Archive for September, 2011

September 30, 2011

কখনো যা বলতে চাইনি

খুব হিংসা হয় যখন দুই বন্ধুকে দেখি মন খুলে প্রাণ খুলে হেসে হেসে মনের কথা বলছে। আমার সারা জীবনেও সৌভাগ্য হয়নি কারো সাথে মন খুলে কথা বলার।

বাস্তবতার চাপেই হোক, কি পরিবেশের প্রভাবেই হোক অথবা নিজের বানানো বিভাজনের কারণেই হোক, অনেকগুলো বলয় নিয়ে আমাদের চলতে হয়। বন্ধুদের বলয়, সহকর্মীদের বলয়, সহপাঠীদের বলয় বা পরিচিতদের বলয়। এগুলো ম্যানেজ করে সবাই চলছে, কোথাও কোন সমস্যা হচ্ছে না। আমার ব্যাপারটা হয়তো একটু আলাদা। খুব ছোটবেলা থেকেই পারিবারিক প্রথা আর সামাজিক প্রথা, এ দুইয়ের সাথে মিশে চলতে হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে পারিবারিক প্রথা সামাজিক প্রথার সাথে সাংঘর্ষিক হয়েছে। আবার কোথাও সামাজিক প্রথার সাথে সংঘর্ষ লেগেছে পারিবারিক প্রথার।

read more »

Advertisements
September 22, 2011

রদ্যাঁর ভাস্কর্য

P1210849
অগুস্ত রদ্যাঁ- একটি নাম, একজন শিল্পী, একটি প্রতিষ্ঠান, একজন ভাস্কর, একটি শিল্প, কালের গ্রাসকে অগ্রাহ্য করে টিকে থাকা একজন অতিমানব। বর্তমান বিশ্বে ভাস্কর্য নিয়ে কথা বলা মানেই অগুস্ত রদ্যাঁকে নিয়ে কথা বলা। মনে করা হয় উনবিংশ এবং বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ ভাস্কর এই ফরাসীই, কিন্তু আসলে সমগ্র শিল্প কলার ইতিহাসে একমাত্র ফ্লোরেন্সের মাইকেল এঞ্জেলো বাদে আর কোন শিল্পীই ভাস্কর হিসেবে চতুর্দিকে এমন সুবাস ছড়ানো সন্মান পান নি। বিশ্বের যে কোন জাদুঘর রদ্যাঁর একটি ভাস্কর্য সংগ্রহে রাখতে পারলেই নিজেকে ধন্য মনে করে, প্যারিসের একাধিক জাদুঘরে রদ্যাঁর ভাস্কর্য আছে, আছে ফ্রান্সের বাহিরেও, কিন্তু তার তৈরি শিল্পকলার মূল সংগ্রহ সবই সন্নিবেশিত আছে প্যারিসের রদ্যাঁ জাদুঘরে। আমাদের আজকের যাত্রা সেদিক পানেই-

read more »

September 22, 2011

ডিজুস যুগের ব্যাপার-স্যাপার

বাংলা সাহিত্যের যুগ অনুযায়ী আধুনিককাল শুরু হয়েছে ১৮০১ সাল থেকে। তবে গ্রামীনফোন ডিজুস সিম বেশ আগে আনলেও ডিজুস যুগ হিসেবে একটা যুগের সূচনা খুব বেশীদিনের নয়। বছর দুই ধরে এই যুগের নাম হয়ত আড্ডা মাতাচ্ছে, তার বেশী তো অবশ্যই নয়। তা এই যুগে ঢাকা শহরে বৃষ্টি হোক বা না হোক, বন্যায় শহর তলিয়ে যায় যায় অবস্থা; আর তা হচ্ছে প্রেমের বন্যা। হায়রে প্রেম; সবার এমনি সন্দেহ বাতিক হয়েছে যে ছেলে মেয়ে মাইল খানেক দূরত্বে হাঁটলেও সবার সন্দেহ, টেলিপ্যাথির মাধ্যমে নির্ঘাত প্রেম চলছে ফাস্ট ফুডের দোকানগুলি সব কানায় কানায় ভরা। এত টাকা কি করে এদের পকেটে আসে; আল্লাহ মালুম।

read more »

September 22, 2011

শেক্সপীয়ার অ্যান্ড কোম্পানি, কিলোমিটার জিরো, প্যারিস (বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত বইয়ের দোকান)

একখানা টেবিল ঘিরে চলছে জম্পেশ আড্ডা। উপস্থিত আছেন এজরা পাউন্ড, গ্যারট্রুড স্টেইন, হেনরি মিলার, জেমস জয়েস, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, সিনক্লেয়ার লুইস, স্কট ফিটজেরাল্ড, স্যামুয়েল বেকেট, পল ভ্যালেরি। তুমুল হৈ হট্টগোল, করতালির সমাহার। আড্ডার বিষয়বস্তু- সমকালীন সাহিত্য। নিশ্চয়ই ভাবছেন বিশ্বসাহিত্যের এই রথী-মহারথীরা একাট্টা হয়েছেন এমন কোন আড্ডায়! আজ্ঞে না, আমি যে সময়ের ছবি আঁকছি তখন একমাত্র মহামতি স্টেইন আর পাউন্ড বাদে বাকী অন্যদের নাম বিশ্ব তো দূরে থাক পরিবারের বাইরেই কেউ জানত না। তবে এই আড্ডা থেকেই আস্তে আস্তে ক্ষুরধার হতে থাকে তাদের লেখনী, ছড়িয়ে পড়তে থাকে যশ, ছিন্নঝুলি ভরে উঠতে থাকে পুরস্কারের পর পুরস্কারে। সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী হন এখানকার বেশ কজন, কিন্তু সবাই-ই পান একজন লেখকের সবচেয়ে বড় পুরস্কার- পাঠকের অকৃত্রিম ভালবাসা আর লেখনীর অমরত্ব। আড্ডার স্থান- শেক্সপীয়ার অ্যান্ড কোম্পানি, এক জীর্ণ পুরনো বইয়ের দোকান, কিলোমিটার জিরো প্যারিস।

shakesand-co

read more »

September 22, 2011

আগামেমননের সোনার মুখোশ ও গ্রীসের জাতীয় পুরাতত্ত্ব জাদুঘর

P1210200

এথেন্সের ন্যাশনাল আর্কিউলজিক্যাল মিউজিয়ামের সামনে দাড়িয়ে আছি মুগ্ধ চিত্তে। অতি সুদৃশ্য ভবন, উপরে দেবতা অ্যাপোলো, দেবী আফ্রোদিতির প্রমাণ আকারের ভাস্কর্য, সারি সারি উঁচু স্তম্ভ, নীলাকাশকে পিছনে রেখে উপরে পতপত করে উড়ছে গ্রীসের নীল-সাদা পতাকা। একেবারে গ্রীক ধারার স্থাপত্য। বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি সবচেয়ে সমৃদ্ধ পুরাতত্ত্ব জাদুঘরের এটি একটি আর ইতিহাসের নানা পর্যায়ের মাঝে বর্তমান আধুনিক সভ্যতার জন্মদাতা গ্রীক সভ্যতার এমন নানা অতুলনীয় নিদর্শনের সংগ্রহ সারা বিশ্বে দুটি নেই। বলা হয়ে থাকে সমস্ত সংগ্রহ খুটিয়ে দেখা তো দূরে থাক মোটামুটি আবছা ভাবে মূল ও অতি বিখ্যাত শিল্পকলার নিদর্শনগুলো দেখতেই এক দিনের বেশি লাগে এথেন্সের এই জাদুঘরে।

read more »

September 21, 2011

গণিতের নোবেল, আবেল পুরস্কার ২০১১-এর উৎসবে

মূল লেখার লিংক

গত ২৪শে মে নরওয়ের অসলোতে উদযাপিত হয় আবেল পুরস্কার ২০১১-এর উৎসব। গণিত ও সঙ্গীতে চমৎকার এক অপরাহ্ন কাটল সেদিন, এ লেখাটি তার উপর।

নোবেল ও আবেল পুরস্কার
ডাইনামাইট আবিষ্কার করার সুইডিশ রসায়নবিদ আলফ্রেড নোবেল (Alfred Nobel) আশাবাদী হয়ে উঠলেন, পৃথিবীতে যুদ্ধ-হানাহানির অবসান ঘটতে যাচ্ছে। বিবদমান দুটি সৈন্যদল যখন উপলব্ধি করবে এক নিমেষে তারা পরস্পরকে ধ্বংস করতে সক্ষম, তখন পৃথিবীর সভ্য জাতিগণ নিশ্চয়ই তাদের সেনাবাহিনী রাখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবে না আর। কিন্তু পরিহাস, জীবনের শেষ দিনগুলোতে পৃথিবীতে শান্তি দেখে যাননি নোবেল; তার একটি বড় কারণ, ডাইনামাইট!

read more »

September 16, 2011

প্রযুক্তির টাইম মেশিন : সিডি বা কমপ্যাক্ট ডিস্ক

বর্তমানে আমরা সিডি অনেক কাজে ব্যবহার করি। কিন্তু পূর্বে সিডি শুধু গান শুনার কাজে ব্যবহার করা হতো। অনেক আগে গান শুনার জন্য প্রধান মাধ্যম ছিল গ্রামোফোন বা কলের গান(vinyl record)। সেই বড় আকারের থালার মত ক্যাসেট কে কিভাবে আরও উন্নত করে আকারে ছোট করবে তা নিয়ে গবেষণা করতো অনেক গবেষকরা। সেই চেষ্টায় আজকের এই সিডি বা কমপ্যাক্ট ডিস্ক(Compact Disk)। আসুন জেনে নেই এই সিডি র জন্ম ইতিহাস ও পথচলার গল্প।

read more »

September 16, 2011

অদ্ভুত চিত্রকর্ম (পেন্সিল সাপনার)

মানুষের ক্রিয়েটিভিটির কোনো নির্দিষ্ট সিমা পরিসিমা নেই। সৃষ্টিকর্তার মহান এক সৃষ্টি মানুষের চিন্তা শক্তি। শুধু মাত্র চিন্তাশক্তির কারণেই মানুষ আজ নিজেকে আলাদা করে প্রমান করতে পেরেছে যে তারাই আশরাফুল মাখলুকাত, সৃষ্টির সেরা জীব। মানুষের অভাবনীয় উদ্ভাবন ক্ষমতা রয়েছে, রয়েছে সাধারণকে অসাধারণ করে তোলার ক্ষমতা। খুবই নিম্নমানের অপ্রয়োজনীয় কিছু সজিনিস দিয়ে অসাধারণ শিল্পকর্ম তৈরি করার একধরেন অসম্ভব ক্ষমতা রয়েছে মানুষে। তেমনই কিছু অদ্ভুত চিত্রকর্ম নিয়ে আমাদের এই আয়োজন।

আজ প্রথম পর্বে দেখুন পেনসিল চোখানোর পরে পেনসিলের পাতলা যে আবরন পরে থাকে তা দিয়ে তৈরি করা কিছু চিত্রকর্ম।


read more »

September 16, 2011

প্রাণীদের প্রাকৃতিক ছদ্মবেশ

প্রতৃকি সকল প্রাণীকেই দিয়েছে তার নিজের মত করে আত্মরক্ষার সুযোগ আর দিয়েছে নিজের খাবার যোগার করে নেয়ার উপযুক্ত যগ্যতা। একটি সিংহ বা চিতা যদি নিচেকে বনের মাঝে লুকাতে না পারতো তাহলে কি সে সহজে তার খাদ্য জোগার করতে পারতো? না, পারতো না। আবার একটা প্রজাপতি বা ব্যাঙ যদি নিজেকে ঠিক মত লুকাতে না পারে তাহলে সে সহজেই অন্যের খাদ্যে পরিণত হয়ে যাবে। তাই প্রকৃতি প্রায় প্রতিটি প্রাণীকেই দিয়েছে পরিবেশের সাথে নিজেকে মিশিয়ে নিয়ে লুকিয়ে থাকার একটা আশ্চর্য ক্ষমতা। এটাকে বলা হয় প্রাকৃতিক ছদ্মবেশ। দেখুন প্রাণীগুলি কি করে নিজেদেরকে লুকিয়ে ফেলে পরিবেশের সাথে নিজেকে মিশিয়ে দিয়ে।

১। সবুজ গিরিগিটি

গাছের পাতার সাথে মিশে আছে সবুজ একটি গিরিগিটি।

read more »

September 16, 2011

সময়ের কথা

যদিও শিরোনাম দেখে মনে হতে পারে ইতিহাস নিয়ে কথা বলবো, আসলে তা কিন্তু নয়। মূলত আমি সময় নিয়ে কথা বলবো। সময় নিয়ে তেমন ভাবে বলার কিছুও নেই, আমরা সকলেই জানি সময় হচ্ছে প্রবাহিত নদীর মত, বয়ে চলে যায়। সময়কে মাপার জন্য অনেকগুলি একক আমরা তৈরি করে রেখেছি যাদের সেকেন্ড-মিনিট-ঘন্টা ইত্যাদি ইত্যাদিতে প্রকাশ করা হয়। আজকের এই ক্ষুদ্র আলোচনায় আপনাদের সামনে সেইসব একককেই তুলে ধরতে যাচ্ছি। এগুলি হয়তো অনেকেরই জানা, কিন্তু গুটিকয়েক জনেরও যদি জানা না থাকে আর আমার এই লেখা থেকে তারা যদি তা জানতে পারেন তাতেই আমি খুশি। তাহলে শুরু করা যাক সময়ের এককগুলি জেনে নেয়ার এই চেষ্টা।

সিদ্ধান্তজ্যোতিষের (৩০০-১২০০খৃ:) সময়ে সময়কে অনেকগুলি বিভাগে ভাগ করা হতো। সেই বিভাগগুলি দেখার আগে আরও কিছু জিনিস আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। বাংলা চলচিত্রের একটি বিখ্যাত গান আছে –

“এক পলকে একটু দেখা
আরও একটু বেশি হলে ক্ষতি কি?”

read more »

September 16, 2011

হিজাব বা নারীদের ইসলামিক আচ্ছাদন: পরাধীনতা না স্বাধীনতা?

বাংলাদেশের মতো মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রে হিজাব বা ইসলামিক আচ্ছাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে দেশে জলবায়ু মূলত গরম এবং আর্দ্র সে দেশে প্রকৃতপক্ষে হিজাব পরার জন্য উপযুক্ত নয়। ৫০-৭০ দশকে এই হিজাব মূলতঃ এক্সট্রিম ইসলাম মনস্কদের মাঝে বিরাজ করলেও ৯০ এর দশক থেকে এই মনোভাবের পরিবর্তন আসতে শুরু করে। দেখা যায় খুব ইসলাম মনস্ক না হয়েও স্বেচ্ছায় একদল নারী হিজাবকে বেছে নিচ্ছে। হিজাব যদি পুরুষ শাসিত সমাজে নারীদের দমিয়ে রাখার একটা হাতিয়ার হয়ে থাকে তাহলে এই পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গীর ব্যাখ্যা কি? হিজাব কি পরাধীনতার প্রতীক নাকি স্বাধীনতার?

read more »

September 16, 2011

হ্যারি পটার বিষয়ক আবজাব

টার্ম ফাইনালের ছুটিতে ‘প্রিজন ব্রেক’ খতম দেবার পর হঠাৎ করেই মনে হল-এই যা, ছুটিতে তো কোন ইংরাজি ফিল্মই দেখা হইলো না। দু-দশটে ফিল্ম না দেখলে ছুটি অন্তে বন্ধুমহলে মুখ দেখানো দায় হয়ে যাবে। বন্ধুরা যখন জিজ্ঞেস করবে, এই ছুটিতে কী কী করলি- তখন “শুয়েবসেসঙ্গমবিরহে কাটিয়েছি” এমন উত্তর দিলে ধোলাই খাবার প্রবল সম্ভাবনা আছে। এদিকে, খুচরা-খাচরা ফিল্ম দেখতে ইচ্ছা করে না। ব্যবসা যখন করবোই, তখন পাইকারী ব্যবসাই করি- এমন একটা ধারনা থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম, হ্যারি পটার রিভাইজ দেয়া যাক। বহু বছর আগে, যখন আরবেরা খেজুরে কেমিক্যাল মেশাতো না এবং শাকিব খানও তখন “কিং খান” হয়নি, সেই সময় ডিভিডি কিনে পটার সিরিজের প্রথম তিনটি মুভি দেখেছিলাম। পাঠক হয়তো আমার সাথে একমত হবেন যে, এককালে আমাদের অনেকেরই গোলাভরা ডিভিডি এবং পুকুরভরা মুভি ছিল। জুকারবার্গের যুগে এসে সেইসব পুকুরচারী মুভি এসে আশ্রয় নিয়েছে টেরাবাইট হার্ডডিস্কে। তো হার্ডডিস্ক চষে পটার সাহেবের কিছু ছুটাছাটা মুভি পাওয়া গেলো। আশেপাশের চল্লিশ বাড়ির মধ্যেই বাকিদেরও সন্ধান পাওয়া গেলো। সবগুলোকে দ্রুত বিচার আইনে asap এক ফোল্ডারে বন্দী করা হল।হুম, জাতি এখন প্রস্তুত পটার সাহেবের আট রকম কারিগরি দেখার জন্য। শাহরুখ খান তো বলেছেনই, “মানুষ একবার জন্মে, একবার মরে আর একবারই হ্যারি পটার দেখে।”

read more »

September 16, 2011

পোপের দেশ ভ্যাটিকান সিটি

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্বায়ত্বশাসিত দেশ ভ্যাটিকান সিটি আয়তনে মাত্র এক বর্গ কিলোমিটারের চেয়ে কম হলেও এর প্রতাপ দৌর্দন্ড। বিশ্বের নানা প্রান্তের শতকোটি ধর্মপ্রাণ ক্যাথলিক নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখে এই ক্ষুদে ভূখণ্ডটিকে, এখানেই যে বাস করেন তাদের ধর্মের জীবিত সবচেয়ে সন্মানিত ব্যক্তি পোপ! যার মুখ নিঃসৃত বাণী বিশ্বাসীদের কাছে ধর্মসৃষ্ট ঈশ্বরের অমোঘ বাণীর মতই পবিত্র। সেই সাথে বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ জাদুঘর, যা বিশ্বের সেরা সব চিত্রকর্ম আর ভাস্কর্যের সম্ভার, বিশ্বের ২য় বৃহত্তম গির্জা, উচ্চতম গম্বুজ আর বিশ্বের সুন্দরতম ছাদ সিস্টেইন চ্যাপেল- এইসবই একসাথে ভ্যাটিকান সিটিকে পরিণত করেছে ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণের প্রাণকেন্দ্রে। চলুন বন্ধুরা, ঘুরে আসি এই স্বর্গীয়, অপার্থিব, অনন্য, অসাধারণ, অতুলনীয় সৌন্দর্যময় শিল্পকলার প্রাণকেন্দ্র পোপের দেশ ভ্যাটিকান সিটি থেকে।

September 2, 2011

“সিনেমাগ্রাফি ছবি” (ছবি ব্লগ) -না দেখলে একটু হলেও মিস করবেন

পেজটি পুরো লোড হলে তবেই ভালোভাবে দেখতে পাবেন………….

এত ফু দিচ্ছি তবুও নিবছে না কেন, আমাদের দেশে তো ল্যাম্পকে ফু দিলেও নিভে যায়.

read more »

September 2, 2011

হ্যাকারস’ ক্যাম্প

ডিজিটালাইজেশানের এই অবধারিত যুগে বাংলাদেশের সরকার, রাজনীতি এবং জীবন-যাপন, সবকিছুর ডিজিটাল হয়ে যাবার খবর হাওয়ায় ভাসছে। বাংলা কিংকর্তব্যবিমূঢ় শব্দটি বলতে দাঁত ভেঙ্গে গেলেও, ইংরেজী ডিজিটাল শব্দটি বলা খুব সহজ বিধায় পাড়ার ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার থেকে শুরু করে মসজিদের ইমাম, পান খেয়ে ঠোঁট লাল করে রাখা সাংসদ থেকে শুরু করে পেট-মোটা পুলিশ অফিসার সবাই মিলে একযোগে ডিজিটাল বলতে বলতে বাংলার আকাশ-বাতাস পর্যন্ত ডিজিটালাইজড্‌ করে তুলেছেন।

তবে বাংলাদেশ ডিজিটাল হলাম হলাম করতে করতেই বিশ্বে শুরু হয়ে গেছে ডিজিটাল আক্রমণ। ভারত আর চীন থেকে যে পরিমাণ তথ্য প্রযুক্তিবিদ গ্র্যাজুয়েট হয়ে বের হচ্ছে, তার ধারে কাছেও নেই ডিজিটাল প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় ব্যবহারকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সচেতন ব্যক্তিমাত্রই এখন জানেন যে, ভবিষ্যতের যুদ্ধ গোলাবারুদে হবে-না, ঢাল-তলোয়ারের যুগতো অনেক আগেই শেষ; ভবিষ্যতের যুদ্ধ হবে ডিজিটাল যুদ্ধ, সে–যুদ্ধের যোদ্ধারাও হবেন ডিজিটাল যোদ্ধা।

read more »