ফ্লোরেন্সের সকাল

IMG_4836

সোনালী আলোর শৈশবে খবরের কাগজের প্রিয় পাতা ছিল দাদাভাই পরিচালিত কচিকাঁচার আসর। সেখানেই এক সময় ধারাবাহিক ভাবে ছাপা হত ভাস্কর শিরোমণি মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর ছোটবেলার জীবনকাহিনী ফ্লোরেন্সের সকাল শিরোনামে। সেই প্রথম এই জাদুময় শহরটির নামের সাথে পরিচয়, কেমন যেন মন অবশ করা, ভাল লাগা নামের এক শহর, ফ্লোরেন্স! শুনলেই নাকে এসে লাগে এক অজানা ফুলের সুবাস, বুকের ভেতরটা তিরতির কেপে ওঠে অজানা আবেগে, বুনো পাখির স্বর ঘাই মারে হৃদয়ের গভীরে।

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি, মাইকেল অ্যাঞ্জেলো, ম্যাকিয়াভেলির শহর ইতালির ফ্লোরেন্স, চিত্রকলা আর মানুষের নান্দনিকতার প্রমাণ হিসেবে বিশালাকৃতির ক্যাথেড্রাল এবং বিশ্বখ্যাত জাদুঘর আর আর্ট গ্যালারীগুলো এখানে অবস্থিত। সেই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত ভাস্কর্য মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর ডেভিড!

ফ্লোরেন্স দর্শনের সৌভাগ্য হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর, কুমারী সূর্যের লাল আভা ছড়ানো ভোরের আকাশকে সাথী করে ফ্লোরেন্স পৌছালাম ট্রেনে করে, সাথী বোলগনা বিশ্ব-বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত মণি ভাই।
শীতের দেরী করে ওঠা সূর্যদেব খানিকটা দেরী করে হলেও ক্রমাগত আলোর ব্রহ্মাস্ত্র হেকে দখল করে নিয়েছে আকাশের সিংহভাগ, কিন্তু বাতাসের ডিসেম্বরের শীতের আমেজটা থেকেই গেছে। স্টেশন থেকে পদব্রজেই রওনা দিলাম শহর কেন্দ্রের দিকে, সর্বক্ষণের সঙ্গী সেই শহরের মানচিত্র। এই প্রত্যুষেও পর্যটকের দল ভিড় করে এগিয়ে যাচ্ছে নানা গন্তব্যের দিকে, সেই দলে ক্যামেরায় ঝপাঝপ ছবি তুলতে থাকা চীনা আর জাপানীদের সংখ্যায় বেশী।

IMG_4813

ধারণা করা হয়, স্বয়ং জুলিয়াস সীজার খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ৫৯ সালে আরনো নদীর তীরে এই অপরূপা নগরীর গোড়া পত্তন করেন। শহরের প্রায় সব রাস্তার মোড়েই চোখে পড়া অতি প্রাচীন সব স্থাপত্য সেই সুপ্রাচীন গৌরবময় অতীতের কথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে প্রতি ক্ষণে। বেশ খানিকক্ষণ অলি-গলি মাড়িয়ে বোঝা গেল আমরা শহরকেন্দ্রে এসে পৌঁছে গেছি। দৃশ্যপটে আবির্ভাব ঘটেছে ফ্লোরেন্সের প্রতীক বলে খ্যাত নয়নাভিরাম ফ্লোরেন্স ক্যাথেড্রালের।

n608590496_5299714_8248

n608590496_5299716_8941

চোখের সামনের আকাশকে পর্যন্ত আড়াল করে দেওয়া বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম এই ক্যাথেড্রালটির মূল নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় ১৫০ বছরে। তার বিশালাকার তোরণ, সুউচ্চ খিলান সেই সাথে দানবাকৃতির গম্বুজ নিজের অজান্তেই শ্রদ্ধায় মাথা নুইয়ে দেয় রেনেসাঁর সেই মহান প্রকৌশলী আর কারিগরদের প্রতি।

n608590496_5299669_3624

প্রতিটি দরজায়ই কাঠ আর ধাতুর সমন্বয়ে অতি নিখুঁতভাবে বাইবেলে বর্ণিত নানা ঘটনার চিত্ররূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বেশী সকাল বিঁধায় সিংহদ্বার বন্ধ, খোলা হবে দুপুর দেড়টায় তাই রওনা হলাম গ্যালারী দেল একাদেমিয়ার উদ্দেশ্যে।
IMG_4791

এ-গলি সে-গলি ঘুরে, বার কয়েক পথ ভুলে অবশেষে বিশ্বখ্যাত এই জাদুঘরের সামনে টিকিতের জন্য প্রতীক্ষারত লম্বা লাইনের দেখা পেলাম, দিনের প্রথম ভাগেও দেখি শিল্পপ্রেমীদের উৎসাহের কমতি নেই। ঢোকার পরপরই একটা লম্বাকৃতি বারান্দাজাতীয় ঘরের দুই পাশেই সাজিয়ে রাখা মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর অসমাপ্ত বেশ কিছু ভাস্কর্য খুঁটিয়ে দেখার চিন্তা করছি, এই সময়ই দৃষ্টি পড়ল সামনের দিকে, চোখ কপালে তুলে বিস্ময়ে বোবা হয়ে থাকলাম কয়েক মুহূর্ত, সংবিৎ ফেরার পর গুটি গুটি এগোলাম সেই গ্যালারী কক্ষের শেষ প্রান্তে। উঁচু এক বেদীর ওপর সেখানে মাথা উচু করে কাঁধের উপর দিয়ে নির্নিমেষে চেয়ে আছে ভূলোকের সবচেয়ে বিখ্যাত ভাস্কর্য মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর ডেভিড!

images

এ এক অপরূপ বিস্ময়ের আঁধার, মানুষের সৃষ্টিশীলতার শেষ কথা যেন, চোখের সামনে দেখেও বিশ্বাস হতে চায় না কোনো মানুষ ৫০০ বছর আগে কেবলমাত্র ছেনি-হাতুড়ি সম্বল করে অখন্ডিত একটিমাত্র বিশাল মার্বেল পাথরের টুকরো থেকে এত জীবন্ত, এত সতেজ, এত নিখুঁত মানবমূর্তি নির্মাণ করতে পারে।

michelangelo_david_head

পাঁচ মিটারের বেশী উচ্চতা বিশিষ্ট কিশোর ডেভিড প্রস্ততি নিচ্ছে বিশালদেহী শত্রু গোলিয়াথ বধের, তার ঠিক আগমুহূর্তের কল্পিত চিত্র থেকে এই সুমহান ভাস্কর্য গড়েছেন সর্বকালের সেরা ভাস্কর। মনে হল বেদী থেকে যেকোন সময় নেমে ডেভিড হাঁটা শুরু করবে। একটু লক্ষ্য করলেই তার হাত, পা, কাঁধ- সর্বত্রই ছড়ানো রক্ত পরিবহণকারী শিরা-উপশিরা। পরিষ্কার বোঝা যায় এক বাস্তব মানবদেহের মত। হয়তো আরেকটু ভাল মত খেয়াল করলে দেখা যেত সেই শিরা-উপশিরা দিয়ে রক্ত চলাচলও করছে!

mi

আরও অনেক কিছুই ছিল গ্যালারী দেল একাদেমিয়ায়, নানা ভাস্কর্য, বিখ্যাত রেনেসাঁ শিল্পী জ্যোত্তোর কাজের বিশাল সংগ্রহ, কিন্তু আমাদের মনে প্রানে ডেভিড এমন এক চিরস্থায়ী গভীর মুগ্ধতার সম্মোহনী প্রভাব ফেলেছে যে আর অন্য কিছুতে কোন ভাবেই মনোযোগ বসাতে পারলাম না। জয়তু ডেভিড, জয়তু মাইকেল অ্যাঞ্জেলো!

michelangelo-sculptures-13

পরবর্তী গন্তব্য বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত আর্ট গ্যালারী ফ্লোরেন্সের উফিজি। অবশ্যগন্তব্য এই শিল্পতীর্থে ৫০টির অধিক বিশালাকার কক্ষে অন্তত দেড় হাজার শিল্পকর্ম আছে, যার যে কোন একটি পেলেই কোন দেশ না জাদুঘর বর্তে যাবে। মূলত ফ্লোরেন্সের বিখ্যাত মেদিচ্চি পরিবারের ব্যক্তিগত সংগ্রহই এখানে স্থান পেয়েছে, যা ১৭৪৩ সালে মেদিচ্চিদের শেষ বংশধর আন্না মারিয়া ল্যুদভিকো এই শর্তে দান করেন যে এই বিশ্ব সম্পদ গুলো কখনোই তার ভালবাসার শহরের বাইরে যাবে না!

n608590496_5299694_1289

খানিকক্ষণ শিল্পসুধা উপভোগের পর সোজা ১৯ নম্বর কক্ষে চললাম, যেখানে বিশ্বের অন্যতম সেরা রেনেসাঁ চিত্রকর বতিচেল্লির উল্লেখযোগ্য ১৫টি কাজ স্থান পেয়েছে, সে এক অবাক করা অসামান্য গুপ্তধনের ভুবন। দরজা দিয়ে প্রথমেই চোখে পড়ল বতিচেল্লির অমর সৃষ্টি বিশালাকৃতির প্রিমাভেরা (বসন্ত),

primavera

দেয়ালজোড়া এই চিত্রকর্মে আছে বেশ কজন পৌরাণিক দেব-দেবী, আর এদের মাঝেই কোলের আঁচড় থেকে বসন্তের আগমনী দূত ফুল ছড়াতে ছড়াতে এগিয়ে যাচ্ছে বসন্তের দেবী।

detail_aus_fruehling

এর পাশের দেয়ালে সম্ভবত চিত্রকরের সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টি বার্থ অফ ভেনাস! কি যে জাদু এই অপরূপ ক্যানভাসে, সমুদ্রে ভাসমান ঝিনুকের উপর দণ্ডায়মান ভেনাস-সুন্দরী দুই হাতে লজ্জা ঢাকতে ব্যস্ত, এলোচুল বাতাসে উড়ছে আলগোছে, মাথা মৃদু ডানদিকে কাত হয়ে আছে, নেত্রে অপার বিষণ্ণ দৃষ্টি। বাতাসের দেবতা জোরালো ফু দিয়ে ঝিনুকটিকে ডাঙ্গায় নিচে যাবার চেষ্টারত, আর অন্য দেবী এগিয়ে আসছেন এক জমকালো বস্ত্রখণ্ড দিয়ে তাকে আবৃত করতে।

venus

বিশ্বের লাখো লেখক আজ পর্যন্ত ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়েছেন বতিচেল্লির বার্থ অফ ভেনাসের সৌন্দর্য লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরতে, কিন্তু তাদের কেউই যে বিন্দুমাত্র সফল হয় নি তা ভেনাসের চোখে চোখ পড়া মাত্রই বুঝে গেলাম। এই অপরূপ বোবা সম্মোহনী বিষণ্ণ দৃষ্টি কি কলমের মাধ্যমে ফোটানো সম্ভবপর! মাথাটা আলতো কাত করে, চোখে চোখ রেখে ভেনাস যেন শুধাচ্ছে- এই বোকা ছেলে, কোথায় ছিলে এতদিন?

botticelli_birth_venus_2

সেই কবে স্কুল জীবনে কাজী আনোয়ার হোসেনের রূপান্তরিত অসাধারণ ছোট গল্প জালিয়াত-এ প্রথম জেনে ছিলাম এই শাশ্বত সুন্দরের কথা, আজ নয়ন যেন সার্থক হল। সেই সাথে ছিল বতিচেল্লির মেডাল হাতে যুবকের, পৌরাণিক জীব অশ্বাকৃতী মানব সেন্টরের সুবিখ্যাত সব চিত্রকর্ম।

0_Botticelli_Minerva_und_Kentaur_Florenz_Uffizi

একরকম জোর করেই পা বাড়ালাম সামনের দিকে, পরের ঘরের এই দেয়ালে ঝোলানো লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির তিন-তিনটি সুবিখ্যাত সৃষ্টি!

annunciation

অ্যাডোরেশন অফ ম্যাজাই, অ্যানুসিয়েশন এবং যীশুর ব্যাপ্টিজম (পেইন্টিংটি আসলে লিওনার্দোর গুরু ভেরোক্কিওর আঁকা, শুধু বাঁ পাশের একটা দেবদূত তৎকালীন শিক্ষানবীশ লিওনার্দোর আঁকা, কিন্তু গোটা চিত্রকর্মটি অবলোকন করলে ক্যানভাস জুড়ে থাকা যীশু বাঁ অন্যরা নন, কেবল হাঁটু গেড়ে বসে থাকা দেবদূতটির দিকেই চোখ চলে যায় তার ভিন্ন আঁকার ভঙ্গি ও অপার্থিব সৌন্দর্যের কারণে।

3429455272_af958d5bb3

কিংবদন্তী বলে, এই দেবদূত দেখার পরে গুরু ভেরোক্কিও ছবি আঁকা ছেড়ে দিয়েছিলেন)

AAMB001039

অ্যাডোরেশন অফ ম্যাজাই-এর পরাবাস্তব স্বপ্ন ঘেরা ক্যানভাসে আবছা ভাবে নজরে পড়ে স্বয়ং তরুণ শিল্পী লিওনার্দোর আদল।

uffizi-the-adoration-of-the-magi-leonardo-da-vinci

দীর্ঘ কাঁচের বারান্দাগুলোতেও ভাস্কর্যের সারি, মাঝে কাঁচের জানালা দিয়ে এক চিলতে ফ্লোরেন্স আর ঝকঝকে আরনো নদী চোখে পড়ে। নদীর বুকে নানা বাহারি সেতু, মেঘের চাদরের ফাক গলে মায়াবী সোনা ঝরা রোদে ফ্লোরেন্সকে মনে হয় এক টুকরো স্বর্গ।

IMG_4825

এরপরের কক্ষে ঢুকতেই চক্ষুচড়কগাছ, দেয়ালে শোভা পাচ্ছে মাইকে অ্যাঞ্জেলোর দ্য হলি ফ্যামিলি! বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাস্কর যে সে যুগের অন্যতম সেরা স্থপতি, কবি, যন্ত্রবিদের সাথে সাথে সর্বকালের অন্যতম সেরা চিত্রকরও ছিলেন তার অন্যতম প্রমাণ দ্য হলি ফ্যামিলি। পেইন্টিংটি এত ঝলমলে উজ্জল রঙে আঁকা যে বলা হয় এটা এখনো ততটাই উজ্জল যতটা ছিল আঁকার সময়, ১৫০৬ সালে!

Michelangelo-Doni-Tondo-The-Holy-Family-with-St-John-the-Baptist--

পরের গ্যালারীতে রাফায়েলের জয়জয়কার, বিশেষ করে তারুণ্যে আঁকার তার আত্নপ্রতিকৃতিটি মনের মাঝে গভীর রেখাপাত করে।
BEN107244

এরপরে তিনতোরেত্তো, ফ্রানসেসকো, পোনতোর্মো, জ্যোত্তো, দোনাটেল্লো, ফিলিপ্পো লিপ্পি, ফ্লোরেন্টিনো, দেল সার্তো প্রমুখ জগৎ কাঁপানো শিল্পীর অমূল্য সৃষ্টির অপরূপ সমাহার। শিল্পকলার এমন অমূল্য সম্ভার এক প্যারিসের ল্যুভ ছাড়া অন্য কোথাও দেখেছি বলে মনে পড়ছে না।

এক কক্ষে দেখা হল টিটিয়ানের ১১টি অমর সৃষ্টির সাথে, যাদের মধ্যমণি হয়ে আছে উরবিনোর ভেনাস, টিটিয়ানের সুবিখ্যাত এই ভেনাস কেন জানি শুধু এদুয়ার মানের অলিম্পিয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়।
titian04

যাবার পথে চোখ বুলিয়ে গেলাম পিটার পল রুবেনস আর রেমব্র্যান্টের আলো-ছায়া নিয়ে কাজ করে অনন্যসাধারণ চিত্রকর্মগুলোতে।

rembrandt

নীচতলার বাহির হবার দরজার ঠিক আগমুহূর্তে দেখা গেল সুরাপাত্র হাতে বাক্কাসের পেইন্টিং, সামনে অবিশ্বাস্য রকমের বাস্তব ফলের ঝুড়ি! এমন ফলের ঝুড়ি তো আঁকতে পারতেন মাত্র একজন, এমন সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে সামনে এগোচ্ছি , দেখি তাই-ই! সেই কারাভাজ্জিওর আঁকা পানরত বাক্কাস যেন মুচকি হেসে আহ্বান করছে মদিরার টানে জীবন জোয়ারে ভেসে যেতে।

4096751645_07637f5aa2

অবশেষে বিদায় বলার পালা উফিজিকে। বিশাল জাদুঘরের ভিতরেই কয়েক মাইল ঊর্ধ্বশ্বাসে হাঁটায় খিদে পেয়েছে বেশ, কাছেই এক রেস্তোরাঁয় ফ্লোরান্টিনো পাস্তা দিয়ে পেটপূজা সারা হল খাঁটি জলপাই তেল দিয়ে তারিয়ে তারিয়ে। অদূরেই ভেক্কিও প্রাসাদ, সামনে ডেভিডের বহুল পরিচিত নকল ভাস্কর্য (আসল ডেভিডের সামনে ছবি তোলা নিষেধ বিঁধায় নকলটার সামনেই ছবি তুলে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে হয়), পাশে সমুদ্র দেবতা নেপচুনের ঝরনা, সেই সাথে প্রাসাদের বারান্দায় পার্সিউসসহ নানা জগদ্বিখ্যাত ভাস্কর্য ( আসল না নকল জানা হয় নি)

IMG_4818

IMG_4820

আরও অনেক বিখ্যাত জাদুঘর ও আর্ট গ্যালারীর সমাহার ফ্লোরেন্সে, কিন্তু দুই বন্ধু মিলে ঠিক করলাম আর নয় ! এক দিনে এত বেশী চমৎকার স্মৃতি মাথায় সইবে না, আবার আসা যাবে দিনক্ষণ বুঝে! তাই ট্রেনস্টেশনের পথে আবার, মনে মনে ভাবছি, আবার কেন? বারবার আসব! সুযোগ পেলেই ছুটে আসব অপরূপা ফ্লোরেন্সে, এমন জাদুমাখা শিল্পসমৃদ্ধ শহর আর দুটি আছে নাকি!

http://www.sachalayatan.com/tareqanu/42258

লেখাটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্য এখানে জানাতে পারেন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: