Archive for July, 2012

July 30, 2012

বাংলাদেশের সেরা দশ স্পেশাল ফোর্স

মূল লেখার লিংক

স্পেশাল অপারেশন্স ফোর্স, গুপ্তচর, ইন্টেলিজেন্স, কমান্ডো- এইসব বিষয়ে সবারই একটা শিশুসুলভ আগ্রহ থাকে। ওদের ট্রেনিঙ, কাজের ধরন, গোপনীয়তা- সবকিছু যেন লাইভ থ্রিলার মুভি।

আমাদের দেশটাতেও স্পেশাল অপারেশন্স ফোর্স রয়েছে। আমার করা টপটেনে মন্দ লাগবে না হয়ত। আর, যদি কোনটার নাম না দিয়ে থাকি বা না জেনেই থাকি, এই সুযোগে সহব্লগাররা জানিয়ে যাবেন কিন্তু!

ডিসক্লেইমার: এখানে এমন কোন কথা আনা হয়নি যা ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়নি।

read more »

Advertisements
July 30, 2012

অ্যাসটেরিক্স

মূল লেখার লিংক
টিনটিনের পরেই বোধহয় বিদেশী কমিক্সের মধ্যে অ্যাসটেরিক্স আমাদের কাছে সবচেয়ে সমাদৃত। প্রতিযোগিতায় অ্যাসটেরিক্সের পিছিয়ে থাকার একটা বড় কারণ অবশ্য এর অনুবাদের অভাব। ১৯৯৫ থেকে শুরু হয়ে ২০০২ সাল অবধি প্রথম দশটা বই বাংলায় বের হয়েই অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। শুনছি এই বছর আবার নতুন করে অনুবাদ চালু হয়েছে, ‘ঢালের খোঁজে অ্যাসটেরিক্স’ দিয়ে।

অ্যাসটেরিক্সের চরিত্রদের চেনেন সবাই, তাই তাঁদের নিয়ে আর ভূমিকা করার কিছু নেই। সরাসরি কিছু ট্রিভিয়ালোচনা করি বরং। এইসব গল্প নেট ঘেঁটে বা পিটার কেসলার-এর ‘দা কমপ্লিট গাইড টু অ্যাসটেরিক্স’ পড়ে পাওয়া। মাইকেল ফার-এর টিনটিনের বইয়ের মত ওনার অ্যাসটেরিক্স নিয়ে আলোচনাটাও আকর্ষণীয়।

(১)

১৯৫৯ সালে পত্রিকায় কমিক স্ট্রিপ হিসাবে অ্যাসটেরিক্সের শুরু। ১৯৬১ সালে বই হিসাবে প্রকাশিত হয় প্রথমবার ‘গলযোদ্ধা অ্যাসটেরিক্স’। সেই থেকে এখনও অবধি ৩৪ খানা বই বেরিয়েছে। অ্যানিমেশন ছাড়াও, সিনেমাও হয়েছে গোটাচারেক, বিখ্যাত ফরাসী অভিনেতা জেরার্দ দেপার্দ্যু-কে ওবেলিক্স চরিত্রে নিয়ে। একটায় তো ক্লিওপেট্রার চরিত্রে মনিকা বেলুচ্চিও আছেন।

read more »

July 30, 2012

টিনটিনোলজিস্ট

মূল লেখার লিংক

কলেজে পড়ার সময় আমরা কয়েকজন বন্ধুরা টিনটিন নিয়ে নানারকম ঘাঁটাঘাঁটি, ইন্টারনেটের সাইটে-ফোরামে গুঁতোগুঁতি করতাম। মানে শখের টিনটিনোলজিস্ট – টিনটিন-বিশারদ হয়ে উঠেছিলাম আর কি। নিজের ব্লগে বা সাইটে বইয়ের থেকে ছবি লাগানোর একটা অফিশিয়াল অনুমতিপত্রও পেয়েছিলাম হার্জের ফাউন্ডেশনের থেকে। অনেকদিন পর সেইসব গল্পগাছা আবার কিছু করার ইচ্ছা হল।

(১)

টিনটিন নিয়ে ইংরাজি/ফরাসি ট্রিভিয়া নেটে অনেকই পাওয়া যায়। নিকোলাস স্যাবোরিন-এর সাইটটা চমৎকার। আবার জিম বেলা বলে এক ভদ্রলোক টিনটিন বইয়ের ভুলগুলোর এক বিশাল তালিকা এখান-ওখান থেকে সংগ্রহ করে বানিয়েছেন। যেমন এই ছবিটা ধরেন

read more »

July 30, 2012

ইঁদুর বিড়াল – ১

মূল লেখার লিংক
প্রিয় পাঠক আজ আপনাকে পড়া থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম। প্লে বাটনে চিপি দিয়ে ভল্যুম বাড়িয়ে পিছনে হেলান দিয়ে দেখুন আওরঙ্গজেব আর শিবাজীর কিচ্ছা। সম্পূর্ণ রঙ্গীন।

ভিডিও ব্লগিং আনন্দময় হউক।


read more »

July 30, 2012

প্যারাডক্স নিয়ে বিভ্রান্তি – ২

মূল লেখার লিংক
প্যারাডক্স, এর শুদ্ধ বাংলা জানি না, তবে সোজা বাংলায় বলতে গেলে এর অর্থ হবে বিভ্রান্তি। বিভ্রান্তি আছে সব জায়গায়। প্রচলিত “ডিম আগে না মুরগি আগে” এর মত বিভ্রান্তি থেকে শুরু করে আছে “এলবার্ট প্যারাডক্স”, যা থেকে এসেছে ক্রমবর্ধমান বিশ্বের থিওরী, পতন হয়েছিল নিউটনের ক্ল্যাসিক মহাবিশ্বের ধারনা। যাই হোক শুরু করি, আমাদের সবার পরিচিত একটি প্যারাডক্স দিয়ে সেটা হল, ডিম আগে না মুরগি আগে। যদি ডিম আগে আসে তাহলে প্রশ্ন হল সেই ডিমটি কে পাড়ল, আর যদি মুরগি আসে তাহলে সে ডিমটি কোন মুরগি পাড়ল। খুবই জটিল বিভ্রান্তি, কয়জন সমাধান করতে পেরেছেন হাত তুলেন। কম্পু বিজ্ঞানের ছাত্র হওয়ার সুবাদে এই রকম ১টি বিভ্রান্তিতে আমিও পরেছিলাম, সেটি হল কম্পাইলার (যেটি দিয়ে অনান্য সফটয়্যার তৈরি করা হয়) আসলো কোথা থেকে। প্রত্যেকটি কম্পাইলারই ১টি প্রোগ্রাম, তার মানে সেই কম্পাইলারটিও অন্য কোন কম্পাইলার দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তাহলে প্রথম কম্পাইলারটি আসলো কিভাবে। অবশেষে উইকিতে আমার এই জটিল সমস্যার সমাধান পেলাম।

read more »

July 30, 2012

ভাষা সমাচার-০১ (Anagram-অ্যানাগ্রাম)

মূল লেখার লিংক
অ্যানাগ্রাম (Anagram) এক ধরণের শব্দের খেলা (word play)।কোন শব্দ বা বাক্যের অক্ষরগুলোকে যদি বিভিন্নভাবে বিন্যস্ত করার পর আরেকটি অর্থপূর্ণ শব্দ বা বাক্য পাওয়া যায়, তবে তাকে অ্যানাগ্রাম বলে। যেমনঃ orchestra শব্দটির অক্ষরগুলোকে পুনর্বিন্যাস করলে দাড়ায় carthorse। listen হয় silent।এভাবে হাজার হাজার অ্যানাগ্রাম বানানো যায় এবং বানানো হচ্ছে। কিন্তু এখানে এমন কিছু অ্যানাগ্রামের কথা আলোচনা করবো যেগুলো পরস্পর কমবেশি অর্থপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপঃ
1. Debit card = Bad credit
2. Dormitory = Dirty room
3. Statue of Liberty = Built to stay free
4. A gentleman = Elegant man
5. Comfort is = Microsoft
6. The meaning of life = The fine game of nil
অর্থাৎ জীবনের অর্থ = শূন্যের মজার খেলা (!!!)

read more »

July 30, 2012

আমার দেখা অসাধারণ ১০ টি Sports Drama মুভি

মূল লেখার লিংক
আজকে আপনাদের কাছে আমার দেখা কয়েকটি অসাধারণ sports drama মুভি সম্পর্কে তুলে ধরছি। ডাউনলোড লিঙ্ক দিচ্ছি না কারন আমার ধারণা প্রায় সবাই ই এই মুভি গুলো দেখেছেন!

1. Million Dollar baby
IMDB Rating- 8.2
Rotten Tomatoes Rating- 92%

অসাধারণ একটি মুভি। শুধু sports drama নয়, যেকোনো ধরণের মুভির মধ্যেই এটি আমার সবচেয়ে প্রিয় মুভি।আমি যখনই এই মুভিটা দেখি, পরিচালক এবং অভিনেতাদের perfection দেখে মুগ্ধ হই। একজন নারী মুষ্টিযোদ্ধার সংগ্রামী জীবন নিয়ে মুভিটি তৈরি হয়েছে।

read more »

July 30, 2012

অলিম্পিকের গল্পঃ স্বাধীনতা! হে প্রিয় স্বাধীনতা!

মূল লেখার লিংক

বার্লিন অলিম্পিকের ম্যারাথন দৌড়ের বিজয়ীরা

অলিম্পিকের ইতিহাসে উপরের ছবিটি একটি আইকনিক ছবি। ছবিটি ১৯৩৬ সালের ৯ আগস্ট বার্লিন অলিম্পিকে তোলা হয়। এখানে দেখা যাচ্ছে, অলিম্পিক ম্যারাথন দৌড়ের পর তিনজন এথলেট বিজয় স্তম্ভে দাঁড়িয়ে আছেন। ছবিতে একদম পিছনে আছেন রৌপ্য বিজয়ী ব্রিটিশ আর্নি হারপার। তিনি এমনিতেই লম্বা, এছাড়া তাঁর হাসিতেও একটা গর্বিত ভাব আছে। তাঁর সামনে আছেন যথাক্রমে স্বর্ণ আর ব্রোঞ্জ পদকজয়ী দুই জাপানিজ দৌড়বিদ, তাঁদের মধ্যে একজন ওক ট্রি দিয়ে গেঞ্জির মাঝে এম্বুশ করা জাপানের পতাকাটিকে ঢেকে রেখেছেন।

read more »

July 30, 2012

সর্বকালের সেরা পাঁচ আম্পায়ার

মূল লেখার লিংক
ক্রিকেট যে শুধু ১১ জনের খেলা নয়, এ বিষয়টি আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। মাঠে গুরুত্বপূর্ণ, সঠিক ও নিরপেক্ষ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যারা খেলাটিকে সার্থক ও সফল করে তোলেন, সেই আম্পায়ারদের কথাই আমাদের একদম মনে থাকে না। ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা পাঁচ আম্পায়ারকে নিয়ে আজকের এই আলোচনা। এ আলোচনায় ক্রিকেটের পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিজীবনের অনেক চমকপ্রদ তথ্যও উঠে এসেছে।

১. হেরল্ড ডেনিস বার্ড, ইংল্যান্ড : ডিকি বার্ড হিসেবেই সমধিক পরিচিত তিনি। ১৯ এপ্রিল ১৯৩৩ ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের কাছে বানসলে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বোর্ড পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়ে স্কুল পালানো ডিকি বার্ড প্রথম জীবনে বাবার সঙ্গে একটি কয়লাখনিতে কাজ করতেন। তার পছন্দের খেলা ছিল ফুটবল। কিন্তু একটি ইনজুরিই সব বদলে দিল। ফুটবল ছেড়ে ধরলেন ক্রিকেট। ১৯৫৬-৬৪ সময়কালে তিনি একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে ইয়র্কশায়ার ও লেস্টারশায়ারের পক্ষে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছিলেন। এরপর প্রশিক্ষণ নেন আম্পায়ারিংয়ে। কাউন্টি ক্রিকেটে বছর তিনেক আম্পায়ারিংয়ের পরই তিনি ডাক পান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। ইংল্যান্ড বনাম নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার একটি টেস্ট ম্যাচ পরিচালনার মধ্য দিয়ে তার যাত্রা শুরু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। ডিকি বার্ড ৬৬টি আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ পরিচালনা করেন, যেটি ছিল একসময় পর্যন্ত বিশ্বরেকর্ড। এছাড়া তিনি ১৯৭৫, ১৯৭৯ এবং ১৯৮৩ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচসহ ৬৯টি ওডিআই ম্যাচ পরিচালনা করেন। ১৯৭৫ সালের বিশ্বকাপে ফাইনাল ম্যাচ শেষে তার ঐতিহাসিক সাদা ক্যাপটি ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যায়, যেটি এক বছর পর সাউথ লন্ডনের এক বাস কন্ডাক্টরের মাথায় খুঁজে পান তিনি।
ডিকির ছিল লব্ধজ্ঞান ও কার্যকারণের সমন্বয়ে সূক্ষ্ম বিচারিক ক্ষমতা এবং অনেক তীক্ষষ্ট ও প্রখর সেন্স অব হিউমার, যার দরুন তিনি ছিলেন সব ক্রিকেটারের সম্মান ও আস্থার পাত্র। ১৯৯৬ সালে লর্ডসে তার জীবনের শেষ টেস্ট ম্যাচে ইংরেজ ও ভারতীয় খেলোয়াড়রা তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। ২০১২ সালে ক্রিকেট ও মানবকল্যাণে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটেনের রানী তাকে ‘অফিসার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (ওবিই)’ পদকে ভূষিত করেন।

২. ডেভিড শেফার্ড, ইংল্যান্ড : ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪০-এ বাইডফোর্ড, ডেবনে জন্মগ্রহণকারী ডেভিড শেফার্ড কীর্তিমান ও সর্বাধিক জনপ্রিয় আম্পায়ারদের একজন। শেফার্ড ছিলেন একজন কাউন্টি ক্রিকেটার। দীর্ঘ ১৪ বছর গ্লস্টারশায়ারে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছিলেন তিনি। একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়ে কাউন্টি ক্রিকেটকে বিদায় জানান। ১৯৮১ সালে তিনি আইসিসির নিয়োগ পান। দু’বছর পর ১৯৮৩ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার খেলা পরিচালনার মাধ্যমে ওডিআই আম্পারিংয়ে তার অভিষেক ঘটে। টেস্ট আম্পায়ারিংয়ে তার অভিষেক হয় ১৯৮৫ সালে ওল্ডট্র্যাফোর্ডে অ্যাশেজ সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে, যে ম্যাচে অন্য আম্পায়ার ছিলেন আরেক বিশ্বসেরা ডিকি বার্ড।
শেফার্ড ছিলেন হাতেগোনা আম্পায়ারদের একজন, যিনি ১৯৯০ সালে গঠিত আইসিসি নিরপেক্ষ আম্পায়ার প্যানেলের অন্তর্ভুক্ত এবং দীর্ঘ দুই দশকের অধিক সময়ের ক্যারিয়ার শেষে টেস্ট ও ওডিআই উভয় শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে ২০০৫ সালে অবসরের আগপর্যন্ত এই প্যানেলের সদস্য ছিলেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি ৯২টি টেস্ট, ১৯৯৯, ২০০৩ এবং ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচসহ ১৭২টি ওডিআই ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সালে নিউজিল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড টিম তাকে গার্ড অব অনার দেয়। জ্যামাইকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম পাকিস্তানের মধ্যে অনুষ্ঠিত তার ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে ম্যাচশেষে কিংবদন্তি ক্রিকেটার ব্রায়ান লারা ডেভিড শেফার্ডকে তার সেবা, স্মৃতি ও পেশাদারিত্বের স্মারক হিসেবে একটি ব্যাট উপহার দেন। ১৯৮৭ সালে শেফার্ড ক্রিকেটে তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মেম্বার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ারে ভূষিত হন। ২০০৮ সালে ৬৮ বছর বয়সে তিনি তার দীর্ঘদিনের গার্লফ্রেন্ডকে বিয়ে করেন। এর এক বছর পর ঘাতক ব্যাধি ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন এই কীর্তিমান আম্পায়ার। ক্রিকেটবিশ্ব তাকে আজীবন স্মরণ করবে শ্রদ্ধার সঙ্গে।

৩. স্টিভ বাকনার, ওয়েস্ট ইন্ডিজ : পুরো নাম স্টিফেন এন্থনি বাকনার। পরিসংখ্যানের বিচারে তিনিই সর্বকালের সেরা আম্পায়ার। কী টেস্ট, কী ওয়ানডে! সবাইকে ছাপিয়ে তিনি। দীর্ঘ ২০ বছরের ক্যারিয়ারে ১২৮টি টেস্ট ও ১৮১টি ওডিআই ম্যাচ পরিচালনার এক অনবদ্য এবং অনন্য রেকর্ড তার। জ্যামাইকার মন্টেগু বে-তে ১৯৪৬ সালের ৩১ মে জন্মগ্রহণকারী বাকনার দীর্ঘদেহী আম্পায়ারদেরও একজন। উচ্চতা ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি।
প্রথম জীবনে বাকনার ছিলেন হাইস্কুলের একজন গণিত শিক্ষক ও ক্রীড়া প্রশিক্ষক। ১৯৮৮ সালে ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে এল সালভেদর ও নেদারল্যান্ডের ম্যাচে ফুটবল রেফারি হিসেবে নতুন ক্যারিয়ার শুরু করেন। ইতোমধ্যে বাকনারের বয়স ৪৫-এর কোঠায়। ফিফার আইন অনুযায়ী এ বয়সের কেউ রেফারি থাকতে পারেন না। এই আইন শাপে বর হয় বাকনারের জন্য। এর ফলে বাকনার অনুপ্রাণিত হন ক্রিকেট আম্পায়ারিংয়ে এবং ক্রিকেটবিশ্ব পায় তার মতো অসাধারণ একজন আম্পায়ারকে।
মার্চ ১৯৮৯ সেন্ট জনস, এন্টিগুয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম ভারত ওডিআই ম্যাচ দিয়ে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ারিং ক্যারিয়ার শুরু এবং একই সিরিজে তার হোম গ্রাউন্ড কিংসটন, জ্যামাইকায় টেস্ট অভিষেক হয়। ডেভিড শেফার্ডের সঙ্গে তিনিও ১৯৯০ সালে প্রথম গঠিত আইসিসি নিরপেক্ষ আম্পায়ারের সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে অবসর গ্রহণের আগপর্যন্ত তিনি আইসিসি এলিট প্যানেলের সদস্য ছিলেন। এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া দেয়ার ক্ষেত্রে বাকনার ছিলেন স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। যথেষ্ট সময় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে তিনি সিদ্ধান্ত দিতেন। বোলার ও ফিল্ডাররা দীর্ঘক্ষণ তীব্র আবেদন করে শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে যখন ধরেই নিতেন ব্যাটসম্যান নটআউট, তখন ধীরে ধীরে এক রাজসিক ভঙ্গিতে আঙুল তুলতেন বাকনার। তার এই স্বতন্ত্র রাজসিক ভঙ্গি ক্রিকেটবিশ্বে স্লো ডেথ হিসেবে খ্যাতি পায়। ১৯৯২, ১৯৯৬, ১৯৯৯, ২০০৩ এবং ২০০৭ বিশ্বকাপের ফাইনালে ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাকনার, যে কোনো আম্পায়ারের জন্য ছিল যা এক ঈর্ষণীয় অর্জন। ক্রিকেটে গেম স্পিরিট বজায় রাখতে আইসিসি তার ওপর কতটা নির্ভর ছিল, সেটা এ থেকেই প্রমাণ হয়। কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের জন্য ভারতীয় সমর্থকদের কাছে বাকনার সবসময় ভিলেন হিসেবেই পরিচিতি পাবেন। ২০০৮ সালের সিডনি টেস্টে ভারতের পরাজয়ের জন্য তাকে দায়ী করা হয়। ওই ম্যাচে ভারতের জয়ই প্রাপ্য ছিল বলে অনেকে মনে করেন।
২০০৯ সালে কেপটাউনে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটি ছিল স্টিভ বাকনারের ক্যারিয়ারের সর্বশেষ টেস্ট এবং এর এক মাস পর বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচের পর ওডিআই থেকেও অবসর নেন কিংবদন্তি এই আম্পায়ার। শতাধিক টেস্ট ও শতাধিক ওডিআই ম্যাচ পরিচালনার অনবদ্য রেকর্ডের জন্য আইসিসি তাকে যথাক্রমে ব্রোঞ্জ বেইল অ্যাওয়ার্ড ও গোল্ডেন বেইল অ্যাওয়ার্ড দেয়।

৪. সাইমন টোফেল, অস্ট্রেলিয়া : বলা হয়ে থাকে সাইমন টোফেলের সিদ্ধান্ত ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে গাণিতিক সমস্যা সমাধানের মতোই নিখুঁত। ২১ জানুয়ারি ১৯৭১-এ অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে জন্মগ্রহণ করা এই আম্পায়ার শুরু থেকেই আইসিসি এলিট প্যানেলের সদস্য। ২০০৪ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে তিনি চারবার আইসিসি আম্পায়ার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড লাভের অনন্য গৌরব অর্জন করেন। ১৯৯৯ সালের জানুয়ারিতে ২৮তম জন্মদিনের আটদিন আগে তার হোমটাউন সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া বনাম শ্রীলঙ্কা ওডিআই ম্যাচের মাধ্যমে সাইমন টোফেলের অভিষেক ঘটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ারিংয়ে। পরের বছর মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়া বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে তার টেস্ট অভিষেক হয়। এক দশক ধরে ওডিআইতে অস্ট্রেলিয়ার প্রভাব বিস্তারের কারণে নিয়মের বেড়াজালে পড়ে ২০০৩ ও ২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল এবং ২০০৬ ও ২০০৯ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফির ফাইনালে আম্পায়ারের দায়িত্ব থেকে বঞ্চিত হন আইসিসির সর্বশেষ এলিট প্যানেলের দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ সদস্য সাইমন টোফেল। অবশেষে ২০১১ সালে মুম্বাইয়ে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফাইনালে আম্পায়ার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয় তার। সাইমন টোফেল সর্বাধিক টি-২০ ম্যাচে দায়িত্ব পালনকারী আম্পায়ার। সবচেয়ে কম বয়সে ১০০ ওডিআই ম্যাচ পরিচালনার অনন্য গৌরব অর্জন করেন তিনি। এ পর্যন্ত তিনি ৭১টি টেস্ট, ১৭২টি ওডিআই ও ২৬টি টি-২০ ম্যাচ পরিচালনা করেন (০৭.০৬.২০১২ পর্যন্ত)। সাইমন টোফেলের মতো দক্ষ আম্পায়ারও ২০০৭ সালে নটিংহ্যামে ইংল্যান্ড বনাম ভারত টেস্টে পরপর দুটি ভুল সিদ্ধান্ত দেন।

৫. আলীম দার, পাকিস্তান :
আলীম সারওয়ার দার। বর্তমানে বিশ্বসেরা এই আম্পায়ার আছেন সর্বকালের সেরা পাঁচ-এর তালিকায়ও। আলীম দার ১৯৬৮ সালের ৬ জুন পাঞ্জাবের জংয়ে জন্মগ্রহণ করেন। ক্রিকেটারই হতে চেয়েছিলেন তিনি। এক দশকের অধিককাল পাকিস্তান রেলওয়ে, লাহোর, গুজরানওয়ালা, অ্যালাইড ব্যাংকসহ বিভিন্ন দলের হয়ে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছিলেন। বড় ধরনের কোনো সফলতা পাননি। ত্রিশের কোঠায় এসে ভাবলেন, ক্রিকেটারের চেয়ে আম্পায়ার হওয়া তো মন্দ নয়। ঘটনাক্রমে ২০০০ সালে গুজরানওয়ালায় পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা ওডিআই ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক ঘটে তার। দু’বছরের মাথায় আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল আম্পায়ার প্যানেলের সদস্য হন এবং আরও দু’বছর পর আইসিসি এলিট প্যানেলের সদস্য হন। ২০০৩ সালে ঢাকায় বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড ম্যাচের মাধ্যমে টেস্ট আম্পায়ারিংয়ে তার অভিষেক হয়। আলীম দার ২০০৬ সালে মুম্বাইয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৭ এবং ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালেও দায়িত্ব পালন করেন এই বিশ্বসেরা আম্পায়ার। আলোর স্বল্পতায় খেলা পরিচালনা নিয়মের ভুল প্রয়োগের কারণে তিনি ও স্টিভ বাকনার ২০০৭ সালে টি-২০ বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হন। ক্যারিয়ারের এই একটিমাত্র কালো অধ্যায় বাদ দিলে বাকিটা সম্পূর্ণ আলোয় ঝলমল। টি-২০ ম্যাচে আলীম দার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ পরিচালনাকারী আম্পায়ার। টি-২০ ম্যাচে তার অভিষেক হয় ২০০৯ সালে দুবাইয়ে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের মাধ্যমে। ২০১০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। নিখুঁত সিদ্ধান্ত দিতে তার পারদর্শিতা কিংবদন্তিতুল্য। ২০১১ বিশ্বকাপে তিনি ১৫টি এলবিডব্লিউ সিদ্ধান্ত দেন, যার প্রতিটিই ইউআরডিএস পদ্ধতিতে সঠিক ও নিখুঁত প্রমাণিত হয়। নিরীক্ষার পর একটি সিদ্ধান্তও পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়নি। ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালে টানা তিনবার আইসিসি আম্পায়ার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড পেয়ে হ্যাটট্রিকের গৌরব অর্জন করেন বর্তমান এলিট প্যানেলের তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ সদস্য আলীম দার। এ পর্যন্ত (০৭.০৬.২০১২ পর্যন্ত) তার ঝুলিতে জমা পড়েছে ৭৪টি টেস্ট, ১৫০টি ওডিআই এবং ১৮টি টি-২০ ম্যাচ পরিচালনার অনবদ্য কৃতিত্ব।

July 30, 2012

১৯৭১ এ মক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত অস্ত্রের ছবি ও বিবরন

মূল লেখার লিংক
৪০ তম বিজয় দিবসের মাসে হালকা যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে কিছু তথ্য সংগ্রহ করলাম।
১৯৭১ এ মক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত কিছু আগ্নেয়াস্ত্রের ছবি ও বিবরন।


থ্রীনট থ্রী রাইফেল

যশোর পতন, এপ্রীল ১৯৭১। EPR বাহিনী, থ্রীনট থ্রী হাতে প্রথমবার পাকিদের হটিয়ে শহরটি দখল করার পর।

read more »

July 30, 2012

লন্ডনের তিন অলিম্পিকস

মূল লেখার লিংক
লন্ডনে এবারের আসর সহ অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিনটি অলিম্পিক মহাযজ্ঞ। লন্ডনে অনুষ্ঠিত তিন অলিম্পিক আসরের তুলনামূলক চিত্র নিয়ে একটা বিবরণী তুলে ধরলাম।

যাবতীয় তথ্যের সর্বশেষ আপডেট বুধবার, 25 জুলাই, 2012

প্রথম আসরের সময়ঃ
১৯০৮ (২৭শে এপ্রিল – ৩১শে অক্টোবর)

মোট অ্যাথলেট সংখ্যাঃ
২২টি দেশ থেকে ২,০৩৫ জন প্রতিযোগী, ৩৬ জন নারী

read more »

July 30, 2012

নেক্সাস ৭ ট্যাবলেট

মূল লেখার লিংক
নেক্সাস ৭ ট্যাবলেটের রিভিউ ইতিমধ্যে সব প্রযুক্তি ম্যাগাজিনগুলোতেই লেখা হয়েছে। তারপরেও আমি আমার কপিটি পেয়ে ও ব্যবহার করে এতটাই উত্তেজিত যে, ভাবলাম আমিও একটা রিভিউ লিখে ফেলি (ইকবাল আহসানকেও কথা দিয়েছিলাম যে, এটির রিভিউ লিখব)।

আমার নেক্সাস ৭ পেতে একটু দেরীই হয়েছে কারণ আমি ১৬ গিগাবাইটেরটা অর্ডার করেছিলাম। অর্ডার করে আমাকে মোট ১০ দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। অবশেষে গুগলের কাছ থেকে একটা ইমেইল পেলাম যে, আমার নেক্সাস ৭ তারা পাঠিয়েছে। গুগল অবশ্য আমার অর্ডারটি ওভার-নাইট ডেলিভারিতে আপগ্রেড করেছিল। হয়তবা গুগল সবার অর্ডারই আপগ্রেড করেছিল। ১৬ গিগাবাইটের ভার্সনটির দাম ২৪৯ ডলার (৮১ টাকা কনভার্সন রেটে বাংলাদেশি টাকায় ২০,১৬৯ টাকা) আর ৮ গিগাবাইট ভার্সনটির দাম ১৯৯ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ১৬,১১৯ টাকা),অবশ্য ট্যাক্স আর শিপিং চার্জ বাদ দিয়ে। এছাড়া গুগল সাথে সাথে ২৫ ডলার ক্রেডিট দেয় যা দিয়ে গুগল প্লে থেকে ইচ্ছেমত গান, মুভি, গেম বা অ্যানড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন কেনা যাবে। আমি চিন্তা করলাম যে, ১৯.৯৯ ডলারের ট্যাবলেট কাভারটা কিনে ফেলি কিন্তু গুগল আমাকে সেটা কিনতে দিল না। আবার যদি গুগল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশনটা ডাউনলোড করা যায়, তাহলে আরো ১০ ডলারের ক্রেডিট পাওয়া যাবে।

read more »

July 29, 2012

ক্রীড়া ও মহত্ত্বের রাজনীতি – ইনভিক্টাস

মূল লেখার লিংক
ফেব্রুয়ারী, ১৯৯০, রবিবার, বিকেল তিনটে- দক্ষিণ আফ্রিকার রক্তবর্ণ ধূলোময় মাঠে রাগবী অনুশীলনে মত্ত একদল শ্বেতাঙ্গ কিশোর, রাস্তার অন্য পারে কাটাতারের বেড়া ঘেরা মাঠে তুমুল হৈ হট্টগোলে ফুটবল খেলায় নিবিষ্ট সমবয়সী একদল কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর, তখনকার অভিশপ্ত রাজনৈতিক সামাজিক ব্যবস্থার এক প্রতীক এই ভিন্ন গাত্রবর্ণের কোমলমতি কিশোরদের জন্যও আলাদা আলাদা খেলা, খেলার মাঠ ও কাটাতারের ব্যবস্থা।

পর্দা ওঠার কয়েক মূহুর্ত পরেই মাঝের সেই পীচ ঢালা পথ দিয়ে দমকা হাওয়ার মত ছুটে গেল এক গাড়ী বহর, কালো কিশোররা খেলা ফেলে বেড়ার কাছে এসে প্রাণের শেষ বিন্দু দিয়ে সোল্লাসো চিৎকার করে গেল একটাই শব্দ- ম্যান্ডেলা, ম্যান্ডেলা! ক্রীড়ারত কিশোরদের জানা নেই সেদিন সেই মহেন্দ্রক্ষণে সারা বিশ্বের দৃষ্টি নিবদ্ধ তাদের দেশে, সেই গাড়ী বহরটার উপরে, মুক্তিকামী আফ্রিকানদের প্রতীক, সত্যিকারের বিশ্বনেতা নেলসন ম্যান্ডেলার প্রায় তিন দশকের কারাবরণের অবসান ঘটিয়ে তার মুক্ত জীবন শুরুর প্রতীক্ষায় উম্মুখ বিশ্ব মানবতা।

read more »

July 27, 2012

ব্রিটিশ লাইব্রেরীতে বিশ মিনিট

মূল লেখার লিংক
কয়েক মাইল হাঁটা হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই ব্রিটিশ জাদুঘরের মধ্যে, এই করতে যেয়ে দুপুরে খাওয়া তো দূরে থাকা গলা ভেজাবারও সময় পেলাম না, ভাবলাম একদিন কম খেলে ক্ষতি নেই, বরং সেই পনের মিনিটে বেশ কিছু মাস্টারপিস দেখা যেতে পারে। এই করতে যেয়েই বিকেল পাঁচটে বেজে গেল, বিলেতবাসী কৌস্তভদা এসে হাজির হলেন এক্কেবারে সময় মত আর ফিনল্যান্ড থেকে লন্ডন ঘুরতে আসা বিপু ভাই সপরিবারে। প্ল্যান হল বেকার স্ট্রিটে শার্লক হোমসকে পাকড়াও করে তার কাঁধে রহস্য চাপিয়ে তারপর এখানকার চায়না টাউনে যেয়ে ভূরিভোজন করা হবে। কিন্তু মনে মনে পরিকল্পনা করা ছিল অল্প সময়ের জন্য হলেও ব্রিটিশ লাইব্রেরীতে যেয়ে একটি বিশেষ বই চাক্ষুষ করার, সেটি কি তাহলে বাদ? কারণ পরের দুই দিনের পরিকল্পনা ঠাসা আছে, কোন বাড়তি জায়গা ঘোরার সুযোগ নেই, কি করা যায়!

read more »

July 27, 2012

অলিম্পিকের গল্পঃ একজন কার্লো এয়ারোল্ডি, একজন স্পিরিডন লুইস

মূল লেখার লিংক
কার্লো এয়ারোল্ডি। ইতালির মিলান শহরের নাগরিক। সুঠাম স্বাস্থ্যের অধিকারী। বয়স ২৭ বছর। সময়টা ১৮৯৬ সাল। খুব ভালো দৌড়াতে জানেন তিনি। দৌড়াতে ভালোবাসেন তিনি। বেশি ভালোবাসেন দূরপাল্লার দৌড়গুলো দৌড়াতে। মিলানে বেশ নাম ডাকও হয়ে গেছে তাঁর। আগের বছর কি মনে করে যেনো তিনি মিলান থেকে বার্সেলোনা পর্যন্ত ১০৫০ কিলোমিটার দৌড়িয়েছিলেন। জনগন তাঁর এই দৌড়ে খুশি হয়ে তাঁকে ২০০০ পেসো পুরস্কারও দিলো।

সেই কার্লো এয়ারোল্ডির খুব ইচ্ছে এথেন্স অলিম্পিকে অংশগ্রহন করা। অলিম্পিকে নিজেকে বিজয়ী হিসেবে দেখা। কিন্তু দরিদ্র কার্লোর পক্ষে মিলান থেকে এথেন্সে যাওয়ার খরচ বহন করা সম্ভব নয়। তাই কার্লো সমাজের বিত্তশালী লোকদের দুয়ারে দুয়ারে ধর্না দিতে লাগলেন। কিন্তু মাত্র একজন ব্যক্তি এগিয়ে এলেন তাঁর সাহায্যে। তিনি সেই সময়কার প্রচলিত ম্যাগাজিন “La Bicicletta”-এর ডিরেক্টর। কি রকম সাহায্য? কার্লো এয়ারোল্ডি মিলান থেকে এথেন্সে যাবেন হেঁটে। “La Bicicletta” কর্তৃপক্ষ শুধুমাত্র যাত্রাপথের অবস্থা কি রকম সেটা কার্লোকে জানাবে এবং কার্লোর খাবারের খরচ দিবে। বিনিময়ে কার্লোর যাত্রার বিবরণ সেই ম্যাগাজিনে ছাপা হবে। শেষ পর্যন্ত এই শর্তেই রাজী হলেন কার্লো এয়ারোল্ডি। তাঁর ইচ্ছের প্রতিফলন ঘটানোর জন্য শুরু করলেন ইতিহাস বিখ্যাত “মিলান টু এথেন্স” হাঁটা।

read more »