মুসলিমদের বিশ্বাস করা ১০টি মিথ

মানুষ বিশ্বাস করে, আবার কোনও ঘটনার পিছনে কারণ খুজে,এভাবে ই মানুষ তার অন্ধ বিশ্বাস থেকে বের হয়ে আসে।কিন্তু আমার জীবন কাল এ আমি অধিকাংশ মুসলিমদের দেখেছি এ সব মিথ বিশ্বাস করতে,তার বাচ্চাদের শিখাতে। অধিকাংশ মিথ বের হয়েছে নিজেদের অন্য সবার চেয়ে নিজেদের ভাল প্রমান করতে,আর এসব কাহিনী যুগ যুগ ধরে সবার মধ্যে ছড়িয়ে যাচ্ছে। শিক্ষিত মুসলিমরাও এসব বিশ্বাস করেন।মনে হয় এসব কাহিনী দিয়ে তারা তাদের ধর্মকে মহিমান্বিত করতে চান। পুরনো কোনও এক সময়ের কথা ভেবে বর্তমান দুরবস্তার কথা ভুলে থাকতে চান।এ থেকে মানসিক প্রশান্তি যে আসে না আমি অস্বীকার করি না,কিন্তু সত্য তো সত্যই

এ রকম কিছু মিথ যা নিয়ে মুসলিমরা তর্ক করেন, এমন কিছু ধর্মান্তরিত হওয়ার কাহিনী যা বলে তারা তৃপ্তি লাভ করেনযা দিয়ে মানুষ কে বোকা বানাতে চান,তা নিয়ে আমার এই লেখা।

মিথ ১:ইসলাম শব্দের মানে শান্তি।

সবাই ছোটবেলাতে পরেছি,আমাদের বই গুলো তে লেখা ছিল যে ইসলাম মানে শান্তি।ইসলাম মানে আসলে অনুগত হওয়া,submission।Lissan al-Ara(one of the most authoritative lexicons of the Arabic language)এর মতে islam শব্দের root istaslama যার অর্থ অনুগত হও।মূল root SLM যার থেকে আসছে যা থেকে এসেছে salam যার অর্থ শান্তি,কিন্তু এটা থেকে তো আরও অনেক শব্দ আসে,কিন্তু তা ব্যাবহার হয় না। যাহোক ইসলাম শব্দের প্রকৃত অর্থ আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা,এখন অনুগত হতে যা যা করা লাগে তাই করা ইসলামর লক্ষ্য।আমার ঠিক জানা নেই ঠিক কখন থেকে ইসলাম মানে শান্তি এটা প্রচার করা শুরু হয়েছে।

মিথ ২:মক্কা পৃথিবীর কেন্দ্র।

এটা নিয়ে আসলে অনেক কিছু বলার নেই। পৃথিবীর আকার কমলালেবু র মত। একটা কমলা লেবুর কেন্দ্র কিভাবে তার পৃষ্টদেশে থাকবে তা আমার বোধগম্য নয়। অর্ধশিক্ষিতদের তর্কে অন্যতম পছন্দের যুক্তি।

মিথ ৩:এমন কি NASAর ছবি তে দেখা গেছে চাঁদকে দুই ভাগ এ ভাগ করা হয়েছিলো।

কোরান এর ৫৪তম সূরা তে উল্লেখ আছে,নবী চাঁদকে দুই ভাগ এ ভাগ করেছিলেন।এটা নবীর অন্যতম একটি মিরাকল।যদিও পৃথিবীর অনেক অংশে solar ecclips এর মত ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ রয়েছে এমন কোনও ঘটনার কথা কোথাও লিপিবদ্ধ নেই।বিশিষ্ট ইসলামিক গবেষকরাও বলেছেন, অন্য কোনও ইতিহাস এ এমন ঘটনার উল্লেখ নেই।যাহোক nasaর তোলা কিছু চন্দ্রপৃষ্টের ছবি দেখিয়ে অনেক এ দাবি করেন এটা নাকি চাঁদ কে দুই ভাগ করার ছবি।

যে গুলো কে এমন ছবি বলে দাবি করা হয় আসলে তা lunar rilles এর ছবি। এগুলো চন্দ্রপৃষ্টেসহ solar system এর অন্য গ্রহেও দেখা যায়।এগুলো কয়েকশো কিলোমিটার দীর্ঘ আর কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত গভীর হতে পারে।এরা চাঁদকে ঘিরে নেই যে বোঝা যায় চাঁদ দুই ভাগ এ ভাগ হয়েছিল।এরা নদীর মত আঁকাবাঁকা অথবা তির্যক অথবা লম্বা হতে পারে।আরও আগ্রহ থাকলে নেট থেকে দেখে নিতে পারেন।

মিথ ৪:নীল আর্মস্ট্রং মুসলিম হয়েছেন

নীল চন্দ্রপৃষ্টে পা রাখা প্রথম মানুষ। একটি আরব ম্যাগাজিন দাবি করে উনি নাকি চাঁদ এ নেমে আযান এর শব্দ শুনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা য় লেখা হয়,ই মেইল এর মাধ্যমে ও এই মিথ দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে।যাদের বিজ্ঞান এ সামান্য পড়ালেখা আছে তারা জানেন চাঁদ এ বাতাস নেই,বাতাস ছাড়া শব্দ চলাচল করতে পারে না। তাই এমন শব্দ শোনার প্রশ্ন আসে না।পরে জানা যায় নীল মুসলিম হন নি, এটা একটা মিথ।

মিথ ৫:মাইকেল জ্যাকসন এর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

পপ সম্রাট নাকি মুসলিম হয়েছেন এমন কথাও বাতাস এ অনেকদিন ভেসে বেরিয়েছে ।পরে জানা যায় এটাও একটা মিথ।মাইকেল এর ভাই জারম্রিন জ্যাকসন মুসলিম হন, এবং উনি চেয়েছিলেন উনার ভাই ও মুসলিম হন।কিন্তু মাইকেল তা হন নি।এটা নিয়ে উনি পড়াশোনা করেছিলেন।উনার মৃত্যুর পর উনাকে খ্রিষ্টান ধর্ম মতে সমাহিত করা হয়।অনেকে বলেন gives thanks to allah গান টি মাইকেল এর গাওয়া।গান টি আসলে zain bhikha র গাওয়া।যা আরও একটি মিথ।

মিথ ৬:এপ্রিল ফুল দিবস গ্রানাডাতে মুসলিমদের মসজিদ এ আগুন লাগিয়ে মারার স্মরণে পালন করা হয়

স্পেন এ মুসলিম দের পরাজয় মুসলিমদের মনে পরলে বোধ হয় অনেক কষ্ট লাগে। তাই এপ্রিল ফুল এর মত নির্দোষ একটি দিবস কে তারা এর সাথে মিলিয়ে একাকার করে দিয়েছে।১৪৯২ সালে গ্রানাডা তে খ্রিষ্টান বাহিনী প্রবেশ করে জানুয়ারী তে। এতে মোটামুটি সব ইতিহাসবিদ একমত। তাই এপ্রিল মাস আসার কোনও কথা নেই।আসলে এপ্রিল ফুল দিবস পালন করার ইতিহাস আরও প্রাচীন। এটার সাথে এমন ঘটনার কোনও যোগাযুগ নেই।wikipedia থেকে এপ্রিল ফুল র ইতিহাস পড়ে নিতে পারেন।

মিথ ৭:পেপসি একটা ইসরাইলী কোম্পানি যার নাম অর্থ ইসলাম বিরোধী।

মুসলিম দের মধ্যে একটা কথা প্রচলিত,PEPSI অর্থ নাকি pay each penny to save israel।পেপসি বিক্রি করা টাকা দিয়ে ইসরাইলী রা অস্র কিনে মুসলিম দের উপর গণহত্যা করে।আসলে pepsi শব্দ টা এসেছে পেপসিন থেকে যা আমাদের পাকস্থলীর জারক রস।এটা সেই ১৯০৩ থেকে পেপসিকোলা নাম এ পরিচিত যখন ইসরায়েল এর জন্মও হয়নি।

মিথ ৮:দাঁড়ি রাখলে দৃষ্টিশক্তি ভাল হয়।

আমার শোনা অন্যতম হাস্যকর মিথ এটা।আমি জানি না দাঁড়ির সাথে চোখ এর কি সম্পর্ক??যদিও এমন মিথ এর সাথে বৈজ্ঞানিক গবেষণার নাম বলা হয়,আসলে দেখা যায়,এগুলো কোন ছোট সাময়িকীর প্রতিবেদন থেকে সৃষ্টি,এবং পরে তা অপরকে জানানোর আগে যিনি কথা ছড়ান দেখে নিতে ভুলে যান,যে বৈজ্ঞানিক গবেষণা করার কথা বলা হয়েছে তা আসলেই হয়েছে নাকি কল্পনা প্রসূত।

মিথ ৯:নবী মোহাম্মাদ ইতিহাস এর শ্রেষ্ঠ মানব সারা পৃথিবী এটা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে।

মাইকেল হার্ট এর এই The 100: A Ranking of the Most Influential Persons in History বইটা নিয়ে আমার কোনও আপত্তি কিংবা বিরাগ নেই.হার্ট একজন ইহুদি,উনি যখন এই বই এর প্রথম নাম সবচেয়ে বেশি influencial হিসেবে মোহাম্মাদ এর নাম পছন্দ করলেন এটা নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়,কারন উনি জেসাস কিংবা বুদ্ধএর ও আগে রাখেন ইসলাম ধর্মের প্রবক্তা মোহাম্মাদকে।এ ব্যাপারে উনার মতামত Muhammad was “supremely successful” in both the religious and secular realms. He also accredits the authorship of the Qur’an to Muhammad, making his role in the development of Islam far more influential than Jesus’ collaboration in the development of Christianity।ভাল কথা।উনি এমন কথা বলছেন শুনলে অনেক মুসলিম বইটা ঘর এই রাখবে না।

এবার আসি মিথটার ব্যাপারএ।আসলে এই বইটা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষদের তালিকা না।এটা ইতিহাসে মানব সমাজের উপর যাদের অনেক প্রভাব ছিল তার তালিকা।যে তালিকার ২৯ নাম্বারএ আছে চেঙ্গিস খান এর নাম আর ৩৯ নাম্বার এ আছে হিটলার এর নাম।অনেকে ব্যাপারটাকে এমন ভাবে প্রচার করেছে যে এটা শ্রেষ্ঠ মানুষের তালিকা।

মুসলিম হলে এটা মানতেই হবে মোহাম্মাদই সর্বকাল এর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ,তেমন খ্রিষ্টানদেরও জেসাস কেই শ্রেষ্ঠ মানতেই হবে,তেমনি বৌদ্ধদের গৌতম বুদ্ধ কে।কোন মাইকেল হার্ট বই লিখেছেন বলে খ্রিষ্টানরা মোহাম্মাদকে শ্রেষ্ঠ মানব মানবেন না।আদতে দেখা যায় হার্ট এর বইকে ভুল ভাবে উপস্থাপন করা হয়। অনেক মুসলিম তর্ক করার সময় এই তথ্যটা দিতে খুব-ই পছন্দ করেন।

মিথ ১০:ইসলামিক স্বর্ণযুগ

অনেক এ বিজ্ঞানে পশ্চিমা দের অগ্রগতি দেখে বলেন,পশ্চিমারা ইচ্ছা করে মুসলিমদের পিছনে ঠেলে রাখছে।মুসলিমদের বিজ্ঞান এ একসময় স্বর্ণযুগ এসেছিল,তখন পশ্চিমে অন্ধকার চলছিল।আসলে এমন কথার ভিত্তি খুব নড়বড়ে।আসলে আরব মুসলমানরা পশ্চিমকে দিয়েছিল গ্রীক আর ভারতীয়দের সংরক্ষণ করা জ্ঞান।আর যেসব মুসলিম বিজ্ঞানী আর দার্শনিকদের কথা আমরা শুনি তারা আসলে ততটা মূলধারার মুসলিম ছিলেন না।তখনকার মুসলিমরা ধরে নিয়েছিলেন যে সব জ্ঞান যখন কোরান এ আছে,এটা পড়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ।তাই ভাল ছাত্ররা বেশি ঐদিক এ যেত।মুসলিম বিজ্ঞানীর কথা আসলে ইবনে সিনার কথা অনেক এ বলতে পছন্দ করেন।কিন্তু উনি জীবনকাল এ নাস্তিক হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন।উনি আরিস্তাতল এর দর্শন বিশ্বাস করতেন,মদ পান করতেন।সুন্নি রা শিয়াদের যেহেতু মুসলিম বলে স্বীকার করে না,তাই উনাকে এইদিক থেকেও মুসলিম বলা যায়না।এরপর ও মুসলিমরা যখন তাদের বিজ্ঞানী দের নাম বলে প্রথম এই কেন উনার নাম বলে আমি বুঝি না,এটা আরেক টা মিথ বলা যায়।প্রধানত ইবনে সিনা ছিলেন অ্যারিস্টটল এর ধারণার দার্শনিক তাই উনি পৃথিবীর ধ্বংসের ধারণার সাথে একমত ছিলেন না,যা কোরান বিরোধী।তাই পরবর্তী সময়ের আরেক বিখ্যাত দার্শনিক আল গাযযালি তার ধারণা সমুহর বিরোধিতা করেন। যাদের আগ্রহ আছে পড়তে পারেন।আসলে ঐ সময়ের অনেক দার্শনিক যাদের মুসলিমরা নিজেদের বলে গর্ব করে তারা হয় কোরান বিরোধী মতবাদ দিচ্ছেন বলে অভিযুক্ত করেন,অনেক কে শিয়া বলে সুন্নিরা মুসলিম মানেন-ই না।আসলে তখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে উন্নতি হয়েছিলো তার সাথে মুসলিম শাসনের তেমন কোনও সম্পর্ক নেই। এমন না,এই বিজ্ঞানী দার্শনিকরা রাষ্ট্রের অনেক সাহায্য পেয়েছিলেন।তাই আপনি যখন wikipedia তে এই স্বর্ণযুগ নিয়ে পড়েন,আপনি এদের অনেক এর নাম দেখেন আসলে তাদের সাথে শাসক দের আর সাধারন মানুষের ব্যাবহার আপনার অজানা।শুধু এই নিয়ে আলাদা একটা লেখা লিখে ফেলা যায়,লেখার ইচ্ছাও রাখি।

আপনি যখন গর্বের সাথে বলতে শোনেন,কেমিস্ট্রি শব্দ টি এসেছে আল কেমিতি থেকে,আপনি এটা বলতে ভুলে যান আল কেমিতি বিভিন্ন বস্তু থেকে স্বর্ণ প্রস্তুত করার pseudoscience।আপনি বলেন গণিতবিদ্যার অগ্রগতি এর সাথে ইউরোপিয়ান দের পরিচয় করায় আরবরা,আপনি জানতে ভুলে যান এই অগ্রগতির অনেকটা এনেছে ভারতীয়রা,যা শুধু আরবরা নিয়ে গিয়েছিল।আপনি বলেন,গ্রীকদের কাজ এর সাথে মুসলিমরাই পরিচিত করেছিল বাকি বিশ্বকে,আপনি বলতে ভুলে যান এই অনুবাদের অধিকাংশ করেছিলো আরব খ্রিষ্টান এর ইহুদীরা।আপনি স্পেন এ মুসলিম শাসন এর স্বর্ণযুগ এর কথা বলেন,স্পেন এ আপনি অন্য ধর্মের মানুষদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক এ পরিণত করেছিলেন বলেন না।আপনি জানেন অনেক গ্রীক বই অনুবাদ করেছিল,তার মধ্যে প্লাতো ও অন্যতম,এই অন্যতম মানুষের মাত্র একটা বই ই অনুবাদ হয়েছিলো।আসলে মুসলিমরা যা করেছিলো তা শুধু পরিচয় করানো,চীন এর কাগজ,আফ্রিকার কফি এরকম,হয়তো কিছু আবিষ্কার ও হয়েছে কিন্তু তা প্রত্যেক সমাজ এ এমনি তেও হয়।। এটা ঠিক,মুসলিমরা ঐ সময় ইউরোপিয়ানদের চেয়ে এগিয়ে ছিল,কিন্তু সেটা সম্ভব হয়েছিলো নিজেদের আবিষ্কার এর জন্য ভাবাটা ভুল। ইউরোপিয়ানরা এই জ্ঞান পেয়ে ব্যাবহার করল,তাই আজ তারা এই পর্যায়ে।

কেন এই স্বর্ণযুগ এর কাহিনী?আসলে মুসলিমরা তাদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে এত হতাশ অতীত থেকে তারা প্রেরণা খুঁজতে চায়,র বিশ্ব কে দেখাতে চায় তারা বিশ্ব কে বোমা হামলা ছাড়াও কিছু দিচ্ছে।কিছু পশ্চিমারাও এটা সাপোর্ট করছে।পরে এটা নিয়ে আরও লিখবো আশা রাখি।

আমি এই লেখাটা লিখিনি এই ভেবে এটা পড়ে অনেক এ পরিবর্তিত হবেন।এই লেখা লিখেছি এই আশা থেকে যারা এই লেখা পড়বেন তারা এই মিথ গুলো নিয়ে ভাববেন,পড়ালেখা করবেন,এবং এই মিথগুলো কোথাও উপস্থাপন করবেন না।আর সবশেষে বলতে চাই,আমি যখন ‘মানব সভ্যতায় মুসলিমদের অবদান’ এরকম লেখা পরি,আমার মনে হয় মানব জাতির ইতিহাস অনেকদিনের,এখানে সব মানুষ মিলে মিশে সভ্যতার জন্ম দিয়েছে।আপনি যখন মানব জাতিকে বারবার মনে করিয়ে দিবেন আপনি তাদের কি দিয়েছেন,তখন বোঝা যায়,আসলে মানব জাতির অগ্রগতিতে আপনার ভুমিকা অল্প ছিল,আর আপনি ভয় পান যে মানুষ সেটা ভুলে যাবে।মানবজাতির ইতিহাস আসলেই অনেক বড় ইতিহাস।

http://www.somewhereinblog.net/blog/sondhatara/29376929

লেখাটির ব্যাপারে আপনার মন্তব্য এখানে জানাতে পারেন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: