Archive for November, 2012

November 28, 2012

ইতিহাসের পাতা থেকে পর্ব ২, ঢাকা: রমনা গেট

মূল লেখার লিংক
ঢাকার রমনায় তিন নেতার মাজার সংলগ্ন দক্ষিণ পার্শ্বস্থ, বর্তমান নজরুল এভিনিউ’র প্রবেশ মুখে দোয়েল চত্বরের কাছে, যে ফটকটি দেখা যায় তা-ই মীর জুমলার ফটক (Mir Jumla Gate) বা রমনা গেট (Ramna Gate) হিসেবে পরিচিত। কেউ কেউ এটাকে ঢাকা গেটও বলে থাকেন। রাস্তার দু’ধারে গেটের দু’প্রান্তে কতগুলো গোলাকার উঁচু স্তম্ভ বহিঃপার্শ্বের দিকে ক্রমশ ঢালু পাকা রেলিং দ্বারা সংযুক্ত। এখনকার চেহারায় দু’প্রান্ত থেকে সমদূরবর্তী মধ্যখানে একই ধরনের একটি প্রত্যক্ষ সংযোগহীন একক স্তম্ভ রয়েছে যা বর্তমানে পাকা সড়কের বিভাজক আইল্যান্ডে অবস্থিত। তবে বর্তমান চেহারায় গেটটিকে যতোটা সংক্ষিপ্ত দেখা যায়, ফটক নির্মাণকালীন সময়ে হয়তো তা ছিলো না। ১৯১৭ সালের একটি ছবিতে রমনা গেটটিকে দুপাশে আরো প্রলম্বিত অবস্থায় দেখা যায়।

ধারণা করা হয়, মগ দস্যুদের হাত থেকে ঢাকা শহরকে রক্ষার জন্য মীর জুমলা এই গেটটি তৈরি করেন। আবার কেউ কেউ বলেন, মীর জুমলার সময় শহরের উত্তর সীমা নির্ধারণের জন্য এ ফটক তৈরি করা হয়েছিলো। তবে প্রচলিত এসব ধারণার সাথে ইতিহাসবিদদের বেশ দ্বিমত রয়েছে। প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ‘ঢাকা’ গ্রন্থের লেখক আহমদ হাসান দানী স্তম্ভ দু’টি পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, মুঘল আমলে এগুলো তৈরি হয় নি। তাছাড়া স্তম্ভ দুটোর গড়ন ইউরোপীয় রীতির।

read more »

Advertisements
November 28, 2012

মহাকাশচারীদের(Astronauts) জীবন, কিছু অজানা রহস্যকে জানা

Astronauts শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ থেকে যার আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে যারা মহাকাশ পাড়ি দেন। এদেরকে অবশ্য Cosmonauts বা নভোচারীও বলা হয়।সুতরাং যারা মহাকাশে স্পেসক্রাফট এর বিভিন্ন কাজের জন্য প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত তাদেরকে মহাকাশচারী বলা হয়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে কেমন হয় তাদের মহাকাশ জীবন, আমাদের মতো নাকি একেবারে আলাদা? তারাও কি ঘুমায়, ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার, বাথরুম .. করে?
এই নিয়েই আমার ধারাবাহিক পর্ব।
আজকে আমরা মহাকাশচারীদের খাবার, টয়লেট, গোসল ও ঘুম সমন্ধে জানব।
সাধারণত মহাকাশচারীদের মাঝে কয়েকটি ক্যাটেগরি থাকে তা হচ্ছে- কমান্ডো, পাইলট, স্পেস শাটল স্পেশালিস্ট এবং মিশন স্পেশালিষ্ট।

স্পেসে খাওয়া-দাওয়াঃ আমরা পৃথিবীতে যা খাই তারাও অনেকটা সেরকম খাবারই খায় তবে সব খাবারই প্রিজার্ভড বা প্রসেসড ফুড।

read more »

November 28, 2012

ইয়াসির আরাফাতের আগে বিখ্যাত কজন

মূল লেখার লিংক
ইয়াসির আরাফাতের দেহাবশেষ উঠানো হচ্ছে পুন তদন্তের জন্য। আসুন দেখি ইতিহাসে বিখ্যাত আর কে কে আছেন যাদের দেহাবশেষ উঠানো হয়েছে।

বিবিসি’র অনুপ্রেরনায় এই পোস্ট লিখতে গিয়ে উকিপেডিয়ার সাহায্য নিতে হয়েছে। দেখলাম ইতিহাস কত বিচিত্র !!!

Oliver Cromwell

তিনি ছিলেন একজন ইংরেজি সৈন্য এবং রাষ্ট্রনায়ক। ১৬৫৮ সালে ম্যালেরিয়া আর কিডনীতে পাথরের জটিলতায় মারা যান। ১৯৬১ সালে তার দেহাবশেষ উঠানো হয় এবং বিভিন্ন অপরাধে তাকে আবার মৃত্যুদন্ড দেয়া হয় (অন্য দুজন সহ ) এবং দেহ থেকে মাথা বিছিন্ন করে সে আদেশ কার্যকর করা হয়। ঐ মাথা ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত ওয়েস্টমিনিস্টার হলে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

read more »

November 27, 2012

৪র্থ বিশ্বকাপ ক্রিকেট (১৯৮৭): ফাইনাল ম্যাচ Review

মূল লেখার লিংক

রিলায়েন্স বিশ্বকাপ (১৯৮৭)
ফাইনাল
ইডেন গার্ডেন, ভারত, ৮ নভেম্বর
অস্ট্রেলিয়া বনাম ইংল্যান্ড
টস: অস্ট্রেলিয়া

read more »

November 27, 2012

রূপসী ঝর্ণা জাদিপাই

মূল লেখার লিংক

বাংলাদেশের সব চেয়ে উঁচু গ্রাম পাসিং পাড়া [পাসিং পাড়া নিয়ে আমার একটা পোষ্ট আছে “মেঘের উপর বাড়ি” । ] পার হয়ে খাড়া পথ নেমে গেছে জাদিপাই পাড়া ।

read more »

November 27, 2012

বগা লেক

মূল লেখার লিংক

বগা লেক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার স্বাদু পানির একটি হ্রদ। বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে বগালেকের অবস্থান কেওকারাডং পর্বতের গা ঘেষে, রুমা উপজেলায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২,০০০ ফুট । ফানেল বা চোঙা আকৃতির একটি পাহাড়ের চুড়ায় বগা লেকের অদ্ভুত গঠন অনেকটা আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের মতো।

read more »

November 27, 2012

মেঘের উপর বাড়ি……ফটোব্লগ

মূল লেখার লিংক

হুমায়ুন আহমেদের একটা উপন্যাসের নাম আছে মেঘের উপর বাড়ি । সেই উপন্যাস আমার পড়া হয়নি । তবে মেঘের উপরের বাড়িতে একদিন অবস্থান করে আমি বুঝেছি ওখানে বসে নিঃসন্দেহে একটা উপন্যাস লিখে ফেলা যায় । বুঝতে পারছেন না ? কোন জায়গার কথা বলছি ? জায়গাটার নাম পাসিং পাড়া । ইহা একটি আদিবাসী গ্রাম । কেওকারাডাং পর্বত থেকে পূর্ব দিকের ঢাল বেয়ে ১০ / ১৫ মিনিটেই ওখানে পৌছে যাওয়া যায় । যার উচ্চতা ৩০৬৫ ফুট । ইহাই বাংলাদেশের সব চেয়ে উঁচু গ্রাম ।

read more »

November 27, 2012

জোড়া ঝর্ণা

মূল লেখার লিংক

ঝর্ণা! ঝর্ণা! সুন্দরী ঝর্ণা! তরলিত চন্দ্রিকা! চন্দন-বর্ণা!– জোড়া ঝর্ণা, যার স্থানীয় নাম ক্লাবং, ইহা ঠিক এমনি সুন্দরী ঝর্ণা ।

কেওকারাডাং এর চুড়া পেরিয়ে সামনে পরবে পাসিং পাড়া, পাসিং পাড়া থেকে আকাবাঁকা বিপদ জনক খাড়া পাহাড় বেয়ে প্রায় দুই ঘন্টার পথ হাটলে পাহাড়ীদের গ্রাম সুংসাং পাড়া । সুংসাং পাড়া থেকে জোড়া ঝর্ণা আরো ঘন্টা খানেকের দূর্গম পথ । এই দূর্গম পথকে আরো দূর্গম করে তুলেছে বৃষ্টি আর পাহাড়ি জোঁক ।

read more »

November 26, 2012

অ্যাপলের কারিগর – স্টিভ ওজনিয়্যাক

মূল লেখার লিংক
অসাধারণ প্রতিভাধর কম্পিউটার বৈজ্ঞানিক স্টিভ ওজনিয়্যাকের জন্ম ক্যালিফোর্নিয়ার সানজোসে শহরে। তার উদ্ভাবিত কম্পিউটার ‘‘অ্যাপল-১’’ সত্তর দশকে চরম জনপ্রিয় হয়ে উঠে। ১৯৭৬ সালে স্টিভ জবস এই ওজনিয়্যাকের সাথেই জন্ম দেন অ্যাপল কম্পিউটার কোম্পানি। তাঁদের উদ্ভাবিত ‘‘অ্যাপল-২’’ ও সত্তর-আশির দশকে কম্পিউটারপ্রেমীদের মাতিয়ে রেখেছিল। ১৯৮৫ সালে ওজনিয়্যাক অ্যাপল ছেড়ে চলে যান এবং আর কখনও ফিরে আসেননি।

স্টিভ ওজনিয়্যাকের সাথে স্টিভ জবসের অনেক আগের একটি ছবিঃ

steve jobs and woz back in the অ্যাপলের আসল কারিগর – স্টিভ ওজনিয়্যাক এর জীবনী

read more »

November 26, 2012

খানাপিনা – পর্ব ১ (আইভরি কোস্ট টুকিটাকি)

মূল লেখার লিংক
DSC05966

খানাপিনার কথা শুনলে কার না ভালো লাগে। যুগ যুগ ধরে সারা পৃথিবীতেই চলেছে রসনা বিলাসের চর্চা। দেশ ভেদে, মানুষ ভেদে এই বিলাসিতাই স্থান করে নিয়েছে নানা রকমের খাবার। ভূমির গঠন, ভৌগলিক পরিবেশ , উৎপাদনশীলতার বৈচিত্র্যের কারণে গড়ে উঠেছে মানুষের নানান ধরণের খাদ্যাভ্যাস।

read more »

November 26, 2012

বিশ্বের সবচেয়ে কমদামী মুদ্রাগুলো

মূল লেখার লিংক
ভিয়েতনাম: ডঙ
এটাই ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে সবচেয়ে কম দামী মুদ্রা। কারন আপনাকে ৩৩০০০ ডঙ গুনতে হবে একটি ব্রিটিশ পাউন্ডের জন্য।

read more »

November 26, 2012

দুই বস নায়কের একই মুভিতে অভিনয়- এমন কিছু হিট করা মুভি

মূল লেখার লিংক
Catch Me If You Can (2002)

সময়ের দুই সেরা বস টম হাঙ্কস আর লিওনার্দো ডিকাপ্রিও একই সাথে একই মুভিতে স্টিভেন স্পিলবার্গের পরিচালনায় । এক কথায় দারুন। ২টি অস্কার নোমিনেশন পাওয়া।

read more »

November 26, 2012

স্কুলের পাঠ্য আমার বই… মনে পড়ে গেল

মূল লেখার লিংক
প্রথম কবিতাটা কোন ক্লাসে পড়েছিলাম? আমার বই প্রথম ভাগ? সিংহ মামা, সিংহ মামা, করছো তুমি কী? এই দেখ না কেমন তোমার ছবি এঁকেছি!! কিংবা ভোর হল দোর খোল খুকুমণি ওঠো রে…
জানিনা সবার এমন হয় কিনা, আমি প্রতিটা কবিতা পড়ার সময় নিজেকে কবিতার বিষয়বস্তুর মাঝখানে কল্পনা করে নিতাম। একেবারেই পড়ুয়া ছিলাম না, পড়তে ভাল লাগতোই না। কিন্তু সেই ছোটবেলার ছড়াগুলো বড়বেলায় অনেকবার আউড়ে গেছি।
যে বছর খোকা ঘুমাল পাড়া জুড়ালো পড়লাম সেবছরই একটা কবিতা ছিল এরকম একদা এক বাঘের গলায় হাড় ফুটিয়াছিল…না না না গান না খোকন, গল্প তুমি বল… আরেকটা তো আমরা ভাইবোনেরা ট্রেনে উঠলেই বলতাম
মামুদ মিয়া বেকার
তাই বলে কি সাধ নাই তার বিশ্ব ঘুরে দেখার?
আসলে পরে চেকার
বললো হেসে মামুদ মিয়া “ট্রেন কি তোমার একার?”

read more »

November 23, 2012

তুরস্কের এফেসাস- সাতটি তারার এক তিমির!

মূল লেখার লিংক

বিজয়দেবী নাইক (Nike)

আমাদের গাইড এক তুর্কী মহিলা। নাম হানিফা। জন্ম এফেসাসের কাছাকাছি সেলচুক শহরে। বাবা মায়ের সাথে দেশ ছেড়ে পড়াশোনা করেছেন ও বড়ো হয়েছেন জার্মানিতে। পরে আবার আত্মার টানেই আবার ফিরে এসেছেন নিজের দেশ তুরস্কে। সদালাপি ও আন্তরিক হানিফা যদিও আট বছর বয়েসের এক সন্তানের মা, বয়েস তার চুয়ান্ন।

read more »

November 23, 2012

এখানে কয়টা ফোটন?!

মূল লেখার লিংক
সার্জ হারশে এবং ডেভিড জে ওয়াইনল্যান্ড দুজনেই পৃথক পৃথক পদ্ধতিতে আবিষ্কার করলেন কীভাবে একটি স্বতন্ত্র কোয়ান্টাম কণাকে তার কোয়ান্টাম-মেকানিক্যাল ধর্ম সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রেখে পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়। যেটা আগে বিজ্ঞানীদের কাছে পুরোপুরি কাল্পনিক আর অসম্ভব মনে হতো। কারণ এসব কোয়ান্টাম কণা মানে পদার্থের কণা কিংবা আলোর কণা (ফোটন) বহিঃজগতের সংস্পর্শে আসা মাত্র মিথস্ক্রিয়ার ফলে তাদের কোয়ান্টাম বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলে। তাদের এই ধর্ম আর পরিমাপ করা সম্ভব হয় না। এই কারণে পূর্বে কোয়ান্টাম মেকানিকসের অনেক অদ্ভুত ঘটনাগুলো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যেত না। শুধু মাত্র ‘থট-এক্সপেরিমেন্ট’ দ্বারা এগুল ব্যাখ্যা করা হতো। সার্জ হারশে এবং ডেভিড জে ওয়াইনল্যান্ড তা মিথ্যা প্রমান করে দিয়ে Quantum Mechanics এর নতুন যুগ আরম্ভ করলেন। তারা এসব কোয়ান্টাম কণাকে পৃথকভাবে বন্দি করে তার ধর্ম পরিমাপ করতে সমর্থ হন।

বিশেষ-অজ্ঞরা বলছেন, তাদের এই ফাটাফাটি আবিষ্কার অভাবনীয় দ্রুত গতির সুপার কম্পিউটার উদ্ভাবনের পথে দরজা খুলে দিয়েছে। এছাড়াও এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা যাবে কোয়ান্টাম-ঘড়ি যা বর্তমান সিজিয়াম ঘড়ি থেকে প্রায় ১০০ গুন সূক্ষ্ম সময় দিতে পারবে!

read more »