ঢাকার আর্মেনিয়রা, তাদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

আর্মানিটোলার গির্জা। ১৭৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত চার্চ অভ হোলি রেজারেকশন।
যদ্দুর জানি, টোলা শব্দটি হিন্দি । আর্মানিটোলা মানে আর্মেনিয়রা যেখানে বাস করে। এককালে ধনাঢ্য ক্ষমতাশালী আর্মেনিয়রা বাস করত আর্মানিটোলায়। এখনও সেখানে নাকি ক’ঘর আর্মেনিয় বাস করে। তবে তারা এখন ক্ষমতাশূন্য। অথচ এককালে এদের প্রত্যক্ষ সহযোগীতার ফলেই বাংলায় ইংরেজরা পাকাপোক্ত আসন পেয়েছিল। এককালে এরাই বাংলার অঢেল সম্পদ নিয়ে চলে গিয়েছিল ইরানে, মধ্য এশিয়ায়।

গতকাল আর্মেনিয় গনহত্যা নিয়ে লিখেছি। লিখেছি তুর্কি সাহিত্যিক ওরহার পামুক সম্বন্ধে। লিখতে লিখতে বঙ্গদেশের সঙ্গে আর্মেনিয়দের যোগসূত্রের কথা ভাবছিলাম। ভাবছিলাম ঢাকার আর্মানিটোলার গির্জেটার কথা, র্গিজেটার ভিতরে অর্মেনিয়দের কবরখানাটার কথা

বিশ্বের মানচিত্রটা দেখলে দেখবেন-তুরস্কের ঠিক পুবের দেশটাই আর্মেনিয়া। আর্মেনিয়ার উত্তরে জর্জিয়া, পুবে আজারবাইজান এবং দক্ষিণে ইরান।
ভৌগোলিক ভাবে অবশ্য আর্মেনিয়ার অবস্থান দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলে।
আর কখনও আর্মেনিয়ার মানচিত্রটা দেখলে দেখবেন মাঝখানে একটা হ্রদ। হ্রদ সেভান। কী সুন্দর নাম-সেভান।
আর্মেনিয়ার রাজধানীর নামটও চমৎকার। ইরেভান।
সচরাচর রাজধানী শহরের পাশ দিয়ে একটা নদী বয়ে যায়। ইরেভানের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সে নদীর নাম?
হরাজদান। (তত ভালো লাগল না হয়তো!)
তো ইরেভান শহরটা সে দেশের পশ্চিমে। তুরস্কের সীমান্তের এত কাছে যে মাত্র ২৫ মাইল দূরে তুরস্কের পূর্বসীমান্ত।। এক সময় তো তুরস্কের অটোমানদের অধীন ছিল আর্মেনিয়া।
যা হোক। ইরেভান শহর থেকে একটা পাহাড়ের চূড়া দেখা যায়। সে পাহাড়ের নাম আরারাত। আরারাত পাহাড়ের কথা কেন তুললাম? মহাপ্লাবন শেষে নুহ নবীর আর্কটি নাকি ওই আরারাত পাহাড়েই ঠেকেছিল।
এবার আর্মেনিয় শেকড়ের খোঁজখবর নিই। ঐতিহাসিকরা খুঁজেপেতে বার করেছেন যে-খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ বছর আগে নাকি আর্মেনিয়দের পূর্বপুরুষরা বাস করত ঐ আরারাত পাহাড়েই। খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে আর্মেনিয়দের প্রথম রাজাকে পাওয়া গেল। রাজার নাম টিগরানেস। তার সাম্রাজ্য নাকি ভূমধ্যসাগর অবধি ছড়িয়ে ছিল।
তারপর এক সময়ে রোমান দখলে চলে যায় আর্মেনিয়া।
এরপর আর্মেনিয়া শাসন করে পার্থিয়রা। পার্থিয়রা পারস্যও শাসন করত।
এরপর পারস্যে সাসানিদরা ক্ষমতায় আসে। ফলত আর্মেনিয়াও সাসানিদদের অধীন হয়ে পড়ে। সে সময় আর্মেনিয়ার রাজা ছিলেন ৩য় টিরাইদেস। ইনি খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন; হয়ে, খ্রিস্টধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম ঘোষনা করেন। মনে রাখা দরকার, রোম নয়, বিশ্বের ইতিহাসে আর্মেনিয়াই প্রথম খ্রিস্টধর্মকে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা দিয়েছিল।
৭ম শতকে আর্মেনিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় বাইজানটান শাসন।
এরপর আরবী অশ্বারোহীরা ঢুকে পড়ে আর্মেনিয়ায়। আর্মেনিয় অভিজাতদের মধ্য থেকে নির্বাচিত করে আর্মেনিয় শাসক। তারপর থেকে আর্মেনিয় বাগরাতুনি রাজবংশ শাসন করে আর্মেনিয়া। তারা আরবদের কর দিত। এভাবে কার্যত স্বাধীনই ছিল আর্মেনিয়া।
এর পর আবার কিছু সময়ের জন্য বাইজানটান শাসনের অধীন হয়ে পড়ে আর্মেনিয়া।
একাদশ শতক। সেলজুক তুর্করা দখল করে দেশটা।
১৩ শতকে মঙ্গোলরা আক্রমন করে আর্মেনিয়া। ১৫ শতক অবধি অঞ্চলটা ওরাই শাসন করে।
এর পর তুরস্কের অটোমানরা আর্মেনিয়া গ্রাস করে।
পারস্যও আর্মেনিয়ার কিয়দংশ শাসন করত। পারস্যের সাফাভি বংশ ষোড়শ শতকে আর্মেনিয়া আক্রমন করলে অনেক আর্মেনিয় দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়।
তাদেরই একদল নানাদেশ ঘুরে বাংলায় এসেছিল।

ষোড়শ শতকের শেষের দিকে কথা। বানিজ্যের সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে পারস্যে সরকারী ভাবে কিছু উদ্যেগ নেওয়া হয়। পারস্যের ইস্পাহানে গড়ে ওঠে বানিজ্যিকেন্দ্র। সেখানে ভাগ্যান্বেষী কিছু আর্মেনিয় পারসিক বানিজ্যিক সংস্থায় চাকরি নেয়।
পারসিক ব্যবসায়ীরা বাংলায়ও এসেছিল।
আর্মেনিয়া তাদেরই পদাঙ্ক অনুসরন করেছিল।
প্রথম প্রথম তারা পারসিক ব্যবসায়ীদের অধীন চাকরি করত।
কালক্রমে, আর্মেনিয়রা বাংলায় তাদের নিজস্ব সম্প্রদায় গড়ে তোলে। বাংলার বানিজ্য-অর্থনীতিতে গভীর অবদান রাখে।

সপ্তদশ শতকের প্রথম ভাগ থেকেই আর্মেনিয়রা বাংলায় ব্যবসা করত। সে সময়টায় বাংলার নগরে বন্দরে সবর্ত্রই আর্মেনিয়দের দেখা যেত। তারা প্রত্যন্ত অঞ্চলেও যেত-লাভের আশা থাকলে, যেখানে অন্যরা যেত না।
Through their commercial acumen, their knowledge of markets and products, their chain of connections with the producing and consuming centres maintained through their own agents who were more often than not their own family members or kinsmen, their low overhead cost and capacity to thrive on low profit margin, the Armenians could compete successfully with not only the Indian and other Asian merchants but also with the European East India Companies trading in Bengal.
সে সময়টায় আর্মেনিয়রা যেমন ঢাকায় বাস করত। বাস করত কোলকাতায়ও। যেখানেই যেত র্গীজে তৈরি করত তারা। আজও কোলকাতায় গঙ্গার ধারে রয়েছে আর্মানিঘাট। এককালে ওই ঘাটেই আর্মেনিয়দের জাহাজ থেকে পন্য ওঠানাম করত।

সপ্তদশ শতক।
বাংলার নদী-উপকূলে তখন ইংরেজ বেনিয়াদের জাহাজ ভিড়ে আছে। বাংলায় তারা ব্যবসা করবে। সে জন্য স্থানীয় অংশীদার খুঁজছিল। ইংরেজদের ছিল পুঁজি ও ব্যবসায়িক দক্ষতা । এখন তাদের দরকার স্থানীয় ধনিক শ্রেণির সঙ্গে ঘনিষ্ট যোগাযোগ।
আর্মেনিয়রা মধ্যস্থাকারীর ভূমিকায় এগিয়ে আসে।
আর্মেনিয়দের ভাকিল (প্রতিনিধি? উকিল? অ্যাডভোকেট?) নিয়োগ করে ইংরেজরা। আর্মেনিয়রা ফারসি জানত। যথাযথ পারিশ্রমিক পেয়ে আর্মেনিয় ভাকিলরা মুগলদের দরবারে যায়। এবং সেখানে গিয়ে বলে যে কী উদ্দেশে ইংরেজরা হিন্দুস্থানে এসেছে। হ্যাঁ। ইংরেজদের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল ব্যবসা। কেননা, ইংল্যান্ডে তখন বুর্জোয়া বিপ্লব সম্পন্ন হচ্ছিল। তাদের বিশাল বাজার চাই, পন্যের জন্য বেশুমার কাঁচামাল চাই। সেজন্য চাই কলোনি । চাই কলোনিয়াল দালাল ।
ভাকিল আর্মেনিয়রা ছিল কলোনিয়াল দালাল।

খোজাহ ফানোস কালানদার। ছিলেন প্রথমদিককার ঢাকার ধানাঢ্য আর্মেনিয় ব্যবসায়ী। ইনি ইউরোপীয়দের সঙ্গে ব্যবসা করতেন। ১৬৮৮। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর সঙ্গে চুক্তি করেন কালানদার। চুক্তি অনুযায়ী কালানদার ও তার লোকেরা ইংরেজদের জাহাজ ব্যবহার করতে পারত। কালানদার-এর ভাতিজার নাম ছিল খোজাহ ইসরাইল সারহান্দ। ১৬৯৮ খ্রিস্টাব্দ । বাংলার সুবেদার তখন আজিম উস শান। খোজাহ ইসরাইল সারহান্দ বড় ঝানু লোক ছিল। কোলকাতার সে ইংরেজদের জমিদারি পাইয়ে দিয়েছিলেন । ইংরেজরা বাংলার জমির জন্য হন্যে হয়ে উঠেছিল। কেননা, আগেই বলেছি আমি, ইংল্যান্ডে তখন বুর্জোয়া বিপ্লব সম্পন্ন হচ্ছে। বাজার চাই, পন্যের জন্য কাঁচামাল চাই। সেজন্য কলোনি চাই। কলোনিয়াল দালাল চাই। আর্মেনিয়রা ছিল কলোনিয়াল দালাল। আজ আমরা কলোনিয়াল দালালদের চিনে নিতে চাই।
খোজাহ ইসরাইল সারহান্দ ছিল অন্যতম কলোনিয়াল দালাল। বাংলা এই সব আর্মেনিয়দের মাতৃভূমি নয়। এদের বিবেকে বাঁধেনি ইংরেজদের হাতে বাংলার জমিদারি তুলে দিতে। বাংলার সুবেদার তখন আজিম উস শান কী কারণে রাজী হলেন?
উপরোন্ত খোজাহ ইসরাইল সারহান্দ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভাকিল। সে চলে গিয়েছিল মুগল সম্রাট ফররুখশিয়ারের দরবারে।
১৭১৭ সালে রাজকীয় ফরমান ঘোষনা করল মুগল কর্তৃপক্ষভ তাতে বিস্তর সুযোগ সুবিধে ছিল ব্রিটিশ বেনিয়াদের। সে ফরমান ঘোষনায় সারহান্দ- এর অবদান ছিল বিস্তর।
আর্মেনিয়রা ছিল কলোনিয়াল দালাল। আজ আমরা কলোনিয়াল দালালদের চিনে নিতে চাই। খোজাহ ইসরাইল সারহান্দ ছিল অন্যতম কলোনিয়াল দালাল।
All the negotiations with the East India Company during the stormy days of Sirajuddaulah’s regime were conducted by this Armenian merchant who was a monopolist in the most profitable saltpetre trade. Wajid was one of the three merchant princes (the others being the jagat sheth and Umichand) who collectively dominated the commercial life and hence, to a great extent, the economy of Bengal in the last three decades of the first half of the eighteenth century. He operated his extensive business empire from Hughli, the then commercial capital of Bengal.

From the late seventeenth century the Mughal government had begun to treat the Armenians as a distinct community trading in Bengal. They were mostly engaged in export trade for which they were required to pay a duty of 3.5% to the government. All the nawabs are known to have engaged Armenian merchants to transact their personal businesses openly or clandestinely. Khojah Petrus Nicholas, the leader of the Armenian community, was a financier and court advisor to alivardi khan.
অস্টাদশ শতক এর মাঝামাঝি।
তখনকার প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ছিলেন খোজাহ ওয়াজিদ। এই লোকের অবদান বাংলার অর্থনীতির ক্ষেত্রে নাকি বিপুল। সে সব বিপুলতার খোঁজ খবর করার আবশ্যক বোধ করি না। কেননা, সিরাজ যে বাংলার ক্ষমতা হারালেন, তার বিরোধী যারা যারা ছিল-তাদের সঙ্গে খোজাহ ওয়াজিদ কে পান করতে দেখা যেত।

উনিশ শতক থেকে আর্মেনিয়রা বাংলা থেকে চলে যেতে থাকে।
কোথায়?
পারস্যে। মধ্য এশিয়ায়।
সঙ্গে বিশাল সম্পদ। বাংলার সম্পদ।
(বাংলা কেন দরিদ্র? এর প্রশ্নের ঐতিহাসিক উত্তর খুঁজতে এ দিকটি উল্লেখিত হতে পারে।)
আর্মেনিয়দের অনেকেই ইউরোপীয় অংশীদারের সঙ্গে বিশ্বের নানা স্থানে ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। এ প্রত্যক্ষ ফল- পূর্ব বাংলার পাট ও চামড়া শিল্পে ধ্বস ।The Armenian families who entered land control gradually shifted their interest to other businesses, such as, banking, export trade and agencies to exporters and importers.

আলোর সঙ্গে মিলেমিশে থাকে অন্ধকার। সবাই দালাল না। সবাই শোষক না। সবাই বাংলার সম্পদ নিয়ে দেশত্যাগ করেনি।
শোষক-দালালদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন মানুষ। যেমন-নিকোলাস পোগোস। চেয়েছিলেন পূর্ববাংলার মানুষ শিক্ষিত হোক। ইংরেজ বেনিয়াদের মুখোমুখি হতে চাই ইংরেজদের জ্ঞানবিজ্ঞান। এই মানসে মহামান্য নিকোলাস পোগোস গড়লেন একটি স্কুল। আজ কে না জানে- ঢাকার পোগোস স্কুলটি কত কত নস্টালজিক স্মৃতি জড়ানো।
বলেছি, আলোর সঙ্গে মিলেমিশে থাকে অন্ধকার। সবাই দালাল না। সবাই শোষক না। কাজেই শহর ঢাকার স্থাপনার দিক থেকেও আর্মেনিয়রা পিছিয়ে ছিল না। শুনেছি, ঢাকার বাকল্যান্ড বাধের অর্থায়নও নাকি ওদের।
কয়েকটি আর্মেনিয় পরিবারের নাম ogoses, Agacys, Michaels, Stephens, Joakims, Sarkiess, Manooks.
কয়েকজন উল্লেখযোগ আর্মেনিয়র নাম: P Arathon, Margar David, Mackertich Abraham George, Michael Sarkies, Abraham Lucas, M Highcazony, A S Mackertich, Tigran Nahapiet Thaddeus Nahapiet, M.J. Catchhatoor, Joseph Lazarus.
১৮৩৭ সালে আর্মেনিয়রা ঢাকায় একটি ক্লক টাওয়ার প্রতিষ্ঠিত করেছিল। অবশ্য ১৮৯৭ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে ঘড়িস্তম্ভটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। আগেই বলেছি যে যেখানেই যেত অর্মেনিয়রা গির্জে তৈরি করত । আর্মেনিয়রা ১৭৮১ সালে নির্মান করেছিল চার্চ অভ হোলি রেজারেকশন। লোকে বলে আর্মানিটোলার গীর্জা। গির্জার ভিতরে রয়েছে আর্মেনিয়দের কবর আছে। কখনও ওখানে দাঁড়ালে কেমন অনুভূতি হয়। এককালে এরা বেঁচে ছিল। এখন বেঁচে নেই। আমরা বেঁচে রয়েছি। একদিন থাকব না। তখন আমাদের কবরের সামনে কে দাঁড়াবে …

ওই চার্চ অভ হোলি রেজারেকশন নিমির্ত হওয়ার আগে আর্মেনিয়রা প্রার্থনা করত কোথায়?
তেজগাঁওতে। তেজগাঁওয়ের রোমান ক্যাথলিক চার্চে।
ধর্মটা ওদের জীবনে অতীব গুরুত্ব পূর্ন। মনে থাকার কথা- এক সময়ে রোমান দখলে চলে যায় আর্মেনিয়া। এরপর আর্মেনিয়া শাসন করে পার্থিয়রা। পার্থিয়রা পারস্যও শাসন করত। এরপর পারস্যে সাসানিদরা ক্ষমতায় আসে। ফলত আর্মেনিয়াও সাসানিদদের অধীন হয়ে পড়ে। সে সময় আর্মেনিয়ার রাজা ছিলেন ৩য় টিরাইদেস।ইনি খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন। হয়ে খ্রিস্টধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম ঘোষনা করেন।
মনে রাখা দরকার, রোম নয়। বিশ্বে আর্মেনিয়াই প্রথম খ্রিস্টধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম করেছিল।

http://www.somewhereinblog.net/blog/benqt60/28880696

লেখাটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্য এখানে জানাতে পারেন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: