেলনাওয়ালা এবং এরকম আরো অনেকে আসতে লাগলো। আশপাশ থেকে মানুষজন এটাসেটা কিনতেই থাকে এবং আমরা মানুষজনের নির্বুদ্ধিতার কথা চিন্তা করে অবাক হতে থাকি। ট্রেনে কেবলমাত্র চা এবং চানাচুর কেনা যেতে পারে। সাদা জামা পরা কয়েকজন লোক স্যান্ডউইচ ধরিয়ে দেবার চেষ্টা করছিল। ব্রিটেনের লোকজন নাকি খারাপ খাবারের উদাহরণ দেবার জন্য ট্রেনের খাবারের উদাহরণ দেয়। দীর্ঘকাল ব্রিটিশ শাসনে থেকে ওদের খারাপ দিকগুলো আমরা নিষ্ঠার সাথে গ্রহণ করেছি। ট্রেনের খাবারের বিষয়ে ব্রিটিশদের দর্শন আমাদের ট্রেনের পাচকরা আত্মস্থ করেছে কিনা পরখ করে দেখতে সাহস হলো না। মানুষজনের নির্বুদ্ধিতা নিয়ে হয়তো আরো কিছুক্ষণ কুতর্ক করা যেতো কিন্তু শেষমেশ আমরা নিজেরাই অনেকগুলো ওয়ালার কাছ থেকে বিচিত্র জিনিস কিনতে শুরু করি। এরপর ভ্রমণে হাবিজাবি কেনা কেন আসলে ভালোই এইসব কিছুক্ষণ বলে ঘুমিয়ে যাই। রাতভর না ঘুমিয়ে এবং কিছুটা ঘুমিয়ে, ট্রেনের প্রচুর মিষ্টি চা আর ঝাল চানাচুর খেতে খেতে আমরা সকাল ন’টার দিকে মোহনগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছাই। আমার তখন পেট চোঁ চোঁ করছে। পাটিতে চড়ে যারা এসেছে তাদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। পুরো রাত তারা তাস খেলতে খেলতে এসেছে এটা একটা ভালো সংবাদ, কিন্তু ঝাঁকুনিতে সারা রাত ঘুমোতে পারেনি একটা একটা খারাপ সংবাদ। এইসব মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং ক্লান্তি নিয়ে আমরা সেখানকার একটা হোটেলে খেতে বসি। খাবার নিয়ে আমার উৎসাহ এবং আপত্তি দুটোই কম। চেনাশোনা খাবারের মাঝে ঢ্যাড়সভর্তা, মাছের মাথা আর মুরগির পা এই কয়েকটা খাবার ছাড়া আমার প্রায় কোন খাবারেই কোন অসুবিধা নাই। ঢ্যাড়সভর্তা না খাবার পেছনে সত্যিকার অর্থে কোন যুক্তি নেই। যেমন আমার এক বান্ধবীর কথা বলতে পারি, মিষ্টিকুমড়া বিষয়ে তার একটু সমস্যা আছে; মিষ্টিকুমড়া সে অপছন্দ করে না, ঘৃণা করে!
খাবার নিয়ে তেমন কোন সমস্যা কারো হবে না এরকমটা মনে করেই আমরা হোটেলে খেতে বসি। প্রথম কিছুদূর স্বাভাবিকভাবে খাবার পর বন্ধুদের মাঝ থেকে দুয়েকজন পরিচ্ছন্নতা নিয়ে একটু গাইগুঁই করলেও এটা এখানকার খাবারের প্রধান সমস্যা না। সমস্যাটা আদৌ সমস্যা কিনা সেটা বোঝার জন্য আমাদের বিবর্তনতত্ত্ব নিয়ে আমাদের একটু ভাসাভাসা জানাশোনা থাকলে ভালো হয়। বিষয়টা খুলে বলা যাক। পরোটাগুলো গরম ভেজে আনার পর খোশগল্প এবং ডাল-সব্জি সহযোগে গলাধঃকরণ করার প্রক্রিয়া ভালোই চলছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পর দিব্যি মুড়মুড়ে পরোটাগুলো সময়ের সাথে সমানুপাতিক হারে শক্ত হয়ে যেতে থাকে। খাবার যখন প্রায় শেষের দিকে তখন আমার মনে এই দার্শনিক চিন্তা আসে যে বিবর্তনের ধারায় বুদ্ধিমত্তা উন্নত হবার সাথে আমাদের দন্তপাটি অশক্ত হবার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ওই দিনের আগে পর্যন্ত দাঁতের সক্ষমতা বিষয়ে প্রশ্ন তুললে তাকে দাঁত কেন খুব গুরুত্বপূর্ণ নয় এবং বিবর্তনে যারা যথেষ্ট এগিয়ে গেছে তাদের অতো সুবিকশিত দাঁতের দরকার নেই এরকম একটা দাঁতভাঙা জবাব দিয়ে এবং নিজেকে বিবর্তনের ধারায় এগিয়ে যাওয়াদের দলে ভেবে একধরনের কাল্পনিক সুখ পাওয়া যেত। তবে অপযুক্তির ভুল যে ঈশ্বর এভাবে হাতেনাতে পরোটা খাইয়ে ধরিয়ে দেবেন সেটা বুঝতে পারিনি।

Advertisements

লেখাটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্য এখানে জানাতে পারেন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: