Archive for October, 2012

October 30, 2012

স্বপ্নলোকের চাবিওয়ালা

মূল লেখার লিংক
ক্লাস থ্রি তে পড়ি তখন। হঠাৎ বাসায় সিদ্ধান্ত নেয়া হলো আমার জন্মদিন পালন করা হবে। প্রচণ্ড রকম উৎসাহ নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম দিনটার জন্য। বড় কেক কাটা হবে, মানুষ গিফট দিবে-ঘুমের মধ্যেও যেন আনন্দে মাঝে মাঝে দাঁত বের হয়ে যায়।

অবশেষে সেই বহু প্রতীক্ষিত দিন এলো। টেবিলের ওপর জমা হওয়া র‍্যাপিং করা গিফটের প্যাকেটগুলো যেন হাতছানি দিয়ে ডাকতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ঘরের সব মেহমান বের হবার পরই র্যাটপিং খোলার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়লাম। একটা র‍্যাপিং খোলার পর বের হয়ে এলো একটা কবিতার বই। প্রতিটা কবিতার পাশে সুন্দর সুন্দর ছবি আঁকা। বিস্মিত ক্লাস থ্রি এর একটা বাচ্চার জন্য যেন খুলে গেলো স্বপ্নলোকের দরজা।

বইয়ের উপর বড় করে লেখা ‘আবোল তাবোল’

এরপর আমার দিন কাটতে লাগলো ঘোরের জগতে। যখনই সময় পাই বসে থাকি বই নিয়ে। অদ্ভুত কবিতাগুলো মাথার ভিতরে ঘুরপাক খেতে থাকে না বোঝা কথা হয়ে, কিন্তু, হৃদয়টা ছন্দগুলোকে বড় আপন করে নেয়।

read more »

Advertisements
October 30, 2012

১০ টি উপায়ে Secure করুন আপনার Gmail Account !

মূল লেখার লিংক
ফ্রি ইমেইল সেবার মধ্যে এখন জনপ্রিয় দুই সার্ভিস প্রভাইডার হচ্ছে জিমেইল এবং ইয়াহু। আজ আপনাদের সাতে শেয়ার করব জিমেইল এর কিছু প্রয়োজনীয় সিকিউরিটি সিস্টেম। যা হ্যাকার দের হাত থেকে রক্ষা করবে আপনার একাউন্ট, আপনার ব্যক্তিগত ডেটা থাকবে সুরক্ষিত! জিমেইল হচ্ছে গুগল ইনকর্পোরেশন এর একটি অত্যন্ত উপকারী ফ্রী মেইল প্রভাইডিং সার্ভিস।

তুলনামুলক ভাবে বর্তমানে জিমেইল ব্যবহারকারি দের ই সংখ্যা বেশি, কারন এর সহজ ও চমৎকার ফিচার ও সেবা। আর এই একাউন্টে হয় তো আপনার অনেক জরুরি ও ব্যক্তিগত ফাইল বা ডেটা বা ইনফরমেশন থাকতে পারে, যা অন্যের হাতে পরলে আপনি পড়তে পারেন বিরাট সমস্যায়, তাই আপনার প্রিয় জিমেইল একাউন্ট কে সুরক্ষিত রাখতে অনুসরণ করুন নিচের 10 টি টিপস-

read more »

October 29, 2012

সেবা প্রকাশনী আর আমি

মূল লেখার লিংক
ছোটবেলায় মাসে ছয়-সাতটা ছোটদের ম্যাগাজিন আসতো বাসায়। কিশোর তারকালোক, টইটম্বুর, নবারুণ, শিশু, আনন্দমেলা। এর মধ্যে একদিন বাইতুল মোকাররমে জুম্মার নামাজের পর ম্যাগাজিনওয়ালার কাছে চোখে পড়লো কিশোরপত্রিকা। সেবা প্রকাশনীর সাথে সেই প্রথম পরিচয় ।সেবার লোগোটা মনে আছে আপনাদের? একটা চৌকোনা লাল ব্লকের মধ্যে হলুদে লেখা “সেবা”, আমি মনে করতাম ওটা মনে হয় “সব” লেখা। ভাবতাম “সব” প্রকাশনী ক্যামন নাম হলো।

কিশোরপত্রিকার নিয়মিত খদ্দের হয়ে গিয়েছিলাম সেই প্রথমবার কেনার পর থেকেই। পত্রিকার মধ্যে মধ্যে সেবা আর প্রজাপতি প্রকাশনীর ক্লাসিকগুলোর বিজ্ঞাপন থাকতো, উফফ কী যে লোভনীয় লাগতো বইগুলো। পত্রিকার অন্যান্য লেখার চেয়ে তালিসমান, কুমায়ুনের মানুষখেকো, জেন্ডার বন্দী, রবিনহুড, বেনহুর, মানিকজোড় – এসব বইয়ের বিজ্ঞাপনগুলোই যেন বেশি টানতো। একবার কিশোরপত্রিকায় ধাঁধাঁর জবাব দিয়ে পরপর তিন সংখ্যা ফ্রি জিতেছিলাম – কি যে খুশি ছিলো আমার।

read more »

October 29, 2012

কি করে ভ্রমণ করবেন ?

মূল লেখার লিংক
সচলায়তন এবং নানা খবরের কাগজে নিজের টুকটাক অনুল্লেখযোগ্য ভ্রমণ নিতান্তই নির্লজ্জ আত্মপ্রচারের জন্য প্রকাশ শুরু করার পর থেকেই আজ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশী সংখ্যক পরামর্শ যে বিষয় নিয়ে লেখার জন্য পেয়েছি তা হচ্ছে ভ্রমণ শুরু করবেন কি করে তার উপরে আলোকপাত করতে। আর যে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি তা হচ্ছে- হৈ মিয়াঁ, এত এনার্জি, সময় আর টাকা আসে কোথা থেকে? অনেক সময়ই ভেবেছি কোন এক অবসরে গুছিয়ে লিখব এই নিয়ে, কিন্তু সেই অবসর আর মিলে না, ঘুরতে গেলে সেখানে ব্যস্ততা আরও বেশী! তাই এই চটজলদি বিরতির মাঝেই জলবৎ তরলং করে একান্ত নিজের মত করেই বলি ব্যাপারখানা—

অবশ্য অনেক ভ্রমণবিদের পথপ্রদর্শকগ্রন্থ বিখ্যাত পরিব্রাজক রাহুল স্যাংকৃত্যায়নের ভবঘুরে শাস্ত্র পড়ে দেখতে পারেন, আমিও পড়েছি অনেক আগ্রহ নিয়ে। সেখানে ভবঘুরের হতে হলে প্রথমে ইচ্ছা ব্যতীত কোন কিছু প্রয়োজন নেই বলা হলেও পরে নানা অধ্যায়ে যে সমস্ত গুণাবলী আয়ত্তে আনার সুপরামর্শ দেওয়া হয়েছে ( সেলাই, রান্না, গান, নাচ, ভাষা শিক্ষা, কায়িক পরিশ্রমে অভ্যস্ত হওয়া, যে কোন পেশাকে স্বাগত জানানো) সেগুলো যথার্থই পথচলার তাগিদে শেখা থাকা অতি অতি অত্যুত্তম

read more »

October 29, 2012

বাদশাহী সফর

মূল লেখার লিংক
মোগল বাদশাদের সবসময়ই ধারণা ছিল সফরের সময় পাত্রমিত্রসিপাইসান্ত্রী কাঁধে নিয়ে ঘুরলে বিপদেআপদে কাজে আসবে। সফরের মূলমন্ত্র ছিল গতি, থামা চলবে না। বলা হত এমনকি চমৎকার দিলখোশ নদীর পারের সূর্যাস্তের ভিউওলা স্থানেও এক রাতের বেশী দুরাত আরাম করে তাঁবু গেড়ে বসা যাবেনা অযথা। আওরঙ্গজেব বলেনঃ “সম্রাটের কখনোই আয়েসে গা ঢেলে আরামে মত্ত হওয়া যাবেনা। এভাবেই একের পর এক দুর্বল রাজ্য হার মেনেছে। সবসময় চলার উপর থাকতে হবে যথাসম্ভব। উত্তম রাজা বহমান পানির ধারার মতই, থেমে গেলে সর্বনাশ।”

আওরঙ্গজেব এই সর্বদা দৌড়ের উপর থাকার পলিসি খাটিয়ে নিজের বাপকেও কোণঠাসা করে এনেছিলেন, পিতা শাজাহান আগ্রা আর দিল্লীতেই ছিলেন গ্যাঁট হয়ে বসা।

read more »

October 29, 2012

আইভরি কোস্টে ঈদ

মূল লেখার লিংক
DSC05060

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আইভরি কোস্টে আমার অবস্থান হল বেশ কয়েক মাস। প্রতিদিন নানা বিষয়ের সাথে নতুন করে পরিচয় ঘটছে। নানা আনুষ্ঠানিকতার সাথে পরিচয় হলেও এখানকার ঈদের আনুষ্ঠানিকতার সাথে এই প্রথমবারের মত পরিচয়।

read more »

October 29, 2012

এলেমেলো কিছু মুহূর্ত

মূল লেখার লিংক
কিছু বিক্ষিপ্ত ভ্রমণের ছবি এলেমেলো ভাবে দেয়া। খুব একটা ভালো ছবি ছিলোনা, তাই বেছে বেছে যে কটা পেলাম একটু আধটু মেরামত করে নিলাম। ঘোরাঘুরির সময় নিজের চোখেই জিনিস দেখতে ভালো লাগে, ক্যামেরার চোখে তাও প্রিয় কিছু মুহূর্ত ধরে রাখার চেষ্টা করি। তারই কয়েকটা এখানে তুলে দিলাম।
—————————————————————————–

1

মাইসোর প্যালেস এর ভেতরে, দ্বিতীয় তলায়। ভেতরে ক্যামেরা নেয়া বারণ। তাই ফোনের ক্যামেরাই ভরসা। এটা প্রধান দরবার হল। এখানেই রাজা নিত্যদিনের কাজ কর্ম পরিচালনা করতেন। এখনও জৌলুস দেখার মতো। প্রাসাদের ভেতরে দরজাগুলো সব দামি দামি কাঠের আর কয়েকটা দরজা পুরোই রূপার তৈরী!!

read more »

October 29, 2012

ফকল্যান্ড যুদ্ধের গল্প

মূল লেখার লিংক
১৯৮২ সালের এপ্রিলে আর্জেন্টিনার এক সামরিক আগ্রাসনের জবাবে গ্রেট ব্রিটেন তার সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবথেকে বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ব্রিটেন ৮ হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে একটি নৌবাহিনীর টাস্ক ফোর্স এবং ১৫ হাজার সৈন্যকে পাঠায় অ্যাটলান্টিকের শেষ সীমায় একগুচ্ছ ছোট বিরাণ দ্বীপের জন্য। আর্জেন্টিনা তার দোরগোড়ায় যুদ্ধ করছিল। মোট ৩০ হাজার মানুষ রক্তক্ষয়ী এক যুদ্ধে জড়িয়ে পরে মাত্র ২ হাজার লোকের বসবাস আছে এমন দ্বীপগুলোকে নিয়ে।

এটা ফকল্যান্ড যুদ্ধের গল্প।

read more »

October 28, 2012

ফাইটার সিরিজ – এফ – ১৫ ঈগল

মূল লেখার লিংক
এফ ১৫ ঈগল (F-15 Eagle) ২ ইন্জিনের একটা ট্যাকটিকাল এয়ার সুপিয়রটি ফাইটার। যা বর্তমানে ইউএস এয়ারফোর্সের প্রধান এয়ার সুপিয়রটি ফাইটার হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটা ইউএস এয়ারফোর্সে এফ ১৫ কে সবচেয়ে সাকসেসফুল বিমান হিসাবে গন্য করা হয় । ইউএস এয়ারফোর্স এই বিমানকে আগামি ২০২৫ সাল পর্যন্ত ফ্লিটে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই ফাইটার এর ডেভলপমেন্ট বেসিক্যালি শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। সেসময় আমেরিকানরা ভিয়েতনাম আর কোরিয়ান যুদ্ধের তিক্ত অভিজ্ঞতার পরে বুঝতে পারে তাদের ফাইটার ফ্লিটের দুর্বলতা গুলোকে। কারন ছিলো সোভিয়েতদের দ্রুত গতির মিগ আর স্যাম সাইটের ভয়াবহ আগ্রাসন আমেরিকান ফাইটার ফ্লিট কে বেশ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হতে হয়। এই অবস্তায় আমেরিকা ১৯৬৯ সালে নতুন ফাইটার তৈরির জন্য কঠোর গোপনীয়তার “এফএক্স” নামে একটা প্রোগ্রাম হাতে নেয়। এখান থেকেই হেভিয়েট ফাইটার হিসাবে এফ ১৫ এবং লাইট ওয়েট ফাইটার হিসাবে এফ ১৬ এর ডিজাইন হয়।

read more »

October 26, 2012

রুস্কাইয়া ব্লুদা-১৩(রাশিয়ার কিছু জানা-অজানা কথা)

মূল লেখার লিংক

ANTONOV-225 a Russian Space Shuttle carrier aircraft
আন্তনভ’ এন ২২৫ মিরাইয়া Мрія (উক্রাইনান ভাষা- যার অর্থ সপ্ন বা অনুপ্রেরনা) পৃথিবীর সর্বকালের সর্ববৃহৎ বিমান। এটাই পৃথিবীর একমাত্র বৃহৎ বিমান যা একের অধিকবার উড্ড্য়ন করেছে।এই দানব বিমানের ডানার এপাশ থেকে ওপাশের মাপ ২৯১ ফিট আর চাকার সংখ্যা ৩২।
এটা প্রথম নকশা করা হয় ১৯৮৮ সালে যা মুলত এনারর্গিয়া(এনার্জি) নামে বুরানের রকেটের বুস্টার পরিবহনের জন্য।যার দুইলক্ষ পঞ্চাশ হাজার কেজি ওজন নিয়ে উড্ডয়নের ক্ষমতা আছে। উচ্চতা ৬০ ফুট।আন্তনভ মিরাইয়া তার ১৪০ ফিট লম্বা পিঠে করে রাশিয়ার প্রথম স্পেস শাটেল ‘বুরান’কে সর্বপ্রথম সোভিয়েতের বাইরে নিয়ে গিয়েছিল ১৯৮৯ সালে প্যারিস এয়ার শো’তে।

read more »

October 26, 2012

সর্বকালের সেরা দশ শোকযাত্রা

মূল লেখার লিংক
আজকের পর্বে আপনাদের জানাবো বিশ্বের সর্ববৃহত ১০টি শোক যাত্রা সমন্ধে।
১০) মহাত্না গান্ধি: (ভারত)
– তাকে অনেকে গ্রেট সোল হিসেবে চিনে থাকে। তাকে ইন্ডিয়ার জনক বলা হয়। ১৯৪৮ সালে তিনি মৃত্যুবরন করেন। তাকে বিদায় দিতে প্রায় ২০ লাখ ভক্ত জড়ো হয়।

read more »

October 25, 2012

সেই সময়ের সুনীল

মূল লেখার লিংক
‘ওয়াচম্যান’ সিনেমাটার শুরুতেই বব ডিলানের একটা চমৎকার গান আছে। দ্যা টাইমস দে আর আ চেঞ্জিং। সব কিছু বদলায়, সব কিছুই বদলে যাচ্ছে, সব কিছুই বদলে যাবে। পৃথিবী ঘুরবেই।

সুনীলের কোন লেখাটা প্রথম পড়েছিলাম, সেটা আমার নিজেরও মনে নেই ঠিক। কেবল মনে আছে সে বইতে খোঁড়া একজন মানুষ- যার মনের জোর সাংঘাতিক- সেই রাজা রায় চৌধুরী নামের একটা মানুষ ছিলো। খুব সম্ভব ভূপাল রহস্য ছিলো প্রথম বইটার নাম। এরপর পড়লাম ভয়ংকর সুন্দর।

এবং এই বইটা পড়ে আমি কাকাবাবুর বিরাট ভক্ত হয়ে গেলাম। কালিকট বন্দরে এক শেকলে বাঁধা বন্দী ক্রমাগত চ্যাঁচিয়ে যাচ্ছে – সম্রাট কনিষ্কের মুণ্ডু হাতে করে আমার বন্ধু বসে আছে আমার জন্যে অপেক্ষা করে, আমায় যেতে দাও। ইতিহাসের ছোট্ট একটা মিথকে আশ্রয় করে সুনীল ভয়ংকর সুন্দর ভাবে আমার মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন। এরপর সবুজ দ্বীপের রাজা আর বিজয়নগরের হীরে- রাজা রায় চৌধুরী, নরেন্দ্রভার্মার ভাষায় বলতে গেলে – আনডন্টেড।

read more »

October 25, 2012

ভিসুভিয়াসের জ্বালামুখ থেকে

মূল লেখার লিংক
424629_10152175639150497_1360373568_n

স্কুল জীবনের ষষ্ঠ বা সপ্তম শ্রেণীতে ভূ-গোল নামের এক বিষয় জীবনে যুক্ত হল, ভূ মানে পৃথিবী আর গোল মানে তো রাউন্ড মানে গোল! গোল পৃথিবীর সমস্ত বিষয়-আসয় নিয়ে জানার চেষ্টা চলতে থাকল তখন থেকেই- সমভূমি কাকে বলে, মালভূমি কি, বিশ্বে কত ধরনের পর্বত আছে, ভূমিকম্প কেন হয়, মহাদেশগুলো তৈরি হল কি করে এমন অনেক কিছুর সাথে আগ্নেয়গিরি! যে পাহাড় থেকে মাঝেই মাঝেই আগুনের রূপ নিয়ে গরম পাথর বাহির হয়, তাদের নাম আবার লাভা। জানলাম বিশ্বে তিন ধরনের আগ্নেয়গিরি আছে – মৃত, সুপ্ত এবং সক্রিয়। নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে একটার সমস্ত লাভার ভাণ্ডার শেষ হয়ে গেছে, অন্যটার শেষের পথে, কিন্তু হঠাৎ হঠাৎ লাভা বমি করে জানান দেয় যে- বেঁচে আছি, আর সক্রিয় আগ্নেয়গিরির কাজকর্মে তার ধারে কাছে ভিড়তে পারবেনা না।

read more »

October 25, 2012

জলের বন রাতারগুল ও জলের স্বর্গ টাঙ্গুয়ারে ভ্রমন

মূল লেখার লিংক
শুক্রবার অফিস শেষ করে বাসায় আসতে আসতে রাত নয়টা বেজে গেল। তখনো ক্যামেরার ব্যাটারীতে, মোবাইলে চার্জ দেয়া হয়নি, ব্যাগ গুছানো নাই, দাড়ি গোফ এর জঙ্গল হয়ে আছে, কাকে ছেড়ে কাকে ধরি করতে করতেই সাড়ে দশটা বাজে। নাকে মুখে কিছু গুঁজে কিছু কাপড় ক্যামেরার ব্যাগে আর কিছু হাতে নিয়েই চলে এলাম রেলগেইট, এখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল বাবু, রাসেল আর শিমুল।

মাসের আজ ২৮ তারিখে আমার কাছে টাকা আছে ৫০০, এটা দোষের কিছু না। দোষের হচ্ছে মাসের ২৮ তারিখে আমি ঢাকার বাইরে যাচ্ছি, কাজেই শাওন ভাই – ২০০০/= , মতিয়ার ভাই – ১০০০/= আর রাসেল ২০০০/= এই হচ্ছে আমার ট্যুরের বাজেট।

সোয়া এগারটায় যখন ফকিরাপুল কাউন্টারে আসলাম বাস ছাড়তে তখনো ৪৫ মিনিট বাকি। বাস ছাড়ার পর দেখা গেলো বাসের যাত্রি আমরা ছাড়া আরো ৩ জন। এক পাশে আমি আর রাসেল বসে যখন মোবাইলে ব্যস্ত, বাবু আর শিমুল তখন ব্যস্ত গান শোনা নিয়ে।

read more »

October 25, 2012

কাকাবাবু হেরে গেলেন?

মূল লেখার লিংক

আমার এক খালাতো বোন বয়সে আমার দুই বছরের বড়। থাকে রংপুরে। ছোটবেলায় ঢাকা থেকে ওদের বাসায় বেড়াতে গিয়ে সপ্তাহখানেক থাকা হত। আমার ঐ বোনটি খুব সরলপ্রকৃতির। ওকে নিয়ে খুব হাসাহাসি হত। শুধু একটা উদাহরণ দেই- সে বাংলা বা হিন্দী সিনেমার যে পর্যায়ে ‘বিরহ’ অর্থাৎ ‘দুঃখের অংশ’ শুরু হত, তখন কেঁদে ফেলত! আমরা ছেলেরা সেটা দেখে খুব মজা পেতাম। ভাবতাম, সিনেমা দেখে আবার কেউ কাঁদে নাকি!

পরবর্তীতে যখন বয়ঃসন্ধিকালে যখন বইয়ের নেশায় ডুবে গেলাম, তখন এই আমি বইয়ের কোন চরিত্রের দুঃখে কেঁদেছি, দিনের পর দিন ভেবেছি- এমন কেন হল? এটা না হলে কি হত! খুব রাগ লাগত লেখকের উপর!

read more »