হিজাব বা নারীদের ইসলামিক আচ্ছাদন: পরাধীনতা না স্বাধীনতা?

বাংলাদেশের মতো মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রে হিজাব বা ইসলামিক আচ্ছাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে দেশে জলবায়ু মূলত গরম এবং আর্দ্র সে দেশে প্রকৃতপক্ষে হিজাব পরার জন্য উপযুক্ত নয়। ৫০-৭০ দশকে এই হিজাব মূলতঃ এক্সট্রিম ইসলাম মনস্কদের মাঝে বিরাজ করলেও ৯০ এর দশক থেকে এই মনোভাবের পরিবর্তন আসতে শুরু করে। দেখা যায় খুব ইসলাম মনস্ক না হয়েও স্বেচ্ছায় একদল নারী হিজাবকে বেছে নিচ্ছে। হিজাব যদি পুরুষ শাসিত সমাজে নারীদের দমিয়ে রাখার একটা হাতিয়ার হয়ে থাকে তাহলে এই পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গীর ব্যাখ্যা কি? হিজাব কি পরাধীনতার প্রতীক নাকি স্বাধীনতার?

তাছাড়া একদল পুরুষ যখন মন চেয়েছে হিজাব পরিয়েছে নারীকে। যখন মন চেয়েছে হিজাব সরাতে বলেছে। নারীর বক্তব্য কি এ বিষয়ে? নারী নিজে কি চায়? ১

বিভিন্ন প্রকারের ইসলামিক আচ্ছাদন
প্রথমে বোর্কার এবং এই ধরনের ‘ইসলামিক’ পোশাকের একটা তালিকা দেয়া গুরুত্বপূর্ণ। পরিপূর্ণ তালিকা উইকিপিডিয়াতে “বিভিন্ন ধরনের হিজাবের তালিকা” পেলেও একটি চমৎকার বর্ণনা পাবেন হিজাবের স্বপক্ষে লেখা এই ব্লগটিতে। (৩) ব্লগটি থেকে বিভিন্ন ধরনের হিজাবের একটা তালিকা নীচে দেয়া হোলো।

নীচের কার্টুনে সিরিয়ান হিজাবের তালিকা থেকে আরেকটি পূর্ণাঙ্গ অবয়ব ঢাকা পোশাক দেখা যাচ্ছে যার নাম ওয়াহাবি। (৪)

লক্ষণীয় পুরুষদের একই ধরনের পোশাকের মধ্যে কোনটিতেই মুখাবয়ব ঢাকতে দেখা যায় না। (২)

দেখা যাচ্ছে নারীদের ইসলামিক আচ্ছাদন আট প্রকারের। নিকাব, হিজাব, জিলবাব, আল আমিরা, দুপাট্টা বা ওড়না, খিমার, চাদর আর বুর্কা। এদের মধ্যে নিকাব, খিমার এবং বুর্কা পরিপূর্ণভাবে মুখ ঢাকতে ব্যবহৃত হতে পারে। আমার লেখায় আমি মূলতঃ হিজাব বলতে সাধারণভাবে মুখাবয়ব ঢাকা এবং না ঢাকা আট রকমের পোশাকগুলোকে বুঝাবো। অন্যদিকে, মুখাবয়ব ঢাকা পোশাকটিগুলোকে (নিকাব, খিমার এবং বুর্কা) সাধারণভাবে বুর্কা বলে অভিহীত করবো।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশ (৫)
অতীতে পূর্ব দিকের আসিরিয়ান রাজা রাজপ্রাসাদের নারীদের জন্য প্রথম হিজাবের প্রচলন করেন বলে জানা যায়। যদিও হারেমের নারী সেবা দাসীদের জন্য এই হিজাব নিষিদ্ধ থাকে। এছাড়া সেসময় গ্রীসে, বাইজেনটাইন, পারস্য এবং ইন্ডিয়া উঁচু বংশের রাজপূত নারীদের মধ্যে হিজাবের প্রচলন ছিলো বলে জানা যায়।

ইসলাম প্রচলনের প্রথম শতকে নারীদের হিজাবের বিষয়টি অতটা গুরুত্ব পায়নি। নবীর স্ত্রী আয়েশার বোনঝি বা ভাইঝি আইশা বিনতে তালহাকে তার স্বামী মুসাব তার চেহারা ঢাকতে বলেছিলো সে তখন জানায়, “যেহেতু সর্বশক্তিমান আমার চেহারায় সৌন্দর্য্য দিয়েছেন, আমি চাই যে লোকে এই সৌন্দর্য্য দেখুক এবং আমার উপর উপরওয়ালার দান চিনতে শিখুক। একারনে কোনো অবস্থাতেই আমি আমার চেহারা ঢাকবো না।” ইসলাম প্রচলনের দ্বিতীয় শতকে বিভিন্ন সমাজের সাথে মিশতে শুরু করার পর থেকে এবং কোরানের আয়াত, “তাদের বক্ষদেশ ঢাকতে বলো” – এর পুনুরুত্থানে হিজাবের প্রচলন বাড়তে দেখা যায়।

দশম শতকের আগে নিয়ম করে হিজাব চালু করার প্রচলন হয়নি। মধ্যযুগের এই সময়টা নারীদেরকে পুরুষদের তুলনায় পশ্চাৎপদ করে রাখতে ভূমিকা রাখে এরকম প্রচুর নিয়মের উদ্ভব হয়। বিশেষ করে মিশরের রাজা মামলুকের সময় নারীদের বাইরের কাজে অধীকার নেই এরকম নিয়মের পিঠে ভর করে হিজাবের প্রচলন করা হয়। ইবন আল হাজ নামের এক লেখক লেখেন যে, নতুন বৌয়ের মতোন সাজ নিয়ে নারীরা রাস্তায় গেলে পুরুষের মতিভ্রম হবে (এবং কাজের ক্ষতি হবে)। আরো বলেন যে, বাহু উন্মুক্ত করে কোন নারী কোনো দোকানে আসলে দোকানী তার দিকে পিঠ ফিরে থাকবে এবং নারী ক্রেতা চলে না যাওয়া পর্যন্ত যেন মুখ না দেখায়।

ঊনিশ শতকের শেষদিকে এসে একদল বুদ্ধিজীবি এবং মুক্তচিন্তাবিদ লক্ষ্য করলেন যে, যেসব কারনে পশ্চিমা নারীর তুলনায় মুসলিম বিশ্বের নারীদের অনেকখানি পিছয়ে আছে তার মধ্যে হিজাব অন্যতম। নারীদের অগ্রসর করতে চেয়ে তারা তাই এসমস্ত পশ্চাদপসর প্রথা সরাতে চাইলেন। এরপরে এবিষয়ে প্রথমে পুরুষ লেখক এবং পরে নারীরা লেখালেখি শুরু করেন। বিংশশতকের শুরু থেকে আস্তে আস্তে প্রচুর নারী হিজার প্রথা ভেঙ্গে বেরিয়ে আসতে শুরু করেন।

বিংশশতকের মাঝ থেকে আবার এই হিজাবে প্রচলন বাড়তে দেখা যায়। কিন্তু এবার অন্য দৃষ্টিভঙ্গী থেকে এর প্রচলন শুরু হয়। দেখা গেলো হিজাব এবং ইসলামের মূল ভিত্তি বিন্দুবাসিনীদের মধ্যে থেকে সরতে পারেনি। তাই যখনই এই পরিবর্তনের ঝাপটা গিয়ে লাগলো অন্দরমহলে, অন্দরমহলের নারীরা বরং উল্টো আঁকড়ে ধরলেন এই ইসলাম ধর্মকে। আর এর বর্হিপ্রকাশ হিসেবে আরো কনর্জাভেটিভ পোশাক পরতে শুরু করলেন তারা। উপরন্তু সেসময়ে ফরাসীদের বিরুদ্ধে আলজেরিয়ার আন্দোলন এবং ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে মিশরের আন্দোলনের সময় নীরব প্রতিবাদ এবং আত্মপরিচয়ের চিহ্ন হিসেবে হিজাব আঁকড়ে ধরেন মুসলিম নারীরা। (৬)

নিজেদের জাতীয় পরিচয়ের অংশ হিসেবে এবং আগ্রাসী পশ্চিমা মূলবোধের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শনের মনোভাব থেকেও হিজাবের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। এরপরে হিজাবের প্রতি একটা বড়সড় আবেদন তৈরী হয় ৭০ দশকে ইরানে ইসলামিক রেভ্যুলিউশানের পর।

বর্তমানে ইসলামিক আন্দোলনের একটি অংশ হিসেবে মাঝারী মাত্রার মুখাবয়ব হিসেবে হিজাবের প্রচলন আছে। অবশ্য অনেক প্রোগ্রেসিভ নারী আন্দোলন নারীর উপর কোনো রকম ড্রেস কোড আরোপনের বিপক্ষে। তবে দেখা গেছে প্রচলিত পুরুষ শাসিত অনুন্নত সমাজে হিজাব পরে নারীরা তুলনামূলক ভাবে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছে। এই দৃষ্টিকোন থেকে অনেক নারী তাই হিজাব ব্যবহার শুরু করেন। (৭)

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক হিজাবের এই প্যাটার্ণটাকেই লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু বর্হিবিশ্বের পরিবর্তনের ধাক্কাটা একটু বিলম্বিত হয়ে এসেছে বাংলাদেশে। উপরন্তু মুক্তিযুদ্ধ এবং পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের সংস্কৃতির একটা প্রভাব এতে যুক্ত হয়েছে। ৭১ এর আগে যেখানে ইসলামিক রাষ্ট্র হিসেবে তৎকালীন সমাজে হিজাবের প্রচলন ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল, স্বাধীনতার পরে তার থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশে নারীরা বিভিন্ন কাজে যুক্ত হতে শুরু করেন। ৯০ এর পরে দেখা যায় বৈশ্বিক পরিবর্তন এবং বাংলাদেশে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির ডালপালা গজাতে শুরু করলে প্রচুর নারী আবার হিজাব গ্রহণ করতে শুরু করেন। বর্তমানে পরিবারের শাসন, ধর্মীয় মূল্যবোধকে আঁকড়ে ধরা কিংবা পুরুষ শাসিত সমাজে স্বাধীনভাবে চলাফেরা এসমস্ত কারনে দোহাই দিয়ে বাংলাদেশের নারীরা হিজাব পরা শুরু করেছেন।

হিজাব স্বাধীনতার সর্মাথক নয়
সহজ হিসেবে হিজাব বা বুর্কা পরাটা এক ধরণের ডিস্ক্রিমিনেশন। নারী একটা ভোগ্য পণ্য এবং নারীর চেহারা তাই লুকিয়ে রাখতে হবে। এইরকম ধারনাকে প্রোমোট করে হিজাব বা বুর্কা । নারী একজন পূর্ণ মানুষ এবং একজন পুরুষের যদি চেহারা লুকিয়ে রাখতে না হয় তাহলে নারীকে কেনো হিজাব বা বুর্কা ব্যবহার করে চেহারার
আংশিক বা পূর্ণ অংশ লুকিয়ে রাখতে হবে? একই ধরণের পুরুষ পোশাকের কোনোটিতেই কিন্তু চেহারা ঢাকার কোনো ব্যবস্থা নেই। (২) হিজাব তাই পরিষ্কারভাবে নারীর প্রতি একটি ডিস্ক্রিমিনেশন।

অনেকে আইডেন্টিটির কথা বলেন। এটা সত্যি যে হিজাব বা বুর্কা মধ্যপ্রাচ্যের এবং অন্যান্য দেশের নারীদের একটা আইডেন্টিটির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এর সুত্রপাত কোথায়? ছোটোবেলা থেকে ধর্মীয় আচারের একটা অংশ হিসেবে এদের অধিকাংশের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে হিজাব বা বুর্কা। আগলে রাখা হয়েছে অন্দরমহলে। ক্রমাগত মগজ ধোলাইয়ের ফলে এই হিজাব বা বুর্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে একজন নারীর আইডেন্টটি।

এটা অস্বীকার করা যাবে না যে খুব অল্পসংখ্যক নারী নিজে থেকে হিজাব বা বুর্কা বেছে নেন। কিন্তু এর পিছনের কারন অনেক ক্ষেত্রেই হবু বা বর্তমান স্বামীর অভিরূচি। কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সমাজে মিশতে চাওয়ার প্রবনতা থেকে, বান্ধবীর অনুকরনে হিজাব ব্যবহার করতে দেখা যায়।

অনেকে হিজাব বা বুর্কা পরলে ফর্সা হওয়া যায় কিংবা স্কিন ভালো থাকে বলে দাবী করেন। প্রথমতঃ এতে গায়ের রংকে প্রাধান্য দেয় এরকম একটা ঘৃণ্য প্রথাকে প্রশয় দেয়। আমাদের সমাজ থেকে এধরণের বিশ্রী প্রথাগুলো যত দ্রুত সম্ভব বিদায় করতে হবে। দ্বিতীয়তঃ স্কিন ভালো থাকার বিষয়টি একটি মিথ। বরং ইন্টারনেট সার্চ করলে সূর্য্যের আলোর অভাবে স্কীন ক্যান্সার হবার অনেক উদাহরন পাওয়া যাবে।

দুষ্ট ছেলের চোখ কিংবা ঈভটিজিং এড়ানোর জন্য একটা ইফেক্টিভ মেকানিজম হিসেবে অনেকে দ্যাখেন হিজাবকে। কিন্তু এই আর্গুমেন্টগুলি অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক এবং ঈভটিজিংয়ের মতো সমস্যাগুলোকে সমূলে বিনাশ করে না। সুতরাং হিজাব বা বুর্কার ব্যবহার কোন যৌক্তিক পদ্ধতি নয়। বরং এর ব্যবহার এই মেয়েগুলোকে আরো ভীরু, পশ্চাদপসর করে ফেলে।

শেষ কথা
দেখা যাচ্ছে হিজাবের প্রাথমিক প্রচলনে ইসলাম ধর্মের কোনো ভূমিকা ছিলো না। মধ্যযুগে নারীকে দমিয়ে রাখতে এবং পরে মুসলিম নারীদের একটা আইডেন্টিটি হিসেবে হিজাব এবং বুর্কার বিস্তার ঘটে।

নারীকে কোনোকালেও কেউ এই স্বাধীনতা দেয়নি হিজাব বেছে নেবার বা বর্জন করবার। একসময় একদল পুরুষ এসে বলেছে এটা ভালো, আরেক দল বলেছে খারাপ। কিন্তু সত্যিকারের নারীদের কি মতামত সেটা কেউ জানতে চায়নি।

আরো দেখা যাচ্ছে বর্তমানকালে হিজাবের প্রচলনের পিছনে মূলতঃ পুরুষশাসিত সমাজ দায়ী। শিশুকাল থেকে নারীদের ব্রেইন ওয়াশের ফলে এবং পরবর্তীতে স্বামী বা শ্বসুর বাড়ীর চাপে হিজাবের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন নারীরা। হিজাব বা বুর্কা ব্যবহার করে স্কিন ভালো বা ফর্সার হবার ধারণাটিও ভুল এবং পরিত্যাজ্য। উপরন্তু অনেক ক্ষেত্রে ঈভটিজিংয়ের সমাধান হিসেবে হিজাব বা বুর্কা ব্যবহার করে থাকেন অনেকে। যদিও ঈভটিজিং নামক ব্যাধিটি তাতে আরোগ্য লাভ করে না।

এ পর্যায়ে এসে একটি বিষয় দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে বর্তমান সমাজে হিজাবের ব্যবহারে ধর্ম এবং পুরুষশাসিত সমাজের ভূমিকা মূখ্য। এদের চাপিয়ে দেয়া এই পরিধেয় বস্ত্রটি দীর্ঘদিন অভ্যাসের ফলে হয়ে ওঠে নারীর আইডেন্টিটি। ফলে পরিবারের শাসন থেকে বেরিয়ে এসেও এরা হিজাবকে আঁকড়ে ধরেন নিজেদের পরিচয়ের একটা অংশ হিসেবে।

পশ্চিমে বুর্কার প্রতি বিরূপ মনোভাব আংশিকভাবে গ্রহণযোগ্য। পর্দার আড়ালে মানুষকে ভয় পাওয়াটা মানুষের ন্যাচারাল প্রতিক্রিয়ার অংশ। তবে এ ব্যাপারে ফ্রান্সের মতো এক্সট্রিম পদক্ষেপ নিয়ে বুর্কা নিষিদ্ধ করাটা বাড়াবাড়ি। এতে করে এই সমস্যাটার সমাধাণ তো হবেই না বরং হিজাব পরিধাণ করা নারীরা আরো বিচ্ছিন্ন মনে করবেন সমাজ থেকে।(৯)

হিজাবের বিপরীতে পশ্চিমের নারীদের পণ্য হয়ে ওঠাও সমালোচনার বাইরে নয়। এসবই সেই পুরুষশাসিত সমাজের পুরুষদের মনোরঞ্জনের জন্য গড়ে ওঠা।

এ পর্যায়ে এসে নারীদের প্রতি তাই আমার অনুরোধ থাকবে হিজাব বা বুর্কা যদি আপনার আইডেন্টটির একটা অংশ হয়ে থাকে তাহলে আরেকবার ভেবে দেখুন। হিজাব আপনাকে কোনো প্রোটেকশন দেয় না উপরন্তু আপনাকে সামনে অগ্রসর হতে বাঁধা দেয়। এরপরও যদি আপনার আইডেন্টটি হিসেবে একে আঁকড়ে ধরে রাখতে চান তাহলে আপনাকে আমার শ্রদ্ধা থাকবে।

দ্বিতীয়তঃ আপনার শিশু মেয়েটিকে হিজাব বা বুর্কা বন্দী করবেন না। এমনিক মানসিকভাবে তাকে প্রস্তুত করবেন না যেনো বড় হলে হিজাব গ্রহণে বাধ্য হয়। বরং তাকে হিজাবের খারাপ দিক গুলো সর্ম্পকে জানান। প্রাপ্তবয়স্ক হবার পরও যদি আপনার কণ্যাসন্তান হিজাব বেছে নেয় তাহলে সেটা তার স্বাধীনতা। সে যদি হিজাব গ্রহণ না করতে চায় তাহলেও যেনো আপনার পরিপূর্ণ সাপোর্ট থাকে তার সাথে। আর শুধুমাত্র এভাবেই গড়ে উঠতে পারে নারী স্বাধীনতা।

পাদটীকা

১.বাংলাদেশের জলবায়ু
২.বিভিন্ন ধরনের হিজাবের তালিকা
৩.হিজাবের সপক্ষে লেখা ব্লগ
৪.সিরিয়ান হিজাব তালিকা
৫.হিজাবের ইতিহাস
৬.হিজাব ইতিহাস
৭.হিজাব
৮.ফ্রান্সে হিজাব ব্যান
৯.হিজাব বির্তক

লেখাটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্য এখানে জানাতে পারেন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: