Archive for May, 2012

May 31, 2012

বার্লিন দেয়ালের গল্প শুধু গল্প নয় ইতিহাস

মূল লেখার লিংক
১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট। এদিন হঠাৎই যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত ঘটলো জার্মানীর শহর- বার্লিনের অধিবাসীদের উপরে। বিষয়টা কী? পূর্ব জার্মানী আর পশ্চিম জার্মানীর মাঝে সীমানা প্রাচীর তৈরি করে দুই জার্মানীকে আলাদা করে ফেলা হবে। ভাবছো, এতে আবার বিনা মেঘে বজ্রপাত হবে কেন? আরে, এভাবে বার্লিন শহরের ওপরে প্রাচীর তৈরি করে দুই জার্মানীকে আলাদা করে ফেলা হবে, একথা বার্লিনবাসী ঘূণাক্ষরেও কল্পনা করেনি। এই প্রাচীরের কারণেই যে বহু পরিবারের সদস্যরা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল পরস্পর থেকে। পশ্চিম বার্লিন পরিণত হয়েছিল পূর্ব জার্মানীর একটি ছিটমহলে। চিন্তা করে দেখো, তোমার আত্মীয়-স্বজন কিংবা যে বন্ধুর সঙ্গে আগের দিন বিকেলবেলা খেলাধূলা করলে, পরদিন থেকে তাকে যদি আর দেখতে না পাও শুধুমাত্র একটা দেয়ালের কারণে, কেমন লাগবে তোমার? পশ্চিম আর পূর্ব বার্লিনবাসীদেরও মনের অবস্থা হয়েছিল তেমনই। অবশ্য ২৮ বছর পর ১৯৮৯ সালে এই প্রাচীর ভেঙেও ফেলতে হয়েছিলো। দুই বার্লিনকেও এক করে ফেলা হয় তখন। আজ চলো এই বার্লিন প্রাচীরের কিছু কথা শুনে আসি।

read more »

Advertisements
May 31, 2012

স্লোভেনিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক দ্বীপ

মূল লেখার লিংক
স্লোভেনিয়ার একটি শহরের নাম ব্লেড। শহরটি ইউরোপের কোনো শহর না হলেও দেখতে ইউরোপের শহরের মতোই। শহরটি ব্লেড লেকের সৌন্দর্যের জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত । বলা যায় ব্লেড লেক একটি পর্যটন কেন্দ্র । তাই এখানে সব সময় পর্যটকদের ভীড় থাকে । সৌন্দর্যের দিক থেকে ব্লেড লেক দেখতে ক্যামেরা বন্দি অনেক সুন্দর একটা ছবির মতো ।
লেকটির চারপাশে জুলিয়ান আল্পস পাহাড় ও লাস প্লিন জঙ্গল। এই লেকের মাঝামাঝি অবস্থানে স্লোভেনিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক দ্বীপ । ছোট এই দ্বীপটিতে অল্প ক’টি বিল্ডিং আছে । এবং অল্প ক`জন সৌখিন মানুষ এই দ্বীপে বসবাস করেন । দ্বীপের মধ্যে সব চেয়ে বড় বিল্ডিংটি একটি গির্জা । যার নাম পিল গ্রিমেজ । গির্জাটি ১৫ তম শতাব্দিতে নির্মাণ করা হয়েছে । এছাড়া দ্বীপটিতে ৫২ মিটার উঁচু একটা টাওয়ার আছে । টাওয়ারে উঠার জন্য আছে বিশাল লম্বা সিঁড়ি । এই সিঁড়িটির সামনে এসেই জাহাজ,লঞ্চ,বোট ও নৌকা থামে । সিঁড়ির শেষ প্রান্ত গিয়েছে টাওয়ারের ভিতরে এবং সিঁড়িটিই দ্বীপে প্রবেশ করার রাস্তা ।

read more »

May 30, 2012

শিশুতোষ বইয়ের আকাল

মূল লেখার লিংক
আমি যখন নিজে নিজে পড়তে পারতাম না বইয়ের প্রতি আমার আকর্ষন তখন থেকেই। বড়দেরকে জোর করতাম পড়ে শোনানোর জন্য। তারপর একসময় নিজে নিজে বাংলা এবং ইংরেজীতে পড়তে শিখলাম, বইপড়া আমার জন্য প্রিয় খেলায় পরিনত হল। এই গল্প শুধু আমার নয়, পাঠকদের মধ্যে আরো অনেকের বলে মনে করি। একটা বিশেষ বিষয় এই যে, কিছু কিছু মানুষ বয়স বাড়লেও শিশুতোষ বইয়ের আকর্ষন কাটাতে পারেন না। আমি নিজে সেই দলের। আজ আমাদের সন্তান নিজে নিজেই বই পড়া শিখে গেছে। তবু আমি শিশুতোষ বইয়ের মায়া কাটাতে পারিনা। সন্তানের নাম করে কেনা অনেক বই কেনার আসল উদ্দ্যেশ্য নিজে পড়া।

বাংলাদেশে যাদের জন্ম ১৯৮০ সাল বা তার আগে তাদের অধিকাংশ জনের ছেলেবেলা কেটেছে মস্কোর “প্রগতি প্রকাশন”, “রাদুগা প্রকাশন” অথবা তাশখন্দের “মীর প্রকাশন”-এর বাংলায় অনুদিত বই পড়ে। অনুবাদগুলো মূলতঃ রুশ থেকে ছিল, তবে কালে-ভদ্রে রুশ ছাড়া এক-আধটা অন্য সোভিয়েত ভাষার বইও এসব প্রকাশনী থেকে অনুদিত হত। এসব বই-এর কাগজ, বাঁধাই, ছাপা, ছবি, রঙ সেসময়কার বাংলাদেশের মুক্তধারা, নওরোজ কিতাবস্তান বা চট্টগ্রাম বইঘরের চেয়ে অনেক উন্নত, সুন্দর ও আকর্ষনীয় ছিল। সত্যি বলতে কি এখনকার প্রকাশিত ছোটদের বইগুলোও অঙ্গ-সৌষ্ঠবে ঐসমস্ত বইয়ের সাথে তুলনীয় নয়।

অধিকাংশ রুশ বই বাংলায় অনুবাদ করতেন বাংলাদেশের হায়াৎ মামুদ ও দ্বিজেন শর্মা এবং ভারতের ননী ভৌমিক ও অরুন সোম। এঁদের মধ্যে ননী ভৌমিক আমার মত অনেকের কাছে ছিলেন রূপকথার গল্প-দাদুর মত। তাঁর ভাষা, শব্দচয়ন, উপমা এমন ছিল যে, মনেই হতোনা গল্পগুলো ভীনদেশের-ভীনভাষার। সাম্যবাদী সমাজের মূলভাবনা শিশুমনে সৎভাবে তুলে ধরার আশ্চর্য দক্ষতা ছিল তাঁর। ১৯৯৭ সালে ননী ভৌমিকের করুন মৃত্যু আমার কাছে রূপকথার মৃত্যুর মত মনে হয়েছিল।

read more »

May 29, 2012

পৃথিবীর সবচেয়ে বিপদজনক ও আধুনিক ১০টি যুদ্ধ বিমান

মূল লেখার লিংক
যেকোন দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য অভ্যন্তরীন বাহিনী যেমন সেনা,নৌ ও বিমান বাহিনী এবং সেইসব বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন আধুনিক যুদ্ধযান এবং সরঞ্জাম থাকা আবশ্যক।বড় অর্থনৈতিক দেশসমুহ নিয়মিত প্রতিযোগিতা করে তাদের এ ভান্ডার বেড়েই চলেছে।আকাশ নিরাপত্তার জন্য বানানো হচ্ছে নতুন অত্যাধুনিক সব সুপারসনিক যুদ্ধবিমান। আজ আমরা সেই যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে সেরা দশটি সম্পর্কে কিছু জানব এবং প্রাপ্তিসাপেক্ষে পাইলট ককপিটের ছবি দেখব। 8-)

যুদ্ধবিমান

১০ . J-10

অধিক পরিচিত ” Vigorous Dragon” হিসেবেই । Jian-10 সব-আবহাওয়ায় ব্যবহৃত জঙ্গী বিমান , এটি ডিজাইন করে চেংদু বিমান শিল্প কর্পোরেশন চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্সের (PLAAF) জন্যে । ভিতরের পোর্টের দিকে দুইটি ব্যারেল কামান যুক্ত করা হয়েছে যেখানে বাইরের ১১ টি পয়েন্ট কমপক্ষে ৬০০০ কেজি অস্ত্রসম্ভার বহন করতে পারে ।

read more »

May 27, 2012

শক্তিশালী সব ছবিগুলো – ১

মূল লেখার লিংক
এমন অনেক ছবি আছে যা একবার দেখলে মনের মধ্যে তীব্র প্রভাব ফেলে। হতে পারে সেই ছবি আনন্দের, কষ্টের, ঘৃণার, আবেগের অথবা সহিংসতার। ছবি তোলার মুন্সীয়ানার চেয়ে ছবির বক্তব্যই এ ক্ষেত্রে মূখ্য। এমন ই কিছু ছবির তালিকা চাওয়া হয়েছিলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রেডিটের ব্যবাহারকারীদের কাছে। আজকে সন্ধ্যায় সেই ছবিগুলোই দেখছিলাম (এই লেখার পরের পর্বে চেষ্টা করব সেখান থেকে কিছু ছবি সচলের পাঠকদের সাথে পরিচিত করতে)। ছবিগুলো দেখার পরে যেটা মনে হলো মানুষের মনে দাগ কেটেছে এমন ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের নৃশংসতা, প্রাকৃতিক দূর্যোগের ভয়াবহতা, এসবকিছুর বিপরীতে সাধারন মানুষের অসহায়ত্ব, মৃত্যুর বিভীষিকা এবং সেই সাথে মহাকাশের বিশালতা। মহাকাশের কিছু ছবিসহ অল্প কিছু ছবি বাদ দিয়ে, প্রায় প্রতিটা ছবিই প্রচন্ড মন খারাপ করে দেয়। হয়ত এমন অনুভূতিই আমাদের মনে দাগ কাটে বেশী। ছবি দেখতে দেখতে ভাবছিলাম বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমার দেখা এমন কিছু ছবির কথা। এরকম কিছু ছবি নিয়ে এই লেখা। ছবির কপিরাইট নিয়ে আপত্তি মন্তব্যের ঘরে জানালে সেই ছবি সরিয়ে দেওয়া হবে। পাঠকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, মন্তব্যের ঘরে এমন কিছু ছবি শেয়ার করার জন্য। সেই সাথে কেন ছবিটা আপনার মনে দাগ কেটেছে বা ছবির প্রেক্ষাপট উল্লেখ করলে আরো ভালো হয়।

অবধারিত ভাবেই এই ছবিগুলোর বেশীটা জুড়েই রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ছবি। মুক্তিযুদ্ধের অগণিত ছবির মাঝে, দুটি ছবির প্রতি আমি বিশেষভাবে আকৃষ্ট হই। সর্বকনিষ্ঠ বীরপ্রতীক ১২ বছর বয়সী (লালুর কথা ) আমরা সবাই জানলেও আমি তার চেয়েও বেশী তাড়িত হই নাম না জানা এই ছোট্ট শিশুটার ছবি দেখে, বল নিয়ে খেলার বদলে মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছে-

read more »

May 27, 2012

টেরি ফক্স, নির্ঝরের জন্মদিন ও একটি ক্যান্সার হাসপাতালের গল্প

মূল লেখার লিংক
“Dreams are made possible, if you try”…Terry Fox

১.

ছোট্ট নির্ঝর প্রথম কখন শুনেছিল ক্যান্সারের কথা? সেই যেবার CBC আয়োজন করেছিল The Greatest Canadian । তখন নির্ঝরের বয়স দু’বছর কয়েক মাস । CBCর সেই আয়োজনের প্রথম পর্বে দর্শকদের সরাসরি ভোটে প্রথম দশজনকে নির্বাচন করা হয়েছিল । জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের ভিত্তিতে তাঁদের নির্বাচন করা হয়েছিল । প্রথম দশজনের মধ্যে ছিলেন বিজ্ঞানী (আলেজান্ডার গ্রাহাম বেল, স্যার ফ্রেডেরিক বেন্টিং), রাজনীতিবিদ (কানাডার প্রথম প্রধানমন্ত্রী স্যার জন এ ম্যাকডোনাল্ড, পিয়ের ট্রুডূ, লেস্টার বি পিয়ার্সন), পরিবেশবাদী (ডেভিড সুজুকি), হকি ব্যক্তিত্ব (ওয়েইন গ্রেটস্কি, ডন চেরী) । সর্বোপরি ছিলেন কানাডার সামাজিকখাতে স্বাস্থ্যসেবার আইকনিক উদ্যোক্তা টমি ডগলাস, নির্ঝরের মা যাঁর ভীষন অনুরক্ত । প্রথম পর্বে নির্বাচিত এই দশজনের প্রত্যেককে নিয়ে একটি করে ডকুমেন্টারী করা হয়েছিল যেখানে কানাডার জাতীয় উন্নয়ন ও মানব সভ্যতায় তাঁদের অবদানের কথা তুলে ধরা হয় । সেই সময়ে প্রথমবারের মত নির্ঝররা শুনতে পেল প্রয়াত তরুন টেরি ফক্সের কথা । টেরি ফক্সের পর্বের আগে পর্যন্ত্য নির্ঝরের মা নিশ্চিত ছিল টমি ডগলাসকেই ভোট দেবে । কিন্তু টেরির পর্বটি দেখার পর নির্ঝরের আবেগাক্রান্ত মা ছোট্ট নির্ঝরকে উদ্বেলিত গলায় অনেক কিছু বলে গেল । নির্ঝর তার খুব অল্পই বুঝল, অনেকটাই বুঝল না । তবে মা আর ছেলে মনিটরের সামনে বসে টেরিকেই তাঁদের ভোটটা দিল ।

read more »

May 27, 2012

গুগল ম্যাপের যে দশটি জায়গা আপনি কখনোই দেখতে পারবেন না!

মূল লেখার লিংক

নেদারল্যান্ডে অবস্থিত এই রয়্যাল প্লেস আপনি দেখতে পারবেন না। এখানে ডাচ রয়্যাল ফ্যামিলি সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ রেসিডেন্স রয়েছে।


May 27, 2012

বাংলাদেশে ছোটদের পত্রিকা

মূল লেখার লিংক
প্রায় ২০০ বছর আগের কথা। ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাস। সাংঘাতিক একটা ঘটনা ঘটল শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশনে। এ মিশনের উদ্যোগে জন ক্লার্ক মার্শম্যান (১৭৯৪-১৮৭৭) নামের এক ইংরেজ যুবকের সম্পাদনায় বের হলো একটি পত্রিকা। আজকাল পত্রিকা অবশ্য অনেকই বের হয়, কিন্তু তখন ওই পত্রিকাটা বের হওয়াই ছিল এক মস্ত ব্যাপার। কারণ সেটির আগে বাংলা ভাষায় আর কোনো সাময়িক পত্রই বের হয়নি। সেটি ছিল একটি মাসিক পত্রিকা এবং এর নাম ছিল ‘দিগ্দর্শন’। শিশুসাহিত্যিক ও পণ্ডিত খগেন্দ্রনাথ মিত্র বলেছেন, ‘…দিগ্দর্শনকে আমরা কিশোরপাঠ্য সাময়িক পত্রের পর্যায়ভুক্ত করার পক্ষে।…এই খানিই বাংলার প্রথম কিশোরপাঠ্য সাময়িক পত্রিকা বলে আমরা মনে করি।’
বোঝাই যায়, বাংলা ভাষায় শিশু-কিশোরদের পত্রিকার সেটাই ছিল শৈশবের কাল। তো, সেই পত্রিকায় রংচঙে ছবি-কার্টুন এসবের চিহ্নমাত্র ছিল না। তবে ইতিহাস, বিজ্ঞান প্রভৃতি বিষয়ের জ্ঞানসমৃদ্ধ লেখা এতে ছাপা হতো, যা পড়ে ছোটরা উপকৃত হতে পারত। ছোটদের জন্য প্রকাশিত যে বাংলা পত্রিকায় প্রথম ছবি ছাপা হয়েছিল সেটির নাম ‘পশ্বাবলী’। সেটা ১৮২২ খ্রিস্টাব্দের কথা। ক্যালকাটা বুক সোসাইটি বের করেছিল এ পত্রিকা। এরপর ‘জ্ঞানোদয়’ (১৮৩১), ‘বিদ্যাদর্পণ’ (১৮৫৩), ‘সত্যপ্রদীপ’ (১৮৬০), ‘রহস্য সন্দর্ভ’ (১৮৬৩), ‘জ্যোতিরিঙ্গন’ (১৮৬৯), ‘বিশ্বদর্পণ’ (১৮৭২), ‘বালকবন্ধু’ (১৮৭৮), ‘সখা’ (১৮৮৩), ‘সাথী’ (১৮৮৩), ‘বালক’ (১৮৮৫), ‘সখা ও সাথী’ (১৮৯৪), ‘মুকুল’ (১৮৯৫), ‘মৌচাক’ (১৯২০), ‘সন্দেশ’ (১৯২৩), ‘রামধনু’ (১৯২৭) প্রভৃতি শিশু-কিশোর পত্রিকা বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অঞ্চল থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।

read more »

May 27, 2012

দেশে বিদেশেঃ পন্ডিতমশাই

মূল লেখার লিংক
আমার ছাত্রজীবন কেটেছে দুর্বিষহ যন্ত্রণার ভিতর দিয়ে। পিতামাতা উভয়েই শিক্ষক, আমি কোনদিন বাসায় গিয়ে বলতে পারিনাই যে টিচার আমাকে নাম্বার দেয়নাই। তারা দুজনেই হাঁ হাঁ করে ঝাঁপিয়ে পড়তেন আমার উপর, টিচার নাম্বার দিবেনা ক্যানো হ্যাঁ? তুমি কিছু লিখতে পারোনাই তাই নাম্বার পাওনাই ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনারা সকলেই জানেন ক্লাস টেস্টের খাতা অভিভাবককে দিয়ে সাইন করিয়ে আনাটা ফরমালিটি মাত্র, অভিভাবক মাত্রেই উচিৎ চুপচাপ সই করে খাতা আবার ছেলেমেয়েকে ফিরিয়ে দেয়া। আমার পিতা তা না করে পুরা ছয়পাতা কষা অংক পড়তেন, তারপরে সই করতে করতে গম্ভীর স্বরে বলতেন, “পনেরোতে তিন দিল কেন বুঝলামনা, শুণ্য দেওয়া উচিৎ ছিল। সরল অঙ্কের উত্তর দুইশ পঁচাশি বাই সাতশ আঠাশ কিভাবে হয়।” পাষন্ড পৃথিবীর নির্মমতায় বালক সত্যপীরের চোখে তখন পানি।

আল্লাপাকের অশেষ রহমত আমার পিতাকে আমি শিক্ষক হিসেবে পাইনি। রক্তজল করা গম্ভীর প্রকৃতির শিক্ষক যাকে বলে তিনি তাই। মনে আছে একবার ছোটবেলায় আব্বার সাথে হেঁটে ডিপার্টমেন্ট থেকে টিচার্স লাউঞ্জে যাচ্ছিলাম, পথে এক ছাত্র আব্বাকে সালাম দিল। আব্বা মাথা নেড়ে উত্তর দিলেন। এবার ছেলেটি জিজ্ঞেস করল, স্যার পরীক্ষার খাতা কি দেখেছেন? আব্বা উত্তর দিলেন হুঁ দেখেছি। সে জিজ্ঞেস করলো, ইয়ে স্যার কেউ কি ফেল করেছে? আমি অবাক হয়ে ছেলেটির দিকে তাকালাম, নির্ঘাত ফার্স্ট ইয়ার, এখনো আব্বাকে চিনেনাই। আব্বা বললেন হুঁ করেছে। এইবার ছেলেটি জিজ্ঞেস করলো, স্যার পরীক্ষা দিয়ে ফেল করেছে নাকি পরীক্ষা না দিয়ে ফেল করেছে?

read more »

May 26, 2012

বিশ্বের বৃহত্তম দশটি মসজিদ

মূল লেখার লিংক

মসজিদ মুসলমানদের দলবদ্ধভাবে নামাজ পড়ার জন্য নির্মিত স্থাপনা। শব্দটির উৎপত্তি আরবি “মসজিদ” থেকে, যার আভিধানিক অর্থ শ্রদ্ধাভরে মাথা অবনত করা অর্থৎ সিজদাহ করা। মসজিদের মালিক হলেন স্বয়ং আল্লাহ। গণপ্রতিষ্ঠান হিসেবে মসজিদ মুসলমানদের চিন্তাদর্শ প্রকাশের একটি উত্তম স্থান। নবীজী সামাজিক কোনো স্খলন বা চিন্তার কোনো ত্রুটি দেখলে মসজিদে হাজির হতেন এবং বক্তৃতা প্রদানের মাধ্যমে সেগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরতেন।এভাবে রাজনৈতিক, সামাজিক,সাংস্কৃতিক বিষয়ের বাইরেও সার্বিক ক্ষেত্রে মুসলমানদের সঠিক পথে পরিচালিত করার ব্যাপারে মসজিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের ধর্ম প্রসারের সাথে সাথে মসজিদ আরব উপদ্বীপের সীমা ছাড়িয়ে বিস্তারলাভ করতে থাকে। ৬৪০ খ্রিস্টাব্দের প্রথমদিকে মিসরে অনেক মুসলমানের সমাগম ঘটে। তখন এই দেশে এতো মসজিদ নির্মিত হয় যে, রাজধানী কায়রোকে ডাকা হত হাজার মিনারের শহর বলে।

read more »

May 26, 2012

২ টি যাত্রীবাহি বিমান ও ২ টি ফাইটার বিমানের খুটিনাটি

মূল লেখার লিংক
গ্লাইডারঃ
গ্লাইডার হচ্ছে এক ধরনের উড়োযান যার দ্বারা ইঞ্জিন ব্যবহার না করেই ওড়া সম্ভব। পাখিদের ওড়ার কৌশল অনুকরণ করে গ্লাইডার নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে গ্লাইডারে ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়।অটো লিলিয়েন্থেল সর্বপ্রথম অল্প কিছুক্ষণের জন্যেও হলেও গ্লাইডার এর সাহায্যে আকাশে উড়তে সক্ষম হয়েছিলেন। এটা নিজের গায়ের সাথেই অনেকটা পাখা বেধে নেওয়ার মত ব্যাপার। তবে এই গ্লাইডার থেকে পরবর্তীতে আধুনিক এয়ারক্রাফট এর ধারনা আসে।

ছবিটি ২৯জুন ১৮৯৫ সালের।

read more »

May 26, 2012

চকচকে বিজ্ঞাপন, স্পন্সরশিপ আর সিএসআর এর আড়ালে কর ফাকি আর শ্রমশোষণের অন্ধকার

মূল লেখার লিংক
বিদেশী বিনিয়োগের ফলে নাকি ভালো ভালো কর্মসংস্থান তৈরী হয় আর সরকার নাকি প্রচুর ট্যাক্স পায় এইসব কোম্পানির কাছ থেকে। আসেন দেখি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিদেশী বিনিয়োগকারী কর্পোরেট মোবাইল কোম্পানিগুলো এ ক্ষেত্রে কি করছে।

কর্মসংস্থান: আউটসোর্সিং/সাবকন্ট্রাক্টিং এর খেলা
সন্দেহ নেই মোবাইল কোম্পানিগুলো অল্প কিছু ভালো কর্মসংস্থান তৈরী করেছে যেখানে প্রকৌশলী, বিবিএ-এমবিএ ধারীদের জন্য কয়েকশ থেকে হাজার খানেক ভালো কর্মসংস্থান তৈরী হয়েছে যারা ২৫/৩০ হাজার থেকে শুরু করে লাখের উপর বেতন, বোনাস, ওভারটাইম ইত্যাদি পায়। এর মধ্যেও বৈষম্য আছে, নিপীড়ন আছে, শ্রম শোষণ আছে- যেমন: তীব্র কাজের চাপ, ছুটি-ছাটা না পাওয়া, বাধ্যতামূলক ওভার টাইম, ওভার টাইম করিয়ে ওভার টাইম না দেয়া, চাকুরির নিরপত্তা না থাকা, মুখের কথায় চাকুরি চলে যাওয়া, যারা মূল ফিল্ড ওয়ার্ক করে তাদের বেতন, সুযোগ সুবিধা সবচেয়ে কম আর যারা ডেস্কজব করে বা যারা ম্যানেজারিয়াল শ্রেণী সেই অল্পকিছু মানুষদের বেতন-সুবিধাদি বেশি থাকা, দেশীয় কর্মীদের তুলনায় বিদেশীদের বেতন/মর্যাদা বেশি থাকা, সংগঠিত হওয়ার অধিকার না থাকা ইত্যাদি। কিন্তু কোম্পানির নিজস্ব কর্মীদের মধ্যকার এই বৈষম্য কিছুই মনে হবে না যদি আমরা আউটসোসিং/সাবকন্ট্রাক্ট এর মাধ্যমে মোবাইল কোম্পানিগুলো যে কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে তার অবস্থা সম্পর্কে খোজ নেই।

read more »

May 23, 2012

দুবাই ভ্রমণ: ছবি ব্লগ-৪

মূল লেখার লিংক
ভূমিকা: দুবাই ভ্রমণের ছবি নিয়ে এটা দ্বিতীয় লেখা, ছবি বিষয়ক পোস্ট হিসেবে চার নম্বর। দুবাই ভ্রমণের প্রথম ছবি নিয়ে যে পোস্ট দিলাম কয়েকদিন আগে, সেখানে কোন এক অজানা কারণে ৫ টা ছবি ছাড়া কিছুই দেখা গেলনা। যদিও দেয়ার আগে অনেক অনেক বার চেক করে দেখেছিলাম। অচল হবার কারণে পরে পোস্টটা এডিটও করতে পারলাম না। কোনদিন অচলত্ব কাটলে ঠিক করব পোস্ট টা। আগের লেখাগুলোর লিংক:
‘কাতার’ থেকে: ছবি ব্লগ-১
‘কাতার’ থেকে: ছবি ব্লগ-২
ক্যামেরাবাজি: আসুন ‘প্যানিং’ শিখি
দুবাই ভ্রমণ: ছবি ব্লগ-৩

সতর্কীকরণ: ট্যুর ছিল মোটামুটি দৌড়ের উপর, সময় নিয়ে পারফেক্ট ছবি তুলার উপায় ছিলনা। ছবি বেশিরভাগই ধর তক্তা মার পেরেক স্টাইলে তোলা। তাই ছবির গুণাগুণে হতাশ হতে পারেন, হলেও অসুবিধা নাই, যা হওয়ার তা হয়ে গেছে।

গত পোস্ট ছিল মেট্রো দিয়ে জেবেল আলি স্টেশনে নামা পর্যন্ত, গন্তব‌্য ছিল ইবনে বতুতা মল। আজকের পোস্ট হবে ইবনে বতুতা মলে ঘুরাঘুরি নিয়ে।

প্রথমে ইবনে বতুতা মল নিয়ে সংক্ষেপে একটু বলি। এটা অনেক বড় একটা শপিং মল, শেখ জায়েদ রোডের উপর জেবেল আলি ভিলেজের কাছেই অবস্হিত, নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০০৫ সালে। মলের নামকরণ করা হয়েছে বিখ্যাত পরিব্রাজক ইবনে বতুতার নামানুসারে এবং এর গঠনশৈলীও ইবনে বতুতার জীবন ও ভ্রমণের সাথে সম্পর্কযুক্ত। বতুতা সাহেব তার জীবদ্দশায় পৃথিবীর অসংখ্য স্হানে ভ্রমণ করেছিলেন। তার মধ্য থেকে ৬ টি উল্লেখযোগ্য দেশের উপর ভিত্তি করে এই মলে নির্মাণ করা হয়েছে ছয়টি কোর্ট বা এলাকা:
১) চীন
২) ভারত
৩) পারস্য
৪) মিশর
৫) তিউনিশিয়া
৬) আন্দালুসিয়া

read more »

May 21, 2012

দুনিয়া কাঁপানো ছবিগুলো-৭

মূল লেখার লিংক
একটা ছবি হাজার শব্দের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। কিছু ছবি মানুষের ইতিহাস বদলায়, কিছু ছবি মানুষকে স্বপ্ন দেখায় আর কিছু ছবি মানুষকে করে বাকরুদ্ধ।

এমনই কিছু ছবি নিয়ে এবার ‘দুনিয়া কাঁপানো ছবিগুলো-৭’:

Yemen, Fighting for change

ফটোগ্রাফার: স্যামুয়েল আরেন্ডা

১৫ই অক্টোবর। সানা, ইয়েমেন। স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছিল যায়েদ। এসময় সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন নিহত হয়। টিয়ার গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে দু’দিন কোমায় থাকে যায়েদ।

তার মা ফাতেমা, আহত সন্তানকে আগলে বসে আছেন। সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা অক্ষয়-তা পৃথিবীর যে প্রান্তের হোক না কেন।

read more »

May 21, 2012

লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি : মোনালিসা এবং অন্যান্য

মূল লেখার লিংক
“লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি”- মানব সভ্যতার ইতিহাসে অবিস্মরণীয় একটি নাম। যুগের পর যুগ ধরে অজস্র মানুষের মনে কৌতূহল ও বিস্ময় জাগানো এই মানুষটি আসলেই তুলনাহীন। তিনি একাধারে চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতজ্ঞ, বৈজ্ঞানিক, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক এবং আরও অনেক অনেক দক্ষতার অধিকারী একজন বিস্ময়কর মানুষ, ইটালিয়ান রেনেসার অন্যতম পথিকৃত। তার অজস্র অমর চিত্রকর্মের মাঝে “মোনালিসা” পৃথিবী শ্রেষ্ঠ, ধারণা করা হয়, যেকোনো শতাব্দীর যেকোনো চিত্রকর্মের মাঝে “মোনালিসা” হচ্ছে সব থেকে বেশি আলোচ্য ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী। লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ছিলেন তার যুগের থেকেও আধুনিক, তার উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি এখনও মানুষের কাছে রহস্যময়। লিওনার্দোর ব্যাক্তিগত নোটবুকগুলো পৃথিবীর ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী উপাদনগুলোর মাঝে অন্যতম, যার ভেতরে রয়েছে এই মেধাবী মানুষটির অজস্র কাজের প্রমান ও উদাহরণ। “লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি”- মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক অতিমানবীয় চরিত্র হিসেবে স্থান করে নিয়েছে, যার মেধার সমতুল্য পাওয়া কষ্টকর। কিন্তু আসলেই কি লিওনার্দোর সবগুলো কাজ তার একক চিন্তাশক্তির ফসল নাকি তিনি অসংখ্য মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে আরও ব্যাপক বিশ্লেষণের মাধ্যমে তুলে এনেছেন শক্তিশালী করে? দেখা যাক একটু গভীরে গিয়ে। লিওনার্দো এর যে উদ্ভাবনগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে সব থেকে বেশি তার পেছনের ইতিহাস নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করা যাক।

read more »